| কবি বলরাম দাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী |
| নানা ন্যাস বেশ করি পরায় পাটের শাড়ী ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, রসোদ্গার, ৯৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ভাটিয়ারী॥ নানা ন্যাস বেশ করি, পরায় পাটের শাড়ী, সাধে সাধে সমুখে হাঁটায়। দেখিয়া হাঁটন মোর, হইয়া আনন্দে ভোর, দুই বাহু পসারিয়া ধায়॥ সই ! তেঞি সে হিয়ার মাঝে জাগে। কত কুলবতী যারে, হেরিয়া ঝুরিয়া মরে, সেই যোড় হাতে মোর আগে॥ ধ্রু॥ অতি রসে গরগরি, কাঁপে পহুঁ থরহরি, আরতি করিয়া কোলে করে। ঘন ঘন চুম্বনে, নিবিড় আলিঙ্গনে, ডুবাইল রসের সাগরে॥ চন্দন মাখায় গায়, দেয় বসনের বায়, নিজ করে তাম্বুল খাওয়ায়। বিনি কাজে কত পুছে, কত না মুখানি মোছে, হেন বাসে দেখিতে হারায়॥ “তুমি মোর ধন প্রাণ, তোমা বিনে নাহি আন,” কহে প্রিয়া গদগদ ভাষে। যতেক পিরীতি তার, জগতে কি আছে আর, কি বলিবে বলরাম দাসে॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| সব সখীগণে সঞে রাই সুধামুখী ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩০শ পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৬৫৩-পদসংখ্যা। ॥ শ্রীরাগ॥ সব সখীগণ সঞে রাই সুধামুখি কানুক ভোজন-শেষ। ভুঞ্জয়ে কত পরমানন্দ কৌতুকে গুণমঞ্জরী পরিবেশ॥ অপরূপ ভোজন-কেলি। করিয়া আচমন নিভৃত নিকেতন চলু সব সহচরী মেলি॥ রতন-পালঙ্ক পর শূতল রাই কানু প্রিয়-সখি তাম্বুল দেল। খণ এক নিন্দে নিন্দায়লি দুহুঁ জন বলরাম হরষিত ভেল॥ এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, ১০২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ সব সখীগণ সঞে, রাই সুধামুখী, কানুক ভোজন শেষ। ভুঞ্জয়ে কত, পরমানন্দ কৌতুকে, গুণমঞ্জরী পরিবেস॥ অপরূপ ভোজন কেলি। করিয়া আচমন, নিভৃত নিকেতন, চলু সব সহচরী মেলি॥ রতন পালঙ্কপর, সুতল রাই কানু, প্রিয় সখী তাম্বুল দেল। ক্ষণে এক নিন্দে, নিন্দায়লি দুহুঁজন, বলরাম হরষিত ভেল॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ সব সখীগণ সঞে, রাই @@@@ কানুক ভোজন-শেষ। ভুঞ্জয়ে কত পরমানন্দ কৌতুকে, গুণমঞ্জরী পরিবেশ॥ অপরূপ ভোজনকেলি। করিয়া আচমন, নিভৃতে নিকেতন, চলু সব সহচরী মেলি॥ রতন-পালঙ্ক পর, সুতল রাই কানু, প্রিয়সখী তাম্বুল দেল। ক্ষণ এক নিন্দে, নিন্দায়লি দুহুঁ জন, বলরাম হরষিত ভেল॥ @ - অপাঠ্য অক্ষর। এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ৯৪ -পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ সব সখীগণ সঞে রাই সুধামুখী কানুক ভোজন শেষ। ভুঞ্জয়ে কত পরমানন্দ কৌতুকে গুণমঞ্জরী পরিবেশ॥ অপরূপ ভোজন-কেলি। করিয়া আচমন নিভৃত নিকেতন চলু সব সহচরী মেলি॥ রতন-পালঙ্ক পর শূতল রাই কানু, প্রিয়-সখী তাম্বুল দেল। খণ এক নিন্দে নিন্দায়লি দুহুঁ জন বলরাম হরষিত ভেল॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| রাধা মাধব শয়নহি বৈঠল ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩০শ পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৬৫৫-পদসংখ্যা। ॥ বরাড়ী॥ রাধামাধব শয়নহি বৈঠল আলসে অবশ শরীর। তবহি বনেশ্বরী বহুত যতন করি আনল শারি শুক কীর॥ হেরি দোঁহে ভেল আনন্দ। রাইক ইঙ্গিতে বৃন্দা পঢ়াওত বহু গীত পদ্য সুছন্দ॥ কানুক রুপ গুণ শুক করু বর্ণন প্রেমে প্রফুল্লিত-পাখ। শারি পড়ত যত রাই-গুণামৃত কানুক বুঝিয়া কটাখ॥ ঐছন দুহুঁ জন ইঙ্গিতে দুহুঁ পুন পাঠ করত অনুপাম। সো বচনামৃত শ্রবণহি শূনব কব ইহ দাস বলরাম॥ এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, সম্ভোগ মিলন, ১০৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বরাড়ী॥ রাধা মাধব, শয়নহি বৈঠল, আলসে অবশ শরীর। তবহি বনেশ্বরী, বহুত যতন করি, আনল সারী শুক কীর॥ হেরি দোঁহে ভেল আনন্দ। রাইক ইঙ্গিতে, বৃন্দা পঢ়াওত, বহু গীত পদ্য সুছন্দ॥ কানুক রূপগুণ, শুক করু বর্ণন, প্রেমে প্রফুল্লিত পাখ। সারী পঢ়ত, রাই গুণামৃত, কানুক বুঝিয়া কটাখ॥ ঐছন দুহুঁ জন ইঙ্গিতে দুহুঁ পুন, পাঠ করত অনুপাম। সো বচনামৃত, শ্রবণহি শুনব, কব ইহ দাস বলরাম॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩৪৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বরাড়ী॥ রাধামাধব, শয়নহি বৈঠল, আলসে অবশ শরীর। তবহি বনেশ্বরী, বহুত যতন করি, আনল সারী শুক কীর॥ হেরি দোঁহে ভেল আনন্দ। রাইক ইঙ্গিতে, বৃন্দা পড়াওত, বহু গীত পদ্য সুছন্দ॥ কানুক রূপ গুণ, শুক করু বর্ণন, প্রেমে প্রফুল্লিত পাখ। শারী পড়ত, রাই-গুণামৃত, কানুক বুঝিয়া কটাখ॥ ঐছন দুহুঁ জন, ইঙ্গিতে দুহুঁ পুন, পাঠ করত অনুপাম। সো বচনামৃত, শ্রবণহি শুনব, কব ইহ দাস বলরাম॥ এই পদটি ১৯৩৭-৫৩ সময়কালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্রর মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৩য় খণ্ড, ২৯১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। শুক শারি বর্ণন ॥ বরাড়ী জয় জয়ন্তী - দুঠুকী॥ রাধা মাধব, শয়নহি বৈঠল, আলসে অবশ শরীর। তবহি বনেশ্বরী, বহুত যতন করি, আনল শারি সুকীর॥ হেরি দোহেঁ ভেল আনন্দ। রাইক ইঙ্গিতে, বৃন্দা পঢ়ায়ত, বহু গীত-পদ্য সুছন্দ॥ কানুক রূপ গুণ, শুক করু বর্ণন, প্রেমে প্রফুল্লিত পাখ। শারি পঢ়ত যত, রাই গুণামৃত, কানুক বুঝিয়া কটাখ॥ ঐছন দুহুঁজন, ইঙ্গিতে দুহুঁ পুন, পাঠ করত অনুপাম। সো বচনামৃত, শ্রবণহি শুনব, কব ইহ দাস বলরাম॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ৯৩ -পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বরাড়ী॥ রাধা মাধব শয়নহি বৈঠল, আলসে অবশ শরীর। তবহি বনেশ্বরী বহুত যতন করি আনল শারি শুক কীর॥ হেরি দোঁহে ভেল আনন্দ। রাইক ইঙ্গিতে বৃন্দা পঢ়াওত বহু গীত পদ্য সুছন্দ॥ কানুক রুপ গুণ শুক করু বর্ণন প্রেমে প্রফুল্লিত-পাখ। শারি পড়ত যত রাই-গুণামৃত কানুক বুঝিয়া কটাখ॥ ঐছন দুহুঁ জন ইঙ্গিতে দুহুঁ পুন পাঠ করত অনুপাম। সো বচনামৃত, শ্রবণহি শুনব কব ইহ দাস বলরাম॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |