তপন করের কবিতা যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
জঙ্গলে একা এলে
জঙ্গলে একা এলে
ভাল থাকে না কেউ
পাতার বৈরাগ্যে অবহেলার জল জমে
গড়িয়ে যায় নির্জনতা
নির্জনতা ভালবাসে কে ?
পিছনে অমাবস্যার জমাট বাঁধা অন্ধকার
সাগ্রহে সরিয়ে রাখি -- কেন্দু পাতা
আনুপাতিক ছায়ার বিস্তার ঘিরে
বড় হয়ে উঠছে পরাজয়, নষ্ট ভুর্জে লেখা ভবিষ্যত্
জঙ্গলে একা এলে
ভালো লাগে না
নির্জনতা ভালবাসে কে ?
**************
আমার গেরস্থলি
সযত্নে লুকিয়ে রেখেছে পুরনো ছবি
আমি ড্রয়ার খুলে কোনদিন পাইনি
সিমান্তের তার কাঁটা দেখিয়ে ভাঙতে বলেছ বাধা
আমি পেরোতে পারিনি
দূরে চলে গেছ! রাতপাখি ডেকে গেছে অনেক্ষন!
জলের হাতছানি দেখে পায়ে পায়ে
এগিয়ে গেলে নদী----
নদীতো নয়
পার হলে সমস্ত চষাক্ষেত, দুফসলি জমি
আল চিরে ভাগ করে নিতে গিয়ে
কান্নায় ভিজে গেছে দৈঘপ্রস্থে আমি
আমার গেরস্থলি
************
নিজস্ব বুটিক
সাড়িতে আকাশ মিশে সুগভীর কৃষ্ণসায়র
জলপরীরা স্নানরত, পাড়ের স্থল পদ্ম জলে পড়ে
শালুক ছায়া! জুড়াবে মন --- মনোপুত সব কটি
তাহলে ফিরে যাবেন ? সেটি হচ্ছে না! আয়নায়
দাগ দিয়ে চলে গেলে মুখ দেখবেন কিসে ?
পথ তো মনে রাখে না কিছু, শুধু নিজেকে মেলে ধরে
নিজস্ব বুটিক সাজিয়েছি! ইচ্ছের সমান্তরাল!
লোভের বরফকুচিতে বৃষ্টির ফোটা পড়ছে ---
************
দুর্ঘটনা
দোকান বন্ধ দেখে ফুল না কিনেই
তোমাকে দেখতে গেছি, রক্তপাতহীন বিকেলের আকাশ
মুখোমুখি সংঘর্ষে থেথলে যাওয়া ড্রাইভারের কেবিন
জল দিয়ে ধোওয়া চাকার শিহরণ ----
তোমার পায়ের নিচে সর্ষে ছড়িয়ে ভ্রমণ বৃত্তান্ত রেখে
আগুনে নামিয়ে রেখেছি অশৌচ
গঙ্গা স্নানে যেতে অনেক বাঁকি ----
সেদিন বৃষ্টি হয়নি! ভারি মেঘ আকন্দের
উপশম নিয়ে ঘিরে ছিল নদীর চর ----
দলবদ্ধ শবযাত্রীর কাঁধে অচেনা মৃতদেহ!
************
তুই ফিরে আয় (সিঙ্গুরের কবিতা) কবিকণ্ঠে আবৃত্তি শুনুন
পোড়া মাংসের গন্ধ বাজেমেলিয়ার অনশন মঞ্চ
পর্যন্ত পৌঁছায়নি অথচ আকাশ বারুদে মেঘের
উত্তাপ ছড়িয়ে দিয়েছে......
মা লক্ষ্মী পাটে আসীন হতে গিয়ে নূতন চালের
ভাত ছড়িয়ে কাকে ডেকে এনেছেন?
মুখে ছাই পুরে শেষমেশ তোকেই......
মাঠে ধান, কলামুলো দাঁত বার করে হাসছে
সেচের অপেক্ষায় থেকে পাতার ক্লোরোফিল
জমিয়ে রাখছে শিশিরের অশ্রুকণা
যাবনা বলেও উন্মাদিনী তোকেই যেতে হল?
