কবি বলরাম দাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
*
মন্দিরে চলব জানি হিয় অতি কাতর
ভনিতা বলরাম
কবি বলরাম দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩০শ পল্লব,
অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৫০৫-পদসংখ্যা। এই পদটি কমলাকান্ত দাসের পদরত্নাকর পুথির ৩৯|৩৫ সংখ্যক
পদ।

॥ তথা রাগ॥

মন্দির চলব জানি অতি কাতর
আকুল জলধি-তরঙ্গ।
কত কত চুম্বন কতহুঁ আলিঙ্গন
দূবর ভেল দুহুঁ অঙ্গ॥
সখি হে  কিয়ে বিধি লাগল বাদে।
কন্ঠ কন্ঠ গহি সব সখী রোয়ত
হেরইতে দুহুঁক বিষাদে॥ ধ্রু॥
সোঙরি বিছেদ খেদ দুহুঁ আকুল
দুহুঁ রহু কোরে অগোরি।
দুহুঁক নয়ন-নিরে দুহুঁ তনু ভীগই
রোয়ই মুখে-মুখ জোরি॥
এ মুখ-দরশন বিনে তনু জারব
কহি কহি রোয়ে মুরারি।
ধনি-মুখ উলটি পালটি কত হেরই
কত জিউ করত নিছারি॥
ব্রজপতি-রাণি সঙ্গে পুন ব্রজপতি
আই কুঞ্জ মাহা পৈঠ।
শুনইতে বলরাম দুহুঁক সম্ভেদল
দুহুঁক ছোড়ি দুহুঁ বৈঠ॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের
পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, রসালস, ১০৫-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রামকেলি॥

মন্দিরে চলব জানি,                হিয় অতি কাতর,
আকুল জলধি তরঙ্গ।
কত কত চুম্বন,                        কতহুঁ আলিঙ্গন,
দুবর ভেল দুহুঁ অঙ্গ॥
সখিহে ! কিয়ে বিধি লাগল বাদে।
কন্ঠ কন্ঠ গহি,                        সব সখী রোয়ত,
হেরইতে দুহুঁক বিষাদে॥
সোঙরি বিচ্ছেদ,                      খেদ দুহুঁ আকুল,
দুহুঁ রহু কোরে আগোরি।
দুহুঁক নয়ন নীরে                        দুহুঁ তনু ভিগই,
রোয়ই মুখে মুখ জোরি॥
এ মুখ দরশন,                        বিনে তনু জারব,
কহি কহি রোয়ে মুরারি।
ধনি মুখ উলটি,                     পালটি কত হেরই,
কত জিউ করত নিছারি॥
ব্রজপতি রাণী,                      সঙ্গে পুন ব্রজপতি,
আই কুঞ্জ মাহা পৈঠ।
শুনইতে বলরাম,                        দুহুঁক সম্ভেদল,
দুহুঁক ছোড়ি দুহুঁ বৈঠ॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”,
১ম খণ্ড, ৩৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কৌ রামকেলি॥

মন্দিরে চলব, জানি অতি কাতর, আকুল জলধি-তরঙ্গ।
কত কত চুম্বন, কতহুঁ আলিঙ্গন, দুবর ভেল দুহুঁ অঙ্গ॥
সখি হে কিয়ে বিধি লাগল বাদে।
কন্ঠ কঠ গহি, সব সখী রোয়ত, হেরইতে দুহুঁক বিষাদে॥
সোঙরি বিচ্ছেদ-খেদ দুহুঁ আকুল, দুহুঁ রহু কোরে আগোরি।
দুহুঁক নয়ন-নীর, দুহুঁ তনু ভিগই, রোয়ই মুখে মুখ জোরি॥
এ মুখ-দরশন, বিনে তনু জারব, কহি কহি রোয়ে মুরারি।
ধনী মুখ উলটি, পালটি কত হেরই, কত জিউ করত নিছারি॥
ব্রজপতি-রাণী, সঙ্গে ব্রজপতি পুন, আই কুঞ্জ মাহা পৈঠ।
শুনইতে বলরাম, দুহুঁক সম্ভেদল, দুহুঁক ছোড়ি দুহুঁ বৈঠ॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪২১-পৃষ্ঠায় এই
রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

মন্দিরে চলব,                        জানি অতি কাতর,
আকুল জলধি-তরঙ্গ।
কত কত চুম্বন,                           কতহুঁ আলিঙ্গন,
দুবর ভেল দুহুঁ অঙ্গ॥
সখিহে, কিয়ে বিধি লাগল বাদে।
কন্ঠ কঠ গহি,                           সব সখী রোয়ত,
হেরইতে দুহুঁক বিষাদে॥
সোঙরি বিচ্ছেদ,                 খেদ দুহুঁ আকুল,
দুহুঁ রহুঁ কোরে আগোরি।
দুহুঁক নয়ন-নীর,                          দুহুঁ তনু ভিগই,
রোয়ই মুখে মুখ জোরি॥
এ মুখ-দরশন,                          বিনে তনু জারব,
কহি কহি রোষে মুরারি।
ধনী মুখ উলটি,                        পালটি কত হেরই,
কত জিউ করত নিছারি॥
ব্রজপতি-রাণী,                        সঙ্গে ব্রজপতি পুন,
আই কুঞ্জ মাহা পৈঠ।
শুনইতে বলরাম,                          দুহুঁক সম্ভেদল,
দুহুঁক ছোড়ি দুহুঁ বৈঠ॥

ই পদটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত, ব্রজমোহন দাস সংকলিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব সেবা আরতি ও
কীর্ত্তন পদাবলী ও নিত্যক্রিয়া পদ্ধতি”, কুঞ্জভঙ্গ, ৭১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

মন্দিরে চলব,                        জানি ভেল কাতর,
আকুল জলধি তরঙ্গ।
কত কত চুম্বন,                           কতহুঁ আলিঙ্গন,
দুরবল ভেল দুহুঁ অঙ্গ॥
সোউরি বিচ্ছেদ,                        ক্ষেদ দুহুঁ আকুল,
দুহুঁ রহু কোরে আগোরি।
দুহুঁক নয়ন নীরে,                       দুহুঁ তনু ভিগয়ি,
রোওই মুখে মুখ জোড়ি॥
এ মুখ দরশন,                          বিনু তনু জ্বারব,
কহি কহি রোয়ই মুরারি।
ধনি মুখ উলটি,                     পালটি কত নেহারই,
কত জিউ করত নিছারি॥
ব্রজপতি-রাণী,                       সঙ্গে করি ব্রজপতি,
আওয়ই কুঞ্জ মাহা পৈঠ।
বলরাম কহই,                           বিলম্ব ভাল নহে,
দুহুঁক ছোড়ি দুহুঁ উঠ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”,
৭৫২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের গুহে গমন ১
॥ রামকেলি॥

মন্দির চলব জানি অতি কাতর
আকুল জলধিতরঙ্গ।
কত কত চুম্বন কতহুঁ আলিঙ্গন
দূবর ভেল দুহুঁ অঙ্গ॥
সখি হে  কিয়ে বিধি লাগল বাদে।
কন্ঠ কন্ঠ গহি সব সখি রোয়ত
হেরইতে দুহুঁক বিষাদে॥
সোঙরি বিচ্ছেদ খেদ দুহুঁ আকুল
দুহুঁ রহু কোরে অগোরি।
দুহুঁক নয়নীরে দুহুঁ তনু ভীগই
রোয়ই মুখে মুখ জোরি॥
এ মুখদরশন বিনে তনু জারব
কহি কহি রোয়ে মুরারি।
ধনিমুখ উলটি পালটি কত হেরই
কত জিউ করত নিছারি॥
ব্রজপতি রাণি সঙ্গে পুন ব্রজপতি
আই কুঞ্জ মাহা পৈঠ।
শুনইতে বলরাম দুহুঁ সম্ভেদল
দুহুঁক ছোড়ি দুহুঁ বৈঠ॥

১ - “গুহে গমন”-এর অর্থ সঠিকভাবে আমরা বুঝতে পারছি না। কথাটি কি “গৃহে গমন” বা “গুহায় গমন”
হবে? বা অন্য কিছু! কেউ সঠিক অর্থ জানালে কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তাঁর নাম এখানে উল্লেখ করা হবে।
---মিলন সেনগুপ্ত, মিলনসাগর॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, রসালস, ৯৭-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রামকেলি॥

মন্দির চলব জানি অতি কাতর
আকুল জলধি-তরঙ্গ।
কত কত চুম্বন কতহুঁ আলিঙ্গন
দূবর ভেল দুহুঁ অঙ্গ॥
সখি হে  কিয়ে বিধি লাগল বাদে।
কন্ঠ কন্ঠ গহি সব সখী রোয়ত
হেরইতে দুহুঁক বিষাদে॥
সোঙরি বিচ্ছেদ খেদ দুহুঁ আকুল
দুহুঁ রহু কোরে অগোরি।
দুহুঁক নয়ন-নিরে দুহুঁ তনু ভীগই
রোয়ই মুখে-মুখ জোরি॥
এ মুখ-দরশন  বিনে তনু জারব
কহি কহি রোয়ে মুরারি।
ধনি-মুখ উলটি পালটি কত হেরই
কত জিউ করত নিছারি॥
ব্রজপতি-রাণি সঙ্গে পুন ব্রজপতি
আই কুঞ্জ মাহা পৈঠ।
শুনইতে বলরাম দুহুঁক সম্ভেদল
দুহুঁক ছোড়ি দুহুঁ বৈঠ॥

