কবি সুরেশ বিশ্বাস-এর বাংলা গণসংগীত যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
শত শহীদের রক্তে রাঙা পতাকা
সুরেশ বিশ্বাস গানটি শুনুন এখানে ক্লিক্ করে...
(সুব্রত রুদ্র সম্পাদিত “গণসংগীত সংগ্রহ” থেকে)
শত শহীদের রক্তে রাঙা পতাকা
আজ আমরা বয়ে নিয়ে চলেছি
মৃত্যুভয় জয় করে ঝঞ্ঝা ঝড় ভেদ করে
বিপদ বাধা দূর করে এগিয়ে চলেছি কমরেড
আমরা সর্বহারা আমরা শোষিত
তাই তো তুলেছি হাতে মুক্তি পতাকা কমরেড
বিশ্বটা করবো জয় আমরা একদিন
সমতা একতা গড়বো একদিন---একদিন
জনতার সমাজ গড়ার
শপথে একসাথে
দুনিয়ার নিপীড়িত জনতা একসাথে
হাতে নিয়ে হাতিয়ার এগিয়ে চলেছি কমরেড
পৃথিবীর বুকেতে শান্তি হাসি গান
ছড়াবো দুহাতে আনবো নতুন প্রাণ---নতুন প্রাণ
থাকবে না শোষণ শাসন
দাসত্বের কঠিন বাঁধন
শোষণহীন সমাজ গড়ার
স্বপ্ন দেখি বার বার
তাই তো মোরা মুক্তির গান গেয়ে চলেছি কমরেড |
. **************** সূচিতে
মিলনসাগর
আমার ময়না মাসী লো
সুরেশ বিশ্বাস
(সুব্রত রুদ্র সম্পাদিত “গণসংগীত সংগ্রহ” থেকে)
আমার ময়না মাসী লো
আমি খাই পান্তা ভাতে ঘি
আমার পেটের ছেলে রাজা হল
গরবে মরি
চাষী মজুর ভোট দিয়ে ঐ বানালো নেতা
আমার শোবার ঘরে নতুন হল যতেক চেঁড়া ক্যাঁতা
এখন আমার ছেলের টেকো মাথায়
কুসুম তেলের গন্ধ কি
নিত্যনিত্য খায় যে খোকা
ঘি দুধ মাখন মোয়া
সে যে হিল্লী-দিল্লী ঘুরে বেড়ায়
যায় না টিকি ছোঁওয়া
আমার মাটির দেয়াল পাকা হল
এখন আমার ভাবনা কি
আগে যেতাম পায়ে হেঁটে
কালীঘাটে বাজারে
এখন আমি বাজার করি
রিক্সাগাড়ি চড়ে
আমি বুড়ী নাকে নোক পরে
নাচি তা ধিন ধিনতা ধিন
ভোট দিয়ে ঐ করলো বড়
যারা মোর ছেলেরে
তারা বুনো ওলের ঘন্ট খেয়ে
গাল কিটিয়ে মরে
এখন আমার ছেলে নিজে যে খায়
মাছের মুড়ো গাওয়া ঘি
আমার বাড়ি চাষী মজুর
আসে শত শত
তারা মোর ছেলেরে মান্যিগণ্যি
করে দেখি কত
আমি রাণী সেজে টিভি দেখি
আমার বাড়ি খাটে দশটা ঝি
আমার ছেলে মন্ত্রী হল গরীব লোকে বলে
কত আমলা পুলিস সেলাম করে
কপালে হাত তুলে
কত ধনী এসে প্রশ্ন করে, বড়দা ভাল আছ কি
কত ধনী এসে হ্যাণ্ডশেক করে
ঘুষ দিয়ে যায় কত কি...
আমার ময়না মাসী লো
আমি খাই পান্তা ভাতে ঘি...