আর ফিরেই যখন এলি তখন লাশ
'এ লাশ আমরা রাখবো কোথায়' মাটিও আমার নয়
RAF পুলিশের কনভয় ঘোরে
গৃহদেবতার থানে, প্রিয় পাখীটিও গিয়েছে উড়ে
দেবী কোনদিন পাটে বসবেন না......
পায়ের শর্ষে রেখে যা, এবারের মত ফিরে আয়
তুই ফিরে এলে তোকে শ্মশানের কাঠ চিরে
জলচৌকি গড়িয়ে দেব......
************
এই কবিতাটি এখানেই প্রথম প্রকাশিত হল
. উপরে
. সিঙ্গুরের কবিতায় ফেরত
. কবি তপন করের অন্যান্য কবিতার পাতায় চলুন
শ্মশানে কার লাশ (সিঙ্গুরের কবিতা) কবিকণ্ঠে আবৃত্তি শুনুন
শ্মশানে কার লাশ? জানে না প্রতিবেশী
চাষীর মৃতদেহ ঘিরে শকুনের উল্লাস শুনি শুধু
মৃতের চোখ ছুঁয়ে মায়ের কোলে শোয় দামাল শিশু
শ্মশানে কার লাশ? ভয়ে বলেনি কেউ চেনা
মৃত্যু জীবন নয় জানি, মৃতের জীবন থাকে না
শুধু মনে পড়ে
আমিও লাশ হলে মৃতদেহ উঠোনে রেখে
সন্ততি শোকস্তব্ ধ আগুনে হাত সেঁকতে সেঁকতে
১৪৪ ধারা পেরোবে?
শ্মশানে কার লাশ জানে না পুলিশ!
************
এই কবিতাটি এখানেই প্রথম প্রকাশিত হল
. উপরে
. সিঙ্গুরের কবিতায় ফেরত
. কবি তপন করের অন্যান্য কবিতার পাতায় চলুন
চাষের জমি (সিঙ্গুরের কবিতা) কবিকণ্ঠে আবৃত্তি শুনুন
এ জমি আমার বলে চিত্কার করে ওঠে
চাষী, মাঠের ধান পড়ে থাকে মাঠে
সান্ কি মেরে ধান নিয়েছে
কানকি দিয়ে ধান বেচেছে
জমিন দিয়ে পেট
জলের দরে ভিটে বাড়ি
পেটের ছেলের জেলেই পাড়ি
বন্ধ হল গেট
মুত্রে ধুয়ে লাল পতাকা, শূলের দণ্ডে
শুকিয়ে নিয়ে লাশ ঢেকেছে এ তল্লাটে
আয় যাবি কে মুক্তি পেতে বর্গা কাণ্ডে
জমিয়ে রাখতে লক্ষ্মীভাণ্ডে মন্ত্রপূত মুণ্ড চারটে
ঠিকঠাক অগ্রপথিক
দলে দলে শিল্প শ্রমিক
এগিয়ে যাচ্ছে কৃষির ভিত্তি স্বপ্ন সফল কারখানাতে
নিজের পিছন নিজেই মেরে হাসছে গাড়ল হাড় হাভাতে !