.            ********************************            

.                                                                              
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
দুহুঁক বেয়াকুল হেরিয়া সহচরী
ভনিতা বলরাম দাস
কবি বলরাম দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩০শ পল্লব,
অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৫০৩-পদসংখ্যা।

॥ তথা রাগ॥

দুহুঁক বেয়াকুল হেরি সব সহচরি
বহু পরবোধলি তায়।
কত পরিহাস-বচনে পুন দুহুঁ জনে
বিরহ করয়ে অন্তরায়॥
দেখ দেখ অপরূপ সখি সুচতুর।
রভস-সরোবরে দুহুঁক ডুবায়ই
আপন মনোরথ পূর॥ ধ্রু॥
দুহুঁ-মুখ দুহুঁ জন চুম্বই পুন পুন
দুহুঁ দোহাঁ কোরে অগোরি।
তেজল সরম ভরম ধনি বিছুরল
গেহ-গমন পুন ভোরি॥
সহচরিগণ সব মনহি বিচারই
কৈছে লেয়ব দুহুঁ বাসে।
তৈখনে নয়ন-যুগল ভেল ঢল ঢল
কহতহি বলরাম দাসে॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের
পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, রসালস, ১০৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রামকেলি॥

দুহুঁক বেয়াকুল,                   হেরিয়া সহচরী,
বহু পরবোধলি তায়।
কত পরিহাস,                     বচনে দুহুঁ জনে,
বিরহে করায় অন্তরায়॥
দেখ দেখ অপরূপ সখি সুচতুর।
রভস সরোবরে,                  দুহুঁক ডুবায়ই,
আপন মনোরথ পূর॥ ধ্রু।
দুহুঁ মুখ দুহুঁ জন,                  চুম্বই পুন পুন,
দুহুঁ দোহাঁ কোরে আগোরি।
তেজল সরম,                ভরম ধনি বিছুরল,
গেহ গমন পুন ভোরি॥
সহচরীগণ সব,                    মনহি বিচারই,
কৈছে লেয়ব দুহুঁ বাসে।
তৈখনে নয়ন,                যুগল ভেল ঢর ঢর,
কহতহিঁ বলরাম দাসে॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”,
১ম খণ্ড, ৩৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কৌ রামকেলি॥

দুহুঁক বেয়াকুল, হেরিয়া সহচরী, বহু পরবোধলি তায়।
কত পরিহাস, বচনে দুহুঁজনে,  বিরহ করায় অন্তরায়॥
দেখ দেখ অপরূপ সখী সুচতুর।
রভস-সরোবরে, দুহুঁক ডুবায়ই, আপন মনোরথ পূর॥
দুহুঁ মুখ দুহুঁ জন, চুম্বই পুন পুন, দুহুঁ দোহাঁ কোরে আগোরি।
তেজল সরম, ভরম ধনী বিছুরল, গেহ গমন পুন ভোরি॥
সহচরীগণ সব, মনহি বিচারই, কৈছে লেয়ব দুহুঁ বাসে।
তৈখনে নয়ন-যুগল ভেল ঢর ঢর, কহতহি বলরাম দাসে॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪২১-পৃষ্ঠায় এই
রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

দুহুঁক বেয়াকুল,                   হেরিয়া সহচরী,
বহু পরবোধলি তায়।
কত পরিহাস,                      বচনে দুহুঁজনে,
বিরহ করায় অন্তরায়॥
দেখ দেখ অপরূপ সখী সুচতুর।
রভস-সরোবরে,                   দুহুঁক ডুবায়ই,
আপন মনোরথ পূর॥
দুহুঁ মুখ দুহুঁ জন,                   চুম্বই পুন পুন,
দুহুঁ দোহা কোরে আগোরি।
তেজল সরম,                ভরম ধনী বিছুরল,
গেহ গমন পুন ভোরি॥
সহচরীগণ সব,                    মনহি বিচারই,
কৈছে লেয়ব দুহুঁ বাসে।
তৈখনে নয়ন,                যুগল ভেল ঢর ঢর,
কহতহিঁ বলরাম দাসে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”,
৭৫২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের গুহে গমন ১
॥ রামকেলি॥

দুহুঁক বেয়াকুল হেরি সব সহচরি
বহু পরবোধলি তায়।
কত পরিহাস বচনে পুন দুহুঁ জনে
বিরহে করয়ে অন্তরায়॥
দেখ দেখ অপরূপ সখি সুচতুর
রভস সরোবরে দুহুঁক ডুবায়ই
আপন মনোরথ পূর॥
দুহুঁ মুখ দুহুঁ জন         চুম্বই পুন পুন
দুহুঁ দোহাঁ কোরে অগোরি।
তেজল সরম ভরম ধনি বিছুরল
গেহ গমন পুন ভোরি॥
সহচরিগণ সব মনহি বিচারই
কৈছে লেয়ব দুহুঁ বাসে।
তৈখনে নয়নযুগল ভেল ঢল ঢল
কহতহি বলরাম দাসে॥

১ - “গুহে গমন”-এর অর্থ সঠিকভাবে আমরা বুঝতে পারছি না। কথাটি কি “গৃহে গমন” বা “গুহায় গমন”
হবে? বা অন্য কিছু! কেউ সঠিক অর্থ জানালে কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তাঁর নাম এখানে উল্লেখ করা হবে।
---মিলন সেনগুপ্ত, মিলনসাগর॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ৯৯ -পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রামকেলি॥

দুহুঁক বেয়াকুল হেরি সব সহচরি
বহু পরবোধলি তায়।
কত পরিহাস-বচনে পুন দুহুঁ জনে
বিরহে করয়ে  অন্তরায়॥
দেখ দেখ অপরূপ সখি সুচতুর
রভস-সরোবরে দুহুঁক ডুবায়ই
আপন মনোরথ পূর॥
দুহুঁ-মুখ দুহুঁ জন         চুম্বই পুন পুন
দুহুঁ দোহাঁ কোরে অগোরি।
তেজল সরম ভরম ধনি বিছুরল
গেহ-গমন পুন ভোরি॥
সহচরিগণ সব মনহি বিচারই
কৈছে লেয়ব দুহুঁ বাসে।
তৈখনে নয়ন-যুগল ভেল ঢল ঢল
কহতহি বলরাম দাসে॥

.            ********************************            

.                                                                              
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
বেশ বনায়ই পহিরি পুন শাড়ী
ভনিতা বলরাম
কবি বলরাম দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ
শাখা-২য় ভাগ, ৩০শ পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৫০২-পদসংখ্যা। এই পদটি
কমলাকান্ত দাসের পদরত্নাকর পুথির ৩৯|৩৮ সংখ্যক পদ।

॥ কৌ রামকেলি॥

বেশ বনাই পহিরি পুন শাড়ি।
যব পহুঁ-আগে রহলি ধনি ঠাড়ি॥
হেরইতে কানু সিনায়ল লোরে।
মাতল রাই ধরল ধনি কোরে॥
দারুণ দুরবিহি দুরযশ নেল।
হিয় মাহা হানল গরলক শেল॥
কোরহি বৈঠলি মুগধিনি রাই।
বসনহি ঝাঁপি রোই শির নাই॥
শির পর শির ধরি রোয়ই কান।
কাঁপি সঘন পুন হরল গেয়ান॥
মুরছি গোরি পড়লি খিতি মাহ।
পুন করি কোরে রোই বর নাহ॥
লুঠই ধরণি পহু কর উর তারি।
ভোরি রোয়ত নাহ ধনি অলকারি॥
মুখ হেরি রোই করই আশোয়াস।
ছল ছল দিঠি-জলে গদগদ ভাষ॥
চুম্বি আলিঙ্গি সাতায়লি শ্যাম।
লেই ধনি গেহ চলব বলরাম॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত
বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, রসালস, ১০৮-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া
রয়েছে।

॥ রামকেলি॥

বেশ বনায়ই পহিরি পুন শাড়ী।
যব পহুঁ আগে রহলি ধনি ঠাড়ি॥
হেরইতে কানু সিনায়ল লোরে।
মাতল রাই ধরল ধনি কোরে॥
দারুণ দুর-বিহি দুর-যশ নেল।
হিয়া মাহা হানল গরলক শেল॥
কোরহি বৈঠলি মুগধিনী রাই।
বসনহি ঝাঁপি রোই শির নাই॥
শিরোপরি শির ধরি রোয়ই কান।
কাঁপি সঘন পুন হরল গেয়ান॥
মূরছি গোরী পড়ল ক্ষিতি মাহ।
পুন করি কোরে রোই বরনাহ॥
উঠই ধরণী পহুঁ কর উরতারি।
ভোরি রোয়ত নাহি ধনি নিল কোরি॥
মুখ হেরি রোয়ই করই আশোআস।
ছল ছল দিঠি জলে গদ গদ ভাষ॥
চুম্বি আলিঙ্গি সাঁতায়লি শ্যাম।
লেই ধনি গেহ চলব বলরাম॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কৌ রামকেলি॥

