এই কবি সম্বন্ধে আরও তথ্য এবং নতুন কোনও পদ আমাদের কাছে পাঠালে আমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে  
প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো


আমরা
মিলনসাগরে  কবি কানু, কানুদাস, কানুরাম দাস এবং কানুকবি-এর বৈষ্ণব পদাবলী তুলে আগামী
প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে  এই  প্রচেষ্টার সার্থকতা।



কবি কানু-র মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন
কবি কানু দাস-এর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।    
কবি কানুরাম দাস-এর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।    
কবি কানু কবি-র মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন    


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ২৬.১.২০১৯

...
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
কানু, কানু দাস, কানুরাম দাস, কানু কবি - নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে এঁরা একধিক ব্যক্তি।
আবার একই ব্যক্তি একাধিক ভণিতায় পদ রচনা করে গিয়েছেন। এই কবিদের সময়কাল সম্বভত ষোড়শ
শতক। সতীশচন্দ্র রায় মনে করতেন যে “কানুদাস” ও “কানুরাম দাস” একই ব্যক্তি এবং গোবিন্দদাস
কবিরাজ পূর্ববর্তী কবি।  

সব মিলিয়ে আমরা এঁদের ২৫টী পদ সংগ্রহ করে মিলনসাগরে তুলতে পেরেছি।

এই পদকর্তাদের পরিচয় নিয়ে বৈষ্ণব সাহিত্যে তর্কবহুল আলোচনা আমরা দেখতে পাই জগবন্ধু ভদ্র,
মৃণালকানিত ঘোষ ও সতীশচন্দ্র রায়ের মধ্যে। আমরা তা এখানে ক্রমান্বয়ে দেবার চেষ্টা করেছি . . .
কানু নামা কবিদের নিয়ে সতীশচন্দ্র রায়ের উদ্ধৃতি    
কানুরামদাসের পদে গোবিন্দদাসের ভণিতায় সতীশচন্দ্র রায়ের উদ্ধৃতি  
কানু নামা কবিদের নিয়ে মৃণালকান্তি ঘোষের উদ্ধৃতি    
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি   
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা     
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?     
এই পাতার কবিতার ভণিতা -
কানু, কানুদাস, কানুরাম দাস,
কানু কবি
.
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি -                                   পাতার উপরে . . .  
শিক্ষাবীদ, সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাচীন পুথির সংগ্রাহক,
শ্রী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, সুরেশচন্দ্র
সমাজপতি সম্পাদিত “সাহিত্য” পত্রিকার পৌষ, ১৩২৫ সংখ্যায় (ডিসেম্বর ১৯১৮), তাঁর “সঙ্গীত শাস্ত্রের
একখানি প্রাচীন গ্রন্থ” প্রবন্ধে লিখেছেন . . .
“. . .
বৈষ্ণব পদাবলীর মত সুন্দর জিনিস বঙ্গসাহিত্যে আর নাই। কাণের ভিতর দিয়া মরমে পশিয়া প্রাণ
আকুল করিয়া তুলিতে পারে, এমন সুধাস্রাবী ঝঙ্কার বৈষ্ণব পদাবলী ভিন্ন বাঙ্গালায় আর কিছুতে নাই
।”
.
কানু নামা কবিদের নিয়ে সতীশচন্দ্র রায়ের উদ্ধৃতি -                              পাতার উপরে . . .  
১৯৩১ সালে প্রকাশিত, বৈষ্ণবদাস সংকলিত পদকল্পতরুর সম্পাদক সতীশচন্দ্র রায় তাঁর সম্পাদিত
 গ্রন্থের
৫ম খণ্ডের ভূমিকায় আলাদা করে “কানুদাস” ও “কানুদাস” ভণিতার কবির সম্বন্ধে লিখতে গিয়ে তিনি
 
লিখেছেন . . .

"পদকর্ত্তা কানু দাস ও কানুরাম দাস এক ব্যক্তি কিংবা বিভিন্ন ব্যক্ত --- নিশ্চিত বলা যায় না। সর্গীয় জগবন্ধু
বাবু তাঁহার গৌরপদতরঙ্গিণীর উপক্রমণিকার ৫৪ পৃষ্ঠায় তিন জন কানু দাসের পরিচয় দিয়াছেন, যথা---(১)
নিত্যানন্দ প্রভুর শাখা-ভুক্ত সদাশিব কবিরাজের পুত্র পুরুষোত্তম দাসের পুত্র কানু ঠাকুর। (২) নিত্যানন্দ
প্রভুর পত্নী জাহ্নবা ঠাকুরাণীর অনুগত ও শ্রীখণ্ডবাসী রঘুনন্দন গোস্বামীর পুত্র কানু পণ্ডিত এবং (৩)
  
