কবি চৈতন্যদাস - বৈষ্ণবদাস সংকলিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থে তাঁর ১৬টি পদ রয়েছে
যার মধ্যে একটিও ব্রজবুলির রচনা নয়। এর
মধ্যে গোদোহন লীলার ৪টি, গোবর্দ্ধন লীলার
৪টি, গৌরবিষয়ক ৩টি পদ রয়েছে। পদকর্তা
চৈতন্যদাসের জীবন নিয়ে নিশ্চিত ভাবে কিছু
বলা যায় না। চৈতন্যদাস একজন না একাধিক ছিলেন এই নিয়েও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।

সতীশচন্দ্র রায় ও রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্রের লেখা থেকে জানা যায় যে, জগদ্বন্ধু ভদ্র তাঁর গৌরবিষয়ক
বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “গৌরপদতরঙ্গিণী”-র ১ম সংস্করণে (১৯০২) ৫জন চৈতন্যদাসের উল্লেখ করেছিলেন,
যাঁদের জীবনকাল শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু থেকে শ্রীনিবাসাচার্য্যের সময়কালে মধ্যে ছিল। “গৌরপদতরঙ্গিণী”-র ১ম  
সংস্করণটি আমরা হাতে পাই নি। আমাদের সংগ্রহের মধ্যে মৃণালকান্তি ঘোষের সম্পাদিত “গৌরপদতরঙ্গিণী”
এর ২য় সংস্করণে (১৯৩৪), ১২জন চৈতন্যদাসের উল্লেখ রয়েছে।
শ্রীচৈতন্যদাস ভণিতার সহজিয়া কবিই কি বীরহাম্বীর? -                          পাতার উপরে . . .   
নিত্যানন্দ দাসের প্রেমবিলাসের ২০শ বিলাসে, শ্রীনিবাস আচার্য্যের শাখা বর্ণনায় মল্লরাজ বীরহাম্বীরের
চৈতন্যদাস নামের উল্লেখ রয়েছে . . .


বীরহাম্বীর রাজা শাখা যে গ্রন্থ কৈল চুরি।
জীব গোসাঞী নাম রাখে চৈতন্যদাস তাঁরি

---১৯১৩ সালে বাবু যশোদালাল তালুকদার দ্বারা প্রকাশিত, নিত্যানন্দ দাসের প্রেমবিলাস, ২০শ বিলাস,
শ্রীনিবাস আচার্য্যের শাখা বর্ণনা, ২০৫-পৃষ্ঠা॥

নরহরি চক্রবর্তী তাঁর ভক্তিরত্নাকর গ্রন্থে বলেছেন যে বনবিষ্ণুপুরের মল্লারাজ বীরহাম্বীরও নাকি কিছু পদ
“শ্রীচৈতন্যদাস” ভণিতায় রচনা করে গিয়েছেন। ভক্তিরত্নাকরের ৯ম তরঙ্গে, রাজা বীরহাম্বীরের “শুনগো মরম
সখি” পদটির পরে তিনি লিখেছেন . . .


গীত শুনি রাণীর কত না উঠে মনে। না ধরে ধৈরয ধারা বহে দুনয়নে॥
রাজার চরণে কত করয়ে প্রার্থনা। হইয়া বিহ্বল রাণী না জানে আপনা॥
রাজা নিজ নেত্রজলে সিঞ্চিত হইলা। স্থির হৈয়া আপনি রাণীরে স্থির কৈলা॥
মধ্যে মধ্যে উঠে কত তরঙ্গ দোঁহার। সে প্রেম বর্ণিতে হেন শক্তি কি আমার॥
শ্রীচৈতন্যদাস নামে যে গীত বর্ণিল। বিস্তারের ডরে তাহা নাহি জানাইল

---নরহরি চক্রবর্তী, ভক্তিরত্নাকর (রামদেব মিশ্র সম্পাদিত, ২য় সংস্করণ, ৪২৬চৈতন্যাব্দ, ১৯১৩খৃঃ),
৯ম তরঙ্গ, ৫৮২-পৃষ্ঠা॥

১৯৩২ সালে প্রকাশিত, মণীন্দ্রমোহন বসু সম্পাদিত “সহজিয়া সাহিত্য” সংকলনে ৪টি পদ রয়েছে
“শ্রীচৈতন্যদাস” ভণিতার। উপরে দেওয়া উদ্ধৃতিতে শ্রীচৈতন্যদাসের পদগুলি “বিস্তারের ডরে তাহা নাহি
জানাইল” কথাটির কি মানে হতে পারে? এখানে তিনি কোন “ডরে”-র কথা বলছেন? তিনি কি কেবলই
স্থানাভাবের ডরে লেখেন নি? এমন কি হতে পারে যে নরহরি চক্রবর্তী জেনেশুনে রাজা বীরহাম্বীরের
“শ্রীচৈতন্যদাস” ভণিতার পদগুলি উদ্ধৃত করেন নি তাঁর ভক্তিরত্নাকর গ্রন্থে, কারণ সেইগুলি সহজিয়া মতের
পদ ছিল?