বেশ বনায়ই পহিরি পুন শাড়ী। যব পহুঁ আগে রহলি ধনি ঠাড়ি॥
হেরইতে কানু সিনায়ল লোরে। মাতল রাই ধরল ধনী কোরে॥
দারুণ দুরবিহি দুরযশ নেল। হিয়া মাহা হানল গরলক শেল॥
কোরহি বৈঠলি মুগধিনী রাই। বসনহি ঝাঁপি রোই শির নাই॥
শিরোপরি শির ধরি রোয়ই কান। কাঁপি সঘন পুন হরল গেয়ান॥
মুরছি গোরী পড়ল ক্ষিতি মাহ। পুন করি কোরে রোই বর নাহ॥
লুঠই ধরণী পহু কর উর তাড়ি। ভোরি রোয়ত নাহি ধনী নিল কোরি॥
মুখ হেরি রোয়ই করই আশোয়াস। ছল ছল দিঠি-জলে গদ গদ ভাষ॥
চুম্বি আলিঙ্গি শাঁতায়লি শ্যাম। লেই ধনী গেহ চলব বলরাম॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৪২০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রামকেলি॥

বেশ বনায়ই পহিরি পুন শাড়ী।
যব পহুঁ আগে রহলি ধনী ঠারি॥
হেরইতে কানু সিনায়ল লোরে।
মাতল রাই ধরল ধনী কোরে॥
দারুণ দুরবিহি দুরযশ নেল।
হিয়া মাহা হানল গরলক শেল॥
কোরহি বৈঠলি মুগধিনী রাই।
বসনহি ঝাপি রোই শির নাই॥
শিরোপরি শির ধরি রোয়ই কান।
কাঁপি সঘন পুন হরল গেয়ান॥
মুরছি গোরী পড়ল ক্ষিতি মাহ।
পুন করি কোরে রোই বর নাহ॥
লুঠই ধরণী পহুঁ কর উর তাড়ি।
ভোরি রোয়ত নাহ ধনী নিল কোরি॥
মুখ হেরি রোয়ই করই আশোয়াস।
ছল ছল দিঠি জলে গদ গদ ভাষ॥
চুম্বি আলিঙ্গি সাঁতায়লি শ্যাম।
লেই ধনী গেহ চলব বলরাম॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৫২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের গুহে গমন
॥ কৌ রামকেলি॥

বেশ বনাই পহিরি পুন শাড়ি।
যব পহু আগে রহলি ধনি ঠাড়ি॥
হেরইতে কানু সিনায়ল লোরে।
মাতল রোই ধরল ধনি কোরে॥
দারুণ দুরবিহি দুরযশ নেল।
হিয় মাহা হানল গরলক শেল॥
কোরহি বৈঠলি মুগধিনি রাই।
বসনহি ঝাঁপি রোই শির লাই॥
শির পর শির ধরি রোয়ই কান।
কাঁপি সঘন পুন হরল গেয়ান॥
মুরছি গোরি পড়লি খিতি মাহ।
পুন করি কোরে রোই বর নাহ॥
লুঠই ধরণি পহু কর উর তারি।
ভোরি রোয়ত নাহ ধনি অসমারি॥
মুখ হেরি রোই করই আশোয়াস।
ছল ছল দিঠিজলে গদগদ ভাষ॥
চুম্বি আলিঙ্গি সাতায়লি শ্যাম।
লেই ধনি গেহ চলব বলরাম॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত
বলরামদাসের পদাবলী, ৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কৌ রামকেলি॥

বেশ বনাই পহিরি পুন শাড়ি।
যব পহুঁ-আগে রহলি ধনি ঠাড়ি॥
হেরইতে কানু সিনায়ল লোরে।
মাতল রাই ধরল ধনি কোরে॥
দারুণ দুরবিহি দুরযশ নেল।
হিয় মাহা হানল গরলক শেল॥
কোরহি বৈঠলি মুগধিনি রাই।
বসনহি ঝাঁপি রোই শির নাই॥
শির পর শির ধরি রোয়ই কান।
কাঁপি সঘন পুন হরল গেয়ান॥
মুরছি গোরি পড়লি খিতি মাহ।
পুন করি কোরে রোই বর নাহ॥
লুঠই ধরণি পহু কর উর তারি।
ভোরি রোয়ত নাহ ধনি অলকারি॥
মুখ হেরি রোই করই আশোয়াস।
ছল ছল দিঠি-জলে গদগদ ভাষ॥
চুম্বি আলিঙ্গি সাতায়লি শ্যাম।
লেই ধনি গেহ চলব বলরাম॥

.            ********************************            

.                                                                              
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
রাই মুখ পঙ্কজ কুসুমে মাজল
ভনিতা বলরাম দাস
কবি বলরাম দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩০শ পল্লব,
অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৫০১-পদসংখ্যা।

॥ বিভাষ॥

রাই মুখ-পঙ্কজ                      কুঙ্কুমে মাজল
বসনহিঁ পুলক আগোর।
নিরমিত সিন্দুর                   যতনে নিবারই
নীঝর নয়নক লোর॥
এ সখি চতুর-শিরোমণি কান।
নিরমজি উনমজি                  আরতি-সায়রে
করল বেশ-নিরমাণ॥ ধ্রু॥
অঞ্জইতে লোচন                  দুনয়ন ছল ছল
করল ঘরম-জল চোরি।
কত পরকারহিঁ                      কাঁপ নিবারল
লিখইতে উচ কুচ জোরি॥
বসন পরাইতে                        মুগধল নাগর
থম্বি রহল যব নাহ।
তব দিঠি কুঞ্চিত                    রঙ্গদেবি সখি
তহিঁ বলরাম মুখ চাহ॥


ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের
পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, রসালস, ১০৯-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাষ॥

রাই মুখ পঙ্কজ,                      কুসুমে মাজল,
বসনহিঁ পুলক আগোর।
নিরমিতে সিন্দুর,                যতনে নিবারই,
নীঝর নয়নক লোর॥
এ সখি চতুর শিরোমণি কান।
নিরমজি উনমজি,                আরতি সায়রে,
করল বেশ নিরমাণ॥
অঞ্জইতে লোচন,                দুনয়ান ছল ছল,
করল ঘরম-জল চোরি।
কত পরকারহিঁ                   কাঁপ নিবারল,
লিখইতে উচ কুচ জোরি॥
বসন পরাইতে,                        মুগধল নাগর
থম্বি রহল যব নাহ।
তব দিঠি কুঞ্চিত,                    রঙ্গদেবী সখী,
তহিঁ বলরাম মুখ চাহ॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”,
১ম খণ্ড, ৩৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাস॥

রাই মুখ-পঙ্কজ, কুসুমে মাজল, বসনহি পুলক আগোর।
নিরমিত সিন্দুর, যতনে নিবারই, নীঝর নয়নক লোর॥
এ সখি চতুর-শিরোমণি কান।
নিমজি উনমজি, আরতি-সায়রে, করল বেশ-নিরমাণ॥
অঞ্জইতে লোচন, দুনয়ান ছল ছল, করল ঘরম-জল চোরি।
কত পরকারহিঁ কাঁপ নিবারল, লিখইতে উচ কুচ জোরি॥
বসন পরাইতে, মুগধল নাগর, থম্বি রহল যব নাহ।
তব্ দিঠি কুঞ্চিত, রঙ্গদেবী সখী, তহিঁ বলরাম-মুখ চাহ॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪২০-পৃষ্ঠায় এই
রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাষ॥

রাই মুখ-পঙ্কজ,                      কুসুমে মাজল,
বসনহি পুলক আগোর।
নিরমিতে সিন্দূর,                  যতনে নিবারই,
নীঝর নয়নক লোর॥
এ সখি, চতুর-শিরোমণি কান।
নিমজি উনমজি,                   আরতি সায়রে,
করল বেশ-নিরমাণ॥
অঞ্জইতে লোচন,                 দুনয়ান ছল ছল,
করল ঘরম-জল চোরি।
কত পরকারহিঁ,                     কাঁপ নিবারল,
লিখইতে উচ কুচ জোরি॥
বসন পরাইতে,                        মুগধল নাগর,
থম্বি রহল যব নাহ।
তব দিঠি কুঞ্চিত,                    রঙ্গদেবী সখী,
তহিঁ বলরাম মুখ চাহ॥

ই পদটি ১৯২২ সলে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী”,
৩৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাস॥

রাই মুখ পঙ্কজ,                      কুসুমে মাজল,
বসনহি পুলক আগোর।
নিরমিত সিন্দূর,                    যতনে নিবারই,
নীঝর নয়ক১ লোর॥
এ সখি, চতুর শিরোমণি কান।
নিমজি উনমজি,                    আরতি সায়রে,
করল বেশ নিরমাণ॥
অঞ্জইতে লোচন,                  দুনয়ান ছল ছল,
করল ঘরম জল চোরি।
কত পরকারহি                       কাঁপ নিবারল,
লিখইতে উচ কুচ জোরি॥
বসন পরাইতে,                        মুগধল নাগর,
থম্বি রহল যব নাহ।
তব দিঠি কুঞ্চিত,                    রঙ্গদেবী সখী,
তঁহি বলরাম মুখ বাহ॥

১ - “নয়ক” শব্দটি “নয়নক” হবে। সম্ভবত মুদ্রণপ্রমাদ।

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”,
৭৫১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

স্বাধীনভর্ত্তৃকা
॥ বিভাস॥

রাই মুখপঙ্কজ                      কুঙ্কুমে মাজল
বসনহি পুলক আগোর।
নিরমিত সিন্দুর                   যতনে নিবারই
নীঝর নয়নক লোর॥
এ সখি চতুর শিরোমণি কান।
নিরমজি উনমজি                 আরতিসায়রে
করল বেশ নিরমাণ॥
অঞ্জইতে লোচন                  দুনয়ন ছল ছল
করল ঘরম জল চোরি।
কত পরকারহিঁ                   কাঁপ নিবারল
লিখইতে উচ কুচ জোরি॥
বসন পরাইতে                        মুগধল নাগর
থম্বি রহল যব নাহ।
তব দিঠি কুঞ্চিত                    রঙ্গদেবি সখি
তহিঁ বলরামমুখ চাহ॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ৯৮-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাষ॥

রাই মুখ-পঙ্কজ                      কুঙ্কুমে মাজল
বসনহিঁ পুলক আগোর।
নিরমিত সিন্দুর                   যতনে নিবারই
নীঝর নয়নক লোর॥
এ সখি চতুর-শিরোমণি কান।
নিরমজি উনমজি                  আরতি-সায়রে
করল বেশ-নিরমাণ॥
অঞ্জইতে লোচন                   দুনয়ন ছল ছল
করল ঘরম-জল চোরি।
কত পরকারহিঁ                      কাঁপ নিবারল
লিখইতে উচ কুচ জোরি॥
বসন পরাইতে,                        মুগধল নাগর
থম্বি রহল যব নাহ।
তব দিঠি কুঞ্চিত,                    রঙ্গদেবী সখী,
তহিঁ বলরাম মুখ চাহ॥

.            ********************************            

.                                                                              
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
বিকসিত কুসুম ঝরই মকরন্দ
ভনিতা বলরাম
কবি বলরাম দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায়
সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ
শাখা-২য় ভাগ, ৩০শ পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৪৯৮-পদসংখ্যা। এই পদটি
কমলাকান্ত দাসের পদরত্নাকর পুথির ৩৯|২৪ সংখ্যক পদ।

॥ পঠমঞ্জরী॥

বিকসিত কুসুম ঝরই মকরন্দ।
সব বন পবন পসারল গন্ধ॥
মধু পিবি ধাবই মধুকর-পুঞ্জ।
গাবই ভ্রমি ভ্রমি কেলি-নিকুঞ্জ॥
কূজই কোকিল মধুকর-নাদ।
শুনি শুনি মনমথ মদ-উনমাদ॥
উয়লহি হিম-কর ঊজোর রাতি।
ঝলকই তরুকুল কিশলয়-পাঁতি॥
দশ দিশ পূরল খগ-গণ-গানে।
বলরাম জানল নিশি-অবসানে॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত , জীবনী ও টীকা সমেত
বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, ১১১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পঠমঞ্জরী॥

বিকসিত কুসুম ঝরই মকরন্দ।
সব বন পবন পসারল গন্ধ॥
মধু পিবি ধাবই মধুকর পুঞ্জ।
গাবই ভ্রমি ভ্রমি কেলি নিকুঞ্জ॥
কূজই কোকিল মধুকর নাদ।
শুনি শুনি মনমথ মদ উনমাদ॥
উয়লহিঁ হিমকর উজোর রাতি।
ঝলকই তরুকুল কিশলয় পাঁতি॥
দশদিশ পূরল খগ-মৃগ গানে।
বলরাম জানল নিশি অবসানে॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পঠমঞ্জরী॥

বিকসিত কুসুম ঝরই মকরন্দ।
সব বন পবন পসারল গন্ধ॥
মধু পিবি ধাবই মধুকর-পুঞ্জ।
গাবই ভ্রমি ভ্রমি কেলি নিকুঞ্জ॥
কূজই কোকিল মধুকরনাদ।
শুনি শুনি মনমথ মদ উনমাদ॥
উয়লহি হিমকর উজোর রাতি।
ঝলকই তরুকুল কিশলয়-পাঁতি॥
দশ দিশ পুরল খগ-মৃগ-গানে।
বলরাম জানল নিশি অবসানে॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”,
৪২০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পঠমঞ্জরী॥

বিকসিত কুসুম ঝরই মকরন্দ।
সব বন পবন পসারল গন্ধ॥
মধু পিবি ধাবই মধুকর-পুঞ্জ।
গাবই ভ্রমি ভ্রমি কেলি-নিকুঞ্জ॥
কূজই কোকিল মধুকর-নাদ।
শুনি শুনি মনমথ-মদ উনমাদ॥
উয়লহিঁ হিম-কর উজোর রাতি।
ঝলকই তরুকুল কিশলয়-পাঁতি॥
দশদিশ পূরল খগ-মৃগ-গানে।
বলরাম জানল নিশি-অবসানে॥

ই পদটি ১৯২২ সলে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,
“কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পঠমঞ্জরী॥

বিকসিত কুসুম ঝরই মকরন্দ।
সব বন পবন পসারল গন্ধ॥
মধু পিবি ধাবই মধুকর পুঞ্জ।
গাবই ভ্রমি কেলি নিকুঞ্জ॥
কূজই কোকিল মধুকর নাদ।
শুনি শুনি মনমথ মদ উনমাদ॥
উয়লহি হিম কর উজোর রাতি।
ঝলকই তরুকুল কিশলয় পাঁতি॥
দশ দিশ পূরল খগ মৃগ গানে।
বলরাম জানল নিশি অবসানে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৫৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

রসালস (প্রকারান্তর)
॥ পঠমঞ্জরী॥

বিকসিত কুসুম ঝরই মকরন্দ।
সব বন পবন পসারল গন্ধ॥
মধু পিবি ধাবই মধুকরপুঞ্জ।
গাবই ভ্রমি ভ্রমি কেলিনিকুঞ্জ॥
হরি হরি সব সখি ঘুমল শয়নে।
অলসভাবে রহু অরুণিত নয়নে॥
কূজই কোকিল মধুকর নাদ।
শুনি শুনি মনমথ মন উনমাদ॥
উয়লহি হিমকর ঊজর রাতি।
ঝলকই তরুকুল কিশলয়-পাঁতি॥
দশ দিশ পূরল খগগণ গানে।
বলরাম জানল নিশি অবসানে॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের
পদাবলী, ১০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ পঠমঞ্জরী॥

বিকসিত কুসুম ঝরই মকরন্দ।
সব বন পবন পসারল গন্ধ॥
মধু পিবি ধাবই মধুকর-পুঞ্জ।
গাবই ভ্রমি ভ্রমি কেলি-নিকুঞ্জ॥
হরি হরি সব সখি ঘুমল শয়নে।
অলসভাবে রহু অরুণিম নয়নে॥
কূজই কোকিল মধুকর-নাদ।
শুনি শুনি মনমথ মদ-উনমাদ॥
উয়লহি হিম-কর ঊজোর রাতি।
ঝলকই তরুকুল কিশলয়-পাঁতি॥
দশ দিশ পূরল খগ-গণ গানে।
বলরাম জানল নিশি-অবসানে॥

.            ********************************            

.                                                                              
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
মধুর সময় রজনী শেষে
ভনিতা বলরাম
কবি বলরাম দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩০শ
পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৪৯৭-পদসংখ্যা। এই পদটি কমলাকান্ত দাসের পদরত্নাকর পুথির
৩৯|২৯ সংখ্যক পদ।

॥ ভৈরবী॥

মধুর সময় রজনি-শেষ
শোহই মধুর-কানন দেশ
গগনে উয়ল মধুর মধুর
.        বিধু নিরমল-কাঁতিয়া।
মধুর মাধবি-কেলি-নিকুঞ্জ
ফুটল মধুর কুসুম-পুঞ্জ
গাবই মধুর ভ্রমরা ভ্রমরী
.        মধুর মধুহি মাতিয়া॥
আজু খেলত আন্দে ভোর
মধুর যুবতি নব কিশোর।
মধুর বরজ-রঙ্গিনী মেলি
করত মধুর রভস-কেলি॥ ধ্রু॥
মধুর পবন বহই মন্দ
কুজয়ে কোকিল মধুর-ছন্দ
মধুর বিহহি শরদ-সুভগ
.        নদহি বিহগ-পাঁতিয়া।
রহই মধুর শারি কীর
পঢ়ই ঐছন অমিয়া-গীর
নটই মধুর মউর মউরী
.        রটই মধুর ভাতিয়া॥
মধুর মিলন খেলন হাস
মধুর মধুর রস-বিলাস
মদন হেরই ধরণী লুঠই
.        বেদন ফুটত ছাতিয়া।
মধুর মধুর চরিত-রীত
বলরাম-চিতে ফুরউ নীত
দুহুঁক মধুর চরণ সেবন
.        ভাবনে জনম যাতিয়া॥

ই পদটি ১৮৮৫ সালে প্রকাশিত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শ্রীশচন্দ্র মজুমদার দ্বারা সম্পাদিত, পদাবলী
সংকলন “পদরত্নাবলী” , ২৪০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভৈরবী॥

মধুর সময় রজনী শেষে
শোহই মধুর কানন দেশে,
গগনে উয়ল মধুর মধুর
.        বিধু নিরমল কাঁতিয়া।
মধুর মাধুরী কেলি নিকুঞ্জ
ফুটল মধুর কুসুম পুঞ্জ
গাবই মধুর ভ্রমরা ভ্রমরী
.        মধুর মধুহি মাতিয়া॥
আজু খেলত আনন্দে ভোর
মধুর যুবতী নব কিশোর
মধুর বরজ রঙ্গিণী মেলি
.        করত মধুর রভস কেলি॥ ধ্রু
মধুর পবন বহই মন্দ
কূজয়ে কোকিল মধুর ছন্দ
মধুর বহসি শরদ সুভগ
.        নদহ বিহগ পাঁতিয়া।
রহই মধুর শারিকীর
পড়ই ঐছন অমিয়া গীর,
নটই মধুর ময়ূর ময়ূরী
.        রটই মধুর ভাঁতিয়া॥
মধুর মিলন খেলন হাস,
মধুর মধুর রস বিলাস,
মদন হেরই ধরণী লুঠই
.        বেদন ফুট ছাতিয়া।
মধুর মধুর চরিত রীত
বলরাম চিতে ফুরও নীত,
দুহুঁক মধুর চরণ সেবন
.        ভাবন জনম জাতিয়া॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম
দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, ১১২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভৈরবী॥

