| কবি বলরাম দাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী |
| তোমরা কে বট ধনি পরিচয় দেহ আগে জানি ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, নৌকা-বিলাস, ১৩৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ তোমরা কে বট ধনি পরিচয় দেহ আগে জানি। এ হেন বিনোদ সাজে, কোথা যাবে কোন কাজে, বল বল বলগো তা শুনি॥ কমল বদন খানি, চরণ কমল জিনি, কমল লোচনী কমলিনী। জীবনে যৌবন ভরা, তাহে মাথে পসরা, হাঁটিয়া এসেছ ধন্য মানি॥ এনা বেশে কিবা আশে, যাইবা কাহার বাসে, বিজয় করিয়া বিনোদিনি। মোর ভাগ্যে হেন হবে, নায়ে পদ পরশিবে, বিশ্রাম করিবা ধনি তুমি॥ তোমরা ডাকিছ সুখে, তরণী পড়েছে পাকে, আপনা সারিয়া পাছে আনি। সুপ্রভাত হইল নিশি, দিবসে উদয় শশী, বলরাম দাসে কহে বাণী॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৫০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। নৌকাবিলাস শ্রীকৃষ্ণের উক্তি ॥ কামোদ॥ তোমরা কে বট ধনি পরিচয় দেহ আগে জানি। এ হেন বিনোদ সাজে কোথা যাবে কোন কাজে বল বল বলগো তা শুনি॥ কমল বদনখানি চরণ কমল জিনি কমল লোচনী কমলিনী। জীবন যৌবন ভরা তাহে মাথে পসরা হাঁটিয়া এসেছ ধন্য মানি॥ এনা বেশে কিবা আশে যাইবা কাহার বাসে বিজয় করিয়া বিনোদিনি। মোর ভাগ্যে হেন হবে নায়ে পদ পরশিবে বিশ্রাম করিবা তুমি ধনি॥ তোমরা ডাকিছ সুখে তরণী পড়েছে পাকে আপনা সারিয়া পাছে আনি। সুপ্রভাত হইল নিশি দিবসে উদয় শশী বলরাম দাসে কহে বাণী॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ১১৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ তোমরা কে বট ধনি পরিচয় দেহ আগে জানি। এ হেন বিনোদ সাজে কোথা যাবে কোন কাজে বল বল বলগো তা শুনি॥ কমল বদনখানি চরণ কমল জিনি কমল লোচনী কমলিনি। জীবনে যৌবন ভরা তাহে মাথে পসরা হাঁটিয়া এসেছ ধন্য মানি॥ এনা বেশে কিবা আশে যাইবা কাহার বাসে বিজয় করিয়া বিনোদিনি। মোর ভাগ্যে হেন হবে নায়ে পদ পরশিবে বিশ্রাম করিবা ধনি তুমি॥ তোমরা ডাকিছ সুখ তরণী পড়েছে পাকে আপনা সারিয়া পাছে আনি। সুপ্রভাত হইল নিশি,দিবসে উদয় শশী, বলরাম দাসে কহে বাণী॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| ওহে আমরা এসেছি না জানিয়ে ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, নৌকা বিলাস, ১৩৫-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বড়ারী॥ ওহে আমরা এসেছি না জানিয়ে। কথায় বুঝিলাম মোরা, তরণী করিয়া ভারা, আইলা নবীন নেয়া হোয়ে॥ কড়ি দিয়া পার হব, ভাঙ্গা নায়ে না চড়িব, নৌতুন আনগা গড়াইয়া। তরণী নৌতুন নয়, নানা ছলে কথা কয়, হাসি হাসি মুখানি ঝাঁপিয়া॥ কালিন্দীর কাল জল, মুখ পদ্ম শত দল, মেঘের আড়েতে যেন শশী। হাসিতে বিজুরী খেলে, বচন কহিবার কালে, অমিয়া বরিখে রাশি রাশি॥ নয়ানে নয়ান বাণ, করে দোঁহ সন্ধান, দোঁহ বাণে দোঁহ জর জর। উথলিল প্রেম সিন্ধু, চকোর পাইল ইন্দু, দোঁহ প্রেমে দোঁহ গরগর॥ দিব কি রূপের সীমা, নাহি দেখি উপমা, সে আনন্দের নাহিক উপনা। বলরাম দাসে কয়, কিবা সে আনন্দময়, ভাগ্যবতী কালিন্দী যমুনা॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৫০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। নৌকাবিলাস শ্রীরাধার উক্তি ॥ বড়ারী॥ ওহে আমরা এসেছি না জানিয়া। কথায় বুঝিলাম মোরা তরণী করিয়া ভাড়া আইলা নবীন নেয়া হইয়া॥ কড়ি দিয়া পার হব ভাঙ্গা নায়ে না চড়িব নৌতুন আনগা গড়াইয়া। তরণী নৌতুন নয় নানা ছলে কথা কয় হাসি হাসি মুখানি ঝাঁপিয়া॥ কালিন্দীর কাল জল মুখ পদ্ম শত দল মেঘের আড়েতে যেন শশী। হাসিতে বিজুরী খেলে বচন কহিবার কালে অমিয়া বরিখে রাশি রাশি॥ নয়ানে নয়ান বাণ করে দোঁহ সন্ধান দোঁহ বাণে দোঁহ জরজর। উথলিল প্রেম সিন্ধু চকোর পাইল ইন্দু দোঁহ প্রেমে দোঁহ গরগর॥ দিব কি রূপের সীমা নাহি দেখি উপমা সে আনন্দের নাহিক তুলনা। বলরাম দাসে কয় কিবা সে আনন্দময় ভাগ্যবতী কালিন্দী যমুনা॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ১১৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বড়ারী॥ ওহে আমরা এসেছি না জানিয়ে। কথায় বুঝিলাম মোরা তরণী করিয়া ভারা আইলা নবীন নেয়া হোয়ে॥ কড়ি দিয়া পার হব ভাঙ্গা নায়ে না চড়িব নৌতুন আনগা গড়াইয়া। তরণী নৌতুন নয় নানা ছলে কথা কয় হাসি হাসি মুখানি ঝাঁপিয়া॥ কালিন্দীর কাল জল মুখ পদ্ম শত দল মেঘের আড়েতে যেন শশী। হাসিতে বিজুরী খেলে বচন কহিবার কালে অমিয়া বরিখে রাশি রাশি॥ নয়ানে নয়ান বাণ করে দোঁহ সন্ধান দোঁহ বাণে দোঁহ জরজর। উথলিল প্রেম সিন্ধু চকোর পাইল ইন্দু দোঁহ প্রেমে দোঁহ গরগর॥ দিব কি রূপের সীমা নাহি দেখি উপমা সে আনন্দের নাহিক উপমা। বলরাম দাসে কয় কিবা সে আনন্দময় ভাগ্যবতী কালিন্দী যমুনা॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| চলে বৃষভানুর নন্দিনী ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, দান-লীলা, ১৩৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ চলে বৃষভানুর নন্দিনী। আনন্দে পূরল চিত, অঙ্গ ভেল পুলকিত, শুনিয়া গোবিন্দ পথে দানী॥ ধ্রু। সুবর্ণের ভাণ্ড প্রতি, ঘৃত ঘোল ছেনা দধি, পসরা সাজায়ে সারি সারি। তাহার উপরে ভালি, বিচিত্র নেতের ফালি, দাসী শিরে করে ঝলমলি॥ রঙ্গিয়া বড়াই সঙ্গে, যায় নানা রস রঙ্গে, মত্ত গতি জিনিয়া করিণী। বায়ু বেগে চলি যায়, বসন উড়য়ে গায়, হংস গমন ধনী জিনি॥ লোটন লোটায় পিঠে, কাঁকালি লুকায় মুঠে, নবীন কিশোরী রাই তনু। নীল উড়নি তায়, শোভে ভাল হেম গায়, নিতম্বে সোণার রুণু ঝুনু॥ মুখে চুয়াইছে ঘাম, জিনি মুকুতার দাম, হেন বুঝি কুমুদের সখা। শীতল তরুর ছায়, রহিয়া রহিয়া যায়, কদম তলায় আসি দিল দেখা॥ নাগর আছিল কতি, দেখিয়া সে রসবতী, দান ছলে মিলিল আসি। বলরাম দাসে কয়, হইল আনন্দময়, যেমন চকোরে মিলে শশী॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ১২৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কামোদ॥ চলে বৃষভানুর নন্দিনী। আনন্দে পূরল চিত অঙ্গ ভেল পুলকিত শুনিয়া গোবিন্দ পথে দানী॥ সুবর্ণের ভাণ্ড প্রতি ঘৃত ঘোল ছেনা দধি পসরা সাজায়ে সারি সারি। তাহার উপরে ভালি বিচিত্র নেতের ফালি দাসী শিরে করে ঝলমলি॥ রঙ্গিয়া বড়াই সঙ্গে যায় নানা রস রঙ্গে মত্ত গতি জিনিয়া করিণী। বায়ু বেগে চলি যায় বসন উড়য়ে গায় হংস গমন ধনী জিনি॥ লোটন লোটায় পিঠে কাঁকালি লুকায় মুঠে নবীন কিশোরী রাই তনু। নীল উড়নি তায় শোভে ভাল হেম গায় নিতম্বে সোণার রুণুঝুনু॥ মুখে চুয়াইছে ঘাম জিনি মুকুতার দাম হেন বুঝি কুমুদের সখা। শীতল তরুর ছায় রহিয়া রহিয়া যায় কদম তলায় আসি দিল দেখা॥ নাগর আছিল কতি দেখিয়া সে রসবতী দান ছলে মিলিল আসি। বলরাম দাসে কয় হইল আনন্দময় যেমন চকোরে মিলে শশী॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| ওহে কানাই তিলেক নাহিক তোমার লাজ ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, দান-লীলা, ১৪০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বরাড়ী॥ ওহে কানাই তিলেক নাহিক তোমার লাজ। বিষয় কে দিল পথে, ঠেকেছে রাধার হাতে, অলপে সে না আসিবে কাজ॥ ধ্রু। দ্বিভুজে মুরলী ধর, বাঁশীতে সন্ধান পূর, বুকে হান মনমথ বাণ। রমণী মণ্ডলী করি, আভরণ লব কাড়ি, ভাল মতে সাধাইব দান॥ কুবোল বলহ যদি, মাথায় ঢালিব দধি, বসিতে না দিব তরুতলে। কাড়ি লব পীতধড়া, এউলায়ে ফেলিব চূড়া, বাঁশীটি ভাসায়ে দিব জলে॥ শকট পড়িল পায়, ভাঙ্গিলা পায়ের ঘায়, পুতনা বধেছ শিশুকালে। বত্সাসুরে বধে যে, তাহারে পরশে কে, তাহা মোরা জানি ভালে ভালে॥ একুই নগরে ঘর, দেখা শুনা আট পর, বুঝাইব আঁখি ঠারাঠারি। বলরাম দাসে কয়, এ কথা অন্যথা হয়, তবে জেন আয়ানের নারী॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ১২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বরাড়ী॥ ওহে কানাই তিলেক নাহিক তোমার লাজ। বিষয় কে দিল পথে ঠেকেছে রাধার হাতে অলপে সে না আসিবে কাজ॥ দ্বিভুজে মুরলী ধর বাঁশীতে সন্ধান পূর বুকে হান মনমথ বাণ। রমণী মণ্ডলী করি আভরণ লব কাড়ি ভাল মতে সাধাইব দান॥ কুবোল বলহ যদি মাথায় ঢালিব দধি বসিতে না দিব তরুতলে। কাড়ি লব পীতধড়া আউলায়ে ফেলিব চূড়া বাঁশীটি ভাসায়ে দিব জলে॥ শকট পড়িল পায় ভাঙ্গিলা পায়ের ঘায় পুতনা বধেছ শিশুকালে। বত্সাসুরে বধে যে তাহারে পরশে কে তাহা মোরা জানি ভালে ভালে॥ একুই নগরে ঘর দেখা শুনা আট পর বুঝাইব আঁখি ঠারাঠারি। বলরাম দাসে কয় এ কথা অন্যথা হয় তবে জেন আয়ানের নারী॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কানু কহে ওহে ধনী শুন বিনোদিনি ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, দান-লীলা, ১৪১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ভাটিয়ারী॥ কানু কহে ধনী, শুন বিনোদিনি, কালিয় বরণ আমি। মোরে পরশিয়া, গৌর করহ, কেমন রূপসী তুমি॥ যাহার যেমন, বিধির করণ, সকল সমান নয়। রূপের গরিমা কি কাজ কিশোরী, দেহ দান যেবা হয়॥ আহীরের নারী, না কর চাতুরী, অনেক জানহ ছলা। মোরে লাজ বাস, দেখিয়ে যে হাস, ধরিয়ে সখীর গলা॥ রাজারে দিয়াছি কর, সুধু ঘাট নহে মোর, কিসের গরিমে কর তুমি। বলরাম দাসে কয়, উচিত গণ্ডা যেবা হয়, না দিলেও যাইতে পার তুমি॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৪৯-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। দানলীলা শ্রীকৃষ্ণের উক্তি ॥ ভাটিয়ারী॥ কানু কহে ধনী শুন বিনোদিনি কালিয়া বরণ আমি। মোরে পরশিয়া গৌর করহ কেমন রূপসী তুমি॥ যাহার যেমন বিধির করণ সকলে সমান নয়। রূপের গরিমা কি কাজ কিশোরী দেহ দান যেবা হয়॥ আহীরের নারী না কর চাতুরী অনেক জানহ ছলা। মোরে লাজ বাস দেখিয়ে যে হাস ধরিয়া সখীর গলা॥ দেহ রাজকর এই ঘাট মোর মিছা না বলিয়ে আমি। বলরাম কয় উচিত যে হয় দিয়া যেতে পার তুমি॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ১২০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ভাটিয়ারী॥ কানু কহে ধনী শুন বিনোদিনি কালিয়া বরণ আমি। মোরে পরশিয়া গৌর করহ কেমন রূপসী তুমি॥ যাহার যেমন বিধির করণ সকল সমান নয়। রূপের গরিমা কি কাজ কিশোরী দেহ দান যেবা হয়॥ আহীরের নারী না কর চাতুরী অনেক জানহ ছলা। মোরে লাজ বাস দেখিয়ে যে হাস ধরিয়ে সখীর গলা॥ রাজারে দিয়াছি কর সুধু ঘাট নহে মোর কিসের গরিমে কর তুমি। বলরাম দাসে কয় উচিত গণ্ডা যেবা হয় না দিলেও যাইতে পার তুমি॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |