কবি বিদ্যাপতি - পঞ্চদশ শতকের শ্রীচৈতন্য-পূর্ব কালীন মৈথিল কবি ছিলেন। তিনি মিথিলার অধিবাসী
এবং মিথিলা রাজ শিব সিংহের সভাকবি ছিলেন। রাজা শিব সিংহ তাঁকে “অভিনবজয়দেব” উপাধিতে
ভূষিত করেছিলেন।  পিতা  গণপতি ঠাকুর, রাম গণেশ্বরের সভাসদ ছিলেন। বিদ্যাপতির বিবাহ হয় চম্পা
দেবীর সঙ্গে। তাঁর মৃত্যু হয় ১৪৪৮ খৃষ্টাব্দের কার্তিক ত্রয়োদশী তে। তাঁর মৃত্যু নিয়ে একটি পদ রয়েছে  
“বিদ্যাপতি আয়ু অবসান, কার্তিক ধবল ত্রয়োদশী জ্ঞান”। কেউ কেউ মনে করেন যে বিদ্যাপতির জন্মস্থান
বিহারের দারভাঙ্গা জেলার বিসকী গ্রামে। বিদ্যাপতি কেবল রাধা-কৃষ্ণেরই নয়, শিব, বিষ্ণু, রাম প্রমুখ  
দেবতাদের নিয়েও রচনা করেছিলেন।

১৫৩৪ শকাব্দে (১৬১২ খৃষ্টাব্দ) কৃষ্ণদাস কবিরাজ বিরচিত শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থে বর্ণিত আছে যে  
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু তরুণযৌবনে সন্ন্যাস গ্রহণের পরে জননীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য যখন বঙ্গদেশে  
প্রত্যাবর্তন করে শান্তিপুরে অদ্বৈত আচার্যের গৃহে উপস্থিত হন, তখন বৃদ্ধ আচার্য্য মহোদয় আনন্দে অধীর
হয়ে অশ্রু গদগদ-কণ্ঠে বিদ্যাপতির প্রসিদ্ধ ভাবসম্মিলনের পদ “কি কহব রে সখি আনন্দ ওর” গেয়ে তাঁর
হৃদয়-দেবতার অভিনন্দন করেছিলেন। কবি যে শ্রীচৈতন্য-পূর্ব কালীন, এ কথা তাই প্রমাণ করে।  
চৈতন্যচরিতামৃতে আরও বর্ণিত রয়েছে যে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু তাঁর অন্তরঙ্গ পার্ষদগণের সঙ্গে দিবারাত্র
চণ্ডীদাস ও বিদ্যপতির বৈষ্ণব পদাবলীর রসাস্বাদন করতেন।

শিশিরকুমার দাশ তাঁর “সংসদ বাংলা সাহিত্য সঙ্গী” (২০০৩) গ্রন্থে লিখেছেন, “বিদ্যাপতি মিথিলার অধিবাসী
ও মিথিলা রাজের সভাকবি। কবি, নাট্যকার, স্মৃতিশাস্ত্রবেত্তা, বহুভাষী, বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী।  
মধ্যযুগের ভারতবর্ষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। যদিও তাঁর কবিতার ভাষা মৈথিলী এবং ব্রজবুলি নামক কৃত্রিম
ভাষা, তাঁর কাব্যের বিপুল সমাদর ছিল বাংলাদেশে। চৈতন্যদেব ও তাঁর ভক্তরা বিদ্যাপতির কাব্যের  
বিশেষ অনুরাগী ছিলেন এবং বৈষ্ণব সমাজে জয়দেব ও চণ্ডিদাসের সঙ্গে সমান শ্রদ্ধায় বিদ্যাপতির নাম
উচ্চারিত হত।

বিদ্যাপতির প্রভাব বাংলায় অত্যন্ত গভীর। তাঁর কাব্যের অনুকরণে বাংলায় অসংখ্য পদ রচনা করা
হয়েছে এবং "বিদ্যাপতি" নামে বাঙালী কবিরাও কাব্য রচনা করেছেন। . . .
চণ্ডীদাস, কৃত্তিবাস প্রভৃতির
মতই তিনি বাংলা সাহিত্যের এক অসামান্য ব্যক্তিত্ব, সত্য ও কল্পনায় গড়া তাঁর প্রতিমূর্তি। তাঁর বহু পংক্তি
শিক্ষিত বাঙালীর স্মৃতিলগ্ন। তিনি একজন প্রাচীন কবি যিনি আধুনিক মনের অত্যন্ত নিকটবর্তী। . . . এই
মৈথিল কবিকে বাঙালী তার শ্রদ্ধা ও অনুরাগ দিয়ে গড়েছে।” এই কারণেই বিদ্যাপতিকে বাঙালী কবিদের
অন্যতম হিসেবেই গণ্য করা হয়।

