আমার মেঘ্ না নদী কবি অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত কল্লোল পত্রিকা, ১৩৩৪ ফাল্গুন (ফেব্রুয়ারী ১৯২৮) সংখ্যা থেকে নেওয়া |
মেঘ্ নার তীরে বাঁধিয়াছি বাসা ছোট একখানি নীড়, ফিরি করে’ আর ফিরি না পরাণ, নই আর মুসাফির . আমার মেঘ্ না নদী শুকাইত, ওর সাথে মোর আঁখিজল না মিশিত যদি ! ছোট গ্রামখানি লজুক শ্যামল নববধূটির মত, শূন্যতাভারে বিরহী আকাশ চুম্বনে অবনত | জেগে বসে’ মেঘ গর্জন আর জনকল্লোল শুনি, শ্রান্ত শ্রাবণ নয়নে ও নভে নাই ফুল ফাল্গুনি | . নদী মাছি মাটি ধান--- আপনার মাঝে শুনি সবাকার প্রাণধারণের গান | হে বিদেশী নাও, কোথা যাও ভেসে . বারেক আসিবে হেথা, তোমার কক্ষে যপিছে কি নিশি আমার মহাশ্বেতা ? . মেঘ্ না মেঘের প্রিয়া, পরাণের সে যে নাই, এ যে মোর নয়নের আত্মীয়া ! তাহার শিয়রে রূপার প্রদীপ, মৃত্যু শিয়রে মোর, তাহার আকাশে ঊষা উদ্ভাসে হেথা যায় ঘনঘোর | . তাহার চন্দ্রহার, মোর আছে শুধু মেঘ্ লা আকাশ আর জল মেঘ্ নার ||