অলোক রঞ্জন দাশগুপ্ত
জন্ম ০৬. ১০. ১৯৩৩
কবি অলোক রঞ্জন দাশগুপ্ত  বাংলা সাহিত্যের এক বিশিষ্ট কবি এবং চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক | ১৯৫৭ সালে যাদবপুর
বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্যবিভাগে অধ্যাপনায় যোগ দেন | তাঁর ডক্টরেটের বিষয় ছিল "ভারতীয় লিরিক রূপকল্পের উত্স ও
ক্রমবিবর্তন" | এরপর আলেক্সান্ডার ফন হুমবোল্ট রিসার্চ ফেলোশিপ পেয়ে তিনি পশ্চিম জার্মানির হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারততত্ত্ব
বিষয়ে ১৯৭১ থেকে অধ্যাপনা করেন |

লেখালেখির সূচনাকাল থেকেই তাঁর কবিতায় কথোপকথনে এক নিজেস্ব আদল | রচনার প্রাচুর্য এবং বৈচিত্রে, মনীষা এবং
সংবেদনশীলতায় তিনি আজ বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব | তাঁর ছন্দনৈপূণ্য এবং ভাষার কারুকার্য যেমন তাঁর কাব্য-
অবয়বকে একটি স্বকীয়তা দিয়েছে, তেমনই বৈদগ্ধ্য, বিশ্বমনস্কতা কাব্য জগতকে দিয়েছে বিশালতা এবং নান্দনিক সৌন্দর্য |

"যৌবনবাউল" (১৯৫৯), "রক্তাক্ত ঝরোখা" (১৯৬৯), "ছৌ-কাবুকির মুখোস" (১৯৭৩), "গিলোটিনে আলপনা" (১৯৭৭), "দেবীকে স্নানঘরে নগ্ন
দেখে" (১৯৮৩), "মরমী করাত" (১৯৯০) প্রভৃতি তাঁর কাব্যগ্রন্থের মধ্যে অন্যতম | "সোফোক্লিসের আন্তিগোনে" (১৯৬৩) এবং জার্মান ভাষা
থেকে অনুবাদ "প্রেমে পরবাসে" (১৯৮৩), "হাইনের কবিতা", "অঙ্গীকারের কবিতা" (১৯৭৭) তাঁর ভাষান্তর কুশলতার জন্য স্মরণীয় |
তাঁর গদ্য রচনার মধ্যে "শিল্পিত স্বভাব" (১৯৬৯), "স্থির বিষয়ের দিকে" (১৯৭৬) বিশেষ উল্লেখযোগ্য |  ইংরেজী এবং জার্মান ভাষাতেও
তাঁর একাধিক গ্রন্থ আছে |

নানা সময়ে নানা পুরস্কারে কবি ভূষিত হয়েছেন |  পেয়েছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুধা বসু পুরস্কার (১৯৮৩), জার্মানির শ্রেষ্ঠ
গ্যোয়েটে পুরস্কার (১৯৮৫), আনন্দ পুরস্কার (১৯৮৫), রবীন্দ্র পুরস্কার (১৯৮৭) |  "মরমী করাত" কাব্যগ্রন্থের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য
আকাদেমি পুরস্কার (১৯৯২) |


                                            --- উত্স: ডঃ শিশির কুমার দাশ, সংসদ সাহিত্য সঙ্গী ২০০৩

আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in        
কবি অলোক রঞ্জন দাশগুপ্ত-এর কবিতা   
HOME
HOME BANGLA