কবি মোহিত ঘোষ - এর পুরো নাম মোহিত নাথ ঘোষ | তিনি ছিলেন রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি ও
ছড়াকার ( শিশু সাহিত্যে )| পিতা হেরম্বনাথ ঘোষ এবং মাতা সুহাসিনী দেবী | অতীব সুপুরুষ হেরম্বনাথ
প্রথমে ছিলেন ঢাকার নবাবের নায়েব | একদিন তিনি যখন নবাবের সঙ্গে পথে যাচ্ছিলেন, পথ চলতি
লোকজন নবাবের বদলে তাঁকেই সেলাম জানাতে থাকলে, নবাব সাহেব ক্ষুব্ধ হন এবং এর ফলস্বরূপ  
হেরম্বনাথ সেই চাকরি ছেড়ে চলে আসতে বাধ্য হন!  এর পর তিনি  জলপাইগুড়ির রাজা প্রশান্ত দেব
রায়কত-এর সুপারিনটেন্ডেন্টের কাজ গ্রহণ করেন |  

কবির জন্মস্থান জলপাইগুড়ি জেলার সমাজপাড়ায় | বর্তমানে সেখানে সদর উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়
স্থাপিত হয়েছে | তাঁর বাসস্থান জলপাইগুড়ি জেলার টেম্পল্  ষ্ট্রীটে ( তেলিপাড়া ) যোগমায়া কালীবাড়ীর
সন্নিকটে “ছন্দ-বীথি” নামক বাড়ীটি | পাড়ার নাম “তেলিপাড়া” পাল্টে “টেম্পল ষ্ট্রীট” নামটি রেখেছিলেন
কবির পিতা হেরম্ব নাথ ঘোষ |

কবি মোহিত ঘোযের ছিল স্বতঃস্ফূর্ত রসবোধ | তাঁর নিজের নামকরণ নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি
বলতেন-- “আমার জন্মের পর দিদি খুব মোহিত হয়েছিলেন | তাই নাম রাখা হলো “মোহিত” |  বাবা হেরম্ব
নাথ ঘোষ বংশ পরম্পরায় মোহিতের পর জুড়ে দিলেন “ নাথ” | নাম হলো মোহিত নাথ ঘোষ |  মা আমার
১৪ বছর বয়সেই গত হয়েছেন | তারপর বাবা মারা যাবার পর আমি অনাথ হ’লাম |  তাই “নাথ” বাদদিয়ে
এখন আমি শুধু “মোহিত ঘোষ” নামেই ঘোষিত হচ্ছি !"

"ছন্দবীথি" বাড়ীটির নামকরণ করেছিলেন কবি স্বয়ং | “ছন্দ-বীথি” ছন্দে ভরা | দরজায় কলিং বেল টিপতে
গেলেই দেখা যায় লেখা রয়েছে :-
.        “হয় অকাজে, নয় বা কাজে
.        টিপ্ লে বোতাম ঘন্টা বাজে |”

বাড়ীর বাইরের গেটে দেখা যায় :-
.         “আসতে-যেতে মনের ভুলে
.         রাখবে না কেউ গেট্ টি খুলে |”

বাড়ীর বাগানে দু’টো চায়ের গাছ রয়েছে | তাই তিনি নাম রেখেছিলেন “দো-গাছিয়া টী এষ্টেট”! দু’টো গাছ
নিয়ে দো-গাছিয়া ! চা-পাতার গাছ নিয়ে ছড়াটি হচ্ছে :-
.         “মাত্র দু’টি চা-গাছ নিয়া
.         টী এষ্টেট দো-গাছিয়া |”

আরো রয়েছে :-  
.         “ঢুকতে বাড়ীর ভেতর দিকে
.         খুব হুঁশিয়ার কুকুরটিকে |”

তাঁর বাসস্থান জলপাইগুড়িকে নিয়ে লিখেছেন :-
.        “আমাদের বাড়ী বাপু জলপাইগুড়ি |
.         শীত-বুড়ি শুয়ে থাকে দিয়ে লেপমুড়ি |
.         চায়ের পাতার দেশ, বৃষ্টিও ঝরে বেশ
.         নদী আর বনে ঘেরা মনোরম পুরি |
.         উত্তর বাংলার জলপাইগুড়ি ||”

কবির পড়াশোনা শুরু জলপাইগুড়ি জেলার “আনন্দ-মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে” |  এই স্কুলটি কবি মোহিত
ঘোষের দাদা-শ্বশুর স্বর্গীয় আনন্দ চন্দ্র রাহুতের অবদান | পরবর্তীতে ফণীন্দ্র দেব উচ্চ-মাধ্যমিক বিদ্যালয়
থেকে ইস্কুলের পড়া শেষ করেন | এর পর কবি কলকাতার আশুতোষ কলেজ থেকে বাংলায় সান্মানিকসহ
স্নাতক হন | স্নাতোকত্তর মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪৬ সালে বাংলায় |

