রাজকৃষ্ণ রায়ের কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে www.milansagar.com
*
অদর্শনে
"অবসর সরোজিনী" কাব্য থেকে নেওয়া
(নির্বাচিত অংশ)


                (১)
যদিও উভয়ে এবে আছি বহুদূরে,
.        জীবন-সঙ্গিনী!
কিন্তু আমাদের প্রেম, আমা দোঁহাকার
.        জীবন-বন্ধনী
.        পলকের তরে নহে দূরে,
.        দু'টি ফুল গাঁথা এক ডোরে
.                দিবস রজনী |
.        প্রেম কভু তফাতে থাকে না,
.        রবি সম ডুবিতে জানে না |


                (২)
কি ঊষায়, কি দিবায়, কি সন্ধ্যায়, কি নিশায়,
.        কি নিদ্রায়, কিবা জাগরণে
.        তুমি শুধু জাগ মোর মনে |
.                ভাবনা আমার
.                ভাবে অনিবার
.                তোমারে, ললনে!
তুমি বই কিছু নাই অনন্ত ভূবনে |
.        আমি বটে আছি হেথা,
.        কিন্তু মোর প্রাণ কোথা?---
.                তোমার সদনে |


                (৩)
.                যদিও ভানুর তনুখানি
লুকায় জলদ কালো,       তবু সেথা আছে আলো,
.                ওরে আলোময়ি!
.                        যদিও এখন
দূরে আছি দুইজনে,                  সমুখে আঁধার,
.                তবু তা'র মাঝে, প্রিয়তমে!
.                ভরপুর আলোক সঞ্চার ;
.                আছে কি আঁধার কভু প্রেমে?
.                        বিচ্ছেদে আঁধার!
দূরে আছি ;---এ বিচ্ছেদ বিচ্ছেদ তো নয়,
.        এ বিচ্ছেদ অবিচ্ছেদে প্রেম আলোময় |


.                     ****************                                             
উপরে


মিলনসাগর
*
শূণ্য কৌটা
"অবসর সরোজিনী" কাব্য থেকে নেওয়া


                 (১)
একদা বিরক্ত হ'য়ে জন-কোলাহলে
.                চলিলাম শান্তি-লাভে বিজন কাননে ;
নিবিড় পাদপশ্রেণী,             দৃষ্টি নাহি চলে ;
.                বসিলাম স্থির হ'য়ে চিন্তাময় মনে |
ব'সে আছি ; অকস্মাৎ         করিলাম দৃষ্টিপাত
.                পিছনে---অনতিদূরে পড়িল নয়নে
.                একটি সুচারু কৌটা বিজন কাননে |


                 (২)
নিরজন বনে কৌটা! বিচিত্র ব্যাপার!
.        কুতূহলী হ'য়ে সে'টি কুড়ায়ে নিলাম |
খুলিলাম তাড়াতাড়ি, ভিতরে তাহার
কি আছে, দেখিতে আশা, শেষে দেখিলাম
কিছু নাই---শূণ্যময় ;               কিন্তু হেন বোধ হয়,
আছিল রতন তা'য়, দেখি' জানিলাম,
যেহেতু রতন-চিহ্ন লক্ষ্য করিলাম |


                 (৩)
নারকী কলুষী চোরে করিয়া হরণ
.        এ কৌটারে, আনি' এই অটবী মাঝার,
আত্মসাৎ করিয়াছে কৌটার রতন,
.        খালি কৌটা ফেলে গেছে আঁটিয়া আবার |

বিবিধ রঞ্জনে আঁকা কৌটা এবে ধুলিমাখা,
.        রতন হারায়ে যেন মলিন-আকার ;
.        বাসী ফুল্ল ফুল যথা পল্লব মাঝার |


                 (৪)
নিরখি' কৌটায়, মনে হইল উদয়
.        ভারতভূমির দশা, দুখের কাহিনী |---
স্বাধীনতা-রত্ন-হারা                 এবে শূণ্যময়---
.        ভারত এ কৌটা সহ অদৃষ্টভাগিনী!
চিত হ'ল ব্যাকুলিত,               নানা চিন্তা সমুদিত
.        হইল মানসে ; হায়, দুখের কাহিনী!---
.        ভারত এ কৌটা সহ অদৃষ্টভাগিনী!



