কবি নরবাহাদুর লামা-র কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
*
প্রেমের সেতু বাঁধি    
কবি নরবাহাদুর লামা

কাঁকর মেশানো মনের খোরাক ?
.                            এই বক্ষভাঁড়ে রাঁধি
বিশ্বজুড়ে রক্ত ছুড়ে, আসছে কঠিন আঁধি !
তাই চিত্কার করে আঘাত হানি, ধর্মের রুদ্ধদ্বারে
কেউ খোলে না, কেউ বলে না নিঝুম অন্ধকারে |
আমি, কালকূট যুগের ক্ষুদ্র কবি ! পাগলসম ছুটি
ওই যে যারা সর্বহারা, কোথায় পাবে রুটি ?
রক্তেরাঙা পথের মাঝে, থমকে দাঁড়াই একা
মনের মানুষ হারিয়ে গেছে, কোথায় পাব দেখা |
নিজের ভাবনা দূরে ঠেলে, পরের দুঃখে কাঁদি
ইচ্ছা করে সবার মাঝে প্রেমের সেতু বাঁধি |

.               ****************                     
.                                                                            
বিতার সূচি   




মিলনসাগর
*
বিধির প্রতি   
কবি নরবাহাদুর লামা

হে বিধাতা তুমি কি অন্ধ ?      একী তোমার লীলা ?
.                কাহারও প্রতি হও দয়ার সাগর,
.                কাহারও প্রতি শীলা |
রাজারে বানাও ভিখারী তুমিই ;  ভিক্ষুরে বানাও রাজা
.                 হরিশচন্দ্রে ডোমের দাস !
.                 দিয়েছো একী সাজা ?
রাজার ধন ও কাড়িলে তুমি ;   একজন মুনির দ্বারা
.                 দানবীর মহান রাজারে তুমি
.                 করালে সর্বহারা !
খোওয়ালে তাঁর সন্তান বধূ ;   কাড়িয়া নিঃস্ব করে
.                 তাই তাঁর ব্যথায় বিশ্ববাসীর
.                 নয়নে অশ্রু ঝরে !
মোদের ও ছিল অনেক সম্পদ ;  দেখনি তুমি কিছু ?
.                 শয়তান, যারা ঠকায় লোকে,
.                 ঘুরো বুঝি তাদেরই পিছু ?
বিচারক গনের সঙ্গে বসিয়ে ;   পরালে ফুলের মালা
.                  তাহারই বুকে আঘাত হানি,
.                  দাও কেন এতো জ্বালা ?
আচার্য্য সাধু, মহাজ্ঞানী গুণী ;    বসিয়ে পন্ডিত সনে
.                  ধন জন মান সব কেড়ে লভে,
.                  এই ছিল তব মনে ?
খুনীরেও করেছো রাজার গুরু ;  দেব সম রাজারে শিষ্য
.                  সূর্য্য ও চন্দ্রে রেখেছো শূণ্যে
.                  কোথায় রেখেছো বিশ্ব ?
রাজাকে দিয়ে পোড়ালে শব !   জাগিয়ে নিশিদিন
.                  আমারে দিয়েছে কুবেরের মন,
.                  অর্থে যে করেছো দীন |
ফিরিয়ে দিয়েছে সব কিছু তাঁর ;  আমারে দিয়েছো বিশ্ব
.                   কি করে ভাববো বিশ্বের কথা,
.                   করেছো তো অর্থে নিঃস্ব !
কী হবে তবে এই মন দিয়ে ?  যার নাই দেবার কিছু
.                   নিজের তুচ্ছ প্রাণ বাঁচাতে,
.                   ঘোরাও পরের পিছু |
চাই না আমি এহেন মন ;  বিলাও ও ধনীদের বুকে
.                   তবে তো পাবে দুমুঠো অন্ন,
.                   যে সব ভুখার মুখে

.                        ****************                   


.                                ২.