পেশাগত ভাবে কবি চা-শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন | তিনি উত্তরবঙ্গের তিনটি চা-বাগানের ডাইরেক্টর ছিলেন |
চা-বাগান গুলি "সরস্বতীপুর টী এষ্টেট", "গৌরনিতাই টী এষ্টেট" এবং "ফ্রেন্ডস্ টী কোম্পানী" | শেষোক্ত চা-
বাগানটি কবির শ্বশুরমশাই স্বর্গীয় কামিনী কান্ত রাহুতের সৃষ্টি |

কবির প্রথম লেখা শুরু হয় স্কুল জীবনেই | কলকাতায় যখন পড়তে গেলেন, তখন খুব উত্সাহ দিয়েছেন তাঁর
জামাইবাবু স্বর্গীয় ইন্দুভূষণ বসু এম. এ. বি.এল, বিখ্যাত “বসুশ্রী”  সিনেমার মালিক |  বর্তমানে যাঁর দ্বিতীয়
পুত্র মন্টু বোস “বসুশ্রী” রক্ষণাবেক্ষণ করেন |  কলকাতার  “বীণা” সিনেমা হলটিও কবির দিদি স্বর্গীয়া
বীণাপাণি বোস-এর নামে | কবি ছিলেন মন্টু বোসের মামা | সেই সূত্রে সিনেমা জগতে তাঁকে সবাই “মামা”
বলেই ডাকতেন | কবি, বেশ কিছু সিনেমার কবি-গীতিকার হিসেবেও কাজ করেছেন |  গান লিখেছেন
“শনিবার বিকেলে”  ছবির  জন্য  যার সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন শ্যামল মিত্র | “ভ্রান্তি” ছবিতেও কবির গান
ছিল | "ঢুলী" ছবির  কয়েকটি  গানও  কবি মোহিত ঘোষের লেখা |  মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় তাঁর কথায় গান
গেয়েছেন | সন্ধ্যা মুখার্জ্জীও তাঁর লেখা গান গেয়েছেন | তাঁর রচিত এক হাজারেরও বেশী গান ১৯৬৮ সালের
৪ঠা অক্টোবর জলপাইগুড়ির বিধ্বংসী বন্যায় নষ্ট হয়ে যায় | নষ্ট হয়ে যায় বহু মূল্যবান ছবি ও তথ্য |

কবিতা লেখার উত্সাহ পেয়েছিলেন “ঠাকুরমার ঝুলি”-র লেখক দক্ষিণা রঞ্জন মিত্র মজুমদার এবং তাঁর ছেলে
রবিরঞ্জন মিত্র মজুমদারের কাছে | কবি মোহিত ঘোষ
গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরে আশীর্বাদ ধন্য ছিলেন |  
রবিরঞ্জন মিত্র মজুমদার রবীন্দ্রনাথকে কবি মোহিত ঘোষের কবিতা পড়ান |  এর পর রবীন্দ্রনাথ কবিকে
তাঁর আশির্ব্বাদ দিয়ে একটি পত্র লিখেছিলেন |

কবির প্রথম লেখা গল্প ছাপা হয়েছিল রবিরঞ্জনের পত্রিকায় ১৩৪৭ সালে | তখন তাঁর বয়স মাত্র ২০!  
পত্রিকার নাম “রূপকথা” | তিনি “শিশুসাথী”, “দিপালী”,  “শুকতারা”, “অঙ্কুর” ইত্যাদি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়ও
লিখতেন | তাঁর বন্ধু ছিলেন
বিখ্যাত গীতিকার ও সুরকার সলিল চৌধুরী, ভূদেব চৌধুরী, গুরুদাস
বন্দ্যোপাধ্যায় প্রভৃতি | সেই সময়ে তিনি “আনন্দ মেলা"-তে লিখতেন “ঈশপের গল্প” | বসুমতীতে “গল্প হলেও
সত্যি” নামে ফিচার লিখতেন | তখন ছড়া লিখতেন কম, কবিতা লিখতেন ছোট-বড়ো সবার জন্যে | “এমেঞ্জী”
ছদ্মনাম নিয়ে ধাঁধাও লিখতেন |
Mohit  -এর M , Nath এর- N, Ghosh- এর G = MNG = “এমেঞ্জী” |