আমরা জানি যে সপ্তদশ শতকের পূর্বে, বহু সংকলকই তাঁদের বৈষ্ণব পদাবলী সংকলনে সহজিয়া মতের
কবিদের পদ তোলা থেকে বিরত থেকেছেন। এমন কি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রিয় কবি চণ্ডীদাসের পদও,
১৬৪৩ থেকে ১৬৭৩ সালের মধ্যে সংকলিত রামগোপালদাসের “শ্রীশ্রীরাধাকৃষ্ণরসকল্পবল্লী” ও তাঁর পুত্র্র
পিতাম্বর দাসের “অষ্টরস ব্যাখ্যা” তে মাত্র ১টি করে রয়েছে। সপ্তদশ শতকের শেষে রচিত বিশ্বনাথ
চক্রবর্তীর “শ্রীশ্রীক্ষণদাগীতচিন্তামণি” ও অষ্টাদশ শতকের শুরুতে রচিত নরহরি চক্রবর্তীর
 “ভক্তিরত্নাকর”  
গ্রন্থে একটিও চণ্ডীদাসের পদ সংকলিত হয় নি। নরহরি চক্রবর্তীর “শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয়” গ্রন্থে অবশ্য ২৯টি
চণ্ডীদাসের পদ রয়েছে। প্রায় একই সময়ে অথবা একটু পরে অষ্টাদশ শতকের প্রথমদিকে প্রকাশিত
 
রাধামোহন ঠাকুরের “পদামৃতসমুদ্র” সংকলনে ৯টি চণ্ডীদাসের পদ রয়েছে।

এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে চণ্ডীদাস সহজিয়া মতের কবি ছিলেন বলে বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলনে তাঁর পদ, স্থান পেতে পেতে অষ্টাদশ শতক হয়ে যায়।

সেই কারণেই আমরা মনে করছি যে নরহরি চক্রবর্তী তাঁর ভক্তিরত্নাকরে “বীরহাম্বীর” ভণিতার ২টি পদ  
রাখলেও বীরহাম্বীরেরই “শ্রীচৈতন্যদাস” ভণিতার একটিও পদ রাখেন নি, কারণ এই পদগুলি সহজিয়া মতের
পদ ছিল। এবং
এবং এই পদগুলি কোনও বৈষ্ণব পদাবলী সংকলনে স্থান পায়নি। মণীন্দ্রমোহন বসু  
সম্পাদিত “সহজিয়া সাহিত্য” সংকলনের যে ৪টি “শ্রীচৈতন্যদাস” ভণিতার পদ উদ্ধৃত রয়েছে, তা
 
বীরহাম্বীরেরই পদ বলে আমাদের মনে হচ্ছে।

শ্রীচৈতন্যদাস ভণিতার সহজিয়া কবিই কি বীরহাম্বীর?   
চৈতন্যদাস সম্বন্ধে জগদ্বন্ধু ভদ্রর বিবরণ   
চৈতন্যদাসের কবিত্ব ও একাধিক্য নিয়ে সতীশচন্দ্র রায়ের উদ্ধৃতি   
দুর্গাদাস লাহিড়ীর চৈতন্যদাস সম্বন্ধে উদ্ধৃতি   
চৈতন্যদাস সম্বন্ধে রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্রের উদ্ধৃতি   
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের উদ্ধৃতি    
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা     
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?     
.
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
আমরা মিলনসাগরে  কবি চৈতন্যদাসের পদাবলী তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই
প্রচেষ্টাকে সফল মনে করবো।



কবি চৈতন্যদাসের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন

আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ..২০২০
এই পাতার কবিতার ভণিতা -
চৈতন্যদাস, শ্রীচৈতন্যদাস
.
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি -                                   পাতার উপরে . . .  
শিক্ষাবীদ, সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাচীন পুথির সংগ্রাহক,
শ্রী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, সুরেশচন্দ্র
সমাজপতি সম্পাদিত “সাহিত্য” পত্রিকার পৌষ, ১৩২৫ সংখ্যায় (ডিসেম্বর ১৯১৮), তাঁর “সঙ্গীত শাস্ত্রের
একখানি প্রাচীন গ্রন্থ” প্রবন্ধে লিখেছেন . . .

