কবি যুগান্তর চক্রবর্তী - র জন্ম বর্মার রাজধানী রেঙ্গুনে। তাঁদের আদি বাড়ী ছিল অবিভক্ত বাংলার
ফরিদপুর জেলার মাদারিপুর মহকুমার সালদ গ্রাম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে বাবা-মার সঙ্গে দুমাস হেঁটে
ভারতে এসেছিলেন। বাবা আসামে বদলি হয়ে গেলে, তিনি মালদহে মামার বাড়ীতেই মানুষ হন।

মকবি মালদহেই ইংরেজী ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে পড়াশুনা করেন। পড়াশুনা চলাকালীনই তিনি বামপন্থী ছাত্র
আন্দোলন ও কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন এবং কারাবরণ করেন।

কর্মজীবন শুরু হয় এ.জি.বেঙ্গলে, কিন্তু কিছুকালের মধ্যেই বামপন্থী রাজনীতিতে যুক্ত থাকার জন্য চাকরি
খোয়াতে হয়। এরপর তিনি বরাহনগরে ভিক্টোরিয়া হাইস্কুলে শিক্ষকতার কাজে যোগ দেন। ১৯৯৩ সালে,
অবসরের পরেও তিনি নিজেকে যুক্ত রেখেছেন লেখাপড়ার কাজেই। ব্যক্তিগত জীবনে মানিক
বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোট মেয়ে শিপ্রার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।

তিনি খ্যাতি লাভ করেন “মানিক গবেষক” হিসেবে। যার ফলে তিনি সম্পাদনা করেছেন মানিকের শ্রেষ্ঠ গল্প
আর কবিতা এবং তাঁর ডায়েরি। লিখেছেন প্রবন্ধ গ্রন্থ “সমগ্র মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় : দ্বন্দ্বের দুই মুখ”।
প্রকাশিত হয়েছে “অপ্রকাশিত মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় : ডায়েরি ও চিঠিপত্র”।

তাঁর কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে “তিমির সিমান্ত” (১৯৫২), “স্মৃতিবিস্মৃতির চেয়ে কিছু বেশি” (১৯৬৮), “ইষ্টিপত্র
এবং অন্যান্য” (২০০৬)।


আমরা
মিলনসাগরে তাঁর কবিতা তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে নিজেদের সার্থক মনে
করবো |

উত্সঃ আনন্দবাজার পত্রিকার একটি সংখ্যা, ২০১১    
.        
আমাদের বাংলা কবিতা (বল্গ)      


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     



পাতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছে - ২৩.১২.২০১১
পরিবর্ধিত সংস্করণ - ২৪.৬.২০১৫


...