কবি মোনালিসা চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা
*
করুণা ধারায় এসো
কবি মোনালিসা চট্টোপাধ্যায়

পাথর, আমাকে ভাঙো
তোমাতে খুলেছি প্রাণ, কঠিন দুরাশা
হাতে লোহার শিকল ছিঁড়ে যত কান্না
সর্বস্ব দিয়েছি, ডেকে নাও পায়ে ফেরা রাত্রি
তার প্রতি প্রশ্ন জাগে দীর্ঘকাল!
মায়া যত রাত্রি তত রূপ।
তাকে ছায়া হ’তে দিওনা আমার
নদীর বহতা তার অতল আহ্বানে ডাক শোনে
সুগম্ভীর ডাকে এভাবে
ব্ঁচ্ থাকা ; ঘরে বাইরে শুধু
.                একবার তুমি।

.        *********************  

.                                                                                   
সূচিতে . . .   


মিলনসাগর
*
নক্ষত্রের নীল
কবি মোনালিসা চট্টোপাধ্যায়

অমর আগুনে পৃথিবীর ছায়া পড়ে
নক্ষত্রের নীল চোখে একবার দাও প্রাণ
কথা দাও নীল পদ্মে দেবে স্বর
কথা দাও শূন্য মরুভূমিতে জাহাজ ভাসাবে জলে
নীলাভ জলের স্বর শুনবো ঘুমন্ত ওই ঝাউবনে
দুহাতে আকাশ নেবো, অলস আগুন স্বপ্নে
যেন পথের দুধার নদী, অবিরাম জল।
জলের মুখেই যদি বাজে স্তিমিত ভৈরবী
ঘুমবন্দী এক দেহ,
আমিই জাগাবো তোকে ফসলের ছায়া দিয়ে
কখনো বিনিদ্র হোওয়ার নাচে অমর আগুন,
.                        আগুন ম্যাজিক।
শূন্য বাটে চাঁদ ও পৃথিবী তার ছায়া কে ঘিরেছে চারিধার,
দুটুকরো সাদা মেঘ সে বন্দী আগুন জলে
রঙ বেরঙের বন্ধু মেঘ তুমি
উড়ে যাও আগুনের ডালা মেলে।

.        *********************  

.                                                                                   
সূচিতে . . .   


মিলনসাগর
*
প্রেমিক
কবি মোনালিসা চট্টোপাধ্যায়

কখনো ভাবিনি বৃষ্টি এসে যাবে, মাথায় বসবে জল
আকেশে ছিল না মেঘ, পাখিরাও ওড়েনি তখন
মাটিতে হাওয়া দিগ্বিদিক ভাসে সহজ উঠোন।
বৃষ্টি এসে দাঁড়ায় দুপুরবেলা।
সন্ধ্যার আগেই বাসা খুঁজেছে যে পাখি
গাছের মাথায় জ্বলে ওঠা তারা সে’ও
.                স্বপ্ন মুগ্ধ পথিকের পায়ে।
মাঠে মাঠে জাগা আড়াআড়ি নদী
অভিমানে হয়ত বা ভালোবেসে দূরে
স্রোতে ভাসে যায় প্রতিটি বৃষ্টির ফোঁটা
অসাবধিনী আমরা, দেখি
পুরনো আকাশ থেকে বৃষ্টি এসে আজো পৃথিবী ভাসায়
.                কালের নিয়ম ভেঙে ভেঙে।

.      
        *********************  

.                                                                                   
সূচিতে . . .   


মিলনসাগর