.                     ****************                                             
উপরে


মিলনসাগর
*
জানি আমি, কেন গেল ভারতের সিংহাসন,
জানি আমি, ভারতের বুকে কেন হুতাশন ||
কেন যে ভারত হেন, এ ঘোর কুদিন কেন,
তাও জানি, আরও জানি, যা না জানে অন্যজন |
কিন্তু কী দুঃখের কথা, জানি না কেন একতা,
.        ভারতবাসীর নাই, একী বিধি-বিড়ম্বন---
হায়, কত দিন আর, রসাস্বাদ একতার,
.        লবে না এ মূর্খ জাতি, ধৈরজে ধরিয়া মন ||


.             ****************                                                        
উপরে


মিলনসাগর
*
.        ভারতীয় আর্যনাম এখনো ধরায় |
.        আর্যের শোণিত আজও আছে কি শিরায় ||
তা, যদি থাকিত তবে,            এ দশা কেন রে হবে,
.        কেন বা ভাসিতে হবে নয়ন ধারায় |
আর্যনামে পরিচয়,                দিবার এ কাল নয়,
.        অনার্য অধম এবে ভারতবাসী ---
আর্যত্ব যাহাতে রবে,              ভারতে নাহি তা এবে,
.        মুখে আর্যনাম ভাণে গৌরব কোথায় ||


.             ****************                                                        
উপরে


মিলনসাগর
*
কোথা সে অযোধ্যাপুর, মথুরা এখন,
কোথা সেই কুরুক্ষেত্র-সমর-প্রাঙ্গন |
কোথা সেই বীরত্বলীলা, কোথা সে অসির খেলা,
.        কোথা সেই হুহুংকার হৃদয়কম্পন |
কোথা সেই ধনুর্বাণ,   কোথা বীর-কণ্ঠগান,
কোদণ্ড টংকার ঘোর এবে রে কোথায় ---
বীরমাতা হয়ে তুমি, হইলে অবীর ভূমি,
ভারত রে, ভাগ্যে তোর বিধি বিড়ম্বন ||


.             ****************                                                        
উপরে


মিলনসাগর
*
.        কলকণ্ঠময়ী গঙ্গে, এখনো সাগরপানে
.        কোন মুখে ঢলি, চলেছ মৃদুল তানে
পূর্বে তুমি দিবানিশি,          কনক-কণিকারাশি,
.        প্রবাহে ভরিয়া তব, ধাইতে মধুর গানে |
এবে এ ভারত আর           কই স্বর্ণ-কাণভার,
.        রাশি রাশি পঙ্ক, সতি, ভারত ভরিয়া ---
এ পঙ্ক লইয়া মিছে,            কেন যাও সিন্ধু কাছে,


.             ****************                                                        
উপরে


মিলনসাগর
*
জগৎ দেখো রে চেয়ে, যাচ্ছে বেয়ে, সোনার তরণি
তরির উপর, শ্যাম-কলেবর রামরঘুমণি ||
যিনি ভবের জলে, অবহেলে করেন জীবে পার,
আজকে তাঁরে, নিচ্ছি পারে, হয়ে কর্ণধার,
পাড়ের কড়ি, ধরে নিব চরণ দুখানি ||

.             ****************                                                        
উপরে




মিলনসাগর
*
প্রেম যদি সই শিখতে হয়,
মানুষের কাছে নয় ||
সাঁঝের রবি, প্রেমের ছবি,
প্রেমের আলো আকাশময় ||
ওই রবি সই প্রেমের খেলা,
খেলছে কেমন সাঁঝের বেলা,
আধেক আঁধার, আধেক আলো,
কমলবালা চেয়ে রয় ---
দূরে দুজন, তবুও কেমন,
প্রাণে প্রেমের তুফান বয় ||

