কবি কমলেশ সেন-এর কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
ভারতবর্ষ সেই দেশ এর কবিতায় . . .         অন্যান্য কবিতায় . . .
.       
কবির মৃত্যুর পর প্রকাশিত “অপ্রকাশিত কবিতা” থেকে    
আগুনের শিকড় আমার ভালোবাসা    
আজকের শেষ রোদ্দুর    
আমরা আগুন নিয়ে আগুনের কবিতা লিখব    
আমরা কাঁদি    
আমরা তোমার মুখের দিকে চেয়ে আছি    
আমাকে ভাবায়    
আমাদের চোখের এবং বুকের জ্বলন্ত বারুদ    
আমাদের নিজস্ব এক ভারতবর্ষ    
আমাদের প্রগাঢ় জন্মভূমি    
আমাদের সবার ভালোবাসা    
আমার মধ্যে ছেলেবেলার শহর    
আমি এই সবে মানুষকে দেখলাম    
আমি এভাবেই গুছিয়ে নিচ্ছি কথা    
আমি কলকাতাকে অধীর হয়ে খুঁজলাম    
আমি কোনো কোনো দিন    
আমি জ্বলন্ত বয়সের মতো বেড়ে উঠি    
আমি মানুষটা    
আমি যখন এই বৃষ্টির দেশে এলাম    
আমি যে একটা দেশের শুধু অবাক শব্দ    
আল্লার দেশের প্রেসিডেন্টের জন্যে    
এই পদ্যের শেষ ভাগ    
এই পাখির এবং গাছের দেশে    
এই শহরের নীচে আছে    
এই শহরের বুকের ভেতর    
এই শহরের মতো    
এই সূর্যাস্তেও    
একটি নারীর বুকের ভেতর খুঁজেছি    
এক থোকা আঙুর এবং হৃদয়কে    
কথা হয়ে ওঠে    
কপাট খোল হে    
কবিতার অন্তর্দেশ স্পর্শ করে আছে    
কবিতার অশুদ্ধ গভীর ভাষার মধ্যে    
কবিতার নিঃস্ব ইট এবং পাথর    
কবিতার বুকের ভেতর    
কবিতার রুধির বারুদ এবং রোদ্দুর    
কমরেড এভাবেই নাটক করতেন    
কী অদ্ভুত দেশ না তোমার    
গানের পুরুষ হেমাঙ্গদার জন্য    
চল্লিশ বছর ধরে আমি দেখছি    
চাঁদের দেশে কোনো জলের শিকড় নেই    
চিরটা কাল মানুষ    
চোখের জলের মতো    
চোখের মধ্যে নগন্য জল    
জখম বলতে    
জন্ম জন্মান্তের ভালোবাসা    
জ্বলন্ত ঈগলের পাখনার মতো    
তাদের একহাতে    
তার জন্যেই তো    
তুই চাইলে    
না তুমি, না আমি    
নির্জনতার শব, একখন্ড রুপোর স্বদেশ    
পা বেয়ে বেয়ে উঠে আসছে    
পারলাম কই    
প্রেম এবং দুঃখের মধ্যে    
বালক বয়সের দিকে ছুটতে ছুটতে    
বুকের নীচে    
বৃক্ষের অলক হয়ে উঠেছি    
বৃষ্টির ধারার মধ্যে    
ভারতবর্ষের এতো জমি    
ভালোবাসার জন্যেই    
ভালোবাসা হে, ভালোবাসা    
ভোরের রুপালি প্যাসেঞ্জার    
মাটির মানুষ যেন ভুল না করে    
মানুষের মতো কবিতাও ট্রাক্টর চালাক    
মানুষের শাবক নদীর শাবক    
মাপ করবেন    
মুহূর্তের আর্তনাদ    
যেন ভোরের স্বর্ণকুন্তল    
লেনিনের রাশিয়া    
শহুরে হাঙর    
শিশুদের জন্যে খনিজ-আপেল    
শিশুর মন বলতে    
শোকের মিছিল নিয়ে নয়, জীবনের মিছিল নিয়ে    
সবাই ভালো তো    
সারা দুনিয়ার লেনিন    
স্বপ্নের মধ্যে কজন স্বপ্নের দিগন্তজোড়া ফসল ফলিয়েছে    
স্বাধীনতা ছাড়া কোনো কবিতারই জন্ম হতে পারে না    
হেই, আগুন দেখে যাও    

