বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
চতুর্দশ শতক
বৌদ্ধ সাধকদের সাধন ভজনের তত্ত্বের বাহন চর্যাগীতির পর সর্ব প্রাচীন বাংলা কাব্য হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসের রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তণ
এটি আংশিক সংলাপধর্মী গীতি-আখ্যায়িকা, রাধা-কৃষ্ণের প্রেম ও বিরহের কাহিনী| এটি সম্ভবত চতুর্দশ শতকে রচিত হয়েছিল|
নিচে দেওয়া বড়ু চণ্ডীদাসের রচিত "শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন" সংক্রান্ত যাবতীয় ছবি ও তথ্য আমরা উপস্থাপন করেছি অধ্যাপক
নীলরতন
সেনে
(১৯২৫-২০০০) "বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন, প্রথম খণ্ড(মূল পুথির ফটোমুদ্রণ সংস্করণ)" এবং "বড়ু চণ্ডীদাসের
শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন, দ্বিতীয় খণ্ড(মূল পাঠের আধুনিক বঙ্গানুবাদ)" গ্রন্থ দুটি থেকে। গ্রন্থদুটির প্রকাশক: সাহিত্যলোক, ৫৭-এ
কারবালা ট্যাঙ্ক লেন, কলকাতা ৭০০০০৬।

অধ্যাপক
নীলরতন সেনের জীবন ও কাজ সম্বন্ধে জানতে এখানে এবং এই সাইটেই তাঁর কবিতা পড়তে এখানে ক্লিক
করুন।
*****
এই অতি জটিল বিষয়ের সঠিক বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যার প্রয়োজনে আমরা নিচের ঘরে অধ্যাপক নীলরতন সেনের উপরোক্ত বইয়ের
ভূমিকা থেকে কিছু অংশ উদ্ধৃত করলাম যাতে পাঠকেরা এ বিষয়ে একটি সম্যক্ ধারণা করতে পারেন।
নিচে বিশিষ্ট পুখি বিষারদ বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ (১৮৬৫ - ১৯৫২) দ্বারা ১৩১৬ বঙ্গাব্দে বনবিষ্ণুপুরের কাছে কাঁকিন্যা গ্রামে
শ্রীনিবাস আচার্যের দৌহিত্র বংশের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গৃহে প্রাপ্ত রাধাকৃষ্ণ প্রেমলীলা পালাগেনের পুথির প্রথম ও দ্বিতীয়
পাতা। পরে এই পুথিই শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তন নামে প্রকাশিত হয়। (নিচের ছবি দুটিতে ক্লিক করলেই বড় করে দেখাতে পাবেন)
নিচের ঘরে উপরের দুটি ছবিতে লেখা বড়ু চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্ত্তনের সংশোধিত পাঠ এবং আধুনিক বাংলা রূপান্তর।