দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথের জ্যেষ্ঠ পুত্র | চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক ও কবি |
১৮৬০ সালে তিনি "মেঘদূত" কাব্যের একটি পদ্যানুবাদ করেন | তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্যা "স্বপ্নপ্রয়াণ" (১৮৭৩) পরিকল্পনার অভিনবত্বেএবং কল্পনার বৈচিত্রে বাংলা সাহিত্যের একটি স্মরণীয় রচনা |
জীবনের দ্বিতীয় পর্বে তাঁর রচনায় দার্শনিকতার প্রাধান্য দেখা যায় | "আর্যামি এবং সাহেবিয়ানা" (১৮৯০), "সাধনা---পাচ্য ও প্রতীচ্য" (১৮৯২) প্রভৃতি গ্রন্থে ভারতীয় জীবনাদর্শের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করেছেন | "তাঁর দার্শনিক চিন্তার প্রধান নিদর্শন ---- "তত্ত্ববিদ্যা" (চারখণ্ডে ১৮৬৬-৬৯), "অদ্বৈতমতের সমালোচনা" (১৮৯৬), "ব্রহ্মজ্ঞান ও ব্রহ্মসাধন" (১৯০০), "গীতাপাঠ" (১৯১৫) |
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিবাহোপলক্ষ্যে "যৌতুক না কৌতুক" (ভারতী, জ্যৈষ্ঠ ১২৯০ বঙ্গাব্দ) নামক একটি কাব্য রচনা করেন | তিনি কিছু ব্রহ্মসংগীতও রচনা করেন |