বাঙালীরা চর্যাগীতির ভাষা থেকে এই ব্রজবুলীকে অনেক সহজে বুঝতে পারেন। অনেক বাঙালী কবি এই
ভাষায় কবিতা রচণা করেছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ভানুসিংহের পদাবলীতে' এই ভাষার ব্যবহার দেখতে
পাওয়া যায়।

বিদ্যাপতির পদাবলী ছন্দ, আলংকারিক নৈপুণ্য ও গভীর হৃদয়াবেগে সমৃদ্ধ। প্রেম ও ভক্তি তাঁর কবিতায়
প্রধান হয়ে উঠেছে।



বিদ্যাপতির ভাষা                                                                   এই পাতার উপরে . . .   
কবি, নাট্যকার, স্মৃতিশাস্ত্রবেত্তা, বহুভাষী, বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী, মধ্যযুগের ভারতবর্ষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ
কবি, বিদ্যাপতি। বঙ্গদেশে তাঁর প্রচলিত পদাবলীর ভাষা ব্রজবুলি।

হিন্দী ভাষার বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে বিদ্যাপতি সর্বাধিক রচনা করেন সংস্কৃত ভাষায়। এছাড়া মৈথিল,
অবহট্ট, প্রাকৃত এবং অন্যান্য দেশী ভাষায়ও তিনি রচনা করে গিয়েছেন। তাঁরা মনে করেন যে তাঁর পদের
ভাষা প্রধাণত মৈথিল কিন্তু তার মধ্যে ব্রজ-এর প্রভাবও দেখা যায়।

বিদ্যাপতি মনে করতেন যে সংস্কৃত ভাষা প্রবুদ্ধজনদের ভাষা। সাধারন মানুষের সঙ্গে এই ভাষার কোনো
যোগাযোগ নেই। প্রাকৃত ভাষায় সেই রস নেই যা সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে। এই জন্য বিদ্যাপতি  
অপভ্রংশ বা অবহট্ট ভাষায় রচনা করতেন। তাঁর “দেসিল বয়না সব জন মিঠ্ঠা, তে তৈসন জম্পও অবহট্টা”
উক্তিতে তিনি বলেছেন যে নিজের ভাষা বা মাতৃ ভাষাই সব চেয়ে মিষ্টি। পদ রচনার সময় মৈথিল  
ভাষাকেই তিনি তাঁর “দেসিল বয়না” করেছেন।



বিদ্যাপতির পদাবলীর রস     
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু-পূর্ব কালের বৈষ্ণব কবি হবার জন্য তাঁর পদাবলীতে ভক্তিরস ও শৃঙ্গার রসের পদ।
বিদ্যাপতির পদাবলী ছন্দ, আলংকারিক নৈপুণ্য ও গভীর হৃদয়াবেগে সমৃদ্ধ | প্রেম ও ভক্তি তাঁর কবিতায়
প্রধান হয়ে উঠেছে |



আসল ও নকল বিদ্যাপতি                                                          এই পাতার উপরে . . .   
ব্রিটিশ শাসনের আই.সি.এস. আইরিশ বংশোদ্ভূত, ভারতীয় ভাষাতত্ত্ববিদ স্যার জর্জ অ্যাব্রাহাম গ্রিয়ার্সন
(৭.১.১৮৫১ - ৯.৩.১৯৪১) প্রথমে মিথিলায় প্রচলিত বিদ্যাপতির পদাবলী সংগ্রহ ও প্রকাশনার সূত্রপাত করেন।
তিনি মিথিলায় বিদ্যাপতির ৮২টি পদ আবিষ্কার করেন। গ্রিয়ার্সন শাহেব, বাংলায় পাওয়া বিদ্যাপতির  
পদাবলীকে অন্য কোনো বিদ্যাপতি বা জাল বিদ্যাপতির রচনা মনে করতেন। কিন্তু ১৮৮২ থেকে ১৮৯৩
সালের সময়ের মধ্যে ক্রমে তিনি তাঁর সেই মত থেকে সরে আসেন এবং তাঁরও মনে হয় যে চতুর্দশ  
শতকের বিদ্যাপতি ঠাকুরের রচনা যা আমাদের কাছে মৌখিকভাবে এসে পৌঁছেছে, তা এখন অবিকৃত  
ভাবে পাওয়া সম্ভব নয়।