. **************** সূচিতে
মিলনসাগর
সুপ্ত আগুন আছে ক্রোধে মিশে -(উপরের ক্যাসেটটি) সুরেশ বিশ্বাসের একমাত্র গানের রেকর্ডিং | ক্যাসেটটির গানগুলি
লিখেছিলেন সুরেশ বিশ্বাস, কণ্ঠ - সুরেশবিশ্বাস, সমবেত কণ্ঠ - পিউ দত্ত, কেয়া চট্টোপাধ্যায়, অনুশ্রী চক্রবর্তী, তপন সিংহ, রুপম
চক্রবর্তি, অসীম গিরি, অসীম রায় এবং অমিত রায় |
সঙ্গীত সহযোগিতা - ত্রিদিব ব্যানার্জী, যন্ত্রাংশে ছিলেন সরোদ-তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, সেতার-অজয় রায়, সঞ্জয় গুহ,
তীর্থঙ্কর ব্যানার্জী, দোতারা-দেবাশিস গাঙ্গুলী, বাঁশী-সৌমেন দে, সানাই-তারকেশ্বর ভার্মা, বেহালা-দেবশঙ্কর রায়, জ্যোতিশঙ্কর রায়,
গীটার-সিদ্ধার্থ ব্যানার্জী, শুভাশিশ রায়চৌধুরী, কী বোর্ড-রাজারাম ব্যানার্জী, গৌতম সোম, ভইব্রোফোন-গৌতম গাঙ্গুলী, পাখোয়াজ ও
তবলা-তিমিরবরণ গুপ্ত, তবলা-বিভাস সেনগুপ্ত, ঢোল থুম্বা খোল-অশোক দাস, মাদল ও ড্রামস-কাজল দে, এফেক্ট-রবীন গাঙ্গুলী |
শব্দগহণ-সমীর দাস, সফিকুল ইসলাম, অডিও সেন্টার স্টুডিওতে গৃহিত, প্রচ্ছদ ফটো-অশোক মুখার্জী, প্রচ্ছদ লিপি-সুব্রত দেবনাথ
এবং প্রচ্ছদ-গৌতম বসু |
অহল্যা গো মা জননী
সুরেশ বিশ্বাস গানটি শুনুন এখানে ক্লিক্ করে...
(কথা সুব্রত রুদ্র সম্পাদিত “গণসংগীত সংগ্রহ” থেকে)
অহল্যা গো মা জননী
বুক ভেজা তোর চোখের পানি
দরিয়াতে তুফান তোলো রে---
পাহাড় গলা অশ্রু জলে রে
. ওগো মা আমার মা জননী |
কান পেতে শোন অহল্যা মা
পাহাড় তলে রে---
কাঁদে তরাইয়েরও সপ্ত কন্যা,
অহল্যা গো ডাক এসেছে
তোর খুনে ওদের খুন মিশেছে রে
ও পাই ঝড়ের আভাস রে |
চোখ মেলে দেখ অহল্যা মা
তরাই ধানের শিষে
সুপ্ত আগুন আছে ক্রোধে মিশে
কিষাণের ঐ লাঙল ফলায় রে
কেউ জানে না কখন কোথায় রে
আগুন পোড়ায় সবই রে |
. **************** সূচিতে
মিলনসাগর
আমি তোমাদের অতি চেনা বন্ধু
সুরেশ বিশ্বাস গানটি শুনুন এখানে ক্লিক্ করে...
আমি তোমাদের অতি চেনা বন্ধু
আমি নিপিড়িত মানুষের শিল্পী
আমি জনতার মাঝে গিয়ে গাই গান
আমি লড়াইয়ের সুরেতে মেলাই প্রাণ |
দেখি যে সেই নীল জীবনটা আজকে
আজ বদলাতে হবে সমাজকে,
আমি নতুন সমাজের নতুন স্বপ্ন
সুরে প্রাণে প্রাণে গান ছড়াতে চাই |
আমি মানি না প্রভুত্বের শোষণ
আমি মানব না দাসত্ব বন্ধন,
আমি চাই তাই সংঘাত করতে দুনিয়ায়
মানুষে মানুষে ভালবাসাই
আমি করি না অন্যায় সন্ধি
আমি অত্যাচারের প্রতিবন্ধি,
আমি জনতার কন্ঠে প্রতিবাদ কল্লোল
আমার ছন্দ সুরে মেলাতে চাই |
. **************** সূচিতে
মিলনসাগর
নদীর তরঙ্গে ঐ খেলে মরণ খেলা রে
সুরেশ বিশ্বাস গানটি শুনুন এখানে ক্লিক্ করে...