ক্ষুধার্থ জনের ক্ষুধার জ্বালা ! দেখিতে পারি না আমি
.      যদি নাহি বোঝ, আমি তো কহিবই,
.                          কিসের অন্তর্যামী  ?
এতো রোগ শোক আপন হারা ;  বিশ্ববাসীর কথা
.      মানব দানব, পশু প্রাণী কীসের,
.                          অনুভব করনা ব্যথা ?
বিধি হে তোমায় ভগবান ভেবে ; চেয়ে থাকি তোমার পানে
.      আমার মতোই বিশ্ববাসীর
.                          ব্যথা দাও কেন প্রাণে ?
লোক মুখে শুনি আমি নাকি কবি ;  যাহার কোমল মন
.      পেটের দায়ে বাঁচাতে হয়
.                           পরের জীবন ধন |
ত্যজিতে হল দেশ পরিজন ;  ভাগ্যের তরীতে ভেসে
.      পারি না তবুও ভার বহি হয়ে,
.                             সেই বোঝা টানিব হেসে |
নিশি ভোর জেগে বহিতে নারি ;  অচল দেহের ভার
.       বাল্য হতেই দিয়েছে দুঃখ !
.                              মানি নি তবুও হার |
কার অভিশাপে জ্বালালে মোরে ?  চিরদিন তিলে তিলে !
.       সারাটা জীবন এমনি ভাবেই,
.                              বলতো কি সুখ দিলে ?
মাঝে মাঝে তাই ভত্সনা করি ; বিধি হে তোমার প্রতি
.       কবি হয়েও মোরে নিশাচর সম,
.                               কর কেন এ দুর্গতি ?
যত পার কর নিঃস্ব, রিক্ত !  ভাসাও দুঃখের বানে
.       আঘাতে আঘাতে চৌচির কর !
.                               অভাগা জনের প্রাণে !
হরিশ্চন্দ্রে জাগালে শ্মশানে ;  আমারে পুরীর মাঝে
.       মানুষ হয়েও দেবতার সনে,
.                                অভিমান করা কি সাজে ?
দস্যুরেও করেছো মহামুনি ঋষি ;  রাজারে বানালে খুনী
.       কখন যে কারে কি করে বস,
.                                লক্ষ গুণের গুণী |
নিও না কেড়ে মনুষত্ব ;   করায়ো না বিবেক হীন ,
.          বিশ্ব মাঝে নিঃস্ব কবিরে.
.                                যত পার করেও দীন !
বাল্মিকী দ্বারা লেখালে ঐ ;  রামায়ণের কথা,
.       আমি লিখে যাব বিশ্ব বাসীর
.                                করুণ প্রাণের ব্যথা !
তবু মোর মনে নাহি কোন ক্ষোভ ; সহিবার শক্তি দাও
.       যার দোষ গুণ লেখা শেষ হলে,
.                                করুণা করে নিও |
প্রশ্ন জাগে এতো নিষ্ঠুর ?  ব্যথা পেয়ে বলি আমি,
.       এই অভিমানে অধম জনে,
.                                ক্ষমো হে অন্তর্যামী ||


.                        ****************
.                                                                               
বিতার সূচি   




মিলনসাগর
*
বোঝে কি তাঁদের ব্যথা ?   
কবি নরবাহাদুর লামা

প্রকাশকের দুয়ারে ঘুড়ে ;   শুকতলার ক্ষয়
.          বইটি ছাপা হবে কি না
.          তাই করে সদা ভয় !
প্রকাশকের তাল বাহানা ; টাকার শ্রাদ্ধ করে
.          যদিও বইটি প্রকাশ হল,
.          থাকবে ঘরেই পড়ে ?
তারাতো চান জাগাতে সবে ;  জাগাতে ঘুমন্ত জনে
.          সবার কথা সবাই ভাবেন,
.          আপন মনে মনে |
কতো না কষ্টে গ্রন্থ লেখেন ;  জানে না কাদের হাতে
.          পাঠক গণে বইটি নিয়ে,
.          চান না মূল্যই দিতে |
সবাই যেন ঠকাতে চান ; তাদেরে মূঢ় ভাবি
.         লেখক কবিরা সমাজ চিন্তায়,
.         খায় তবু অযথা খাবি |
চিন্তাশীল লেখক কবির ; সমাজ সেবার কথা
.         স্বার্থ ভরা এ সংসার,
.         বোঝে কি তাঁদের ব্যথা ?