“. . .
বৈষ্ণব পদাবলীর মত সুন্দর জিনিস বঙ্গসাহিত্যে আর নাই। কাণের ভিতর দিয়া মরমে পশিয়া প্রাণ
আকুল করিয়া তুলিতে পারে, এমন সুধাস্রাবী ঝঙ্কার বৈষ্ণব পদাবলী ভিন্ন বাঙ্গালায় আর কিছুতে নাই
।”
চৈতন্যদাস সম্বন্ধে জগদ্বন্ধু ভদ্রর বিবরণ -                                             পাতার উপরে . . .   
জগদ্বন্ধু ভদ্র তাঁর গৌরপদ-তরঙ্গিণী পদ-সংকলন গ্রন্থে ১২জন চৈতন্যদাসের উল্লেখ করেছেন। তাঁদের
 মধ্যে
কে বা কারা পদকর্তা তার উল্লেখ করেন নি। তাঁর উল্লেখিত “চৈতন্যদাস”-রা হলেন -


১। কৃষ্ণদাস কবিরাজের চৈতন্যচরিতামৃতের আদিলীলার ১২শ পরিচ্ছেদে অদ্বৈতশাখা বন্দনায় উল্লিখিত
চৈতন্যদাস . . .
নন্দিনী আর কামদেব, চৈতন্য দাস।
দুর্ল্লভ বিশ্বাস আর বনমালী দাস

---জগদীশ্বর গুপ্ত সম্পাদিত শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, ১৯০৫, আদিলীলা, ১২শ পরিচ্ছেদ, ৩০৪-পৃষ্ঠা॥


২। কৃষ্ণদাস কবিরাজের চৈতন্যচরিতামৃতের আদিলীলার ১১শ পরিচ্ছেদে প্রভু নিত্যানন্দের গণেদের মধ্যে
 
উল্লিখিত মুরারি-চৈতন্যদাস, যাঁর সম্বন্ধে রয়েছে . . .


মুরারি চৈতন্য দাসের অলৌকিক লীলা।
ব্যাঘ্র-গালে চড় মারে, সর্প সঙ্গে খেলা

---জগদীশ্বর গুপ্ত সম্পাদিত কৃষ্ণদাস কবিরাজের শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, ১৯০৫, আদিলীলা, ১১শ পরিচ্ছেদ,
 
২৯২-পৃষ্ঠা॥ এই গ্রন্থের টীকায় রয়েছে যে এই মুরারি চৈতন্যদাসের নিবাস ছিল খড়দহ।


বৃন্দাবনদাসের চৈতন্যভাগবতের অন্ত্য খণ্ডের ৫ম অধ্যায়ে এই মুরারি চৈতন্যদাসের সম্বন্ধে উল্লেখ রয়েছে . . .


তবে আইলেন প্রভু খড়দহগ্রামে। পুরন্দরপণ্ডিতের দেবালয়স্থানে॥
খড়দহগ্রামে গ্রভু-নিত্যানন্দ-রায়। যত নৃত্য করিলেন-কথন না যায়॥
পুরন্দরপণ্ডিতের পরম উন্মাদ। বৃক্ষের উপরে চঢ়ি করে সিংহনাদ॥
বাহ্য নাহি শ্রীচৈতন্যদাসের শরীরে। ব্যাঘ্র তাড়াইয়া যায় বনের ভিতরে॥
কখনো চঢ়েন সেই ব্যাঘ্রের উপরে। কৃষ্ণের. প্রসাদে ব্যাঘ্র লঙ্ঘিতে না পারে॥
মহা অজগরসর্প লই নিজ কোলে। নির্ভয়ে চৈতন্যদাস থাকে কুতৃহলে।
ব্যাঘ্রের সহিত খেলা খেলেন নির্ভয়। হেন কৃপা করে অবধূত মহাশয়॥
সেবকবত্সল প্রভু নিত্যানন্দ-রায়। ব্রহ্মার দুর্লভ রস ইঙ্গিতে ভুঞ্জায়॥
চৈতন্যাদাসের আত্মবিস্মৃতি সর্ব্বথা। নিরন্তর কহেন আনন্দ-মনঃকথা॥
দুই তিন দিন মজ্জি জলের ভিতরে। থাকেন, কোথাও দুঃখ না হয় শরীরে॥
জড়প্রায় অলক্ষিত-বেশ-ব্যবস্থার। পরম উদ্দাম সিংহবিক্রম অপার॥
চৈতন্যদাসের যত ভক্তির বিকার। কত বা কহিতে পারি --- সকল অপার॥
যোগ্য শ্রীচৈতন্যদাস মুরারিপণ্ডিত। যার বাতাসেও কৃষ্ণ পাইয়ে নিশ্চিত

