পুরী --- ৩
আনন্দ ঘোষ হাজরা
সাপের ফণার মতো
দীর্ঘ ভয়াবহ শব্দ বহু
আছড়ে পড়েছে অতি
.
আমাদের সন্ধ্যা সকা
.
তবু দেখো , প্রত্যেক
মানুষে মানুষে ভরে
. ******************
. সুচিতে...
মিলনসাগর
কবি আনন্দ ঘোষ হাজরার কবিতা
|
. হিল্লোলিত হয়েছে সকাল
তখন অনেক গান গেয়েছে চারণদল
. বাতাস পুষ্পের গন্ধে ভোর
বুঝেছি ডেকেছ তুমি এভাবেই, এই পৃথিবীর রঙে রসে
এভাবেই টেনেছ আমাকে |
এখন ট্রেসপাশ ভাবো কেন তবে, বলয় সীমায়
কেন যে রচনা করো ঘোর ঝঞ্ঝা অশনি সংকেত !
কেন যে নিক্ষেপ করে তমসায়
. আমাকে তর্জনী তুলে কুয়াশা দেখাও |
. ******************
. সুচিতে...
মিলনসাগর
কম্পন
আনন্দ ঘোষ হাজরা
যেভাবে কাঁপাবে
যেমন বাতাস কাঁ
অথবা সাগরে ঢে
. কেঁ
সেভাবেই কাঁপো
বেজে ওঠে স্বরব্য
কিন্তু যদি পরিপা
ঘরবাড়ি ভেঙে ফে
ফেটে যায় শব্দ ক
ঢাকের গর্জন আ
ভয়ংকরভাবে স
তখনও অবশ্য কেঁ
যেই ভাবে শব্দ ক
. ******************
. সুচিতে...
মিলনসাগর
. তাই ভাবি
শাখা ও পল্লব ভেবে উপরে তাকিয়ে
বুঝিনি তা সময়ের দাঁত ;
কেউ কি কখনও বোঝে, তাই----
প্রত্যেকেই সমবেত হয়
গাছ ভেবে ভুল করে ভাঙা তীক্ষ্ণ প্রতারক
সময়ের কাছে |
. ******************
. সুচিতে...
মিলনসাগর
সেতুপ্রান্তে
আনন্দ ঘোষ হাজরা
এই সেতু জরাজীর্ণ প্রতি পদক্ষেপে
আমি তবু শেষপ্রান্তে, নীচে দেখি আঁ
কেবল উত্তাল জলরাশি |
পেছনে তাকিয়ে দেখি যারা এসেছি
কোথায় হারিয়ে গেছে, জীর্ণতায় শু
সেতুর বিশীর্ণ ঘুণকাঠ |
.
কেউ কি রয়েছ নাকি ? শীত শেষে
শব্দ ওঠে অনিবার, কেউ নেই কো
কে নেবে আমাকে ? আমি প্রগাঢ়
ভয়ে ও বিস্ময়ে কেঁপে উঠি |
. সে মুহূর্তে
ক্ষীণ আলোরেখা ধরে হেঁটে যায় কে
. ******************
. সুচিতে...
মিলনসাগর
কুয়াশা
আনন্দ ঘোষ হাজরা
নিময় হবে
মিহিন কুয়াশা
গত সংগীতের মতো
ওড়ে মেঘ---
কম্পন
বিষন্ন সময়
সশব্দে কবিতা
পৃথিবী কাঁপায় |
সময়
আনন্দ ঘোষ হাজরা
এভাবে তরঙ্গে তোলে,
.
বৃষ্টির আদলে ঝরে মাথা
তোমার ও আমার সম
আমি তা কী করে জান
তুমিও কি ভেবেছিলে কো
অথচ কী তীক্ষ্ণ কাচ স
রক্ত ঝরে, আমি শুধু অ
গাছ ভেবে ভুল করে কা