"ভারতবর্ষ সেই দেশ" কাব্যগ্রন্থের কবিতা          পাতার উপরে . . .  
অগ্নিপলাশ হাসি    
আগুন এবং প্রেমের পুণ্যধারা    
আদি সন্তান    
আমার বাঙলা আমার ভাষা    
এই মাটি বলতে পার   
একটি সংবাদ    
একটু পানি দাও    
এমন মুখরতাই কি ...    
কোন কথাই বলতে পার না    
ক্ষুব্ধ দেশ, বাংলাদেশ    
চোখের পাতায় ভাঙা-নদীর জলে    
তুমি লেখ হৃদয়ের রক্তে    
দুখের দেশে    
পার্টি আমার    
ভাত মানুষের কাছে    
ভারতবর্ষ সেই দেশ     
ভালোবাসা যে সজাগ চোখ    
মৃত নগরীর বাসিন্দাদের    
যুদ্ধের বিরুদ্ধে যুদ্ধ    
যে দেহে বাবুদের বিন্যাস    
রবীন্দ্রনাথও চাই ভাতও চাই    
রাঙা মাটির বাবা ঠাকুরকে    
শিশুদের মুহুর্মুহু গোসা    
সমুদ্রের ক্ষোভ ও গর্জনের কাছে    
স্রোত    
হুজুরের কাছে নিবেদন    

অন্যান্য কবিতা                                     এই পাতার উপরে . . .    
আমি একথাই বলেছিলাম   
আহার হচ্ছে মানুষের সভ্যতা     
একটা চিত্কার পৃথিবীকে গুঁড়িয়ে দিক      
একলক্ষ সজ্জিত মানুষ উত্তরের মাঠে    
এ কী ভালোবাসা গভীর ভালোবাসা       
ওরা টান টান করে পেতে দিল বুক     
ক্ষুধার অন্নের মতো     
যখন আমার পেছনে চাপ চাপ রক্তের দাগ     
সন্দীপের গান     



মিলনসাগর
.
.
.
১।
২।
৩।
৪।
৫।
৬।
৭।
৮।
৯।
১০।
১১।
১২।
১৩।
১৪।
১৫।
১৬।
১৭।
১৮।
১৯।
২০।
২১।
২২।
২৩।
২৪।
২৫।
২৬।
২৭।
২৮।
২৯।
৩০।
৩১।
৩২।
৩৩।
৩৪।
৩৫।
৩৬।
৩৭।
৩৮।
৩৯।
৪০।
৪১।
৪২।
৪৩।
৪৪।
৪৫।
৪৬।
৪৭।
৪৮।
৪৯।
৫০।
৫১।
৫২।
৫৩।
৫৪।
৫৫।
৫৬।
৫৭।
৫৮।
৫৯।
৬০।
৬১।
৬২।
৬৩।
৬৪।
৬৫।
৬৬।
৬৭।
৬৮।
৬৯।
৭০।
৭১।
৭২।
৭৩।
৭৪।
৭৫।
৭৬।
৭৭।
৭৮।


৭৯।
৮০।
৮১।
৮২।
৮৩।
৮৪।
৮৫।
৮৬।
৮৭।
৮৮।
৮৯।
৯০।
৯১।
৯২।
৯৩।
৯৪।
৯৫।
৯৬।
৯৭।
৯৮।
৯৯।
১০০।
১০১।
১০২।
১০৩।
১০৪।


১০৫।
১০৬।
১০৭।
১০৮।
১০৯।
১১০।
১১১।
১১২।
১১৩।
*
*