কবি তারাপদ রায় - বিশিষ্ট কবি এবং রসরচনাকার। তিনি “নক্ষত্র রায়” এবং “গ্রন্থকীট” ছদ্মনামেও
লিখতেন।

তিনি জন্ম গ্রহণ করেন অধুনা বাংলাদেশের টাঙ্গাইলে। ওপার বাংলায় ম্যাট্রিক পাশ করেন বিন্দুবাসিনী হাই
ইংলিশ স্কুল থেকে। ১৯৫১ সালে তিনি চলে আসেন কলকাতায়। কলকাতার সেন্ট্রাল ক্যালকাটা কলেজে
(বর্তমান মৌলানা আজাদ কলেজ) তিনি ইকনমিকস নিয়ে পড়েন। কিছুকাল তিনি উত্তর ২৪
পরগণার হাবড়ায় একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

তিনি “পূর্বমেঘ” (১৯৫৭), “কয়েকজন” (১৯৬৮) প্রভৃতি পত্রিকার সম্পাদনা করেছেন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ
“তোমার প্রতিমা” ১৯৫৮ সালে (মতান্তরে ১৯৬০) প্রকাশিত হয়। তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে “”
“ছিলাম ভালবাসার নীল পতাকাতে স্বাধীন” (১৯৬৭), “কোথায় যাচ্ছেন তারাপদ বাবু” (১৯৭০), “নীল দিগন্তে
এখন ম্যাজিক” (১৯৭৪), “পাতা ও পাখিদের আলোচনা” (১৯৭৫), “ভালবাসার কবিতা” (১৯৭৭), “দারিদ্র্যরেখা”
(১৯৮৬), “দুর্ভিক্ষের কবিতা”, “জলের মত কবিতা” (১৯৯২), “দিন নি দিন খাই” (১৯৯৪), “টিউবশিশুর বাবা”
(১৯৯৫), “ভাল আছো গরীব মানুষ” (২০০১), “কবি ও পরশিনী” (২০০২) প্রভৃতি।

তাঁর অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে  “কাণ্ডজ্ঞান”, “জ্ঞানগম্যি”, “ডোডো তাতাই পালাকাহিনী”, “স্বনির্বাচিত
তারাপদ রায়”, “ছাড়াবাড়ী পোড়াবাড়ী”, “বালিশ”  প্রভৃতি।

কখাভঙ্গি এবং পরিহাস-বিদ্রুপ মিশ্রিত বাক্ধারার সমন্বয়ে বাংলা কবিতায় এক স্বাতন্ত্র অর্জন করেছেন।
শিশুসাহিত্য রচনাতেও তিনি নিপুণ। ডোডো তাতাই তাঁর প্রতিভার নিদর্শন। শিরোমণি পুরস্কার এবং কথা
পুরস্কারে (১৯৯৫) তিনি ভূষিত হয়েছিলেন।

রিনাল ফেইলিয়র হয়ে তাঁর কলকাতায় মৃত্যু হয় ২৫শে অগাস্ট ২০০৭ তারিখে। তিনি লেখায় এত উত্সাহী
ছিলেন যে তাঁর হাসপাতালের শয্যায় সুয়েও সুয়েও তিনি লিখে গেছেন।


আমরা
মিলনসাগরে  এই পাতাটি তুলে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করছি।

কবি তারাপদ রায়ের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন



উত্সঃ  শিশিরকুমার দাশ, সংসদ বাংলা সাহিত্যসঙ্গী, ২০০৩
.         
উইকিপেডিয়া     
            


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রকাশ - .০৪.২০১২
...