কবি বলাই দাসের-এর বৈষ্ণব পদাবলী
*
আজু গোঠেরে সাজল দোন ভাই
ভনিতা বলরাম দাস
কবি বলরাম দাস
১৩০৬ বঙ্গাব্দে ( ১৮৯৯ )  রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত , জীবনি ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী
সংকলন “বলরামদাস”, ৪৫-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভূপালী॥

আজু গোঠেরে সাজল দোন ভাই।
রাম কানাই গোঠে সাজে,          যোড়ে শিঙ্গা বেণু বাজে,
বরজে পড়িল ধাওয়াধাই॥
চৌদিকে ব্রজবধূ,                               মঙ্গল গাওত,
মূরছিত কতহি নয়ান।
আগে লাখে লাখে ধেনু,                 গগনে উড়িছে রেণু,
দ্বিজগণে করে বেদগান॥
মুরহর হলধর,                            ধরাধরি করে কর,
লীলায় দোলায় নিজ অঙ্গ।
ঘনাঞা ঘনাঞা কাছে,                  আনন্দে ময়ুরী নাচে,
চান্দে মেঘে দেখি এক সঙ্গ॥
সুবল তুলিল বানা,                 যেখানে বলাইয়ের থানা,
রাখালের কান্ধে ভাল সাজে।
রাম কানাই কুতূহলে,                  সাজিলা যে আগুদলে,
বলাইয়ের যুগল শিঙ্গা বাজে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”,
৭৬৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

গোষ্ঠ
॥ ভূপালী॥

আজু গোঠেরে সাজল দোন ভাই।
রাম কানাই গোঠে সাজে                জোর শিঙ্গা বেণু বাজে
বরজে পড়িল ধাওয়া ধাই॥
চৌদিকে বরজ-বধূ,                            মঙ্গল গায়ত সবে
মুরছিত কতহুঁ নয়ান।
আগে লাখে লাখে ধেনু                      গগনে উড়িছে রেণু
দ্বিজগণে করে বেদ গান॥
মুরহর হলধর                                ধরাধরি করে কর
লীলায় দোলায় নিজ অঙ্গ।
ঘনায়্যা ঘনায়্যা কাছে                        মউরা মউরী নাচে
চান্দে মেঘে দেখি এক সঙ্গ॥
সুবল তুলিল বানা                         যেখানে বলাইর থানা
রাখালের কান্ধে ভাল সাজে।
রাম কানাই কুতূহলে                     সাজিলা যে আগু দলে
বলাইর যুগল শিঙ্গা বাজে॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ৩৯-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভূপালী॥

আজু গোঠেরে সাজল দোন ভাই।
রাম কানাই গোঠে সাজে,                 যোড় শিঙ্গা বেণু বাজে
বরজে পড়িল ধাওয়া ধাই॥
চৌদিকে ব্রজ-বধূ,                                    মঙ্গল গায়ত
মূরছিত কতহু নয়ান।
আগে লাখে লাখে ধেনু,                       গগনে উড়িছে রেণু
দ্বিজগণে করে বেদ গান॥
মুরহর হলধর,                                ধরাধরি করে কর
লীলায় দোলায় নিজ অঙ্গ।
ঘনায়্যা ঘনায়্যা কাছে                        মউরা মউরী নাচে
চান্দে মেঘে দেখি এক সঙ্গ॥
সুবল তুলিল বানা                         যেখানে বলাইর থানা,
রাখালের কান্ধে ভাল সাজে।
রাম কানাই কুতূহলে                     সাজিলা যে আগু দলে
বলাইর যুগল শিঙ্গা বাজে॥

.            ********************************            

.                                                       
বলাই দাসের পাতার সূচীতে . . .   
.                                             
              বলরাম দাসের পাতার সূচীতে . . .     
.                                                           


মিলনসাগর
*
নন্দরাণি যাও গো ভবনে
ভনিতা বলাই দাস
কবি বলরাম দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩২৫ বঙ্গাব্দ (১৯১৮), ২য় খণ্ড, ৩য়
শাখা, ২২শ পল্লব, প্রকারান্তর সখ্য-বাত্সল্য, ১২২১ পদসংখ্যা। এই পদটি নিমানন্দ দাসের
পদরসসার পুথির ১৭৫৪ সংখ্যক পদ।