.               ****************
.                                                                               
বিতার সূচি   




মিলনসাগর
*
বলতো অন্তর্যামী   
কবি নরবাহাদুর লামা

চারদিকে ছেঁকে ধরেছে আজ, দুয়ারে সমন এসে
.          পালিয়ে যেতে চাই, যেতে নাহি পারি,
.                   মায়ার জালে যে ফেঁসে !

মাথার উপরে রক্ত ঝরে জমে থাকে রক্তের ঢেলা----
.          মাঝে মাঝে দেখি চোখেও ঝাপসা
.                   এ যে নিয়তির খেলা |

এলার্জি নামের বন্ধু এসে----চুলকোয় সারাটা দেহ,
.         বৃদ্ধ বয়সে আপন ও পর---
.                   খবর রাখে না কেহ


লো-প্রেসার নামের সমন এসে টাক মেরে অজ্ঞান হই---
.          কোমড় ব্যথায় ছট্ ফট্ করি
.                   তবুও নীরবে রই |

অশ্ব নামের পিতার দান, বহি চলি চিরদিন
.          সারাটা জীবন কর্ম করেও
.                   ফুরালো না অর্থে দীন

কখনো কখনো ভিতর থেকে টাট্ কা রক্ত আসে
.          দেহের জ্বালা ও মনের ব্যথায়
.                    সদাই দু-চোখ ভাসে

অনেক কিছু পেয়েও আবার সবই হারিয়ে যায়
.          মানুষের আশা এত ভালোবাসা
.                    বুকে যে ব্যথা পাই

এবার আরো হাটুর ব্যথায় অচল হয়েছি আমি
.         এ দেহ রেখে কী লাভ আর
.                   বলতো অন্তর্যামী  ?

.                   ****************
.                                                                               
বিতার সূচি   




