:: Milan Sengupta :: Your Opinion :: MILANSAGAR ::
বাংলা সংখ্যার ডিজিটাল ডিসপ্লে  

মিলন সেনগুপ্ত
২৬শে সেপ্টেম্বর ২০০৭
ই-মেল: srimilansengupta@yahoo.co.in                       এই পাতাটি Counterবার দেখা হয়েছে
                                                     
                   এ বিষয় আপনার মতামত এখানে ক্লিক করে COMMENT করে জানান


...
ত্তরের দশকের শেষ দিকেই বাজারে এসে গিয়েছিল ডিজিটাল ঘড়ি | ঘড়ির কাঁটার বদলে আমরা পড়তে পারলাম
সরাসরি সংখ্যা | কিন্তু সবই ইংরেজীতে | তার কারণ ছিল :

১|  ইংরেজী নম্বর জানা লোক পৃথিবীতে সর্বাধিক |
২|  রোমান সংখ্যায় পুরানো দিনের এবং হালের কিছু স্টাইলিশ ঘড়িতে লেখা থাকলেও ইংরেজীরই বেশী চল ছিল |
৩|  এছাড়া অন্য কোনো কিছু দিয়ে যে লেখা সম্ভব, তা নিয়ে কেউ বিশেষ মাথা ঘামায় নি |
৪|  ইংরেজী সংখ্যায় লেখার সব চেয়ে বড় সুবিধা ছিল এই যে মাত্র সাতটি দাগ বা
segment দিয়েই ১,২ থেকে ০
 পর্যন্ত সবক'টি সংখ্যা লেখা সম্ভব ছিল |

১৯৯৬ সাল নাগাদ এই চিন্তাটি মাথায় আসে যে বাংলায় তেমন কিছু করা সম্ভব কি না | মাস ছয়েক ভাবনা চিন্তার
পর যা বার হল তাই নিয়ে একটি ছোট্ট প্রবন্ধ লিখে বর্তমান পত্রিকায় নিয়ে যাই | তাঁরা তাঁদের মত করে জাচাই করে
নিয়ে লেখাটি তাঁদের
ঠা ফেব্রুয়ারী ১৯৯৭ তারিখের পত্রিকায় প্রকাশিত করেন |  লেখাটির প্রতিলিপি নিচে তুলে
দেওয়া হল | এই পাতার উপরে ও নিচে
সুভাষ-৮ ডিজিটাল সংখ্যার চলমান ছবি দেওয়া হল |

আশা করেছিলাম আমার এই লেখা পড়ে,  অন্তত কিছু উদ্যোগী বাঙালী আমার সাথে যোগাযোগ করে কী ভাবে
এটাকে বাস্তবায়িত করা যায় তার বিষয় কথা বলতে চাইবেন | বাংলায় লেখা ঘড়ি বা অন্যান্য কাজে ডিজিটাল
সংখ্যার প্রয়োগের বাজারও তেমন খারাপ হবার কথা ছিল না |   বাংলাদেশের  বাজারটাও ছিল | কিন্তু দুঃখের
বিষয় তা হয় নি দুটো কারণে |

এক - শিক্ষিত বাঙালীর বাংলার প্রতি সহজাত অনীহা | অনেক বাঙালী নিজের ভাষাকে অনেকটা আপদ বলেই
ভাবেন! অনেকে তো এক কাঠি উপরে উঠে মনে করেন যে সারা দেশ জুড়ে ইংরেজীকেই মাতৃভাষা করা উচিত!  
আর রাজ্যের শাসন ভার যাদের হাতে তারা তো সারা রাজ্য বিরোধী-শুণ্য করে ( এটা কোন দেশী গণতন্ত্রের মন্ত্র, তা
আমার জানা নেই! ) দলীয় শাসন কায়েম করতেই ব্যস্ত! নির্বাচনের আগ দিয়ে তাদের পেটোয়া কিছু বুদ্ধিজীবীদের
রাস্তায় নামিয়ে কিছু হৈচৈ করানো ছাড়া তাদের আর কিছু করতে দেখিনি |

দুই - সেদিন সেই কাগজেই একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবর বার হয়েছিল | ৩রা ফেব্রুয়ারী কলকাতা বইমেলা আগুন
লেগে ভষ্মিভূত হয়েছিল! ৪ তারিখের বর্তমানে একটি সম্পূর্ণ পাতা জুড়ে ছবির পর ছবি দিয়ে সেই খবর বার হয় |
সেই কাগজেই আমার এই ছোট লেখাটি বেশীরভাগ মানুষেরই হয়তো চোখেই পড়ে নি! এমন কি আমার কাছের জন,
যাদের আমি আগে থাকতে বলে রেখেছিলাম, তারাও সেই লেখা পড়েন নি!

মোদ্দা কথা এই লেখাটি আসলে মানুষ পড়েনই নি | যদিও সেই দিন রেকর্ড সংখ্যক বর্তমান বিক্রী হয়েছিল! কোনো
স্টলে একটিও বর্তমান পড়ে ছিল না!

যে হেতু আমি ইলেক্ট্রনিকস এর লোক নই, আমার পক্ষে এর পরের কাজ, মানে এই ভাবনাটাকে কাজে কলমে
ব্যবহারিক রূপ দেও আর সম্ভব হয় নি | আমি এখনও বলছি যে যদি কেউ এটা নিয়ে কাজ করতে চান তাহলে
আমিও প্রস্তুত তাকে যথা সম্ভব সাহায্য করতে |

যোগাযোগের ঠিকানা :
ই-মেল: srimilansengupta@yahoo.co.in   





....
৪ঠা ফেব্রুয়ারী ১৯৯৭ তারিখের বর্তমান পত্রিকায় প্রকাশিত লেখা
...
সুভাষ-৮
বাংলা ডিজিটাল সংখ্যা,
সামান্য পরিবর্তনের পর


.                                  ************************.
.                                                                                                                        উপরে  


    মিলনসাগর



...