রসিকমঙ্গল গ্রন্থের বর্ণিত শ্যামানন্দ পুরীর প্রশিষ্য ও রসিকানন্দের শিষ্য কানুদাস। ইনি নাকি একজন নীলাচল-
বাসী কবি ছিলেন। দীনেশ বাবু বলেন, “ইহাঁর গুরু দামোদর পণ্ডিত”। জগবন্ধু বাবু মন্তব্য লিখিয়াছেন,---

“যতদূর জানা গিয়াছে, তাহাতে বোধ হয়, শেষ জনই পদকর্ত্তা ছিলেন।” দুঃখের বিষয়, তিনি তাঁহার এই  
উক্তির পোষকতায় কোনও প্রমাণ দেন নাই। বোধ হয় তিনি শুধু কিংবদন্তীর উপরপ নির্ভর করিয়াই এরূপ
লিখিয়া গিয়াছেন। আমরা শ্রীচাতন্যচরিতামৃত গ্রন্থে দুই জন প্রসিদ্ধ কানুদাসের উল্লেখ পাই। যথা,---


শ্রীসদাশিব কবিরাজ বড় মহাশয়।
শ্রীপুরুষোত্তম দাস তাঁহার তনয়॥
আজন্ম নিমগ্ন নিত্যানন্দের চরণে।
নিরন্তর বাল্যলীলা করে কৃষ্ণ@ সনে॥
তাঁর পুত্র মহাশয় শ্রীকানু ঠাকুর।
যার দেহে রহে কৃষ্ণ-প্রেমাবৃত-পুর॥ (আদি---১১শ)

দ্বিতীয় কানুদের উল্লেখ চৈতন্যচরিতামৃতের ১২শ পরিচ্ছেদে অদ্বৈত প্রভুর শাখা-গণনায় দেখা যায়, যথা,---
 
“অনন্ত দাস কানু পণ্ডিত দস নারায়ণ।” জগবন্ধু বাবু কি প্রমাণ অনুসারে এই দুই কানুকে পরিত্যাগ করিয়া  
রসিকানন্দের শিষ্য কানুদাসকেই পদ-কর্ত্তা বলিয়া স্থির করিয়াছেন, তাহা বুঝা যায় না। পদক
ল্পতরুতে  
কিংবা গৌরপদ-তরঙ্গিণীতে কানুদাসের যে পদগুলি উদ্ধৃত হইয়াছে, উহার কয়েকটি পদে বিশেষ-ভাবে  
নিত্যানন্দ প্রভুর বন্দনা ও তাঁহার চরিত্র বর্ণনা দেখিয়া পদ-কর্ত্তা যে নিত্যানন্দ-ভক্ত ছিলেন, তাহা বেশ
  
অনুমান করা যায়। পক্ষান্তরে তাঁহার কোন পদেই প্রসিদ্ধ বৈষ্ণবাচার্য্য শ্যামানন্দ বা তাঁহার
 শিষ্য   
রসিকানন্দের উল্লেখ পাওয়া যায় না। সুতরাং আলোচ্য কানুদাস রসিক-মঙ্গলের বর্ণিত কানুদাস না হইয়া,
নিত্যানন্দ প্রভুর শাখাভুক্ত সদাশিব কবিরাজের পৌত্র কানু ঠাকুর হওয়াই অধিক সম্ভব মনে হয়।
   
রসিকমঙ্গল পুথি আমরা দেখি নাই। ঐ পুথির বর্ণিত কানুদাসের পদ-রচনার উল্লেখ উহাতে আছে কি?
থাকিলে, জগবন্ধু বাবু সে প্রমাণের উল্লেখ করেন নাই কেন? চৈতন্য-তরিতামৃতে এরূপ অনুল্লেখের কারণ
 
সুস্পষ্ট ; কিন্তু
 রসিরমঙ্গলে অনুল্লেখের কি কারণ আছে? কানুরাম দাস খাঁটি বাঙ্গালা এ ব্রজ-বুলী---দুই  
রকম পদই রচনা
 করিয়া গিয়াছেন। তাঁহার ৩১১|৩৩৫ ইত্যাদি পদে প্রাঞ্জল বাঙ্গালা রচনার ও ৩৩২|৬৬৩  
প্রভৃতি পদে সুন্দর ব্রজ-বুলী রচনার পরিচয় পাওয়া যায়। পদগুলি একটু অভিনিবেশ সহকারে পড়িলেই
 