অন্যদিকে “বিদ্যাপতির পদাবলী”র সংগ্রাহক নগেন্দ্রনাথ গুপ্ত, দারভাঙ্গায় আবিষ্কৃত বিদ্যাপতির পদাবলীর
প্রায় তিন শো বছরের প্রাচীন হস্তলিখিত পুঁথির সাহায্যে প্রমাণ করেছেন যে, বঙ্গদেশে প্রচলিত বিদ্যাপতির
পদাবলীর ভাষা অনেক স্থানে পরিবর্তিত হয়ে থাকলেও তা অধিকাংশই বিদ্যাপতির রচনা।  

এদিকে বাংলা দেশেও কীর্তন গায়কদের মুখে মুখে বা প্রাচীন পুঁথি থেকে বিদ্যাপতির ভণিতাযুক্ত পদ  
আবিষ্কৃত হয় এবং কে আসল ও কে নকল বিদ্যাপতি এবং তাঁদের শ্রেষ্ঠতা নিয়ে বিতর্ক তৈরী হয়। এই  
বিষয় সতীশচন্দ্র রায় তাঁর “অপ্রকাশিত পদ রত্নাবলী গ্রন্থের” (১৯২৬) ভূমিকায়  নগেন্দ্রনাথ গুপ্তর   
বিদ্যাপতির পদাবলী গ্রন্থের ভূমিকা থেকে উদ্দৃতি তুলে দিয়েছেন --- “বিদ্যাপতির মৈথিল-পদাবলীর প্রথম
সঙ্কলনকর্তা বলিয়া গ্রিয়ার্সন চির-কাল আমাদের কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদভাজন হইয়া থাকিবেন।তাঁহার এই মত
গুলি সমীচীন নয়। মিথিলার বিদ্যাপতির সর্বশুদ্ধ ৮২টি মাত্র পদ আছে এবং তাহাতেই তাঁহার এত যশ, এই
অনুমানই কিছু বিস্ময়জনক। পাঠান্তর সম্বন্ধেও তিনি কিছু অসাবধানতার সহিত মত প্রকাশিত করিয়াছেন।
মৈথিল ব্যাকরণ সঙ্কলন করিয়া ছন্দ ও ব্যাকরণের নিয়মাদির প্রতি তাঁহার লক্ষ্য হইবার কথা, কিন্তু সেই
কারণে এদেশে প্রচলিত পদগুলিকে কৃত্রিম অথবা জাল স্থির করিয়া অবহেলা করা স্বাধীনচেতা রসগ্রাহী
ব্যক্তির উচিত হয় না। তাঁহার সংগৃগিত পদগুলি ও এদেশের সংগ্রহের কাব্যাংশে তুলনা করিয়া
বিচার করা তাঁহার কর্তব্য ছিল। যদি বিদ্যাপতি দুই ব্যক্তির নাম হয়, একজন মিথিলাবাসী ও আর
একজন    বঙ্গবাসী, একজন আসল, দ্বিতীয় ব্যক্তি জাল, এবং যিনি আসল বিদ্যাপতি, তিনি গ্রিয়ার্সন কর্তৃক
সংগৃহিত ৮২টি বই পদ রচনা করেন নাই, তাহা হইলে যে, বঙ্গবাসী জাল বিদ্যাপতি আসল বিদ্যাপতির
অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ কবি, তাহা প্রমাণ করিতে বিলম্ব হয় না। এ দেশে চলিত মোহর যদি মেকি হয়, আর গ্রিয়ার্সন
যদি খাঁটি মোহর আবিষ্কার করিয়া থাকেন, তাহা হইলে মেকিতে সোনা অনেক বেশী। ”  

নগেন্দ্রনাথ গুপ্তর সিদ্ধান্ত বিদ্যাপতির পদাবলীর বিশেষজ্ঞ মৈথিল পণ্ডিতগণ সমর্থন করেছিলেন।  




