মহারাজ নন্দকুমার  এক বিখ্যাত ঐতিহাসিক চরিত্র |

পলাশীর যুদ্ধের সময় তিনি হুগলীর ফৌজদার ছিলেন | পরে নবাব মীর জাফরের দেওয়ান | বাংলার দেওয়ানী
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে যাওয়ার পরও তিনি প্রথম চারজন নায়েব এর একজন ছিলেন | সুতরাং যে কোন
অবস্থাতেই তিনি শাসকের সুনজরে থাকতে পেরেছিলেন |
কিন্তু গভরনর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস এর সাথে তাঁর চরম শত্রুতা বেঁধেছিল, কারণ নন্দকুমার হেস্টিংস
এর, মুন্নি বেগম এর কাছ থেকে ঘুষ নেবার কথা নাকি কাউনসিলের প্রতিপক্ষের ইংরেজ সদস্যদের জানিয়ে
দিয়েছিলেন | হেস্টিংস তাঁকে উচিত শিক্ষা দেবার সুযোগ খুঁজছিলেন | সেই সময় জনৈক মোহন প্রসাদ, মহারাজ
নন্দকুমারের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা করেন | সুপ্রীম কোর্টের চীফ জাস্টিস এলিজা ইমপে,
নাকি হেস্টিংস এর স্কুল জীবনের বন্ধু ছিলেন এবং এই মামলার রায়ে মহারাজ নন্দকুমারের ফাঁসির সাজা হয় |
৬ই মে ১৭৭৫ এ তা কার্যকর করা হয় |
এই ঘটনাটি ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থার একটি অতি কালিমালিপ্ত
অধ্যায় হিসেবে আজও গণ্য করা হয়
|

সেই সময়ের বাংলায় সামাজিক কারণে, বৈষ্ণব ভাবধারা কে সরিয়ে শাক্ত ভাবধারা প্রকাশ পাচ্ছিল | শাক্ত মতে
মহারাজের বিশ্বাসের পরিচয় আমরা পাই তাঁর কয়েকটি শাক্ত-পদ এর মধ্য দিয়ে |

.                          --- উত্স:   কমলকুমার গঙ্গোপাধ্যায়, শাক্ত-পদ সাহিত্য ও শাক্ত-পদাবলী চয়ন
মহারাজ নন্দকুমারের শাক্ত-পদাবলী  
HOME
HOME BANGLA

আমরা
মহারাজ নন্দকুমারের ছবি
সংগ্রহ করতে পারি নি | কেউ
যদি তা আমাদের পাঠান, তাহলে
আমরা এই স্থানে সেই ছবির
সাথে তাঁর নাম দিয়ে কৃতজ্ঞতা
স্বীকার করবো |
srimilansengupta@yahoo.co.in