************
এই কবিতাটি এখানেই প্রথম প্রকাশিত হল
. উপরে
. সিঙ্গুরের কবিতায় ফেরত
. কবি তপন করের অন্যান্য কবিতার পাতায় চলুন
দহন
ভুলের মধ্যে এই অভিমান লণ্ডভণ্ড
হবে জেনেই পাপের মাথা বাড়িয়ে রাখি
কুয়োর দিকে, আকাশ ভাঙ্গা প্রচণ্ড এক
উলকাপাতে পিষ্ট হতেই জীবন পাখি
উড়তে থাকে বাধাবিহীন
সঙ্গে ছিল তুমুল বাতাস ব্যথার প্রলেপ অর্থহীন
স্রোতের কাছে হাঁটুমুড়ে কৃতাঞ্জলি
শিকড় ছেঁড়া ঘাসের মতো ছিন্নমূলি
পাপ করেছি, বুকের বামে তুষের আগুন
জ্বলতে থাকে ; ধূপ ছিল তাই পুড়ছে দ্বিগুন
শূণ্য বুকে দাহ্য বলেই সম্ভবত
ছাই উড়েছে যথা তথা ইতস্তত
************
. উপরে
জলে নামলেও
সমস্ত দিন নদীর কাছে দাঁড়িয়ে থেকেও
ছুঁতে পারিনা এক বিন্দু জল, গেরস্থালির বারবারান্দায়
হাওয়ার সুগন্ধে উড়ে যায় প্রজাপতি
ডানায় ফুলের পরাগ ; আমাকে প্রলুব্ ধ কাকের মতো
অনবরত নিয়ে যেতে চায় বাইরে
অথচ ঘর, সংসার, সন্তান, প্রিয় নারীর সোহাগ
ছেড়ে দুর্দান্ত নেমে যেতে পারি না গভীরতর স্রোতে
হাঁটুর কাছে জল উঠতেই অঞ্জলি ভরে নিতে গেলে
বিষন্নতার লবণে দ্রবীভূত হয়ে যায় সমস্ত ঈপ্সা
ছুঁতেই পারি না --- হাঁটুর উপর জল!
************
. উপরে
পক্ষীস্তুতি
সম্ভাব্য রোদ্দুরকে অগ্রাহ্য করেও আকাশ
অধিকন্তু নীল! সদ্যবিধবার মত ম্লান
অথচ উর্বর | গানের কলি হয়ে ভেসে যেতে চাইছে
ফুল, বীজের সমারোহ হীন ক্ষয়াকৃতি বৃক্ষের কোটরে
মাছরাঙা পাখীর ডিম ফুটে যে বাচ্চারা
অচিরাত্ বেরিয়ে আসবে তাদের ডানায়
ক্লোনিং করা থাকবে মৃত ডাইনোর কোশ
উড়তে গিয়েই সরীসৃপ হয়ে যাবে
আগামী পাখীরা..... |
************
. উপরে
দাগ
সমস্ত পাথরের দাগ মুছেও ঝাঁঝির
রসিকতা লেগে থাকে বুকে |
প্রপিতামহের নিপূণ কোঠার ফাঁকে
অশথ্বের শিকড়ে এসিড ঢেলে মারতে পারি না
প্রতিটি অবাঞ্ছিত |
সবকিছু ভাঙে, বয়সের গাছপাথর থেকে
অশোকের শিলালিপি, মঙ্গলের হলোগ্রাম
অজানা থাকে না, যন্ত্রঅভিচালিত
যোগাযোগ ব্যবস্থায় পারদর্শী হয়ে উঠি
অথচ জলের দাগ মুছতে গেলে
হৃদয়েও দাগ পড়ে!
************
. উপরে
পুতুল
আমার মা প্রতিদিন নির্বাসন ফিরে
গুছিয়ে রাখেন আমার বিদ্যালয় ফেরত ভৌগলিক
অভিপ্রায়গুলি, পূর্ববঙ্গের অভ্যাসমতো
মাটির উপর ছক কেটে অতিক্রম করতে বলেন
বাবার লাম্পট্যময় জীবনের যাবতীয় দাগ
আমি লাইটপোস্টে হাত রেখে
আলোর দিকে তাকিয়ে থাকি
আর দেখতে পাই আমার মা
পার বাংলার জল কাদায় ভিজে
একটা পুতুল গড়ে নেবার চেষ্টা করছেন.....
