এই বিরল প্রতিভাধর কবি ২রা মার্চ ২০০২ সালে দক্ষিণ কলকাতার গাঙ্গুলীবাগানে, তাঁর এক কোঠার
ঘরটিতে ঘুমের মধ্যেই ইহলোক ত্যাগ করেন |

আমাদের সাইটের পক্ষ থেকে
কবি উত্তম দাশকে ধন্যবাদ জানাই কবি কেদার ভাদুড়ীর কবিতা তোলার
ব্যাপারে সহযোগিতা এবং উত্সাহদানের জন্য |

আমরা
মিলনসাগরে  কবি কেদার ভাদুড়ীর কবিতা তুলতে পেরে আনন্দিত।


কবি কেদার ভাদুড়ীর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন

উত্সঃ  আমাদের সাইটের পক্ষ থেকে কবি উত্তম দাশের সাথে যোগাযোগ করেছেন মানস গুপ্ত ২৯শে মার্চ
.        ২০১৩ তারিখে |

আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রকাশ - ১৩.০৪.২০১৩
...
কবি কেদার ভাদুড়ী - জন্ম গ্রহণ করেন কলকাতায়, রাজা দীনেন্দ্র স্ট্রীটে |  পিতা সত্যেন্দ্রনাথ ভাদুড়ী,
মাতা চারুমতি ভাদুড়ী |

রাজশাহীর  পাঠশালায় হাতে খড়ি | ফরিদপুরের কোঁড়কদি (কনকদ্বীপের অপভ্রংশ) গ্রামে কয়েক বছর
স্কুলজীবন | তার আগে বারানসীতে কিছু দিনের প্রথমিক শিক্ষা | ১৯৪৩ সালে মালদা থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষা |
স্কলারশিপ পেয়েছিলেন বলে রাজশাহীর সরকারী কলেজে বিজ্ঞান নিয়ে ভর্তি হলেন।

পড়া ছেড়ে ১৯৪৪ সালে যোগ দিলেন  নেভিতে,  রেডিও মেকানিক হিসেবে | সেখানে ধর্মঘট করে বিতাড়িত
কবিতা লিখে বন্ধুদের চমকেছেন, কেউ কেউ সুর করে গানও করেছেন সে সব কবিতা | কিন্তু তাঁর
ধারাবাহিক কবিতাচর্চা শুরু ষাটের দশকে, নাকতলা স্কুলে শিক্ষকতা শুরুর সময়কালে | কিন্তু সঠিক অর্থে
তাঁর কোন অনুসরণ পর্ব ছিল না | তাঁর বিচিত্র অভিজ্ঞতার চাপ প্রথম থেকেই তাঁর কন্ঠস্বরে স্বকীয়তা
রোপণ করেছিল, এই স্বকীয়তা থেকেই তিনি বাংলা বাক্য গঠনের প্রচলিত ধারা থেকে সরে এসেছিলেন |
বুঝে নিয়েছিলেন মিলের রহস্য, এ ক্ষেত্রেও গতনুগতিক অন্ত্যমিল নয়, মধ্যমিলের ধ্বনিস্পন্দের অভাবিত
উদ্ভাস তাঁর ভাষায় এনেছে টাটকা স্বাদ |

কবি কেদার ভাদুড়ী অসাধারণ কবিতা পাঠ করতেন |
কবি উত্তম দাশের ভাষায়, ‘কেদারের মুখে তাঁর
কবিতা পাঠ শোনেন নি, তাঁর দুর্ভাগ্যের জন্য বেদনা হয় | এই কবিতাপাঠ, তাঁর নিজস্ব উচ্চারণভঙ্গি বাংলা
কবিতা আবৃত্তিকে নিয়ে গেছে ভিন্ন এক মূল্যমানে যা প্রচলিত কবিতার পাঠ বা আবৃত্তিকে চিনিয়ে দেয় তার
প্রথাবদ্ধতা, কৃত্রিম উচ্চারণের ক্লিশতা ও আবেগের হৃদয়হীনতার স্বরূপ’ |