আমরা মিলনসাগরে  কবি রাজা লক্ষ্মণ সেনের বৈষ্ণব পদাবলী তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে  পৌঁছে দিতে
পারলে এই প্রচেষ্টার সার্থকতা।



কবি রাজা ক্ষ্মণ সেনের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রথম প্রকাশ, রাজা লক্ষ্মণ সেনের জন্মের নয় শত বর্ষ পূর্তিতে - ২০.৬.২০১৯


...
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
বিদ্যোত্সাহী রাজা লক্ষ্মণ সেন     
কবি রাজা লক্ষ্মণ সেন রচিত বাংলায় বৈষ্ণব পদাবলী   
রাজা লক্ষ্মণ সেনের ছবি    
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি   
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা     
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?     
.
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি -                                   পাতার উপরে . . .  
শিক্ষাবীদ, সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাচীন পুথির সংগ্রাহক,
শ্রী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, সুরেশচন্দ্র
সমাজপতি সম্পাদিত “সাহিত্য” পত্রিকার পৌষ, ১৩২৫ সংখ্যায় (ডিসেম্বর ১৯১৮), তাঁর “সঙ্গীত শাস্ত্রের
একখানি প্রাচীন গ্রন্থ” প্রবন্ধে লিখেছেন . . .

“. . .
বৈষ্ণব পদাবলীর মত সুন্দর জিনিস বঙ্গসাহিত্যে আর নাই। কাণের ভিতর দিয়া মরমে পশিয়া প্রাণ
আকুল করিয়া তুলিতে পারে, এমন সুধাস্রাবী ঝঙ্কার বৈষ্ণব পদাবলী ভিন্ন বাঙ্গালায় আর কিছুতে নাই
।”
কবি রাজা লক্ষ্মণ সেন - ছিলেন গৌড়ের
সেন বংশের রাজা। পিতা রাজা বল্লাল সেন।
মাতার নামা জানা যায় না। তাঁর পত্নীর নাম
ছিল রাণী তন্দ্রা দেবী। তাঁদের দুই পুত্র  
বিশ্বরূপ ও কেশব।

রাজা লক্ষ্মণ সেনের পূর্বপুরুষগণ “শৈব” হলেও
তিনি ছিলেন “বৈষ্ণব”।  
তিনি গাহড়বালরাজ জয়চন্দ্রকে পরাজিত করে মগধ অধিকার করেন। দ্বাদশ শতাব্দীর শেষভাগে সেনাপতি
ইখতিয়ার-উদ্দিন মহম্মদ-বিন-বখতিয়ার খিলজি এক অতর্কিত আক্রমণে তাঁকে পরাজিত করে, মগধের   
নালন্দা, বিক্রমশীলা ও ওদান্তপুরীর বৌদ্ধ ধর্মপীঠ সহ মহাবিদ্যালয় আদি ভেঙে দেন। রাজা লক্ষ্মণ সেন   
নদীয়া ত্যাগ করে পূর্ববঙ্গে আশ্রয় নেন। সেখানে তিনি ও তাঁর বংশধরগণ মুসলমান আক্রমণ প্রতিহত করে
স্বাধীনভাবে রাজত্ব করতে সমর্থ হন। সেখানে তাঁর রাজধানী ছিলো বিক্রমপুর।

তাঁর নামানুসারে এবং সম্ভবত তাঁর জন্ম-সাল থেকে, মিথিলায় “লক্ষ্মণসংবৎ” নামে একটি অব্দ প্রচলিত হয়।
.
বিদ্যোত্সাহী রাজা লক্ষ্মণ সেন -                                                        পাতার উপরে . . .  
তিনি নিজে বিদ্যোত্সাহী ছিলেন। পিতা বল্লাল সেনের অসমাপ্ত রচনা “দানসাগর” অথবা “অদ্ভুতসাগর” নামক
সংস্কৃত গ্রন্থটি সম্পূর্ণ করেন। তাঁর রাজসভা আলোকিত করে রেখেছিলেন বাংলার আদি কবি
জয়দেব,
ধোয়ী, শরণ, উমাপতি ধর প্রমুখ তাঁর রাজসভায়
জয়দেবের “গীতগোবিন্দ” অভিনীত হয়েছিল। এঁরা  সকলেই
সংস্কৃত ভাষায় রচনা করে গিয়েছেন।
.
কবি রাজা লক্ষ্মণ সেন রচিত বাংলায় বৈষ্ণব পদাবলী -                         পাতার উপরে . . .  
কবি লক্ষ্মণ সেনের একটি বাংলা ভাষায় লেখা পদ পাওয়া গিয়েছে শ্রীপাদ হরিদাস গোস্বামী সম্পাদিত,  
নবদ্বীপধাম থেকে ১৯২৩ খৃষ্টাব্দে প্রকাশিত, “শ্রীশ্রীবিষ্ণুপ্রিয়া-গৌরাঙ্গ” মাসিক পত্রিকার, ১ম বর্ষের, ৪র্থ  
সংখ্যার, ৭০-পৃষ্ঠায়।

রাজা লক্ষ্মণ সেনের “লক্ষণ ভূপ” ভণিতার পদটি বাবা আউল মনোহর দাস সংকলিত, ১৫০০০পদ সম্বলিত  
“পদসমুদ্র” গ্রন্থের পদ বলে উল্লিখিত রয়েছে।

এই পদটির ভাষা সম্ভবত লোকমুখে ফিরে ফিরে আধুনিকত্ব অর্জন করেছে। তবে যদি সত্যিই এই পদটি  
রাজা লক্ষ্মণ সেনের রচিত পদ হয়, তা হলে এই পদটিই, চর্যাপদের পরে, বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম কবিতা
বা  পদের দাবীদার!
.
রাজা লক্ষ্মণ সেনের ছবি -                                                                পাতার উপরে . . .  
রাজা "লক্ষ্মণ সেনের পলায়ন" নামের এই অতি বিতর্কিত ছবিটি এঁকেছিলেন শিল্পী সুরেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলী, ১৯০৮
খৃষ্টাব্দে। বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের ঘোর উন্মাদনার সময়কালের মধ্যে আঁকা এই ছবিটির বিরুদ্ধে  প্রচুর  
লেখালেখি হয়েছিল দেশে। এ বিষয়ে মাহবুব আলম-এর লেখা “একটি বিতর্কিত চিত্র :  লক্ষ্মণ  সেনের   
পলায়ণ” প্রবন্ধটি পড়তে
বণিকবার্তা.নেট ঘুরে আসতে পারেন।
এই পাতার ভণিতা
লক্ষণ ভূপ