নদীর তরঙ্গে ঐ খেলে মরণ খেলা রে
তবুও মরণ খেলায় মাতিরে,
শোন শোন শোন মাঝি, শোনরে ভাই
সারাদিন ভাবি আর নেইয়া বাই,
তরি আর ঘর আজ একাকার
ভাঙ্গা চালের বাঁধন ভার
বর্ষা কাটে প্রহর গুইনা রে
কে জানে কার পৌষ মাস
মোদের যে হয় সর্বনাশ |
বছর ভইরা আঁন্ধার নামে রে |
নদীর তরঙ্গে ঐ খেলে মরণ খেলা রে
তবুও মরণ খেলায় মাতিরে,
“হেই মারি ভাঙ্গা বৈঠা যায়
হায় হায় কি উপায়
হেই যদি ছেঁড়া পাল বইয়া যায়
হায় হায় কি উপায়, বল মাঝি ভাই”
বারো মাসে তের পার্বন
শুইনা আছি সারা জীবন
শূন্য হাঁড়ি চাইয়া হাসে রে
এমনি করে আর কতকাল
ফুটা নৌকায় হাসে চাঁদুরে |
তাই ভাবি আজ মনে মনে
পাই কেন ভয় অকারণে
হারাইবার আর কিছুই যখন নাই
আয় তবে আয় সবাই মিলা
বৈঠা দাঁড়াই তুলি তুফান রে |
. **************** সূচিতে
মিলনসাগর
ও বাউল , ও বাউল, একতারা
সুরেশ বিশ্বাস গানটি শুনুন এখানে ক্লিক্ করে...
ও বাউল , ও বাউল, একতারা
তোর টুং টুং টুং টুং বাজে |
বাউলরে তোর একতারাটা
টুং টুং বাজে |
জানিস কি তোর মনের মানুষ
কুনখানে যে আছে |
রে টুং টুং
একতারাটা বাজে |
মনের আগল খুলে বাউল
চোখ মেলে তুই চা,
কোন দরদী মানুষ যেথা
সেখানে তুই যা, আছে
হাটে মাঠে ক্ষেতে কলে
ফিরে পাবি তারে গেলে
আছে এই ভুবনের মাঝে |
বাউলরে তোর একতারাটা
টুং টুং বাজে |
একতারের ঐ সুরে সুরে
গানা বাউল গান,
মরা নদীর বালুচরে
আবার ডাকুক বান |
আছে হাতের কাছে মিতের চাবি
মনের মানুষ খুঁজলে পাবি
আছে এই মানুষেরই মাঝে
রে টুং টুং একতারাটা বাজে |
. **************** সূচিতে
মিলনসাগর
সুপ্ত আগুন আছে ক্রোধে মিশে -(উপরের ক্যাসেটটি) সুরেশ বিশ্বাসের একমাত্র গানের রেকর্ডিং | ক্যাসেটটির গানগুলি
লিখেছিলেন সুরেশ বিশ্বাস, কণ্ঠ - সুরেশবিশ্বাস, সমবেত কণ্ঠ - পিউ দত্ত, কেয়া চট্টোপাধ্যায়, অনুশ্রী চক্রবর্তী, তপন সিংহ, রুপম
চক্রবর্তি, অসীম গিরি, অসীম রায় এবং অমিত রায় |
সঙ্গীত সহযোগিতা - ত্রিদিব ব্যানার্জী, যন্ত্রাংশে ছিলেন সরোদ-তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, সেতার-অজয় রায়, সঞ্জয় গুহ,
তীর্থঙ্কর ব্যানার্জী, দোতারা-দেবাশিস গাঙ্গুলী, বাঁশী-সৌমেন দে, সানাই-তারকেশ্বর ভার্মা, বেহালা-দেবশঙ্কর রায়, জ্যোতিশঙ্কর রায়,
গীটার-সিদ্ধার্থ ব্যানার্জী, শুভাশিশ রায়চৌধুরী, কী বোর্ড-রাজারাম ব্যানার্জী, গৌতম সোম, ভইব্রোফোন-গৌতম গাঙ্গুলী, পাখোয়াজ ও