সাহিত্য চর্চা করতে থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয়
ছন্দের জাদুকর কবি ও সাহিত্যিক সুনির্মল বসুর |
তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হ’য়ে তিনি ছড়া লেখা শুরু করেছিলেন এবং ছড়াতে সমস্ত বক্তব্য পেশ করতেন |

কবির লেখা বাঙালীর অতি প্রিয় ছড়ার বই “টাপুর-টুপুর”, “চিকিমিকি”, “জলখাবারের জলসা”, “ছড়ার
ফুলঝুরি”, “ছড়িয়ে পড়া মিষ্টি ছড়া”,
“Picture ABC” -- এ  গুলো তাঁর খুব প্রিয় ছড়ার বই | কবি ১৯৬০-৬১  
সালে তাঁর রচিত ছড়ার বই “টাপুর-টুপুর” -এর জন্য শিশুসাহিত্যে ভারত সরকারের রাষ্ট্রীয় পুরস্কার
পেয়েছিলেন |

তাঁর “জলখাবারের জলসা” -- ছড়ায় মোড়া নাটকটি লন্ডনে তিনরাত্রি অভিনীত হয়েছিল | এ ছাড়াও তাঁর
প্রচুর কাব্যনাটিকা মঞ্চস্থ হয়েছে | তার মধ্যে “অভিষেক”, “মূর্ত্তি”, “মহাতপন”, “বিদ্রোহী কবি”, “কন্ট্রোল”
ইত্যাদি অন্যতম | রবিঠাকুরের ছেলেবেলা নিয়ে রচিত “ছোট্ট রবি”  নাটিকাটি  নানা জায়গায় অভিনীত
হয়েছে | এটি পুস্তকাকারেও প্রকাশিত হয়েছে | আকাশবানী শিলিগুড়ির সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন |
বড়দের জন্যও লিখেছেন উপন্যাস “রক্ত গোলাপ” |  কবি  দেশ-বিদেশ  থেকে অনেক সন্মান,  মানপত্র
পেয়েছেন | কচিকাঁচাদের কাছে তিনি “ছড়া-দাদু” নামে পরিচিত ছিলেন |

কবি মোহিত ঘোষ পরিচালিত সাহিত্যের আড্ডা বসতো জলপাইগুড়িতে তাঁর গৃহ “ছন্দ-বীথি"-তে |
কচিকাঁচাদের নিয়ে “সবুজ সঙ্ঘ”, বড়দের নিয়ে “সান্ধ্যচক্র”, এবং তাঁর বন্ধুস্থানীয়দের নিয়ে “বন্ধুদল”  তার
মধ্যে অন্যতম |

কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৪৪-৪৬ সালের বাংলা বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে গড়ে উঠেছিল সাহিত্যায়ন |
“সাহিত্যায়ন” নামটি কবি মোহিত ঘোষের দেওয়া |

১৯৫০ সালের ২০ শে এপ্রিল ( বাংলা ৭ই বৈশাখ ) জলপাইগুড়ির “রাহুত বাড়ী”র স্বর্গীয় আনন্দচন্দ্র রাহুতের
কনিষ্ঠ পুত্র কামিনী কান্ত রাহুত  ও  ইন্দুপ্রভা রাহুতের  জ্যেষ্ঠাকন্যা দীপ্তি রাহুতের সঙ্গে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ
হন | স্বর্গীয় কামিনী কান্ত রাহুত ছিলেন জলপাইগুড়ির অন্যতম বিশিষ্ঠ ও প্রতিভাবান নাগরিক, ভারতীয় চা-
কর সমিতির অন্যতম প্রাক্তন সভাপতি, জলপাইগুড়ি পৌর সভার প্রাক্তন পৌরপতি | তিনি বিশিষ্ট
নাট্যাভিনেতাও ছিলেন | কৈলাশপুর চা বাগান তাঁরই সৃষ্টি |

কবি মোহিত ঘোষের বাড়ী  “ছন্দবীথি”- তে আসতেন রাষ্ট্রীয় পুরস্কারে সন্মানিত কবি নির্মলেন্দু গৌতম |
আসতেন ডানপিটেদের আসরের প্রতিষ্ঠাতা “রত্নাকর” | “ছন্দবীথি”-তে এসেছেন দীলিপকুমার,  সুচিত্রা সেন,
ভি. ভালসারা, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্যামল মিত্র, প্রভৃতি  গুণিজনেরা |  টেম্পল ষ্ট্রীটের “ছন্দবীথি থেকেই
বীরেন্দ্র প্রসাদ বসু ‘বার্তা’ , দেবাশীস ঘোষ ‘সীমান্তিক’, মুকুলেশ সান্যালের ‘জনমত’ প্রথম প্রকাশিত হয় |
রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী প্রয়াত নির্মল বসু কবির খুব প্রিয়পাত্র ছিলেন |

কবি অত্যন্ত ভ্রমণপিপাসু ছিলেন | তিনি বেশ সুপুরুষও ছিলেন বয়সকালে |  একবার সস্ত্রীক ট্রেনে
ভ্রমণকালীন ট্রেনের কামরায় এক দম্পতি তাঁকে সিনেমার নায়ক ‘বিশ্বজিৎ’ ভেবে উপহার দিতে চেয়েছিলেন!