মধুর সময় রজনী শেষে,
শোহই মধুকর কানন দেশে,
গগণে উয়ল মধুর মধুর,
.                বিধু নিরমল কাঁতিয়া।
মধুর মাধুরী কেলি নিকুঞ্জ,
ফুটল মধুর কুসুম পুঞ্জ,
গাবই মধুর ভ্রমরা ভ্রমরী,
.                মধুর মধুহি মাতিয়া॥
আজু খেলত আনন্দে ভোর,
মধুর যুবতী নব কিশোর,
মধুর বরজ রঙ্গিনী মেলি,
.                করত মধুর রভস কেলি॥ ধ্রু।
মধুর পবন বহই মন্দ,
কূজয়ে কোকিল মধুর ছন্দ,
মধুর বিহসি শরদ সুভগ,
.                নদহ বিহগ পাঁতিয়া।
রহই মধুর সারীকীর,
পড়ই ঐছন অমিয়া গীর,
নটই মধুর ময়ূর ময়ূরী,
.                রটই মধুর ভাঁতিয়া॥
মধুর মিলন খেলন হাস,
মধুর মধুর রস বিলাস,
মদন হেরই ধরণী লুটই,
.                বেদন ফুটত ছাতিয়া !
মধুর মধুর চরিত রীত,
বলরাম চিতে ফুরত নিত,
দুহুঁক মধুর চরণ সেবন,
.                ভাবন জনম যাতিয়া॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-
গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভৈরবী॥

মধুর সময় রজনী-শেষে, শোহই মধুর কানন-দেশে, গগণে উয়ল মধুর মধুর বিধূ নিরমল কাঁতিয়া।
মধুর-মাধুরী কেলি-নিকুঞ্জ, ফুটল মধুর কুসুম-পুঞ্জ, গাবই মধুর ভ্রমরা ভ্রমরী, মধুর মধুহিঁ মাতিয়া॥
আজু খেলত আনন্দে ভোর, মধুর যুবতী নব কিশোর, মধুর বরজ-রঙ্গিনী মেলি, করত মধুর রভস-
কেলি॥
মধুর পবন বহই মন্দ, কূজয়ে কোকিল মধুর-ছন্দ, মধুর রসহি শরদ-সুভগ, নদই বিহগ-পাঁতিয়া।
রবই মধুর শারী কীর, পড়ই ঐছন অমিয়া গীর, নটই মধুর ময়ূর ময়ূরী, রটই মধুর ভাতিয়া॥
মধুর মিলন খেলন হাস, মধুর মধুর রস-বিলাস, মদন হেরই ধরণী লুঠই, বেদন ফুট ছাতিয়া॥
মধুর মধুর চরিত রীত, বলরাম-চিতে ফুরত নিত, দুহুঁক মধুর চরণ-সেবন, ভাবন জনম যাতিয়া॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪২০-পৃষ্ঠায়
এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভৈরবী॥

মধুর সময় রজনী-শেষে,
শোহই মধুর কানন-দেশে।
গগণে উয়ল মধুর মধুর,
বিধু নিরমল-কাঁতিয়া॥
মধুর-মাধুরী কেলি-নিকুঞ্জ,
ফুটল মধুর কুসুম-পুঞ্জ।
গাবই মধুর ভ্রমরা ভ্রমরী,
মধুর মধুহিঁ মাতিয়া॥
আজু খেলত আনন্দে ভোর,
মধুর যুবতী নব কিশোর।
মধুর বরজ-রঙ্গিনী মেলি,
করত মধুর রভস-কেলি॥
মধুর পবন বহই মন্দ,
কূজয়ে কোকিল মধুর-ছন্দ।
মধুর রসসি শরদ সুভগ,
নদই বিহগ-পাঁতিয়া।
রবই মধুর সারী কীর,
পড়ই ঐছন অমিয়া-গীর।
নটই মধুর ময়ূর ময়ূরী,
রটই মধুর ভাতিয়া॥
মধুর মিলন খেলন হাস,
মধুর মধুর রস-বিলাস।
মদন হেরই ধরণী লুঠই,
বেদন ফুট ছাতিয়া॥
মধুর মধুর চরিত রীত
বলরাম-চিতে ফুরত নিত।
দুহুঁক মধুর চরণ-সেবন,
ভাবন জনম যাতিয়া॥

ই পদটি ১৯২২ সলে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-
পদাবলী”, ৩৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভৈরবী॥

মধুর সময় রজনী শেষে,
শোহই মধুর কানন দেশে।
গগণে উয়ল মধুর মধুর,
বিধু নিরমল কাঁতিয়া।
মধুর মাধুরী কেলিনিকুঞ্জ,
ফুটল মধুর কুসুম পুঞ্জ।
গাবই মধুর ভ্রমরা ভ্রমরী,
মধুর মধুহিঁ মাতিয়া॥
আজু খেলত আনন্দে ভোর,
মধুর যুবতী নব কিশোর।
মধুর বরজ রঙ্গিনী মেলি,
করত মধুর রভস কেলি॥
মধুর পবন বহই মন্দ,
কূজয়ে কোকিল মধুর ছন্দ।
মধুর রসসি শরদ সুভগ,
নদই বিহগ পাঁতিয়া।
রবই মধুর সারী কীর,
পড়ই ঐছন অমিয়া গীর।
নটই মধুর ময়ূর ময়ূরী,
রটই মধুর ভাতিয়া॥
মধুর মিলন খেলন হাস,
মধুর মধুর রস বিলাস।
মদন হেরই ধরণী লুঠই,
বেদন ফুট ছাতিয়া॥
মধুর মধুর চরিত রীত
বলরাম চিতে ফুরত নিত।
দুহুঁক মধুর চরণ সেবন,
ভাবন জনম যাতিয়া॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৭৫৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

কুঞ্জভঙ্গ
॥ ভৈরবী॥

মধুর সময় রজনিশেষ
শোহই মধুর কাননদেশ
গগনে উয়ল মধুর মধুর
.        বিধু নিরমলকাঁতিয়া।
মধুর মাধ্বী কেলিনিকুঞ্জ
ফুটল মধুর কুসুমপুঞ্জ
গাবই মধুর ভ্রমরা ভ্রমরী
.        মধুর মধুহি মাতিয়া॥
আজু খেলত আনন্দে ভোর
মধুর যুবতি নব কিশোর
মধুর বরজ রঙ্গিনী মেলি
.        করত মধুর রভস কেলি॥ ধ্রু॥
মধুর পবন বহই মন্দ
কূজয়ে কোকিল মধুর ছন্দ
মধুর রসহি শরদ সুভগ
.        নাদই বিহগ পাঁতিয়া।
রবই মধুর শারি কীর
পঢ়ই ঐছন অমিয়া গীর
নটই মধুর মউর মউরী
.        রটই মধুর ভাতিয়া॥
মধুর মিলন খেলন হাস
মধুর মধুর রসবিলাস
মদন হেরই ধরণী লুঠই
.        বেদন ফুটই ছাতিয়া।
মধুর মধুর চরিতরীত
বলরাম চিতে ফুরউ নীত
দুহুঁক মধুর চরণ সেবন
.        ভাবনে জনম যাতিয়া॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ১০১-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভৈরবী॥

মধুর সময় রজনি-শেষ
শোহই মধুর-কানন দেশ
গগনে উয়ল মধুর মধুর
.        বিধু নিরমল-কাঁতিয়া।
মধুর মাধুরী-কেলি-নিকুঞ্জ
ফুটল মধুর কুসুম-পুঞ্জ
গাবই মধুর ভ্রমরা ভ্রমরী
.        মধুর মধুহি মাতিয়া॥
আজু খেলত আনন্দে ভোর
মধুর যুবতি নব কিশোর
মধুর বরজ-রঙ্গিনী মেলি
.        করত মধুর রভস-কেলি॥
মধুর পবন বহই মন্দ
কূজয়ে কোকিল মধুর-ছন্দ
মধুর রসহি শরদ-সুভগ
.        নদহি বিহগ-পাঁতিয়া।
রহই মধুর শারি কীর
পঢ়ই ঐছন অমিয়া-গীর
নটই মধুর মউর মউরী
.        রটই মধুর ভাতিয়া॥
মধুর মিলন খেলন হাস
মধুর মধুর রস-বিলাস
মদন হেরই ধরণী লুঠই
.        বেদন ফুটত ছাতিয়া।
মধুর মধুর চরিত-রীত
বলরাম-চিতে ফুরউ নীত
দুহুঁক মধুর চরণ সেবন
.        ভাবনে জনম যাতিয়া॥

.            ********************************            

.                                                                              
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
জনলি কানু গোপতে পরিহারলি
ভনিতা বলরাম
কবি বলরাম দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩০শ
পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৪৯৬-পদসংখ্যা। এই পদটি কমলাকান্ত দাসের পদরত্নাকর পুথির
৩৯|৩৪ সংখ্যক পদ।