মিলনসাগর
*
চরম দুঃখের দিন   
কবি নরবাহাদুর লামা

হে নারায়ণ, প্রশ্ন করি, তোমারও ছিল না হোঁশ ?
ব্রহ্মা বিষ্ণু, মহেশ্বরও নয়, তোমাকেই দেব দোষ |
ব্রহ্মার দ্বারা সৃষ্টি করালে, বিষ্ণুকে পালন ভার
শিবকে দিয়ে ধ্বংস করালে, বল তো এ দোষ কার ?
কর্ণ হতে মধু কৈটভ, সৃষ্টি করেছো তুমিই-----
দানব দুটির রক্ত ও মেদে, গড়িলে বিশ্ব ভূমি,
সৃষ্টি করেছো সূর্য্য ও চন্দ্র, কতই না গ্রহ তারা----
যুগ যুগ ধরে, চালিয়ে যাও, তোমার সৃষ্টির ধারা |
তিনটি দেবতারই পিতা হলে তুমি, স্বয়ং সৃষ্টি দাতা
পরের কাঁধে বন্দুক রেখে, করো কেন যা তা ?
প্রাণহীন বস্তু সৃষ্টি করিলে, হত কি কোন ক্ষতি ?
সৃষ্টির নেশায় পাগল হয়ে, হয়েছিল বুঝি দুর্মতি ?
জীবন দিয়ে জীবন নিতে, কত না কৌশল করো---
অতীব হিংস্র, পশুর অধম, কোটি কোটি জীবন হরো !
ভূমিকম্প, সুনামী-আইলা, বন্যা ও তুফান-ঝড় !
আগ্নেয় গিরি, টরনেডো হেরিকেন, আর দেখাবে কত ডর ?
যত রোগ,শোক সৃষ্টি করে, দুঃখ দিতেছো তুমি
তোমার খেলার রঙ্গমঞ্চ, গড়েছো বিশ্বভূমি |
শিল্পী হলেও পাষাণ তুমি, শোন না কাহারও কথা--
নিজের গায়ে তো লাগে না তাই ----- কী বুঝবে পরের ব্যথা !
মানুষ মানুষেরই খুন করাও, পশুতে পশু খায়---
যত পাপ তাপ অপরাধ ঘটে, সবইতে তুমিই দায় |
সবার অধিক নিষ্ঠুর তুমি, তাই ভত্সনা করি আমি---
বিবেক ধারী মানুষ আমি, সবার মঙ্গল কামী |
নিজেকে ভাবি কতো পাপ করি, অন্যকেও ভাবি পাপী
মানব দানব, পশুপ্রাণী কীট ? সবারে গিয়াছো ছাপি---
খেলার ছলে সৃষ্টি করে, আঘাত হানিছো তুমি---
অবুঝ মোরা ঈশ্বর ভেবে, তবুও তোমায় নমি,
মানব দানব পশু প্রাণী কীট, মরিছে ধুকে ধুকে,
আমি তো কবি,সবার ব্যথা বাজে যে আমারই বুকে,
এই তো সেদিন ভূমিকম্পে, ধ্বংস করিলে তুমি----
জীবন ধন, সর্বস্য লুটে, কাঁপিয়ে বিশ্ব ভূমি |
পাকিস্থান ও নেপাল, সিকিম, ভারতবর্ষ ও চীন---
১লা আশ্বিন, ১৪১৮, চরম দুঃখের দিন !

.                   ****************
.                                                                                       
বিতার সূচি   




মিলনসাগর
*
নারী ও বাংলার মান   
কবি নরবাহাদুর লামা


হে বীরাঙ্গনা মুখ্যমন্ত্রী
.           মমতা ব্যানার্জী |
.                    তোমার মহান কর্মের ধারা,
.                               সবই দেখেছি |

দেশ ও জাতির প্রেমিকা তুমি
.          মানব জাতির সাথী
.                জাতি ও ধর্মের উর্দ্ধে জ্বালাও
.                            মানব ধর্মের বাতি |

শ্রীরামকৃষ্ণ ও বিবেকানন্দ
.          বক্ষে রবিরও ছবি
.                       যুদ্ধ ক্ষেত্রে সেনাধক্ষ্যসম
.                             সাহিত্যে ও বিশেষ কবি
রাজ্যে কর রাজার পাঠ
.          শ্রেষ্ট আসনে বসে
.                    দুষ্টুগণে শাসন করো,
.                              কথার চাবুক কষে

সুজন জনের বন্ধু তুমি
.           দুর্জনে দমন করো,
.                     আপদ বিপদ দুঃখের মাঝে,
.                                 সবার দুঃখ হরো |

দুর্গম পথেও এগিয়ে যাও
.            মৃত্যুকে তুচ্ছ করে |
.                                  শত্রু, মিত্র, আপনজনের
.                                  যেখানে রক্ত ঝরে !