তবলা-তিমিরবরণ গুপ্ত, তবলা-বিভাস সেনগুপ্ত, ঢোল থুম্বা খোল-অশোক দাস, মাদল ও ড্রামস-কাজল দে, এফেক্ট-রবীন গাঙ্গুলী |
শব্দগহণ-সমীর দাস, সফিকুল ইসলাম, অডিও সেন্টার স্টুডিওতে গৃহিত, প্রচ্ছদ ফটো-অশোক মুখার্জী, প্রচ্ছদ লিপি-সুব্রত দেবনাথ
এবং প্রচ্ছদ-গৌতম বসু |
সুপ্ত আগুন আছে ক্রোধে মিশে -(উপরের ক্যাসেটটি) সুরেশ বিশ্বাসের একমাত্র গানের রেকর্ডিং | ক্যাসেটটির গানগুলি
লিখেছিলেন সুরেশ বিশ্বাস, কণ্ঠ - সুরেশবিশ্বাস, সমবেত কণ্ঠ - পিউ দত্ত, কেয়া চট্টোপাধ্যায়, অনুশ্রী চক্রবর্তী, তপন সিংহ, রুপম
চক্রবর্তি, অসীম গিরি, অসীম রায় এবং অমিত রায় |
সঙ্গীত সহযোগিতা - ত্রিদিব ব্যানার্জী, যন্ত্রাংশে ছিলেন সরোদ-তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, সেতার-অজয় রায়, সঞ্জয় গুহ,
তীর্থঙ্কর ব্যানার্জী, দোতারা-দেবাশিস গাঙ্গুলী, বাঁশী-সৌমেন দে, সানাই-তারকেশ্বর ভার্মা, বেহালা-দেবশঙ্কর রায়, জ্যোতিশঙ্কর রায়,
গীটার-সিদ্ধার্থ ব্যানার্জী, শুভাশিশ রায়চৌধুরী, কী বোর্ড-রাজারাম ব্যানার্জী, গৌতম সোম, ভইব্রোফোন-গৌতম গাঙ্গুলী, পাখোয়াজ ও
তবলা-তিমিরবরণ গুপ্ত, তবলা-বিভাস সেনগুপ্ত, ঢোল থুম্বা খোল-অশোক দাস, মাদল ও ড্রামস-কাজল দে, এফেক্ট-রবীন গাঙ্গুলী |
শব্দগহণ-সমীর দাস, সফিকুল ইসলাম, অডিও সেন্টার স্টুডিওতে গৃহিত, প্রচ্ছদ ফটো-অশোক মুখার্জী, প্রচ্ছদ লিপি-সুব্রত দেবনাথ
এবং প্রচ্ছদ-গৌতম বসু |
সুপ্ত আগুন আছে ক্রোধে মিশে -(উপরের ক্যাসেটটি) সুরেশ বিশ্বাসের একমাত্র গানের রেকর্ডিং | ক্যাসেটটির গানগুলি
লিখেছিলেন সুরেশ বিশ্বাস, কণ্ঠ - সুরেশবিশ্বাস, সমবেত কণ্ঠ - পিউ দত্ত, কেয়া চট্টোপাধ্যায়, অনুশ্রী চক্রবর্তী, তপন সিংহ, রুপম
চক্রবর্তি, অসীম গিরি, অসীম রায় এবং অমিত রায় |
সঙ্গীত সহযোগিতা - ত্রিদিব ব্যানার্জী, যন্ত্রাংশে ছিলেন সরোদ-তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, সেতার-অজয় রায়, সঞ্জয় গুহ,
তীর্থঙ্কর ব্যানার্জী, দোতারা-দেবাশিস গাঙ্গুলী, বাঁশী-সৌমেন দে, সানাই-তারকেশ্বর ভার্মা, বেহালা-দেবশঙ্কর রায়, জ্যোতিশঙ্কর রায়,
গীটার-সিদ্ধার্থ ব্যানার্জী, শুভাশিশ রায়চৌধুরী, কী বোর্ড-রাজারাম ব্যানার্জী, গৌতম সোম, ভইব্রোফোন-গৌতম গাঙ্গুলী, পাখোয়াজ ও
তবলা-তিমিরবরণ গুপ্ত, তবলা-বিভাস সেনগুপ্ত, ঢোল থুম্বা খোল-অশোক দাস, মাদল ও ড্রামস-কাজল দে, এফেক্ট-রবীন গাঙ্গুলী |
