চর্যাগীতি - প্রাচীনতম বাংলা কবিতা
(অষ্টম ও নবম শতক)
প্রায় হাজার বছর আগে রচিত চর্যাগীতির বিষয়বস্তু বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্মভিত্তিক। গীতগুলির ভেতর দিয়ে পূর্বভারতীয় প্রাকৃতিক বর্ণনা ও তত্কালীন নর-
নারীর জীবনের ও সেই জায়গার মানব সমাজের ছবি দেখতে পাওয়া যায়। বাংলার এই প্রাচীনতম সাহিত্যকর্ম আবিস্কার করেন  মহামহোপাধ্যায়
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপাল নরেশের পুস্তক সংগ্রহে। এই কঠিন বিষয়ে গবেষণা করেছেন বাংলার আরও জ্ঞানী ও পণ্ডিত বেক্তিত্ব। তাঁদের মধ্যে
আছেন অধ্যাপক প্রবোধ চন্দ্র বাগচী, তারাপদ মুখোপাধ্যায়, অধ্যাপক মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, অধ্যাপক মনীন্দ্রমোহন বসু, শান্তিভিক্ষূ শাস্ত্রী, আচার্য় শ্রী
প্রবোধচন্দ্র সেন, অধ্যাপক নীলরতন সেন প্রমুখ।
নিচে দেওয়া চর্যাগীতির ছবি ও যাবতীয় তথ্য আমরা উপস্থাপন করেছি অধ্যাপক
নীলরতন সেনে (১৯২৫-২০০০) "চর্যাগীতিকোষ" গ্রন্থ থেকে। গ্রন্থটির
প্রকাশক সাহিত্যলোক, ৩২/৭ বিডন স্ট্রীট, কলকাতা ৭০০০০৬।

অধ্যাপক
নীলরতন সেনের জীবন ও কাজ সম্বন্ধে জানতে এখানে  ক্লিক করুন এবং এই সাইটেই তাঁর  কবিতা পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
HOME
HOME BANGLA
চর্যাগীতি এবং তার আধুনিক বাংলা রূপান্তর
তালপাতার উপর লোহার মোটা নিব দিয়ে লেখা, ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর আবিষ্কৃত,  নেপাল রাজদরবারের পুস্তক সংগ্রহে প্রাপ্ত,
১৯৬৯ সালে ছান্সিক ডঃ নীলরতন সেনের তোলা প্রায় হাজার বছরের প্রাচীন বাংলা ভাষায় রচিত চর্যাগীতিকোষ পুথির প্রথম পাতার ছবি |
(বড় করে দেখতে ছবির উপর ক্লিক্ করন)
উপরের ছবিতে উপর ও নিচের লাইনগুলি সংস্কৃত ভাষায় টিকা, কিন্তু বাংলা হরফে লেখা | উপরের ছবির মাঝখানে প্রাচীন বাংলায় লেখা চর্যাগীতি |
নিচের পাতায় আধুনিক বাংলা হরফে উপরের পাতার রূপ |
নিচের পাতায়, উপরে বোল্ড হরফে লেখা চর্যাগীতির সংশোধিত পাঠ এবং আধুনিক বাংলা রূপান্তর |