বিভিন্ন ভণিতায় বিদ্যাপতি                                                         এই পাতার উপরে . . .   
বিদ্যাপতির রচনার সাদৃশ্যপূর্ণ অনেক ভণিতা-হীন পদ বিদ্যাপতির বলে মনে করা হয়েছে। আবার বিভিন্ন
ভণিতায় পাওয়া পদ বিদ্যাপতির বলে মনে করেন কেউ কেউ। বিদ্যাপতি বল্লভ”, “চম্পতি”, “ভূপতিনাথ”
ভণিতায় পদ রচনা করে গিয়েছেন কি না তা নিয়ে একটা আলোচনা চলছেই। “কবিরঞ্জন” ভণিতার
অধিকাংশ পদই বিদ্যাপতির তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কোনো মতভেদ নেই। “কবিকণ্ঠহার” ভণিতাটি যে
বিদ্যাপতির একটি উপাধি ছিল তা বেশ বোঝা যায়। “কবিকণ্ঠহার” ভণিতাযুক্ত পদের সঙ্গে শিব সিংহের
নামও জুড়ে আছে। কবিকণ্ঠহার উপাধি কোনো বাঙালী কবির উপাধি ছিল বলে শোনা যায়নি। পদগুলির
ভাষাও বিদ্যাপতির ভাষার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। “কবিশেখর” ভণিতার কয়েকটি পদও যে বিদ্যাপতির রচনা
তাতে কোনো সন্দেহ নেই। বিদ্যাপতির “নব কবিশেখর” ভণিতার দুটি পদ, “শৈশব যৌবন দরশন ভেল”
(পদকল্পতরু ১০৬) ও “সুন্দরি বেকত গোপত নেহা” (পদকল্পতরু ২৩২), পদকল্পতরু গ্রন্থে উদ্ধৃত করা হয়েছে।
নগেন্দ্রনাথ গুপ্ত “শৈশব যৌবন” ইত্যাদি পদের টীকায় লিখেছেন, “কবিশেখর বিদ্যাপতির উপাধি। তাঁহার
পূর্ব্বে জ্যোতিরাশ্বর ঠাকুর কবিশেখরাচায্য নামে মিথিলার সংস্কৃত কবি ছিলেন, এই কারণে কিছুদিন
বিদ্যাপতি কে ‘নব কবিশেখর’ কহিত।” “নব কবিশেখর” ভণিতাটি দীর্ঘ বলে ছন্দের প্রয়োজনে তা
“কবিশেখর” বা “শেখর” করা অসম্ভব নয়। “কবিশেখর” ও “শেখর” ভণিতার পদও পদকল্পতরুতে সংযোজন
করা হয়েছে। তবে “কবিবল্লভ” বা “রায়শেখর” ভণিতার পদ বিদ্যাপতির নয় এবং “চম্পতি”
বা “রায়চম্পতি” ভণিতার পদও বিদ্যাপতির নয় বলেই সতীশচন্দ্র রায় তাঁর “অপ্রকাশিত পদ-রত্নাবলী”
১৯২৬, সংকলনে লিখেছেন। অন্নদাতা মিথিলার রাজা, শিব সিংহ ও তাঁর স্ত্রী রাণি লখিমা দেবী বা
ললিমাদেই কে গৌরবান্বিত করার জন্য, রাজার নামে, বিদ্যাপতি বেশ কয়েকটি পদ রচনা করেছিলেন বলে
বিশেষজ্ঞদের মনে হয়। সেই পদগুলিতে “সিংহ ভূপতি” ভণিতা দেওয়া আছে। তাহলেও, শুধু “ভূপতি”-যুক্ত
পদ “সিংহ ভূপতি” অর্থাৎ বিদ্যাপতির বলে মনে করা যায় না বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।




বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের সাক্ষাত                                                  এই পাতার উপরে . . .   
এ বিষয়ে সতীশচন্দ্র রায় তাঁর সম্পাদিত অপ্রকাশিত পদ-রত্নাবলী ১৯২৬ গ্রন্থের পদকর্ত্তা ও তাঁহাদের
পদাবলী প্রবন্ধে লিখেছেন যে “পদকল্পতরুর সংকলনের ৪র্থ শাখার ২৬শ পল্লবে বিদ্যাপতি ও
চণ্ডীদাসের
পরস্পর সাক্ষাত্কার ও রস-তত্ত্বের আলোচনা সংক্রান্ত যে কয়েকটি পদ আছে, তাহাতে দেখা যায়, উক্ত
কবিদ্বয় প্রথমে পরস্পরের রচিত পদ পাঠ করিয়াই পরস্পরের দর্শন-লাভের জন্য উত্কণ্ঠিত হন এবং
অবশেষে বোধ হয় গঙ্গা-তীরে তীর্থ-যাত্রা প্রসঙ্গে উভয়ের সম্মিলন ঘটে ; তৎ সময়ে মিথিলার রাজা রূপ-
নারায়ণও বিদ্যাপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। সেই পদসংখ্যাগুলি হল গোবিন্দদাসের “কবি-পতি বিদ্যাপতি”
পদসংখা ২৩৮৬, রঘুনাথ দাসের “জয় জয় শ্রীজয়দেব” পদসংখ্যা ২৩৮৭, অজ্ঞাত পদকর্তার “চণ্ডীদাস
বিদ্যাপতি” পদসংখ্যা ২৩৮৮, অজ্ঞাত পদকর্তার “চণ্ডীদাস শুনি বিদ্যাপতি-গুণ” পদসংখ্যা ২৩৮৯, অজ্ঞাত
পদকর্তার “সময় বসন্ত যাম” পদসংখ্যা ২৩৯০, অজ্ঞাত পদকর্তার “রসের কারণ রসিকা রসিক” পদসংখ্যা
২৩৯১, চণ্ডীদাসের “শৃঙ্গার রস বুঝিবে কে” পদসংখ্যা ২৩৯২, চণ্ডীদাসের “রসিক নাগরী রসের মরা”
পদসংখ্যা ২৩৯৩, আদি চণ্ডীদাসের “চৌদ্দ ভুবন ভুবন তিন” পদসংখ্যা ২৩৯৪।
মিলনসাগরে এই পদগুলি পড়তে
এখানে ক্লিক করুন . . .  

বিদ্যাপতি একটি বিশাল জ্ঞানের সাগর।  আমরা  এ  বিষয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে কিছু তথ্য তুলে দিয়েছি
মাত্র। কোনো বিশ্লেষণ বা মন্তব্য ইত্যাদি করার ক্ষমতা বা ধৃষ্টতা আমাদের নেই। যদি ভুল-ত্রুটি চোখে পড়ে,
জানাবেন। আমরা শুধরে নেবো। আমরা মিলনসাগরে কবি বিদ্যাপতির বৈষ্ণব পদাবলী আগামী প্রজন্মের
কাছে, এই আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে (ইনটারনেট), পৌঁছে দিতে পারলে এই প্রচেষ্টাকে সফল মনে করবো।
চেষ্টা করছি বিদ্যাপতির যতগুলো সম্ভব পদ যোগাড় করে এখানে তুলতে।

বাঙালীরা চর্যাগীতির ভাষা থেকে এই ব্রজবুলীকে অনেক সহজে বুঝতে পারেন | অনেক বাঙালী কবি এই
ভাষায় কবিতা রচণা করেছেন |
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ভানুসিংহের পদাবলীতে' এই ভাষার ব্যবহার দেখতে
পাওয়া যায় |

আমরা
মিলনসাগরে  কবি বিদ্যাপতির বৈষ্ণব পদাবলী আগামী প্রজন্মের কাছে, এই আধুনিক প্রযুক্তির
মাধ্যমে (ইনটারনেট), পৌঁছে দিতে পারলে এই প্রচেষ্টাকে সফল মনে করবো।



কবি বিদ্যাপতির মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন


উত্স -    নীচে দেওয়া উত্স গ্রন্থাবলী সহ . . .     
.          
স্যার জর্জ গ্রিয়ারসন, উইকিপেডিয়া।   
.          
Subhadra Jha, The Songs of Vidyapati, Banaras, 1954
.          
मैथिल कौकिल कवि - विद्यापति, प्रेमेन्द्र प्रताप सिं, महाशक्ति ब्लग।  
.          
मनोज कुमार के ब्लाग।     
.          
राजभाषा हिन्दी ब्लाग।     




আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ২০.১.২০১১
এই পাতার পরিবর্ধিত সংস্করণ - ১৪.২.২০১৭
...
বিদ্যাপতি
( সম্ভবত ১৩৫০ ~ ১৪৪৮ )
বিদ্যাপতির ভাষা   
বিদ্যাপতির পদাবলীর রস   
আসল ও নকল বিদ্যাপতি   
বিভিন্ন ভণিতায় বিদ্যাপতি   
বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসে সাক্ষাত     
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা   
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?         
বিদ্যাপতির মূর্তি নেপালের সিরহা জেলায় প্রতিষ্ঠিত।
ভারত সরকার দ্বারা প্রকাশিত ডাকটিকিট, ১৯৬৫।
*
*
*
*
*
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .