কবি চাঁদ কাজী - হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত "বৈষ্ণব পদাবলী" তে কবির ভণিতা সহ একটি বৈষ্ণব
পদ রয়েছে। তাঁর জীবনকাল ইত্যাদি নিয়ে আর কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই।

ডঃ শিশির কুমার দাশের "সংসদ বাংলা সাহিত্য সঙ্গী" বইটিতে এক ত্রিপুরাবাসী কবি শেখ চাঁদ-এর উল্লেখ
পাই, যাঁর জীবনকাল ছিল সম্ভবত ১৫৬০ ~ ১৬২৫ খৃষ্টাব্দ। শেখ চাঁদের রচনার মধ্যে রয়েছে "রসুলবিজয়",
"কিয়ামৎনামা", "হরগৌরী সংবাদ" প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থ। তিনি ধর্মশাস্ত্রে সুপণ্ডিত ব্যক্তি ছিলেন। কিন্তু এই শেখ
চাঁদই কবি চাঁদ কাজী কি না তা আমরা জানি না।

আমরা
মিলনসাগরে  কবি চাঁদ কাজী-র কবিতা তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে  এই
প্রচেষ্টাকে সফল মনে করবো।

বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"   
বৈষ্ণব পদাবলীর পদগুলি মূলত গান হিসেবেই রচনা করা হোতো। প্রায় প্রতিটি পদের শুরুতেই সেই পদটির
“রাগ”-এর উল্লেখ থাকে। তবে কিছু পদের আগে তার “রাগ”-এর উল্লেখ নেই এমনও পাওয়া গিয়েছে। বৈষ্ণব
পদাবলীর সংকলকগণ যখন তাঁদের সংকলনে পদ সাজান, তখন পর পর একাধিক গানের যদি একই সুর বা
রাগ থাকে, তাহলে তাঁরা প্রথম গানটিতে তার রাগ উল্লেখ ক’রে পরের গানটিতে রাগের যায়গায় “তথা রাগ”
বা “যথা” শব্দ বসিয়ে দিতেন, এই বোঝাতে যে পরের গানটি একই রাগাশ্রিত। কিন্ত এমনও পাওয়া গিয়েছে
যে একই গান বিভিন্ন সংকলকের সংকলনে ভিন্ন রাগাশ্রিত বলে উল্লেখিত। বহু পদই মুখে মুখে গীত  
অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।  তাই  একই গান  বিভিন্ন  গায়কের মুখে ভিন্ন ভিন্ন সুরে পাওয়া গিয়ে থাকতেই
পারে। তাই অনেক বিদগ্ধজনেরা মনে করেন যে এখন আর পদের রাগের উল্লেখ না করলেও চলে। যে  
যেমন সুরে চায়, গেয়ে আনন্দ লাভ করলেই এর সার্থকতা। আমরা অবশ্য যে সংকলন থেকে যে পদ  
নিয়েছি, সেই সংকলনে উল্লেখিত রাগটি মিলনসাগরের পাতায় তুলে দিয়েছি। এমন হতে পারে বিশেষজ্ঞরা
অন্য সংকলনে সেই গানটির অন্য রাগ দেখতে পাবেন।
          



উত্স - হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত "বৈষ্ণব পদাবলী"

কবি চাঁদ কাজী-র মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন

আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ২১.৬.২০১৪
...