॥ শুভগা॥

জনলি কানু গোপতে পরিহারল
কাতর-লোচন-ওরে।
ললিতা ছল করি রাইক করে ধরি
ডারলি নাহক কোরে॥
হরি হরি সব সহচরিগণ মেলি।
কিশলয়-শয়ন-তলে দুহু বৈঠব
বিলসব রসময় কেলি॥ ধ্রু॥
বুঝিয়া বিশাখা সখি আনন্দে মাতলি
মাঝহি বচন-বেয়াজে।
কর ধরি ধনি-মুখ-বসন উঘাড়ল
চুম্বই নাগর-রাজে॥
চিত্রা বান্ধলি দুহুঁক পটাঞ্চলে
কহলি গেহ চলু বালা।
চলইতে রাই উঠই না পারই
হেরি হাসয়ে সখি-মালা॥
ধনি দিঠে পেরলি জানি সুনাগর
তোড়ল গাঠিক বন্ধ।
কাহুক চুম্ব কাহুক আলিঙ্গই
হেরি বলরাম আনন্দ॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম
দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, ১১৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শুভগ॥

জনলি কানু,                    গোপতে পরিহারলি,
কাতরে লোচনে ওরে।
ললিতা ছল করি,                  রাইক করে ধরি,
ডারল নাহক কোরে॥
হরি হরি সব সহচরীগণ মেলি।
কিশলয় শয়ন,                    তলে দুহুঁ পৈঠব,
বিলসব রসময় কেলি॥ ধ্রু।
বুঝিয়া বিশাখা সখী,                আনন্দে মাতল,
মাঝহি বচন বেয়াজে।
কর ধরি ধনি মুখ,                   বসন উঘাড়ল,
চুম্বই নাগর রাজে॥
চিত্রা বান্ধি,                         দুহুঁক পটাঞ্চলে,
কহলি গেহ চলু বালা
চলইতে রাই,                       উঠই না পারই,
হেরি হাসয়ে সখী মালা
ধনি দিঠে পেরল,                     জানি সুনাগর,
তোড়ল গাঁঠিক বন্ধ।
কাহুক চুম্বই,                          কাহু আলিঙ্গই,
হেরি বলরাম আনন্দ॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-
গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শুভগা॥

জানলি কানু, গোপতে পরিহারলি, কাতর-লোচন-ওরে।
ললিতা ছল করি, রাইক করে ধরি, ডারল নাহক কোরে॥
হরি হরি সব সহচরীগণ মেলি।
কিশলয়-শয়ন, তলে দুহুঁ পৈঠব, বিলসব রসময় কেলি॥
বুঝিয়া বিশাখা সখী, আনন্দে মাতল, মাঝহি বচন-বেয়াজে।
কর ধরি ধনী মুখ, বসন উঘাড়ল, চুম্বই নাগর-রাজে॥
চিত্রা বান্ধি, দুহুঁক পটাঞ্চলে, কহলি গেল চলু বালা।
চলইতে রাই, উঠই না পারই, হেরি হাসয়ে সখী-মালা॥
ধনী দিঠে পেরল, জানি সুনাগর, তোড়ল গাঠিক বন্ধ।
কাহুক চুম্বই, কাহু আলিঙ্গই, হেরি বলরাম আনন্দ॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪১৯-পৃষ্ঠায়
এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শুভগা॥

জানলি কানু,                  গোপতে পরিহারলি
কাতর-লোচন-ওরে।
ললিতা ছল করি,                রাইক করে ধরি,
ডারল নাহক কোরে॥
হরি হরি, সব সহচরীগণ মেলি।
কিশলয়-শয়ন,                   তলে দুহুঁ পৈঠব,
বিলসব রসময় কেলি॥
বুঝিয়া বিশাখা সখী,              আনন্দে মাতল,
মাঝহি বচন-বেয়াজে।
কর ধরি ধনী-মুখ,                  বসন উঘাড়ল,
চুম্বই নাগর-রাজে॥
চিত্রা বান্ধি,                       দুহুঁক পটাঞ্চলে,
কহলি গেহ চলু বালা।
চলইতে রাই,                     উঠই না পারই,
হেরি হাসয়ে সখী-মালা॥
ধনী দিঠে পেরল,                   জানি সুনাগর,
তোড়ল গাঠিক বন্ধ।
কাহুক চুম্বই,                       কাহু আলিঙ্গই,
হেরি বলরাম আনন্দ॥

ই পদটি ১৯২২ সলে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-
পদাবলী”,
৩৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শুভগা॥

জানলি কানু,                  গোপতে পরিহারলি
কাতর-লোচন ওরে।
ললিতা ছল করি,                রাইক করে ধরি,
ডারল নাহক কোরে॥
হরি হরি সব সহচরীগণ মেলি।
কিশলয় শয়ন,                    তলে দুহুঁ পেঠব,
বিলসব রসময় কেলি॥
বুঝিয়া বিশাখা সখী,               আনন্দে মাতল,
মাঝহি বচন-বেয়াজে।
কর ধরি ধনীমুখ,                   বসন উঘাড়ল,
চুম্বই নাগর রাজে॥
চিত্রা বান্ধি,                        দুহুঁক পটাঞ্চলে,
কহলি গেহ চলু বালা।
চলইতে রাই,                      উঠই না পারই,
হেরি হাসয়ে সখী মালা॥
ধনী দিঠে পেরল,                     জানি সুনাগর,
তোড়ল গাঠিক বন্ধ।
কাহুক চুম্বই,                         কাহু আলিঙ্গই,
হেরি বলরাম আনন্দ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৭৫১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

রসালস
॥ শুভগা॥

জানলি কানু গোপতে পরিহারল
কাতর লোচন ওরে।
ললিতা ছল করি রাইক করে ধরি
ডারল নাহক কোরে॥
হরি হরি সব সহচরিগণ মেলি।
কিশলয় শয়নতলে দুহুঁ বৈঠব
বিলসব রসময় কেলি॥
বুঝিয়া বিশাখা সখি আনন্দে মাতলি
মাঝহি বচন বেয়াজে।
কর ধরি ধনি মুখ বসন উঘাড়ল
চুম্বই নাগররাজে॥
চিত্রা বান্ধলি দুহুঁক পটাঞ্চলে
কহলি গেহ চলু বালা।
চলইতে রাই উঠই না পারই
হেরি হাসয়ে সখী-মালা॥
ধনি দিঠি ইঙ্গিত জানি সুনাগর
তোড়ল গাঁঠিক বন্ধ।
কাহুক চুম্বই কাহুক আলিঙ্গই
হেরি বলরাম আনন্দ॥


ই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী,
১০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ শুভগ॥

জনলি কানু গোপতে পরিহারলি
কাতর-লোচন-ওরে।
ললিতা ছল করি রাইক করে ধরি
ডারলি নাহক কোরে॥
হরি হরি সব সহচরিগণ মেলি।
কিশলয়-শয়ন-তলে দুহু বৈঠব
বিলসব রসময় কেলি॥
বুঝিয়া বিশাখা সখী আনন্দে মাতলি
মাঝহি বচন-বেয়াজে।
কর ধরি ধনি-মুখ-বসন উঘাড়ল
চুম্বই নাগর-রাজে॥
চিত্রা বান্ধলি        দুহুঁক পটাঞ্চলে
কহলি গেহ চলু বালা।
চলইতে রাই উঠই না পারই
হেরি হাসয়ে সখি-মালা॥
ধনি দিঠে পেরলি  জানি সুনাগর
তোড়ল গাঠিক বন্ধ।
কাহুক চুম্ব কাহুক আলিঙ্গই
হেরি বলরাম আনন্দ॥

.            ********************************            

.                                                                              
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
সখি হে এ তুয়া কৈছন রীত
ভনিতা বলরাম দাস
কবি বলরাম দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩০শ
পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৪৯৫-পদসংখ্যা। এই পদটি কমলাকান্ত দাসের পদরত্নাকর পুথির
৩৯|৩৩ সংখ্যক পদ।

পুনশ্চ সখ্যুক্তিঃ।
॥ তথা রাগ॥

সখি হে এ তুয়া কৈছন রীত।
তুয়া বচনে ধনি             বেচল নিজ তনু
তুহুঁ পুন কহ বিপরীত॥ ধ্রু॥
স্বামী-বরত ছলে               কাননে আনলি
একলি প্রিয়-সখী মোর।
নলিনি-সুকোমল               দুলহ সুনায়রি
ডারলি মদ-করি-কোর॥
সখি সতি-বরতিনি            নব-কুল-কামিনি
পর-পিয়া স্বপনে না জানি।
এ নব যৌবন                 অমূল রতন-ধন
পর-করে দেয়ল আনি॥
তুয়া রসে রসবতি          ছোড়ল নিজ পতি
গুরুজন-ভীত না মানি।
বলরামদাস-হিয়া            অমিয়া নিসিঞ্চব
চম্পকলতা-সখি-বাণী॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম
দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, রসালস, সখ্যুক্তি, ১১৫-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ললিত॥

সখি হে এ তুয়া কৈছন রীত।
তুয়া বচনে ধনী,                  বেচল নিজ তনু ,
তুহুঁ পুন ভেলি বিপরীত॥ ধ্রু।
স্বামী-বরত ছলে,                   কাননে আনলি,
একলি প্রিয় সখী মোর।
নলিনী সুকোমল,                  দুলহুঁ সুনায়রী,
ডারলি মদ করি কোর॥
সখী, সতী বরতিনি,              নব কুলকামিনী,
পরপ্রিয়া স্বপনে না জানি।
এ নব যৌবন,                   অমূল্য রতন ধন,
পর করে দেয়ল আনি॥
তুয়া রসে রসবতী,             ছোড়ল নিজপতি,
গুরুজন ভীত না মানি।
বলরাম দাস হিয়া,             অমিয়া নিসিঞ্চিষ,
চম্পকলতা সখী বাণী॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রামকেলি॥

