মন, আমার মন | . স্থির হও! স্থির হও! এখন আর চঞ্চল হবার বয়স নেই | যিনি তোমার মুক্তি -- তারই চরণ তাই হোক শরণ, মনন | তুচ্ছ তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে আর চঞ্চল হোয়ো না . তাঁরই চরণ ধ্যান করো . তাঁর নামে গান গাও |
কবে যেন জন্মদিন ? ( ৫ / ৬ ) আশ্বিনেরই কোন দিন | মামা তাকে ভালবেসে “বালতি” বলে ডাকল শেষে | প্রাণের আধার ভরা জল করছে মনে টল টল---- বালতি কোথায় সাগর দেখি ভালবাসায় ভরা নাকি ? ঢেউ এর মাথা ফেনায় সাদা সাদা কোথায় ? রঙ্গ তামাশা--- সেথায় দোলে, সবই রঙিন, আনন্দেতে ভরা যে দিন | ভরাই থাকুক, সবার তরে আনন্দ থাক তরে থরে, ঘিরে থাকুক ভালবাসায়, ফুটে উঠুক হাসির ভাষায় | গড়ে উঠুক জীবন-রঙীন আশ্বিনেরই বিশেষ দিন |
সাতটা কুড়ি বেজে গেল, রাত খানিকটা এগিয়ে এল, পথ ( বারান্দায় ) চেয়ে বসে আছি, . বাবার দেখা নাই রে, . বাবার দেখা নাই |
বাইরের শব্দ পেয়ে . দৌড়ে দরজা খুলি, ঠাম্ মা দাঁড়িয়ে আছে . হাতে পানের থলি | একটু খানি হেসে আমি . হতাশ দাঁত দেখাই | বাবার দেখা নাই রে, . বাবার দেখা নাই | রাত যে কেবল বেড়েই চলে সময় কত কি যে বলে কাঁটাটা পড়ছে হেলে চোখের পাতা বই-এর পাতা . বলে যে “জিরাই”--- বাবার দেখা নাই---------
দশটা বাজল যখন দরজার ঘন্টি তখন আমায় ডেকে বলে এসে গেছে ভাই, বাবার দেখা পাই এখন বাবার দেখা পাই ||
বুক করে দুরুদুরু . কি যে আমি করি, ৭ই ডিসেম্বর দেখি . এল তাড়াতাড়ি | আর ত’ সময় নাই . কখন কি করি টুক্ টাক্ কেনা কাটা . সারি তাড়াতাড়ি | দাদাটা যে কি করে . অফিসের তাড়া, আমার দিকটা দেখ . তাতে নেই সাড়া | রাহুলের বাবা কাকা . কারো কিছু নেই আমি যত ভেবে মরি . আর ভাবে কেউ ? মনটাকে বাঁধা যায় ? . হাতে পায়ে বেড়ি, আর ভাবা যায় না কো, . তবে শুয়ে পড়ি |