॥ তথা রাগ॥

নন্দরাণি যাহ গো ভবনে।
তোমার গোপাল আনি দিব বেলি অবসানে॥
লৈয়া যাছি তোমার গোপাল রাখিব বসাইয়া।
আমরা ফিরাব ধেনু চাঁদ-মুখ চাইয়া॥
লৈয়া যাইতে তোমার গোপাল পাই বড় সুখ।
বেণুতে ফিরায় ধেনু এ বড় কৌতুক॥
যে দিন যেবা মনে করি কানাই তাহা জানে।
খুধা লাগিলে অন্ন কোথা হৈতে আনে॥
এক দিন দাবানলে মরিতাম পুড়িয়া।
তাহাতে রাখিল গোপাল কেমন করিয়া॥
নন্দরাণি তেঞি তোমার গোপাল লৈয়া যাই।
সঙ্গেতে সাজিল পাছে এ দাস বলাই॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে ( ১৮৯৯ )  রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত , জীবনি ও টীকা
সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, ৪৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভাটিয়ারী ॥

নন্দরাণি যাও গো ভবনে।
তোমার গোপাল আনি দিব বেলি অবসানে॥
লৈয়া যাছি তোমার গোপাল রাখিব বসাঞা।
আমরা ফিরাব ধেনু চাঁদমুখ চাঞা॥
লৈয়া যাইতে তোমার গোপাল বড় পাই সুখ।
বেণুতে ফিরায় ধেনু এ বড় কৌতুক॥
যে দিনে যেবা মনে করি কানাই তাহা জানে।
ক্ষুধা লাগিলে অন্ন কোথা হৈতে আনে॥
একদিন দাবানলে মরিতাম পুড়িয়া।
তাহাতে রাখিল গোপাল  কেমন করিয়া॥
নন্দরাণি তেঞি তোমার গোপাল লৈয়া যাই
সঙ্গেতে সাজিল পাছে এ দাস বলাই॥

ই পদটি ১৯৩৭-৫৩ সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ১৬০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের গোষ্ঠলীলা
শ্রীদামের উক্তি।
॥ খাম্বাজ মিশ্রমঙ্গল - তেওট॥

নন্দরাণী যাও গো ভবনে।
তোমার গোপাল এনে দিব বেলি অবসানে॥
লৈয়া যাইছি তোমার গোপাল রাখিব বসাইয়া।
আমরা ফিরাব ধেনু চাঁদমুখ চাইয়া॥
লৈয়া যাইতে তোমার গোপাল পাই বড় সুখ।
বেণুতে ফিরায় ধেনু এ বড় কৌতুক॥
যে দিন যেবা মনে করি কানাই সব জানে।
খুদা হইলে অন্ন জল কোথা হইতে আনে॥
এক দিন দাবানলে মরিতাম পুড়িয়া।
তাহাতে রাখিল গোপাল কেমন করিয়া॥
নন্দরাণী তেঞি তোমার গোপাল লৈয়া যাই।
সঙ্গেতে সাজিল পাছে এ দাস বলাই॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৬৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

গোষ্ঠ
॥ ভাটিয়ারী ॥

নন্দরাণি যাহ গো ভবনে।
তোমার গোপাল আনি দিব বেলি অবসানে॥
লৈয়া যাইছি তোমার গোপাল রাখিব বসাইয়া।
আমরা ফিরাব ধেনু চাঁদমুখ চাইয়া॥
লৈয়া যাইতে তোমার গোপাল পাই বড় সুখ।
বেণুতে ফিরায় ধেনু এ বড় কৌতুক॥
যে দিন যেবা মনে করি কানাই তাহা জানে।
ক্ষুধা লাগিলে অন্ন কোথা হৈতে আনে॥
এক দিন দাবানলে মরিতাম পুড়িয়া।
তাহাতে রাখিল গোপাল কেমন করিয়া॥
নন্দরাণি তেঞি তোমার গোপাল লৈয়া যাই।
সঙ্গেতে সাজিল পাছে এ দাস বলাই॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের
পদাবলী, ৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভাটিয়ারী ॥