সখি হে এ তুয়া কৈছন রীত।
তুয়া বচনে ধনী, বেছল নিজ তনু, তুহুঁ পুন কহ বিপরীত॥
স্বামী-বরত ছলে, কাননে আনিলি, একলি প্রিয়-সখী মোর।
নলিনী সুকোমল, দুলহু সুনায়রী, ডারলি মদ-করি কোর॥
সখী সতী-বরতিনী, নবকুল-কামিনী, পরপ্রিয়া স্বপনে না জানি।
এ নব যৌবন, অমূল্য রতন-ধন, পর-করে দেয়লি আনি॥
তুয়া রসে রসবতী, ছোড়ল নিজ পতি, গুরুজন-ভীত না মানি।
বলরামদাস হিয়া, অমিয়া নিষিঞ্চিব, চম্পকলতা-সখী-বাণী॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪১৯-পৃষ্ঠায়
এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

সখি হে, এ তুয়া কৈছন রীত।
তুয়া বচনে ধনী,              বেচল নিজ তনু,
তুহুঁ পুন কহ বিপরীত॥
স্বামী-বরত ছলে,               কাননে আনলি,
একলি প্রিয়-সখী মোর।
নলিনী-সুকোমল,                দুলহুঁ সুনায়রী,
ডারলি মদ-করি-কোর॥
সখী সতী-বরতিনী,            নব-কুল-কামিনী,
পর-প্রিয়া স্বপনে না জানি।
এ নব যৌবন,                অমূল্য রতন-ধন,
পর-করে দেয়ল আনি॥
তুয়া রসে রসবতী,          ছোড়ল নিজ পতি,
গুরুজন-ভীত না মানি।
বলরামদাস-হিয়া,             অমিয়া নিষিঞ্চব,
চম্পকলতা-সখী-বাণী॥

ই পদটি ১৯২২ সলে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-
পদাবলী”, ৩৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

সখি হে, এ তুয়া কৈছন রীত।
তুয়া বচনে ধনী,                  বেচল নিজ তনু,
তুহুঁ পুন কহ বিপরীত॥
স্বামী-বরত ছলে,                  কাননে আনলি,
একলি প্রিয়সখী মোর।
নলিনীসুকোমল,                   দুলহুঁ সুনায়রী,
ডারলি মদকরিকোর॥
সখী সতী বরতিনি,                নবকুলকামিনী,
পরপ্রিয়া স্বপনে না জানি।
এ নব যৌবন,                    অমূল্য রতনধন,
পরকরে দেয়লি আনি॥
তুয়া রসে রসবতী,            ছোড়ল নিজ পতি,
গুরুজনভীত না মানি।
বলরামদাসহিয়া,               অমিয়া নিসিঞ্চিব,
চম্পকলতা-সখীবাণী॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৭৩৮-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

সখীর প্রতি সখীর উক্তি
॥ রামকেলী॥

সখি হে এ তুয়া কৈছন রীত।
তুয়া বচনে ধনি             বেচল নিজ তনু
তুহুঁ পুন কহ বিপরীত॥
স্বামীবরত ছলে               কাননে আনলি
একলি প্রিয়সখি মোর।
নলিনি সুকোমল               দুলহ সুনায়রি
ডারলি মদকরি-কোর॥
সখি সতি-বরতিনি            নবকুলকামিনি
পরপিয়া স্বপনে না জানি।
এ নব যৌবন                 অমূল রতনধন
পরকরে দেয়লি আনি॥
তুয়া রসে রসবতি          ছোড়ল নিজপতি
গুরুজনভীত না মানি।
বলরামদাসহিয়া            অমিয়া নিসিঞ্চব
চম্পকলতা সখিবাণী॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ৪৩-
পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ললিত॥

সখি হে এ তুয়া কৈছন রীত।
তুয়া বচনে ধনী,             বেচল নিজ তনু
তুহুঁ পুন কহ বিপরীত॥
স্বামী-বরত ছলে               কাননে আনলি
একলি প্রিয়-সখী মোর।
নলিনি-সুকোমল               দুলহ  সুনায়রী
ডারলি মদ-করি-কোর॥
সখি সতি-বরতিনি            নব-কুল-কামিনী
পর-প্রিয়া স্বপনে না জানি।
এ নব যৌবন                 অমূল্য রতন-ধন
পর-করে দেয়ল আনি॥
তুয়া রসে রসবতি          ছোড়ল নিজপতি
গুরুজন-ভীত না মানি।
বলরামদাস-হিয়া            অমিয়া নিসিঞ্চব
চম্পকলতা-সখি-বাণী॥

.            ********************************            

.                                                                              
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
দলিত নলিন সম মলিন বদন ছবি
ভনিতা বলরাম / বলরাম দাস
কবি বলরাম দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩০শ
পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৪৯৪-পদসংখ্যা। এই পদটি কমলাকান্ত দাসের পদরত্নাকর পুথির
৩৯|৩২ সংখ্যক পদ।

॥ তথা রাগ॥

দলিত-নলিন-সম মলিন বদন-ছবি
অধরহি খণ্ড বিখণ্ড।
মীটল উজ্জ্বল চন্দন কজ্জ্বল
মরদল অরকত গণ্ড॥
এ সখি তুহুঁ অতি নিকরুণ-দেহ।
হিয় চক্রী কুচ-ভর দেই মরদলি
শিরিষ-কুসুম-তনু এহ॥ ধ্রু॥
নীল-উতপল-দল       -কোমল উর-থল
ফারলি নখ-শর হানি।
ইথে অতি বেদন মুদি রহু লোচন
কিয়ে ভেল গদ গদ বাণী॥
মনমথ-ভূপতি-ভীত নাহি মানলি
সখিগণ গৌরব ছোড়ি।
চিত্রা-বচনে লাজে ধনী নত-মুখি
হেরি বলরাম দাস সুখে ভোরি॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম
দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, সখ্যুক্তি, ১১৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ললিত॥

দলিত নলিন সম,             মলিন বদন ছবি,
অধরহি খণ্ড বিখণ্ড।
মিটল উজ্জ্বল,                     চন্দন কজ্জ্বল,
মরদল মরকত গণ্ড॥
এ সখি তুহুঁ অতি নিকরুণ দেহ।
হিয় চক্রী কুচ,                 ভর দেই মরদলি,
শিরিষ কুসুম তনু এহ॥ ধ্রু।
নীল উত্পল দল,                 কোমল উরথল,
ফারলি কর নখ হানি।
ইথে অতি বেদন,                মুদি রহু লোচন,
কিয়ে ভেল গদগদ বাণী॥
মনমথ ভূপতি,                ভীত নাহি মানলি,
সখীগণ গৌরব ছোড়ি।
চিত্রা-বচনে লাজে,                  ধনী নত মুখী,
বলরাম দাস সুখে ভোরি॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩৪৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রামকেলি॥

দলিত নলিন-সম, মলিন বদন-ছবি, অধরিহ খণ্ড বিখণ্ড।
মীটল উজ্জ্বল চন্দন কজ্জ্বল, মরদল মরকত গণ্ড॥
এ সখি তুহুঁ অতি নিকরুণ দেহ।
হিয় চক্রী কুচভর, দেই মরদলি, শিরিষ-কুসুম-তনু এহ॥
নীল উতপল-দল, কোমল উর-থল, ফাড়লি নখ-শর হানি।
ইথে অতি বেদন, মুদি রহু লোচন, কিয়ে ভেল গদ গদ বাণী॥
মনমথ-ভূপতি, ভীত নাহি মানলি সখাগণ গৌরব ছোড়ি।
চিত্রা-বচনে লাজে ধনী নত মুখী, হেরি বলরাম সুখে ভোরি॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪১৯-পৃষ্ঠায়
এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

দলিত-নলিন-সম,             মলিন বদন-ছবি,
অধরহি খণ্ড বিখণ্ড।
মীটল উজ্জ্বল,                    চন্দন কজ্জ্বল,
মরদল মরকত গণ্ড॥
এ সখি, তুহুঁ অতি নিকরুণ দেহ।
হিয় চক্রী কুচ-ভর,                দেই মরদলি,
শিরিষ কুসুম তনু এহ॥
নীল-উতপল দল,              কোমল উরু থল,
ফাড়লি কর নখ হানি।
ইথে অতি বেদন,               মুদি রহুঁ লোচন,
কিয়ে ভেল গদ গদ বাণী॥
মনমথ-ভূপতি,                ভীত নাহি মানলি,
সখীগণ গৌরব ছোড়ি।
চিত্রা-বচনে,                লাজে ধনী নত-মুখী,
হেরি বলরাম সুখে ভোরি॥

ই পদটি ১৯২২ সলে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,
“কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩৩৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা-রাগ॥

দলিতনলিনসম,                     মলিন বদনছবি,
অধরহি খণ্ড বিখণ্ড।
মীটল উজ্জ্বল,                          চন্দন কজ্জ্বল,
মরদল মরকত গণ্ড॥
এ সখি তুহুঁ অতি নিকরুণ দেহ।
হিয় চক্রি কুচভর,                      দেই মরদলি,
শিরীষ কুসুম তনু এহ॥
নীলউতপলদল,                     কোমল উরু থল,
ফাড়লি নখ শর হানি।
ইথে অতি বেদন,                   মুদি রহুঁ লোচন,
কিয়ে ভেল গদ গদ বাণী॥
মনমথ ভূপতি,                   ভীত নাহি মানলি,
সখীগণ গৌরব ছোড়ি।
চিত্রা-বচনে,                      লাজে ধনী নতমুখী,
হেরি বলরাম সুখে ভোরি॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৭৩৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধার প্রতি সখীর উক্তি
॥ বিভাস॥