শব্দগহণ-সমীর দাস, সফিকুল ইসলাম, অডিও সেন্টার স্টুডিওতে গৃহিত, প্রচ্ছদ ফটো-অশোক মুখার্জী, প্রচ্ছদ লিপি-সুব্রত দেবনাথ
এবং প্রচ্ছদ-গৌতম বসু |
সুপ্ত আগুন আছে ক্রোধে মিশে -(উপরের ক্যাসেটটি) সুরেশ বিশ্বাসের একমাত্র গানের রেকর্ডিং | ক্যাসেটটির গানগুলি
লিখেছিলেন সুরেশ বিশ্বাস, কণ্ঠ - সুরেশবিশ্বাস, সমবেত কণ্ঠ - পিউ দত্ত, কেয়া চট্টোপাধ্যায়, অনুশ্রী চক্রবর্তী, তপন সিংহ, রুপম
চক্রবর্তি, অসীম গিরি, অসীম রায় এবং অমিত রায় |
সঙ্গীত সহযোগিতা - ত্রিদিব ব্যানার্জী, যন্ত্রাংশে ছিলেন সরোদ-তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, সেতার-অজয় রায়, সঞ্জয় গুহ,
তীর্থঙ্কর ব্যানার্জী, দোতারা-দেবাশিস গাঙ্গুলী, বাঁশী-সৌমেন দে, সানাই-তারকেশ্বর ভার্মা, বেহালা-দেবশঙ্কর রায়, জ্যোতিশঙ্কর রায়,
গীটার-সিদ্ধার্থ ব্যানার্জী, শুভাশিশ রায়চৌধুরী, কী বোর্ড-রাজারাম ব্যানার্জী, গৌতম সোম, ভইব্রোফোন-গৌতম গাঙ্গুলী, পাখোয়াজ ও
তবলা-তিমিরবরণ গুপ্ত, তবলা-বিভাস সেনগুপ্ত, ঢোল থুম্বা খোল-অশোক দাস, মাদল ও ড্রামস-কাজল দে, এফেক্ট-রবীন গাঙ্গুলী |
শব্দগহণ-সমীর দাস, সফিকুল ইসলাম, অডিও সেন্টার স্টুডিওতে গৃহিত, প্রচ্ছদ ফটো-অশোক মুখার্জী, প্রচ্ছদ লিপি-সুব্রত দেবনাথ
এবং প্রচ্ছদ-গৌতম বসু |
সুপ্ত আগুন আছে ক্রোধে মিশে -(উপরের ক্যাসেটটি) সুরেশ বিশ্বাসের একমাত্র গানের রেকর্ডিং | ক্যাসেটটির গানগুলি
লিখেছিলেন সুরেশ বিশ্বাস, কণ্ঠ - সুরেশবিশ্বাস, সমবেত কণ্ঠ - পিউ দত্ত, কেয়া চট্টোপাধ্যায়, অনুশ্রী চক্রবর্তী, তপন সিংহ, রুপম
চক্রবর্তি, অসীম গিরি, অসীম রায় এবং অমিত রায় |
সঙ্গীত সহযোগিতা - ত্রিদিব ব্যানার্জী, যন্ত্রাংশে ছিলেন সরোদ-তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, সেতার-অজয় রায়, সঞ্জয় গুহ,
তীর্থঙ্কর ব্যানার্জী, দোতারা-দেবাশিস গাঙ্গুলী, বাঁশী-সৌমেন দে, সানাই-তারকেশ্বর ভার্মা, বেহালা-দেবশঙ্কর রায়, জ্যোতিশঙ্কর রায়,
গীটার-সিদ্ধার্থ ব্যানার্জী, শুভাশিশ রায়চৌধুরী, কী বোর্ড-রাজারাম ব্যানার্জী, গৌতম সোম, ভইব্রোফোন-গৌতম গাঙ্গুলী, পাখোয়াজ ও
তবলা-তিমিরবরণ গুপ্ত, তবলা-বিভাস সেনগুপ্ত, ঢোল থুম্বা খোল-অশোক দাস, মাদল ও ড্রামস-কাজল দে, এফেক্ট-রবীন গাঙ্গুলী |
শব্দগহণ-সমীর দাস, সফিকুল ইসলাম, অডিও সেন্টার স্টুডিওতে গৃহিত, প্রচ্ছদ ফটো-অশোক মুখার্জী, প্রচ্ছদ লিপি-সুব্রত দেবনাথ
এবং প্রচ্ছদ-গৌতম বসু |
<<<<বড় করে
দেখতে এই
ছবিদুটির উপর
ক্লিক্ করুন