নন্দরাণি যাহ গো ভবনে।
তোমার গোপাল আনি দিব বেলি অবসানে॥
লৈয়া যাছি তোমার গোপাল রাখিব বসাইয়া।
আমরা ফিরাব ধেনু চাঁদ-মুখ চাইয়া॥
লৈয়া যাইতে তোমার গোপাল পাই বড় সুখ।
বেণুতে ফিরায় ধেনু এ বড় কৌতুক॥
যে দিন যেবা মনে করি কানাই তাহা জানে।
ক্ষুধা লাগিলে অন্ন কোথা হৈতে আনে॥
এক দিন দাবানলে মরিতাম পুড়িয়া।
তাহাতে রাখিল গোপাল  কেমন করিয়া॥
নন্দরাণি তেঞি তোমার গোপাল লৈয়া যাই।
সঙ্গেতে সাজিল পাছে এ দাস বলাই॥

.            ********************************            

.                                                       
বলাই দাসের পাতার সূচীতে . . .   
.                                                      
বলরাম দাসের পাতার সূচীতে . . .     
.                                                           


মিলনসাগর
*
কোন বনে গিয়াছিলে ওরে রাম কানু
ভনিতা বলাই দাস
কবি বলরাম দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩২৫ বঙ্গাব্দ (১৯১৮), ২য় খণ্ড, ৩য়
শাখা, ২১শ পল্লব, উত্তর গোষ্ঠ, ১২১২ পদসংখ্যা। এই পদটি নিমানন্দ দাসের পদরসসার
পুথির ১৭৪৩ সংখ্যক পদ।

॥ গৌরী॥

কোন বনে গিয়াছিলা ওরে রাম কানু।
আজি কেন চান্দ-মুখের শুনি নাই বেণু॥
ক্ষীর সর ননী দিলাম আঁচলে বান্ধিয়া।
বুঝি কিছু খাও নাই সুখাঞাছে হিয়া॥
মলিন হৈয়াছে মুখ রবির কিরণে।
না জানি ফিরিলা কোন গহন কাননে॥
নব তৃণাঙ্কুর কত ভুকিল চরণে।
এক-দিঠি হৈয়া রাণী চাহে চরণ পানে॥
না বুঝি ধাইয়াছ কত ধেনুর পাছে।
এ দাস বলাই কেনে এ দুখ দেখ্যাছে॥

ই পদটি চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত
এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”,
১১৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কল্যাণ॥

কোন বনে গিয়াছিলে ওরে রামকানু। আজি কেন শুনি নাই চাঁদমুখের বেণু॥
ক্ষীর সর মাখন দিলাম আঁচলে বান্ধিয়া। বুঝি কিছু খাও নাই শুখায়েছে হিয়া॥
মলিন হয়েছে মুখ রবির কিরণে। না জানি ফিরিলে কোন্ গহন কাননে॥
নব তৃণাঙ্কুর কত ভুঁখিল চরণে। একদিঠে হঞে রাণী চাহে চরণ পানে॥
না বুঝি ধেয়েছ কত ধেনুর পাছে। এ দাস বলাই কেনে এ দুখ দিয়েছে॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনি ও টীকা সমেত
বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, ৫৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ গৌরী॥

কোন্ বনে গিয়াছিলে ওরে রাম কানু।
আজি কেন চান্দমুখের শুনি নাই বেণু॥
ক্ষীর সর ননী দিলাম আঁচলে বান্ধিয়া।
বুঝি কিছু খাও নাই শুখাঞাছে হিয়া॥
মলিন হৈয়াছে মুখ রবির কিরণে।
না জানি ভ্রমিলা কোন্ গহন কাননে॥
নব তৃণাঙ্কুর কত ভুঁকিল চরণে।
এক দিঠ হৈয়া রাণী চাহে চরণ পানে॥
না বুঝি ধাইয়াছ কত ধেনুর পাছে পাছে।
এ দাস বলাই কেনে এ দুখ দেখেছে॥

ই পদটি ১৯৩৭-৫৩ সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ৪২৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

উত্তর গোষ্ঠ
॥ গৌরী মিশ্র ভূপালী - মধ্যম একতালা॥

কোন বনে গিয়েছিলে ওরে রাম কানু।
আজ কেন শুনি নাই চাঁদ মুখের বেণু॥
খিরস্বর ননি দিলাম আঁচলে বান্ধিয়া।
বুঝি কিছু খাও নাই শুকাইয়াছে হিয়া॥
মলিন হইয়াছে মুখ রবির কিরণে।
নাজানি ফিরিলা কোন গহন কাননে॥
নব তৃণাঙ্কুর কত ভুকিল চরণে।
এক দিঠি হইয়া রাণী চাহে চরণ-পানে॥
না বুঝি ধাইয়াছ কত ধেনুর পাছে পাছে।
এ দাস বলাই কেনে এ দুঃখ দেখেছে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৬৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