দলিত-নলিন-সম মলিন বদন-ছবি
অধরহি খণ্ড বিখণ্ড।
মীটল উজ্জ্বল  চন্দন কজ্জ্বল
মরদলি অরকত গণ্ড॥
এ সখি তুহুঁ অতি নিকরুণ-দেহ।
হিয় চক্রী কুচ-ভর দেই মরদলি
শিরিষ-কুসুম-তনু এহ॥
নীল-উতপল-দল-কোমল উর-থল
ফারলি নখ-শর হানি।
ইথে অতি বেদন মুদি রহু লোচন
কিয়ে ভেল গদগদ বাণী॥
মনমথ-ভূপতি-ভীত নাহি মানলি
সখিগণ গৌরব ছোড়ি।
চিত্রা-বচনে লাজে ধনী নত-মুখি
হেরি বলরাম দাস সুখে ভোরি॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী,
১০৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বিভাষ॥

দলিত-নলিন-সম  মলিন বদন-ছবি
অধরহি খণ্ড বিখণ্ড।
মীটল উজ্জ্বল  চন্দন কজ্জ্বল
মরদল অরকত গণ্ড॥
এ সখি তুহুঁ অতি নিকরুণ-দেহ।
হিয় চক্রী কুচ-ভর দেই মরদলি
শিরিষ-কুসুম-তনু এহ॥
নীল-উতপল-দল        -কোমল উর-থল
ফারলি নখ-শর হানি।
ইথে অতি বেদন মুদি রহু লোচন
কিয়ে ভেল গদ গদ বাণী॥
মনমথ-ভূপতি-ভীত নাহি মানলি
সখীগণ গৌরব ছোড়ি।
চিত্রা-বচনে লাজে ধনী নত-মুখী
হেরি বলরাম দাস সুখে ভোরি॥

.            ********************************            

.                                                                              
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর
*
অধরহু রদন মদন শর জর জ্বর
ভনিতা বলরাম দাস
কবি বলরাম দাস
আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত
শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩০শ
পল্লব, অষ্টকালীয় নিত্য-লীলা, ২৪৯৩-পদসংখ্যা। এই পদটি কমলাকান্ত দাসের পদরত্নাকর পুথির
৩৯|৩১ সংখ্যক পদ।

॥ তথা রাগ॥

অধরহুঁ রদন মদন শর জরজর
নখর-শকতি হিয়া ফোরি।
কঙ্কণ-খরগহি তোড়ি সবহুঁ তনু
সরবস লেয়লি মোরি॥
শুন সহচরি হেরলু কিয়ে নঠ-চাঁদ।
রস-ঔখদ দেই মোহে সন্তায়বি
পুন দেয়সি পরিবাদ॥ ধ্রু॥
পুন ভুজ-পাশে বান্ধি হিয়ে তাড়লি
দুহুঁ কুচ-পর্ব্বত-ঘাতে।
রতি মতি দূবরি কয়ল কলেবর
ইথে ঘুমলু পরভাতে॥
মূরছলুঁ হেরি তবহুঁ নাহি ছোড়ল
পুছহ মনমথ ঠাম।
কর দেই রাই নাহ-মুখ ঝাঁপল
হেরব কব বলরাম॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম
দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, শ্রীকৃষ্ণের উক্তি, ১১৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ললিত॥

অধরহু বদন,                      মদন শর জর জ্বর,
নখর শকতি হিয়া ফোরি।
কঙ্কণ করগহি,                      তোড়ি সবহুঁ তনু,
সরবস লেয়লি মোরি॥
শুন সহচরি হেরিনু কিয়ে নটচান্দ।
রস ঔখদ দেহ,                        মোহে সন্তায়বি,
পুন দেয়সি পরিবাদ॥ ধ্রু।
পুন ভুজপাশে,                    বান্ধি হিয়ে তাড়লি,
দুহুঁ কুচ পর্ব্বত ঘাতে।
রতি মতি দূবরি,                      কয়ল কলেবর
ইথে ঘুমলু পরভাতে॥
মরুছল হেরি,                     তবহুঁ নাহি ছোড়ল
পুছহ মনমথ ঠাম।
কর দেই রাই,                        নাহ মুখ ঝাপল,
হেরব কব বলরাম॥

ই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন
“সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩৪৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রামকেলি॥

অধরহুঁ রদন, মদন-শর জর জর, নখরশকতি হিয়া ফোড়ি।
কঙ্কণ খড়গহি, তোড়ি সবহুঁ তনু, সরবস লেয়লি মোরি॥
শুন সহচরি হেরিনু কিয়ে নট-চাঁদ।
রস-ঔখদ দেই, মোহে শান্তায়বি, পুন দেয়সি পরিবাদ॥
পুন ভুজ-পাশে, বান্ধি হিয়ে তাড়লি, দুহুঁ কুচ-পর্ব্বত ঘাতে।
রতি-মতি দূর, বিকল এ কলেবর, ইথে ঘুমলু পরভাতে॥
মুরছলু হেরি, তবহুঁ নাহি ছোড়ল, পুছহ মনেরমা ঠাম।
কর দেই রাই, নাহ মুখ ঝাঁপল হেরব কব বলরাম॥

ই পদটি ১৯০৫ সালে দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪১৯-পৃষ্ঠায়
এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা রাগ॥

অধরহুঁ রদন,                      মদন-শর জর জর,
নখর-শকতি হিয়া ফোড়ি।
কঙ্কণ-খড়গহি                       তোড়ি সবহুঁ তনু,
সরবস লেয়লি মোরি॥
শুন সহচরি, হেরিনু কিয়ে নট-চাঁদ।
রস ঔখদ দেই,                      মোহে শান্তায়বি,
পুন দেয়সি পরিবাদ॥
পুন ভুজ-পাশে,                    বান্ধি হিয়ে তাড়সি,
দুহুঁ কুচ-পর্ব্বত-ঘাতে।
রতি-মতি দূর,                     বিকল এ কলেবর,
@@@@ পরভাতে॥
মুরছলু হেরি,                      তবহুঁ নাহি ছোড়ল,
পুছহ মনরমা ঠাম।
কর দেই রাই,                        নাহ মুখ ঝাপল,
হেরব কব বলরাম॥

@ - অপাঠ্য অক্ষর।

ই পদটি ১৯২২ সলে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-
পদাবলী”, ৩৩৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ তথা-রাগ॥

অধরহুঁ রদন,                      মদনশর জর জর,
নখর শকতি হিয়া ফোরি।
কঙ্কণ খরগহি,                      তোড়ি সবহুঁ তনু,
সরবস লেয়লি মোরি॥
শুন সহচরি হেরিনু কিয়ে নটচাঁদ।
রস ঔখদ দেই,                      মোহে শান্তায়বি,
পুন দেয়সি পরিবাদ॥
পুন ভুজপাশে,                     বান্ধি হিয়ে তাড়সি,
দুহুঁ কুচ-পর্ব্বত-ঘাতে।
রতি মতি দূর,                     বিকল এ কলেবর,
ইথে ঘুমলু পরভাতে॥
মূরুছলু হেরি,                    তবহুঁ নাহি ছোড়ল,
পুছহ মনোরমা ঠাম।
কর দেই রাই,                         নাহ মুখ ঝাপল,
হেরব কব বলরাম॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ৭৩৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধার প্রতি শ্রীকৃষ্ণের উক্তি
॥ ললিত॥

অধরহুঁ রোদন মদন-শর জরজর
নখর শকতি হিয়া ফোরি।
কঙ্কণ খরগহি তোড়ি সবহুঁ তনু
সরবস লেয়লি মোরি॥
শুন সহচরি হেরলুঁ কিয়ে নটচাঁদ।
রস ঔখদ দেই মোহে সন্তায়বি
পুন দেয়সি পরিবাদ॥
পুন ভুজপাশে বান্ধি হিয়ে তাড়লি
দুহু কুচপর্ব্বত ঘাতে।
রতি অতি দূবরি কয়ল কলেবর
ইথে ঘুমলুঁ পরভাতে॥
মূরছলুঁ হেরি তবহুঁ নাহি ছোড়লি
পুছহ মনমথ ঠাম।
কর দেই রাই নাহ-মুখ ঝাঁপল
হেরব কব বলরাম॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী,
১০৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ললিত॥

অধরহুঁ রোদন মদন-শর জরজর
নখর-শকতি হিয়া ফোরি।
কঙ্কণ-খরগহি তোড়ি সবহুঁ তনু
সরবস লেয়লি মোরি॥
শুন সহচরি হেরলু কিয়ে নঠ-চাঁদ
রস-ঔখদ দেই মোহে সন্তায়বি
পুন দেয়সি পরিবাদ॥
পুন ভুজ-পাশে বান্ধি হিয়ে তাড়লি
দুহুঁ কুচ-পর্ব্বত-ঘাতে।
রতি মতি দূবরি কয়ল কলেবর
ইথে ঘুমলু পরভাতে॥
মূরছলুঁ হেরি তবহুঁ নাহি ছোড়ল
পুছহ মনমথ ঠাম।
কর দেই রাই নাহ-মুখ ঝাঁপল
হেরব কব বলরাম॥

.            ********************************            

.                                                                              
সূচীতে . . .   


মিলনসাগর