অনেক লড়ে বন্ধ করেছো,
.            দেশের রক্ত ক্ষয় |
.                      ঈশ্বর ও সহায় আছেন তাই
.                                   হয়েছে এমন জয় |

শিশু ও নারী, দরীদ্র জনের
.           অতীব আপন তুমি,
.                     দয়া ও মায়ায় মাতৃ সম
.                                    সবাই তোমারে নমি |

বিশ্বের মানুষ দেখেছে তোমার
.            কর্মের অবদান |
.                      দুর্গার মতো রেখেছো তুমি,
.                                   নারী ও বংলার মান |

.                   ****************
.                                                                                       
বিতার সূচি   




মিলনসাগর
*
বলতে যাব কারে   
কবি নরবাহাদুর লামা

হায়রে বাংলা !  বাংলা ভাষা  ;  বাঙালী মায়ের মুখ,
.              প্রাণ ভরা সেই স্নেহ মমতা,
.              ফুরিয়ে গেছে সুখ !
বিকৃত হয়েছে বাংলা ভাষা ; সাহিত্য কাব্য মাঝে
.              বাঙালীর শত্রু বাঙালীই এসেছে
.              নিলাজ কবির সাজে !
কেউ বলে লারে ! কেউ বলে বটে ;  ঘ্যাঁট খিচুরী রাঁধে
.              বাঙলা মায়ের মধুর ভাষা
.              আড়ালে বসে কাঁদে !
বিশুদ্ধ ভাষায় বলতেই চায় না ;  বাঙালী কবির মুখে
.              ধিক্কার দিতে ইচ্ছে করে,
.              তাইতো মনের দুঃখে !
শুদ্ধ ভাষায় বলেন যারা,   ব্যাঙ্গ করে তারে
.              বলতো সমাজ ও এটাই চায় ,
.              বলতে যাব কারে ?

.                   ****************
.                                                                                       
বিতার সূচি   




মিলনসাগর
*
সঁপেছি আমি প্রাণ
কবি নরবাহাদুর লামা

শোন ভাই আমি তো নেপালী ভাষী,  বাংলায় কবিতা লিখি
.              জীবন যাত্রার শুরু থেকেই
.                            কত কিছুই না দেখি |

কুড়ির দশকেও জমিদারী ছিল,  পূর্ব নেপাল কোনে
.               সে সব দৌলত কবে চলে গেছে
.                            স্মৃতি টুকুই আছে মনে |

কত সুখ ছিল, হয়ে গেল দুখ, ঠগের পাল্লায় সব বিমুখ
.               সারাটা  জীবন ঘাত প্রতিঘাতে
.                           চূর্ণ হয়েছে বুক !

পিতা, পিতামহর ভুলের মাশুল ,  পরিবারের সবাই মিলে
.                একে একে ভুগতে হল
.                          সে যেন তিলে তিলে !

বাড়ির ঠিকানা ?  ফ্রেলাম ডাঁড়া,  তিব্বত সীমার কাছে
.               পিতা মাতা সহ ভগিনী ও ভ্রাতা,
.                          দেশ বাড়িতেই আছে |

ভোটে কোশী নামের তিব্বতী নদী,  কাছ থেকেই যেত ভেসে
.               সে সব কথা ভাবতে গেলেই
.                         সংজ্ঞা হারাই শেষে !

অনেক দুঃখ সহিতে হল,   সেই যে বাল্য হতে ;
.               নেপাল ছাড়ি ভারতে এলাম,
.                         ভাসিয়া ভাগ্যের স্রোতে |

গৌরী  ও শঙ্কর যুগল মুরতি ,  সমুখে দেখতে পাই
.               ইচ্ছা জাগে পাখির মত,
.                         সেখানে যাই উড়ে |

কী হবে আর সেখানে গিয়ে ?    আরতো কিছু নাই !
.               মাতা গেছে পিতাও গেছে,
.                         সম্পদও কিছুই নাই |

জ্ঞানের বেলায় অজ্ঞ ছিলাম,    প্রথম যখন আসি
.               বাঙালীর কাছে ঋণী আছি তাই,
.                          প্রাণ দিয়ে ভালবাসি |

মাঝে মাঝে কবিতা লেখি,   বাংলায় রচি গান
.               বাংলা দেশ  ও বাঙালীর কাছে
.                           সঁপেছি আত্মা প্রাণ !

.                      ****************
.                                                                                       
বিতার সূচি   




মিলনসাগর