.       ****************                                                               
উপরে




মিলনসাগর
*
.        নগর চেয়ে কানন ভালো,
.        নাইকো হেথা কোলাহল |
ভক্তি ভরে মধুর স্বরে, মন রে আমার হরি বলো ||
প্রতিধ্বনি গভীর সুরে, বলবে হরি দূরে ঘুরে,
.        বনের পাখি বলবে হরি,
.        দুলবে প্রেমে কুসুম-দলে ||


.              ****************                                                    
উপরে




মিলনসাগর
*
দেখো লো সজনি, চাঁদনি রজনি,
সমুজল যমুনা গাওত গান |
কানন কানন, করত সমীরণ,
কুসুমে কুসুমে চুম্বন দান |
কাহে লো যমুনা, জোছন ঢলঢল,
সুহাস সুনীল বারি |
আজু তেঁহারই, উজল সলিল পর,
নয়ন সলিল দিব ডারি |
কাহে সমীরণ, লুটই কুসুম বন,
অলসি পড়সি যমুনায় |
তোঁহার চম্পক, বাসিত লহরে,
.        মিশাব নিশান বায় |
জনম গোঁয়ানু, রোয়ত রোয়ত,
হামকো কোইত সাধল না |
সকল তয়াগনু, যো ধন আশে,
সো বি তয়াগল মোয় ;
আপন ছোড়ি সব, আপন করনু রোয়,
সো বি সজনি পর হোয় |
যমুনে হাম, হাসলো হরষে,
হাম তর রোয়বে কে,
তোহারি সুহাসিত, নীল সলিল পরি,
.        রাধা সপদে দে ||


.              ****************                                                    
উপরে




মিলনসাগর
*
অনন্ত শয়নে, হেরো নারায়ণে,
হেরো হেরো বিশ্ববাসিগণ |
পীকাম্বর হরি, মধুর মাধুরী,
পাদপাশে বিজলী বরণী ---
কীবা মোহনবেশে, কীবা মধুর হেসে,
হেরি হেরি লীলার স্বপন |


.              ****************                                                    
উপরে




মিলনসাগর
*
.        নধর অধরে আধো সুধাধারা
.        ঢালি শশধর লুকালো সই
.        আমি যে পিয়াসী চকোরী অধীর,
.        সুধার পিয়াসা মিটিল কই |
চাঁদ-বদনে বদন রাখি, অধরসুধা অধরে মাখি,
.        প্রেমসোহাগে ঘুমায়ে থাকি,
.        সে আশা মিটিল না ;
.        হতাশ প্রাণে, আকাশ পানে,
.        কেবলই চাহিয়ে রই ||


.              ****************                                                    
উপরে




মিলনসাগর
*
যারে তারে কেউ ভালবাসা দিসনে |
যদিও সর্বস্ব দিস তবু ভালবাসা দিসনে ||
ভালোবাসা অমূল্যধন, এর যোগ্য বিশ্বাসী জন,
.        সীর করে দিয়ে, এর অপমান করিসনে |
.        যে কেউ ভালোবাসে তোরে,
.        পরখ কর তুই নিক্তি ধরে,
তবে ভালোবাসিস তারে, তা নইলে ভুলিসনে ||
আগু পিছু না ভাবিলে, আমার মত পলে পলে,
ভাসতে হবে নয়ন জলে, রূপ দেখে মজিসনে ||


.                 ****************                                                    
উপরে




মিলনসাগর
*
ফুটল কলি, জুটল অলি,
ছুটল নতুন প্রেমের ধারা |
রবির করে, চাঁদের করে,
কচ্চে খেলা দিচ্চে ধরা ||
তমাল ডালে, হেলে দুলে,
উঠল লতা সোনার পারা |
নীল আকাশে, চলল ভেসে,
কিরণ-ভরা উজল তারা ||


.      ****************                                                               
উপরে




মিলনসাগর
*
অনন্ত যাতনা ভুগিতে হবে না,
অনন্ত আনন্দ খেলিবে প্রাণে |
আমি সবার প্রতি, যে সবার মতি,
সে সবার গতি শুধু এখানে |
দূর ধরাতলে, পাপ-তাপানলে,
পুড়িস কেন রে জীব,
আমা চারি জনে, স্থান দে রে মনে,
স্থান দিলে স্থান পাবি এখানে ||


.      ****************                                                               
উপরে




মিলনসাগর
*
ধীরি ধীরি বহে মলয় বায়,
ধীরি ধীরি ফুল দুলিছে তায়,
ধীরি ধীরি চাঁদ ভাসিয়ে যায়,
হাসিয়ে হাসিয়ে গগন-গায় |
ঝুরঝুর ঝরে চাঁদের হাস,
ভুরুভুরু উড়ে ফুলের বাস,
চাঁদের কিরণে কোকিলার সনে,
রাম-গুণ-গান কোকিলা গায় ||
ছোট ছোট ফুল ফোট ফোট মুখে,
গলে গল রাখি খেলা করে সুখে |
রামলছমন ভাই দুইজন
গলা ধরাধরি করিয়ে যায় ---
আকাশের চাঁদ সরসে ভাসে,
যেন দুই চাঁদ দুদিকে হাসে,
রাম লছমন ভাই দুইজন,
দুই চাঁদ চাঁদ-হাসি বিলায় ||


.      ****************                                                               
উপরে




মিলনসাগর
*
.        পাষাণের ভার নয় রে গুরু,
.        পাপের ভারই গুরু অতি |
.        পাপকে আমি ডরাই বড়ো,
.        শিলায় আমার কিসের ক্ষতি ||
.        তিল পরিমাণ পাপের ভার,
.        বইতে পারে সাধ্য কার,
জগৎ কোটি অনেক লঘু, তুচ্ছ পাষাণ রতি রতি
.        কোথায় হরি দাও হে দেখা,
পাপের গিরি মাথায় রাখা, সাধ্যাতীত মোর,
.        পায়ে ঠেলে দাও হে ফেলে
.        পাপের পাষাণ পাপীর গতি ||


.      ****************                                                               
উপরে




মিলনসাগর
*
প্রভাত হইল, ভূবন গাইল,
জয় জয় জয় রাম |
আকাশ ছায়ায়, ঊষা সতী গায়,
শ্রীরাম মধুর নাম ||
শতদল জলে, ফোটে পরিমলে,
রাম রাম বলে অলি |
রামনাম শুনে উদ্দেশে নলিনী,
রাম-পায়ে পড়ে ঢলি ||
ফোটে শাখে শাখে, ফুল থাকে থাকে,
পাখি বলে রাম রাম বুলি |
জাগো রে সকলে, রাম রাম বলে,
ভকতিকপাট খুলি ||
হরি বল্ হরি বল্ হরি বল্ মন |
ছাড়ো মোহ মায়া ভ্রম ছায়া সংসার-স্বপন ||
( একবার হরি বলো বলোরে )
আমরা প্রেম-ভিখারি প্রেমের হরি,
.        করে প্রেম বিতরণ ||


.      ****************                                                               
উপরে




মিলনসাগর
*
ভ্রমরে বিশ্বাস করে, পদ্মিনীর আঁখি ঝরে |
হূতাশের রূপে মজি, হতাশে পতঙ্গী মরে ||
পুরুষে যে করে আশা, সে নারীর এই দশা,
হৃদয়ের ভালোবাসা নিয়ে সে পালায় সরে ||
প্রাণ মন কেড়ে নেয়, অবশেষে দাগা দেয়,
অবলা সরলা বালা সয় জ্বালা কেমন করে ||


.             ****************                                                               
উপরে




মিলনসাগর
*
ঘুমন্ত চাঁদের ওই নিরন্ত জোছনা |
শেষ হাসি হাসি নিশি ও হাসি মুছো না ||
আধো ঘোর আধো ছায়া, প্রকৃতি রাণীর কায়া,
জোছনায় দেখা যায়, সে কায় ঢেকো না ||
প্রকৃতির ছেলে মেয়ে, ফুলেরা শিশিরে নেয়ে,
চাঁদের জোছনা পিয়ে, এখনো হাসে ---
জোছনার হাসি গেলে, ও হাসি রবে না ||