বুঝা যায় যে, কানুদাস ও কানুরাম দাস একই ব্যক্তি ; বিভিন্ন পদ-কর্ত্তা নহেন। কানুরাম দাসের যদিও ১২টী
মাত্র পদ পদকল্পতরুতে উদ্ধৃত হইয়াছে, কিন্তু উহাই তাঁহার উত্কৃষ্ট রচনা ও কবিত্ব-শক্তির পরিচায়ক
"  

@ -
উক্ত পয়ারগুলির অব্যবহিত পূর্ব্বে বর্ণিত রাঢ়ের প্রসিদ্ধ কালা কৃষ্ণদাস
.
কানুরামদাসের পদে গোবিন্দদাসের ভণিতা সতীশচন্দ্র রায়ের উদ্ধৃতি -      পাতার উপরে . . .  
কানুরাম দাসের পবনক পরশহিঁ বিচলিত পল্লব ও রসের হাটেতে আইলাম সাজাইয়া পসার
 পদদুটি   
নিমানন্দ দাসের পদরসসার গ্রথে গোবিন্দদাসের ভণিতায় রয়েছে। এই প্রসঙ্গে সতীশচন্দ্র রায় লিখেছেন . . .


তাঁহার ৩৩৫ সংখ্যক ---
রসের হাটে আইলাম সাজাইয়া পসার।
গাহক না আয়ল যৌবন ভেল ভার॥


ইত্যাদি পদটী বিখ্যাত। পদ-রস-সার পুথিতে এই প্রাচীন সুন্দর পদটীর একটা আধুনিক ও অসুন্দর রূপান্তর
গোবিন্দদাসের ভণিতা-যুক্ত হইয়া উদ্ধৃত হইয়াছে ; আমরা ৩৩৫ সংখ্যক পদের পাঠান্তরে উহা প্রদর্শিত
করিয়াছি।
 এইরূপ  কৃত্রিম  রূপান্তর দ্বারা  কানুরামের মূল পদটার প্রসিদ্ধি ও প্রাচীনতাই অনুমিত হইয়া
থাকে। কানুরামের উকণ্ঠিতা-বর্ণনার---


পবনক পরশহিঁ                        বিচলিত পল্লব
.                শবদহিঁ সজল নয়ান।
সচকিতে সঘনে                        নয়নে ধনি নিরখয়ে
.                জানল আয়ল কান॥


ইত্যাদি ৩৩২ সংখ্যক পদে জয়দেবের---


পততি পতত্রে বিচলিত-পত্রে শঙ্কিতভবদুপযানম্।
রচয়চি শয়নং সচকিতনয়নং পশ্যতি তব পন্থানমৃ॥


ইত্যাদি প্রসিদ্ধ কবিতার একটু ছায়াপাত হইয়া থাকিলেও পদটীর রচনা সুললিত ও কবিত্বপূর্ণ। পদ-রস-সার
পুথিতে এই পদেরও একটা বিশেষ সাদৃশ্য-যুক্ত রূপান্তর গোবিন্দদাসের নামে উদ্ধৃত হইয়াছে। ৩৩২ সংখ্যক
পদের পাঠান্তরে আমরা উহা প্রদর্শিত করিয়াছি। (আমরাও মিলনসাগরে এই পদটির সঙ্গেই তা প্রদর্শিত
 
করেছি।) মহাকবি গোবিন্দ কবিরাজ কানুরামের পরবর্ত্তী পদ-কর্ত্তা হইলেও তিনি যে কানুরামের
 পদের  
এরূপ অযোগ্য অপহরণ করিবেন, তাহা কিছুতেই বিশ্বাস করা যায় না। সুতরাং পদ-রস-সার পুথির এই
গোবিন্দদাস হয় ত কোনও কীর্ত্তন-গায়ক বা লিপি-কারের কল্পিত ব্যক্তি অথবা অপর কোনও নগন্য
  
গোবিন্দদাস হইবেন, ইহাই অনুমান হইতেছে"
.
কানু নামা কবিদের নিয়ে মৃণালকান্তি ঘোষের উদ্ধৃতি -                            পাতার উপরে . . .  
১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-
তরঙ্গিণী”-এর (প্রথম সংস্করণ ১৯০২) পদকর্তার পরিচয়-এ “কানুদাস বা কানুরাম দাস” ভণিতার
নিয়ে চারজন কবি সম্বন্ধে লিখেছেন . . .

"এই নামে বৈষ্ণব গ্রন্থে চারি জন মগাত্মার নাম পাওয়া গিয়াছে।  ইঁহাদের  সংক্ষিপ্ত  পরিচয়  নিম্নে প্রদত্ত  
হইল :---
(১) কানু ঠাকুর - প্রভু নিত্যানন্দের এক শাখা সদৈশিব কবিরাজ ; সদাশিবের পুত্র পুরুষোত্তম দাস এবং
পুরুষোত্তম দাসের পুত্র কানু ঠাকুর বা কানুদাস। যথা চৈতন্যচরিতামৃত, আদি, ১১শ পরিচ্ছেদ---


“শ্রীসদাশিব কবিরাজ বড় মহাশয়। শ্রীপুরুষোত্তম দাস তাঁহার তনয়॥
তাঁর পুত্র মহাশয় শ্রী কানু ঠাকুর। যার দেহে রহে কৃষ্ণ-প্রেমামৃতপুর॥”


ইনি দ্বাদশ গোপালের অন্যতম। যশোহর জেশার পশ্চিমাংশে বোধখানায় ইঁহার পাট। কানু ঠাকুরের
বংশাবলীর ব্রাহ্মণাদি অনেক মন্ত্রশিষ্য আছেন।

(২) কানু পণ্ডিত বা কানুদাস - ইনি খণ্ডবাসী শ্রীরঘুনন্দন ঠাকুরের আত্মজ এবং জাহ্নবা ঠাকুরাণীর বিশেষ
অনুগত ছিলেন। গদাধর দাসের অপ্রকটের এর বত্সর পরে তদীয় শিষ্য যদুনন্দন দাস যে মহামহোত্সব
 
করিয়াছিলেন, তাহাতে অন্যান্য মহান্তদিগের সহিত কানু পণ্ডিত উপস্থিত ছিলেন। খেতুরীর
 মহোত্সবের  
সময় তিনি শান্তিপুরে বাস করিতেছিলেন ; তথা হইতে নবদ্বীপে আসিয়া জাহ্নবা ঠাকুরাণীর সহিত খেতুরীতে
গমন করেন। ইনিই শ্রীখণ্ডে গৌরবিষ্ণুপ্রিয়ার যুগলমূর্ত্তি প্রতিষ্ঠিত করেন।

(৩) অদ্বৈতাচার্য্যের শিষ্য কানু পণ্ডিত - যথা চৈতন্যচরিতামৃত, আদি, ১২শ পরিচ্ছেদে অদ্বৈতাচার্য্যের শাখা-
বর্ণনায় --- “অনন্তদাস, কানু পণ্ডিত, দাস নারায়ণ।”

(৪) কানুদাস - রসিক-মঙ্গল গ্রন্থ মতে কানুদাস শ্যামানন্দ পুরীর প্রশিষ্য ও রসিকানন্দের শিষ্য। ইনি
 
নীলাচলবাসী ও কবি ছিলেন।

স্বর্গীয় সতীশবাবু লিখিয়াছেন--- “পদকল্পতরু কিংবা গৌরপদতরঙ্গিণীতে কানুদাসের যে সকল পদ উদ্ধৃত
 
হইয়াছে, উহার কয়েকটি পদে বিশেষভাবে নিত্যানন্দ প্রভুর বন্দনা ও তাঁহার চরিত্র-বর্ণনা দেখিয়া, পদকর্ত্তা
যে নিত্যানন্দ ভক্ত ছিলেন, তাহা বেশ অনুমান করা যায়। পক্ষান্তরে তাঁহার কোন পদেই প্রসিদ্ধ বৈষ্ণবাচার্য্য
শ্যামানন্দ বা তাঁহার শিষ্য রসিকানন্দের উল্লেখ পাওয়া যায় না। সুতরাং আলোচ্য কানুদাস রসিক-মঙ্গলের
বর্ণিত কানুদাস না হইয়া, নিত্যানন্দ প্রভুর শাখাভুক্ত সদাশিব কবিরাজের পৌত্র কানু ঠাকুর হওয়াই অধিক
সম্ভব মনে হয়।”

আমরা সতীশবাবুর সহিত একমত হইতে পারিলাম না। কারণ, গৌরপদতরঙ্গিণীতে কানু,
 কানুকবি,  
কানুদাস ও কানুরামদাস ভণিতাযুক্ত যে ১৪টী পদ আছে, সেইগুলি মনোযোগের সহিত পাঠ করিলে বেশ
 
বুঝিতে পারা যায় যে, ইহার সকলগুলি একজনের রচিত নহে। এই পদগুলির মধ্যে ৫টী নিত্যানন্দবিষয়ক।
 
ইহার একটি পদে নিত্যানন্দকে 'কুলের দেবতা তুমি' এবং একটীতে 'শ্রীজাহ্নবাবল্লভ' বলা হইয়াছে। আর
 
দুইটী পদে রামানন্দ-পদরজ, রামরায় দাও শ্রীচরণ, সদা ভক্তি রামের (রামরায়ের) চরণ আছে। এই
 দুইটী
পদ রামানন্দ রায়ের অনুগত কোন পদকর্ত্তার রচিত হইতে পারে
"