গত ১লা জানুয়ারী (১৯শে পৌষ) , ২০০৭ সনে কবি সকলের মায়া ত্যাগ করে অমৃতলোকে যাত্রা করেন |  
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর |

.                                        ***********************

মিলনসাগরের পক্ষ থেকে কবিকন্যা শ্রীমতী কুমকুম ঘোষ চক্রবর্তীকে ধন্যবাদ জানাই আমাদের সাইটে তাঁর
পিতা কবি মোহিত ঘোষের ছড়া ও কবিতা তোলার অনুমতি দেবার জন্য এবং কবি পরিচিতিটি লিখে
দেওয়ার জন্য | এই পাতা এবং কবির ছবির এলবামের সব ছবিও তাঁর কাছ থেকে পাওয়া |

.                                        ***********************

কবি মোহিত ঘোষের ছড়া প্রায় অর্দ্ধ শতক ধরে আপামর বাঙালীর শৈশবের অবিচ্ছেদ্দ অঙ্গ হয়ে  
দাঁড়িয়েছে | এখনকার প্রৌঢ়ত্বে পৌঁছে যাওয়া বাঙালী আজও গড়গড় ক'রে, তার শৈশবে শেখা এই সব
ছড়াগুলি আবৃত্তি ক'রে যেতে পারে | টাপুর টুপুরের মত বই বহুদিন পর হাতে পেয়ে আজও বাঙালী তার
শৈশব ফিরে পায়! রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পেলেও খুব দুঃখের  সঙ্গে বলতে হচ্ছে যে বাংলায় কবি তাঁর প্রাপ্য
সম্মান পেয়ে যান নি | কারণ স্পষ্টই তিনটি | প্রথমত তিনি কলকাতা কেন্দ্রিক ছিলেন না | থাকতেন সুদূর
জলপাইগুড়িতে | ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু কলকাতা আজও  বাংলাকে কলকাতার  সীমানার বাইরে দেখতে চায়
না | দ্বিতীয়ত কবির কবিতায় কোনো রাজনৈতিক রঙের প্রলেপ ছিল না | তৃতীয়ত, তাঁর কবিতা কলকাতার
তেমন কোন তথাকথিত বড় প্রকাশকের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করে নি |

তাঁর ছড়া ও কবিতা বাঙালীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে তাঁর নিজের লেখনীর সন্মোহনী শক্তির প্রভাবেই |
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামে ভাষায় তিনি রচনা করেছেন ...সৃষ্টি সুখের উল্লাসে |

টাপুর টুপুর (১০৬০) এর প্রকাশক ছিলেন শ্রীভূমি পাবলিশিং কোম্পানী | চিকিমিকি বইটির প্রকাশক সাহিত্য
চয়নিকা, ৫৯ বিধান সরণী, কলকাতা ৭০০০০৬ | জলখাবারের জলসা (১৯৮৬)  বইটির প্রকাশক ছিলেন
শ্রীভূমি পাবলিশিং কোম্পানী | বর্ণমালায় ছড়ার খেলা (১৯৭৪) বইটির প্রকাশক গ্রন্থলোক, ৫৮/৮ রাজা দীনেন্দ্র
স্ট্রীট, কলকাতা ৭০০০০৬ | ছড়া দিয়ে পড়া শেখা এবং
Picture ABC বইদুটির  প্রকাশক ছিলেন শ্রীমা
প্রকাশনী |  কবি মোহিত ঘোষের "টাপুর টুপুর" এবং "চিকিমিকি"-র ছড়ার পাশে ছবি এঁকেছিলেন শিল্পী
ধীরেন বল | "জলখাবারের জলসা" এবং "বর্ণমালায় ছড়াক খেলা"-র ছড়ার পাশে ছবি এঁকেছিলেন সিনেমার
নায়ক  চিরঞ্জিত এর পিতা শৈল চক্রবর্তী |


আমাদের যোগাযোগের ঠিকানা :-  
মিলনসাগর       
srimilansengupta@yahoo.co.in      

.