************
. উপরে
সিঙ্গুর কথা
সর্গ : এক
অভিযোজন পারদর্শী যৌনাচার মুখর রাতে
নিমের ফুল ফোটে গর্ভাঙ্কুরে, তূর্ণ জল প্রপাতে
ভাসমান সাপের রতি বিলাস
নখাঘাতে বিক্ষত উরুর পলাশ
ঝরে-প্রথম ঋতু স্নান সারে কিশোরী
বয়স ; আজ খ্যাত অহংকারে জ্যোত্স্নার পরী
বেসিন বিহারে, বিবেক তেজবান ঘোড়ার খুরে
বে সামাল তিরস্কার করে নিজেকে তীরে
তরী ডোবে, ডাহুকের কান্নায় শুকিয়ে যায়
আগ্নেয় লাভা, নোড়ায় শিলে বাটেন
লিঙ্গের মেরুশিকড় ; ভগন্দরে ব্যথা
অশ্ব শৃঙ্গের পাঁচন চাই --- শিরদাঁড়া নিংড়ে
ভি-টনিক, দিল খুস টান টান গিমিক
এখন ফুলবাবু সে ধোপদুরস্ত, অস্ত্রোপচার নেই
নিমেশে উপশম, সমস্যা মিটবেই
ঘেন্না সঘেন্নায় ভোট প্রচার
ব্যালট বাক্সের চাবি চাই --- জমি-দুর্বার
আন্দোলন ও প্রক্ষালন করলেই
মন্ত্রী, পরের বার হাত জুড়ে
নাগরিক উদ্ধার, সম্মেলন গলির মোড়ে
বিরোধীর কুশপুত্তলিকা, ইত্যাদি ---
গুহ্যে দাদ, পায়ে হাজা, গোপন অঙ্গে সিফিলিস্
গদি চাই, পাপোষে খুরধার বচন মুছে
উদ্বাস্তু কলোনীর ধর্ষিতা মেয়ের কাছে
উদ্ধার কর্তা হয়ে যান কমিউনিষ্ট নেতা
বাইরে বেরিয়ে আসে লক্ষ জনতা
ব্রহ্মচারীর অঙ্গুলি নির্দেশে
কোন ছুৎ মার্গ নেই নন্দনের মেয়েছেলে নিমেষে
চলে যায় ময়দান মঞ্চের লাল বেদীতে
ফেলে যায় সাম্যবাদী রেতস্খালনে ভেজা অন্তর্বাস
হাতে লোহার দণ্ড, তাই ছিঁড়ে
শিল্পায়নের লাল পতাকা ওড়ায় '০৬-এর
রাইটার্সে, ছাতা ধরে মাথার উপরে রাখে
চাষী অস্থি-আধার ; এখন কাকে দ্যাখে কে ?
মূত্রালয় উদ্বোধন করে দেয়ালে শৈল্পিক মূত্রাঘাত |
ছুন্নৎ সংস্কৃতির বলীবর্দ বাজার মাত
করে রবীন্দ্রসদনে, কবিপক্ষ জন্মোত্সব
গোমূত্রে ধুয়ে সিঙ্গুরের শব
তিনি বাড়ি ফেরেন, স্ত্রীর বিছানায় এ কে ৪৭ হাতে
অরিন্দম ব্ ল্যাক ক্যাট ; শুতে
পারেন না, ঘুম মাটি তাই
বাতানুকুল ব্যবস্থা সস্তার পাম সড়কে
আমলাশোলে রুটি নেই অতএব পাঁচতারা হোটেলে
রাতের ডিনার সেরে সাস্থ নিবাসে গেলে
গোবলেট ভাঙে ইতালিয়ান পাথরে
নিজের গতরে খেটে সরকারি যৌনযোজনায়
খাদ্যের বিনিময় কাজ চায় গ্রামবাসী
উত্তরবঙ্গে পার্বত্য পরিষদ
পূজোয় স-পার্ষদ ছুটি কাটান, সরকারী খরচ বাঁচে
গাড়ি ঘোড়া বন্ধ অশ্বলিঙ্গের ছাঁচে
রেশান ব্যবস্থায় গাড়ি, তুমুল খাদ্য সম্ভার