গোষ্ঠ
॥ গৌরী॥

কোন বনে গিয়াছিলে ওরে রাম কানু।
আজি কেন চান্দমুখের শুনি নাই বেণু॥
ক্ষীর সর ননী দিলাম আঁচলে বান্ধিয়া।
বুঝি কিছু খাও নাই শুখাঞাছে হিয়া॥
মলিন হৈয়াছে মুখ রবির কিরণে।
না জানি ফিরিলা কোন গহন কাননে॥
নব তৃণাঙ্কুর কত ভুঁকিল চরণে।
এক-দিঠি হৈয়া রাণী চাহে চরণ পানে॥
না বুঝি ধাইয়াছ কত ধেনুর পাছে।
এ দাস বলাই কেনে এ দুখ দেখ্যাছে॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত
বলরামদাসের পদাবলী, ৪২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ গৌরী॥

কোন বনে গিয়াছিলে ওরে রাম কানু।
আজি কেন চান্দ-মুখের শুনি নাই বেণু॥
ক্ষীর সর ননী দিলাম আঁচলে বান্ধিয়া।
বুঝি কিছু খাও নাই শুখাঞাছে হিয়া॥
মলিন হৈয়াছে মুখ রবির কিরণে।
না জানি ফিরিলা কোন গহন কাননে॥
নব তৃণাঙ্কুর কত ভুকিল চরণে।
এক- দিঠি হৈয়া রাণী চাহে চরণ পানে॥
না বুঝি ধাইয়াছ কত ধেনুর পাছে।
এ দাস বলাই কেনে এ দুখ দেখ্যাছে॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের
পদাবলী”, ৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কোন্ বনে গিয়াছিলা ওরে রাম কানু।
আজি কেন চান্দমুখের শুনি নাই বেণু॥
ক্ষীর সর ননী দিলাম আঁচলে বান্ধিয়া।
বুঝি কিছু খাও নাই শুখাঞাছে হিয়া॥
মলিন হৈয়াছে মুখ রবির কিরণে।
না জানি ফিরিলা কোন্ গহন কাননে॥
নব তৃণাঙ্কুর কত ভুকিল চরণে।
একদিঠি হৈয়া রাণী চাহে চরণ পানে॥
না বুঝি ধাইয়াছ কত ধেনুর পাছে।
এ দাস বলাই কেনে এ দুখ দেখ্যাছে॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “ষোড়শ শতাব্দীর
পদাবলী-সাহিত্য”, ৩৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কোন্ বনে গিয়াছিলা ওরে রাম কানু।
আজি কেন চান্দমুখের শুনি নাই বেণু॥
ক্ষীর সর ননী দিলাম আঁচলে বান্ধিয়া।
বুঝি কিছু খাও নাই শুখাঞাছে হিয়া॥
মলিন হৈয়াছে মুখ রবির কিরণে।
না জানি ফিরিলা কোন্ গহন কাননে॥
নব তৃণাঙ্কুর কত ভুকিল চরণে।
একদিঠি হৈয়া রাণী চাহে চরণ পানে॥
না বুঝি ধাইয়াছ কত ধেনুর পাছে।
এ দাস বলাই কেনে এ দুখ দেখ্যাছে॥

ই পদটি ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত, দেবনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদসঙ্কলন”, অনুরাগ, ৪২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

কোন বনে গিয়াছিলা ওরে রাম কানু।
আজি কেন চান্দমুখের নাই শুনি বেণু॥
ক্ষীর সর ননী দিলাম আঁচলে বান্ধিয়া।
বুঝি কিছু খাও নাই শুখাঞাছে হিয়া॥
মলিন হৈয়াছে মুখ রবির কিরণে।
না জানি ফিরিলা কোন গহন কাননে॥
নব তৃণাঙ্কুর কত ভুকিল চরণে।
এক-দিঠি হৈয়া রাণী চাহে চরণ পানে॥
না বুঝি ধাইয়াছ কত ধেনুর পাছে।
এ দাস বলাই কেনে এ দুখ দেখ্যাছে॥

.            ********************************            

.                                                       
বলাই দাসের পাতার সূচীতে . . .   
.                                                      
বলরাম দাসের পাতার সূচীতে . . .     
.  
                                                         


মিলনসাগর