---অতুলকৃষ্ণ গোস্বামী সম্পাদিত বৃন্দাবন দাসঠাকুরের শ্রীচৈতন্যভাগবত, ৩য় সংস্করণ ১৯৪২, অন্ত্যখণ্ড, ৫ম
অধ্যায়, ৪৫১-পৃষ্ঠা॥


জগদ্বন্ধু ভদ্র তাঁর গৌরপদ-তরঙ্গিণীতে লিখেছেন যে এই চৈন্যদাসের জন্ম বর্দ্ধমান জেসার গলসী রেলস্টেশন
 
থেকে এক ক্রোশ দূরে সর-বৃন্দাবনপুর গ্রামে। নবদ্বীপধামের মউগাছি গ্রামে এসে এঁর নাম হয় শার্ঙ্গ (শারঙ্গ)
মুরারি চৈতন্যদ দাস হয়। জগদ্বন্ধু ভদ্রের গ্রন্থ সংকলন করার সময় (১৯০৪) এই চৈতন্যদাসের বংশধরগণ
সরের পাটে বাস করতেন।


বৃন্দাবনদাস ঠক্কুর রচিত বৈষ্ণব বন্দনায় রয়েছে . . .


প্রসিদ্ধ চৈতন্যদাস মুরারিপণ্ডিত।
যাঁর খেলা মহাসর্প-ব্যাঘ্রের সহিত

---অতুলকৃষ্ণ গোস্বামী সম্পাদিত শ্রীশ্রীবৈষ্ণব বন্দনা গ্রন্থের, বৃন্দাবনদাস ঠক্কুর রচিত বৈষ্ণব বন্দনায়, ৬-পৃষ্ঠা॥

দৈবকীনন্দন রচিত বৈষ্ণব বন্দনায়, রয়েছে . . .

মুরারি-চৈতন্যদাস বন্দোঁ সাবধানে।
আশ্চর্য্য চরিত্র যার প্রহ্লাদ-সমানে

---অতুলকৃষ্ণ গোস্বামী সম্পাদিত শ্রীশ্রীবৈষ্ণব বন্দনা গ্রন্থের, দৈবকীনন্দন রচিত বৈষ্ণব বন্দনায়, ২৪-পৃষ্ঠা॥


৩। গদাধর পণ্ডিতের প্রশিষ্য ও ভূগর্ভ পণ্ডিতের শিষ্য গোবিন্দ-পূজক চৈতন্যদাস, যিনি বৃন্দাবনে
  
গোবিন্দদেবের পূজাকার্জে নিযুক্ত ছিলেন। কৃষ্ণদাস কবিরাজের চৈতন্যচরিতামৃতের আদিলীলার ৮ম
 
পরিচ্ছেদে অদ্বৈতশাখা বন্দনায় উল্লিখিত . . .


পণ্ডিত গোসাঞির শিষ্য ভূগর্ভ গোসাঞি। গৌর কথা বিনা তার মুখে অন্য নাই॥
তার শিষ্য গোবিন্দ পূজক চৈতন্য দাস। মুকুন্দানন্দ চক্রবর্ত্তী, প্রেমী কৃষ্ণদাস

---জগদীশ্বর গুপ্ত সম্পাদিত কৃষ্ণদাস কবিরাজের শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, ১৯০৫, আদিলীলা, ৮ম পরিচ্ছেদ,
 
অদ্বৈতশাখা বন্দনা, ২৫৮-পৃষ্ঠা॥


৪। রঙ্গবাটী-চৈতন্যদাস - ইনি গদাধর পণ্ডিতের শিষ্য ছিলেন। ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত
ও মৃণালকান্তি ঘোষ ভক্তিভূষণ সম্পাদিত গৌরপদ-তরঙ্গিণী, ২য় সংস্করণের পদকর্ত্তৃগণের পরিচয়ের ১৬৯-
পৃষ্ঠায়, নামটি “বঙ্গবাটী-চৈতন্যদাস” দেওয়া রয়েছে। চৈতন্যচরিতামৃতে আদিলীলা, ১২শ পরিচ্ছেদ, গদাধর
 
পণ্ডিতের শাখা বর্ণনায় রয়েছে . . .


শ্রীহর্ষ, রঘু মিশ্র, পণ্ডিত লক্ষীনাথ।
রঙ্গ বাটী চৈতন্য দাস, শ্রীরঘু নাথ

---জগদীশ্বর গুপ্ত সম্পাদিত কৃষ্ণদাস কবিরাজের শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, ১৯০৫, আদিলীলা, ১২শ পরিচ্ছেদ,
 
গদাধর পণ্ডিতের শাখা বর্ণনায়, ৩০৭-পৃষ্ঠা॥


৫। চৈতন্যদাস - নিত্যানন্দ দাসের প্রেমবিলাসের ২০শ বিলাসে, শ্রীনিবাস আচার্য্যের শাখা বর্ণনায় আরও এক
চৈতন্যদাসের উল্লেখ রয়েছে . . .


চৈতন্যদাস, গোবিন্দদাস, তুলসীরামদাস আর।
বিপ্র বলরামদাস, সদাহরি নাম যার

---১৯১৩ সালে বাবু যশোদালাল তালুকদার দ্বারা প্রকাশিত, নিত্যানন্দ দাসের প্রেমবিলাস, ২০শ বিলাস,
শ্রীনিবাস আচার্য্যের শাখা বর্ণনা, ২০৫-পৃষ্ঠা॥


জগদ্বন্ধু ভদ্রর মতে এই চৈতন্যদাসের উল্লেখ যদুনন্দন দাসের কর্ণানন্দ, ১ম নির্যাসে, আচার্য্যপ্রভুর শাখা বর্ণনে
রয়েছে, এই ভাবে।


তবে প্রভু কৃপা কৈল চৈতন্যদাসে।
শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য বলিতেই প্রেমে ভাসে

---১৮৯১ সালে প্রকাশিত, রামনারায়ণ বিদ্যারত্ন দ্বারা সম্পাদিত, যদুনন্দন দাসের কর্ণানন্দ, ১ম নির্যাস, ২৩-
পৃষ্ঠা॥


জগদ্বন্ধু ভদ্রর মতে এই চৈতন্যদাসের উল্লেখ মনোহর দাসের অনুরাগবল্লী, ৭ম নির্যাসে, আচার্য্যপ্রভুর শাখা
 
বর্ণনে রয়েছে, এই ভাবে
. . .

শ্রীচৈতন্যদাস, শ্রীবৃন্দাবন দাস।
শ্রীকৃষ্ণ দাস আদি প্রভুর চরণে বিশ্বাস

---১৯৩৫ সালে প্রকাশিত মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, মনোহর দাসের অনুরাগবল্লী, ৭ম নির্যাস, আচার্য্যপ্রভুর
শাখা বর্ণনা, ৪৪-পৃষ্ঠা॥


৬। বড়ুচৈতন্যদাস - ইনি ছিলেন নরোত্তম ঠাকুরের শাখাভুক্ত। নিত্যানন্দ দাসের প্রেমবিলাসের ২০শ বিলাসে,
আরও এক চৈতন্যদাসের উল্লেখ রয়েছে . . .


কৃষ্ণদাস ঠাকুর আর শঙ্কর বিশ্বাস।
মদন রায় আর শাখা বড়ু চৈতন্য দাস

---১৯১৩ সালে বাবু যশোদালাল তালুকদার দ্বারা প্রকাশিত, নিত্যানন্দ দাসের প্রেমবিলাস, ২০শ বিলাস,
 
নরোত্তম ঠাকুরের শাখা বর্ণনা, ২০৯-পৃষ্ঠা॥


জগদ্বন্ধু ভদ্রর মতে এই চৈতন্যদাসের উল্লেখ রয়েছে নরহরি চক্রবর্তী বিরচিত নরোত্তমবিলাস গ্রন্থের, ১২শ
বিলাস, নরোত্তম ঠাকুরের শাখা বর্ণনায় . . .


জয় জয় শ্রীবড়ু চৈতন্যদাস বিজ্ঞ।
প্রেমভক্তিময় মূর্ত্তি পরম মনোজ্ঞ

---আ
নুমানিক ১৯০৭ সালে কিশোরী দাস বাবাজী দ্বারা সম্পাদিত ও প্রকাশিত, ১৬৯৬ খৃষ্টাব্দে নরহরি  
চক্রবর্তী বিরচিত নরোত্তমবিলাস গ্রন্থের, ১২শ বিলাস, নরোত্তম ঠাকুরের শাখা বর্ণনা, ১১৮-পৃষ্ঠা॥


৭। বংশীবদন ঠাকুরের পুত্রের নাম ছিল চৈতন্যদাস। পথে খেতরীর মহোত্সবে যোগদান করে
 নিত্যানন্দ
পত্নী জাহ্নবাদেবীর বৃন্দাবন যাবার পথে অম্বিকায় এই চৈতন্যদাস এসে দেখা করেছিলেন . . .


হইল সংঘট্ট বহু আইলা অম্বিকায়। শ্রীচৈতন্যদাস আসি মিলিলা তথায়॥
সর্ব্বত্র বিদিত সর্ব্ব মতে যোগ্য যেঁহো। গৌরপ্রিয় শ্রীবংশীদাসের পুত্র তেঁহো

---১৩১৩ সালে রাসবিহারীসাঙ্খ্যতীর্থ কর্ত্তৃক সংশোধিত, রামদেবমিশ্র দ্বারা প্রকাশিত, নরহরি চক্রবর্তীর
 
ভক্তিরত্নাকর, ১০ম তরঙ্গ, ৬৩৪-পৃষ্ঠা॥


এই চৈতন্যদাসের উল্লেখ রয়েছে নরহরি চক্রবর্তী বিরচিত নরোত্তমবিলাস গ্রন্থের, ৮ম বিলাস, নরোত্তম
 
ঠাকুরের শাখা বর্ণনায় . . .


শ্রীবংশীবদন পুত্র শ্রীচৈতন্য দাস।
দ্বিজগণ লৈয়া ভুঞ্জে হইয়া উল্লাস

---আ
নুমানিক ১৯০৭ সালে কিশোরী দাস বাবাজী দ্বারা সম্পাদিত ও প্রকাশিত, ১৬৯৬ খৃষ্টাব্দে নরহরি  
চক্রবর্তী বিরচিত নরোত্তমবিলাস গ্রন্থের, ৮ম বিলাস, নরোত্তম ঠাকুরের শাখা বর্ণনা, ৬৩-পৃষ্ঠা॥


৮। শ্যামানন্দের প্রিয় শিষ্য চৈতন্যদাস। ইসলাম ধর্মাবলম্বী, প্রথম জীবনে এঁর নাম ছিল সের খা। ইনি দস্যুবৃত্তি
করতেন। শ্যামানন্দের কাছে ইনি দীক্ষা নিয়ে বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করেন এবং নাম হয় চৈতন্যদাস। নিত্যানন্দ
দাসের প্রেমবিলাসে শ্যামানন্দের শাখা বর্ণনায় আছে . . .


আর শাখা যবন দস্যু সের খাঁ নাম যার। শ্রীচৈতন্যদাস নাম এবে হইল তাঁর॥
বিষয় ছাড়ি হৈলা তিঁহো পরম বৈষ্ণব। নিতাই চৈতন্যাদ্বৈত সদা এই রব॥
সঙ্কীর্ত্তনে নাচে কান্দে ভূমি গড়ি যায়। সংখ্যা করি হরিনাম লয় সর্ব্বদায়

---১৯১৩ সালে বাবু যশোদালাল তালুকদার দ্বারা প্রকাশিত, নিত্যানন্দ দাসের প্রেমবিলাস, ২০শ বিলাস,
শ্যামানন্দের শাখা বর্ণনা, ২১১-পৃষ্ঠা॥


৯। আউলিয়া চৈতন্যদাস - আই নামের প্রভু নিত্যানন্দের স্ত্রী জাহ্নবা দেবীর এক শিষ্য ছিলো। তিনি একবার
বৃন্দাবনে গেলে গোস্বামী গোপাল ভট্ট তাঁর মুখে শ্রীনিবাসাচার্য্যের বিবাহের কথা জানতে পেরে হতাশ
 
হয়েছিলেন। নিত্যানন্দ দাসের প্রেমবিলাস, ১৬শ বিলাসে এর বিররণ পাওয়া যায়
. . .

মোর ঠাকুরাণীপ শিষ্য শ্রীচৈতন্য দাস।
আউলিয়া বলি তাঁকে সর্ব্বত্র প্রকাশ

---১৯১৩ সালে বাবু যশোদালাল তালুকদার দ্বারা প্রকাশিত, নিত্যানন্দ দাসের প্রেমবিলাস, ১৬শ বিলাস, ১৩০-
পৃষ্ঠা॥


১০। কুমারহট্ট বা হালিসহরনিবাসী শিবানন্দ সেনের জ্যেষ্ঠ পুত্র চৈতন্যদাস। অন্য দুই পু
ত্রের নাম রাম দাস ও
কর্ণপূর। শিবানন্দ সেন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর দক্ষিণ দেশ ভ্রমণের পরে নিয়মিতভাবে তিনি সপরিবারে গৌড়ের
ভক্তগণকে নিয়ে মহাপ্রভুর সঙ্গে দেখা করতে নীলাচলে যেতেন। চৈতন্যদাস কৃষ্ণদাস কবিরাজের
  
কৃষ্ণকর্ণামৃতম্ এর টীকা লিখেছিলেন। অনেকে মনে করেন যে কবিকর্ণপূরের রচিত “চৈতন্যচরিত” আসলে
তাঁর দাদা চৈতন্যদাসেরই রচনা। শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃতের আদিলীলার ১০ম পরিচ্ছেদে রয়েছে . . .


শিবানন্দের উপশাখা---তাঁর পরিকর। পুত্র ভৃত্য আদি করি চৈতন্য কিঙ্কর॥
চৈতন্য দাস, রাম দাস, আর কর্ণ পূর। তিন পুত্র শিবানন্দের তিন ভক্ত শূর

---জগদীশ্বর গুপ্ত সম্পাদিত কৃষ্ণদাস কবিরাজের শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত, ১৯০৫, আদিলীলা, ১০ম পরিচ্ছেদ,
২৭৮-পৃষ্ঠা॥


১১। ভাগীরথী তীরে চাখন্দি গ্রামের গঙ্গাধর ভট্টাচার্য্য কে লোকে চৈতন্যদাস বলে ডাকতে শুরু করেন। তিনি
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর, কেশবভারতীর কাছে সন্ন্যাসগ্রহণের কালে মস্তক মুণ্ডন করার ফলে এতটাই আঘাত
 
পেয়েছিলেন যে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন এবং জ্ঞান ফেরার পরে কেশবভারতীর কণ্ঠে গৌরাঙ্গের
 নতুন
নাম “শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্যে”-র কেবল “চৈতন্য”-টুকু শুনতে পেয়ে “হা চৈতন্য” “হা চৈতন্য”, বলে গঙ্গার ধার দিয়ে
 
হাহাকার করতে করতে ছুটতে ছুটতে অবশেষে তাঁর গ্রামে পৌঁছে কিছু দিন অনবরত “চৈতন্য”,
 “চৈতন্য”
বলে যেতে লাগলেন আহার নিদ্রা ত্যাগ করে। তাঁর মুখে এই শুনে গ্রামের মানুষ তাঁকে “চৈতন্যদাস” নামে
 
ডাকতে শুরু করেন। এই চৈতন্যদাস ওরফে গঙ্গাধর ভট্টাচার্য্য ছিলেন বৈষ্ণব
 আচার্য্য শ্রীনিবাস আচার্য্যের
পিতা।


১২। বনবিষ্ণুপুরের রাজা বীরহাম্বীরের অপর ভণিতা শ্রীচৈতন্যদাস। এই নিয়ে আমরা পূর্বেই আলোচনা
 
করেছি। সেই আলোচনায় যেতে এখানে ক্লিক করুন . . .
.
চৈতন্যদাসের কবিত্ব ও একাধিক্য নিয়ে সতীশচন্দ্র রায়ের উদ্ধৃতি -              পাতার উপরে . . .   
সতীশচন্দ্র রায়ের মতে চৈতন্যদাসের কবিত্ব প্রশংসাযোগ্য নয় বলেই তিনি মনে করতেন। তবুও তাঁর ১৬টি
পদ পদকল্পতরুতে রয়েছে দেখে অনুমান করা চলে যে কবিত্ব না হোক তাঁর পাণ্ডিত্য ও ভাবুকতার
 জন্য
সেই যুগে প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলেন। জগদ্বন্ধু ভদ্র এবং অচ্যুতচরণ তত্ত্বনিধির মত ছিল যে চৈতন্যদাস
 
ভণিতার পদগুলি একজনের লেখা নয়। সতীশচন্দ্র মনে করেছেন যে পদকল্পতরুর সব কটি চৈতন্যদাস
 
ভণিতার পদ একজনেরই লেখা। তিনি তাঁর সম্পাদিত পদকল্পতরুর ৫ম খণ্ডে পদকর্ত্তৃগণের পরিচয়ের ১১৫
পৃষ্ঠায় তাঁর কবিত্ব সম্বন্ধে লিখেছেন . . .

পদকল্পতরুতে পদ-কর্ত্তা চৈতন্যদাসের ষোলটী পদ সংগৃহীত হইয়াছে। এই পদগুলির মধ্যে ব্রজবুলীর পদ  
একটাও নাই এবং কতকগুলি পদ শ্রীগৌরাঙ্গবিষয়ক বটে। এই পদগুলি পড়িয়া পদকর্ত্তার কবিত্বের বিশেষ
প্রশংসা-সূচক কোন কথা বলা যায় না ; তবে তিনি ১২৪২ সংখ্যক---
.  
  “দেখ দেখ অপরূপ গৌরাঙ্গ-বিলাস।
পুন গিরি-ধারণ                পূরব লীলা-ক্রম
.        নবদ্বীপে করিলা প্রকাশ।”
ইত্যাদি নবদ্বীপ-লীলার গোবর্দ্ধন-ধারণবিষয়ক রূপক পদটীতে বিলক্ষণ ভাবুকতার এবং ১৬৬০ সংখ্যক---
“হে হরে মাধুর্য্য-গুণে, হরিলে যে নেত্র মনে, মোহন মূরতি দরশাই”
ইত্যাদি সুদীর্ঘ পদে শ্রীকৃষ্ণ-নামাবলীর ব্যাখ্যা-প্রসঙ্গে বিলক্ষণ শাস্ত্রজ্ঞতা ও ভাবুকতার পরিচয় দিয়াছেন।
 