ন্যায্য মূল্যের দোকানে মাছ, মাংস, শপিংমলে বাংলার বাহার
লিঙ্গ কেটে কার সর্বনাশ
গুহ্য ফুঁড়ে গুহ্য দ্বারে কাশ
তুচ্ছ ফোড়ায় অষ্টম গর্ভপাত
উল্টে দিয়ে পোঁদেই পদাঘাত ||
সর্গ : দুই
পয়ঃপ্রণালীর স্রোতধারা মিশে যায়
পরিশুদ্ধ পানীয়ে, নাগরিক তৃষ্ণায়
ছড়িয়ে পড়ে অগ্নি নির্বাপক বাণী
আলোর গতিবেগ মাপে স্থাপক কমিশন
ন্যূনতম মূল্যে অনগ্রসর
শ্রেণীর বিধবা রাঁড় সর্বক্ষণের পার্টিকর্মীর
কাছে বাঁধা থাকে, দিনের বেলায় ধ্বজভঙ্গের তাবিজ
এবং গর্ভপাতের শিকড় বেচে
সান্ধ্যপথ সভায়
নেতার ধাতু দুর্বল হয়
করিত্কর্মা সাম্যবাদীর "দুঃসময়"
দেখতে ছুটে যায় হা-ঘরে যুবক
সস্তার চমক কাটে
পরের দিনের সংবাদ পত্রে
যত্রতত্র বিবৃতি নিষিদ্ধ হয়
সাংবাদিক সন্ধ্যায়
অশ্বের যৌন ব্যভিচার বন্ধ করে মহাজাগতিক প্রচার
আপত্কালিন সতর্কতা
এখন ধর্মীয় কথকতা
লণ্ডভণ্ড তিন সান্ কি
বাগড়া মেরে নিজেই খান্ কি
নিজের বিচি নিজের নোড়ায়
শুদ্ধ হাতে নিজেই বাটায়
জনগণের শ্রাদ্ধবাসরে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে
হাঁটুর ব্যথায় গোময়ের তোপমারি জাপ দিয়ে
কঠোর হাতে নির্দেশ আসে
মন্ত্রী সকাশে
দেখা করেন বেশ্যার দালাল
কিন্তু চালান
যেতে হয় না, বিদেশের শিল্পপতি এসে
ক্ষেতের সর্ষে কাটে, বারমাস ফসল
তালুর ঘাস সমূল
তুলে নেমে আসেন তথাগত বুদ্ধ
নিবাণে পরিশুদ্ধ
রক্তবীজ রাক্ষস
সাহস
থাকলে মুখোমুখি মাটির উপরে
দাঁড়াতে পারিস সন্মুখ সমরে ?
আদল বদল ন্যাংটা রাজা
মড়ার মাথায় কর্ত্তা ভজা
গুহ্য ফুঁড়ে গুহ্যদ্বারে কাশ
এই ছিল তোর গোপন অভিলাষ ?
সর্গ : তিন
ভগন্দরে গলগণ্ড
নাভির নিচে খণ্ড খণ্ড
সর্পাঘাতে সর্বহারা
জন্ম দিয়ে কম্ম সারা ?
লিঙ্গ ধুয়ে বনসৃজন
শয্যাতুলে রেতস্খালন !
শীর্ষাসনে পদ্মাসন
যোগমূদ্রায় জনমন !
************
. উপরে
নন্দীগ্রামবাসী
সমস্ত ভয় ও বিড়ম্বনা তোমাকে দিয়ে দেবার পর
মাটিতে পা রেখেছি, মায়ের গোপনতাগুলি
বাজারে খুলে রেখেছি দ্যাখো, এরপর আমার
কিছুই দেবার নেই !
যেখানে ভারসাম্য রেখে মায়ের সম্মান হারিয়েছি
সে মাটি দেব না, আর যা চাও নিয়ে যেতে পারো
গুলির শব্ দ চিনে সদ্য কিশোর বাড়িয়ে নিচ্ছে
ঘরে ভিজিয়ে রেখে অধিকারের বীজ চলে যেতে পারি
কিন্তু জমি চাইলে দিতে পারবো না---ক্ষমা করবেন !
************
. উপরে