.             ****************                                                               
উপরে




মিলনসাগর












১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯



৩০
৩১
৩২
৩৩
৩৪
৩৫
৩৬
৩৭
৩৮
৩৯
৪০
৪১
৪২
৪৩
৪৪
৪৫
৪৬
৪৭
৪৮
৪৯
৫০
৫১



৫২
৫৩



৫৪
৫৫
=স্বদেশ=
শূণ্য কৌটা      
জানি কেন গেল ভারতের সিংহাসন      
ভারতীয় আর্যনাম এখনো ধরায়      
কোথা সে অযোধ্যাপুর, মথুরা এখন              
কলকণ্ঠময়ী গঙ্গে, এখনো সাগরপানে     

=প্রেম ও প্রকৃতি=
দর্শনে       
প্রেম যদি সই শিখতে হয়   
নধর অধরে আধো সুধাধারা       
যারে তারে কেউ ভালবাসা দিসনে     
ফুটল কলি, জুটল অলি    
ধীরি ধীরি বহে মলয় বায়    
পাষাণের ভার নয় রে গুরু    
ভ্রমরে বিশ্বাস করে    
ঘুমন্ত চাঁদের ওই নিরন্ত জোছনা   
এ চাঁদ মুখের হাসি নিয়ে      
(ওরে) এনে দে তারে   
আয় সারি সারি মিথিলার নারী   
কাঁদে গো পরান আজি তোমা সবে ছাড়িতে    
লয়লা কী খেলা এ যে নতুন খেলা   
ওলো, ভাঙব আজ লুকোচুরি, ধরব ফকিরে  
অচেনায় চিনিয়ে দিয়ে   
নতুনরূপে নিতুই নূতন প্রেমের তুফান বয়    
ভাবছি তোমায় ভাবের ভাবে    
এত করে পায়ে ধরে, তবু তারে পেলেম না     
প্রেমের ছলা-জুয়াখেলা    
ধীরি ধীরি বয় মৃদুল বায়   
এক বাঁধনে বাঁধা আছি    
যে চায় যারে পায় না তারে   
ঘোর আঁধারে ঘুমায় ধরণি    


=ভক্তি=
জগৎ দেখো রে চেয়ে        
নগর চেয়ে কানন ভালো         
দেখো লো সজনি         
অনন্ত শয়নে         
অনন্ত যাতনা        
প্রভাত হইল, ভূবন গাইল       
দিয়ে করতালি এসো হরি বলি   
দেখ্ রে আঁখি আঁখি ভরি    
রতন-আসনে রতন-ভূষণে যুগল রতন রাজে    
কে জানে তোমার চক্র, চক্রিকুল-বিভূষণ    
হরিনামে পাষাণ গলে      
কোথায আছো হে পদ্মপলাশ-লোচন     
পিতা, একবার হরি হরি বলো   
প্রহ্লাদ আমার গুরুর গুরু    
আহা আয় রে বাছা, আয় কোলে আয়   
পরের তরে আপন ভুলে পরের প্রাণে প্রাণ মিশাও   
ও মা, হরি হরি বলো না   
হরিনাম বড়ো ভালোবাসি    
প্রাণ গা রে, মন গা রে  
রাম নামের প্রেম বলবো কত     
পতি সনে যেতে বনে সতীর কী দুখ হে  
তোমার যুগল পদ দিবানিশি সেবা করি     


=ব্রজবুলিতে লেখা গান=  
মঞ্জু রজনি, আও সজনি, গাও মধুর মিলন-গান  
সহি রে, আওল শাওন, ঘন ঘন গরজন   


=অন্যান্য=   
সাপে বাঁদরে খেলা করে, ওগো নয়া নয়া সাপ    
তোমাকে প্রেম-গোয়ালে