তাঁহার ১৬টী পদ পদকল্পতরুতে উদ্ধৃত হইয়াছে দেখিয়া অনুমান হয় যে, দুই শত বত্সর পূর্ব্ববর্ত্তী সময়ে
 
চৈতন্যদাস তাঁহার কবিত্বের জন্য না হউক, তাঁহার পাণ্ডিত্য ও ভাবুকতার জন্য পদকর্ত্তাদিগের মধ্যে যথেষ্ট
প্রসিদ্ধি লাভ করিয়াছিলেন
।”

চৈতন্যদাস একজন না একাধিক সেই প্রসঙ্গে তিনি লিখেছেন . . .
বৈষ্ণব ইতিহাসে কয়েকজন চৈতন্যদাসের উল্লেখ পাওয়া যায়। ইহাঁদিগের মধ্যে কে বা কোন্ কোন্
চৈতন্যদাস উক্ত পদগুলির রচয়িতা, নিশ্চিত-ভাবে বলা কঠিন। . . .
. . . জগদ্বন্ধু বাবু ও শ্রীযুক্ত অচ্যুতচরণ তত্ত্বনিধি মহাশয়ের পূর্ব্বোদ্ধৃত মন্তব্যসম্বন্ধে (চৈতন্যদাস ভণিতার
পদগুলি একজনের লেখা নয়) আমাদের বিনীত নিবেদন, আমরা পদকল্পতরুর চৈতন্যদাস ভণিতার পদগুলি
মনোযোগের সহিত পড়িয়াছি, কিন্তু সে গুলিতে একাধিক পদ-কর্ত্তার কৃতিত্ব-চিহ্ন লক্ষ্য করিতে পারি নাই
।”
.
দুর্গাদাস লাহিড়ীর চৈতন্যদাস সম্বন্ধে উদ্ধৃতি -                                        পাতার উপরে . . .   
বৈষ্ণব পদলহরীর সংকলক দুর্গাদাস লাহিড়ী মনে করতেন যে পদকর্তা চৈতন্যদাস আর কেউ নন, তিনিই
ছিলেন শ্রীনিবাসাচার্য্যের পিতা গঙ্গাধর ভট্টাচার্য্য। তাঁর সম্পাদিত “বৈষ্ণব পদলহরী” সংকলনের ৪৪৫-পৃষ্ঠায়
তিনি চৈতন্যদাস সম্বন্ধে লিখেছেন . . .

বৈষ্ণব-সাহিত্যে অনূন পাঁচ ছয় জন চৈতন্যদাসের পরিচয় পাওয়া যায়। তন্মধ্যে বর্দ্ধমান জেলার (কাটোয়ার
নিকটস্থ) চাকুন্দি গ্রাম নিবাসী চৈতন্যদাস প্রসিদ্ধ। তাঁহার প্রকৃত নাম গঙ্গাধর ভট্টাচার্য্য। গুরুদত্ত নাম
 
চৈতন্যদাস। শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাবের বিংশতি বত্সর পূর্ব্বে ইনি জন্মগ্রহণ করেন। শ্রীনিবাস আচার্য্য
 
ইহাঁর পুত্র। ভক্তিভাবে অধীর হইয়া শ্রীচৈতন্যদেবের লীলা-রহস্য তিনি বর্ণনা করিয়া গিয়াছেন
।”
.
চৈতন্যদাস সম্বন্ধে রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্রের উদ্ধৃতি -                        পাতার উপরে . . .   
রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্র তাঁর পদামৃত মাধুরী সংকলনের ৪র্থ খণ্ডের ৩৮-পৃষ্ঠায় চৈতন্যদাস সম্বন্ধে
 
লিখেছেন . . .

বৈষ্ণব সাহিত্যে একাধিক চৈতন্যদাসের উল্লেখ দেখা যায়। গৌরপদতরঙ্গিণীর ভূমিকায় জগদ্বন্ধু ভদ্র মহাশয়
পাঁচজন চৈতন্যদাসের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিয়াছেন। চৈতন্যদাস ভণিতার পদগুলির মধ্যে
 গৌরাঙ্গ বিষয়ক  
এবং গোষ্ঠযাত্রা বিষয়ক পদ দেখা যায়
।”
.