| কবি বলরাম দাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী |
| বঁধূহে শুনইতে কাঁপই দেহা ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, ২০১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ বঁধূহে শুনইতে কাঁপই দেহা। তুহুঁ ব্রজ জীবন, তুয়া বিনু কৈছন, ব্রজ পুর বান্ধব থেহা॥ জল বিনু মীন, ফণি মণি বিনু, তেজয়ে আপন পরাণ। তিল আধ তুহারি, দরশ বিনু তৈছন, ব্রজপুর গতি তুহুঁ জান॥ সকল সমাধি, কোন বিধি সাধবি, পাওবি কোনহি সুখ। কিয়ে আন জন, তুয়া মরমহি জানব, ইথে লাগি বিদরয়ে বুক॥ বৃন্দাবন কুঞ্জ, নিকুঞ্জহি নিবসবি, তুহুঁ বর নাগর কান। অহ নিশি তুহারি, দরশ বিনু ঝুরব, তেজব সবহুঁ পরাণ॥ অগ্রজ সঙ্গে, রঙ্গে যমুনা তটে, সখা সঙে করবি বিলাস। পরিহরি মুঝে কিয়ে, প্রেম পরকাশবি, না বুঝয়ে বলরাম দাস॥ এই পদটি জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ১৯৩৪ (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), ১ম তরঙ্গ, ১ম উচ্ছাস, ১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। বঁধু হে শুনইতে কাঁপই দেহা। তুহুঁ ব্রজজীবন তুয়া বিনু কৈছন ব্রজপুর বাঁধব থেহা॥ জল বিনু মীন ফণী মণি বিনু তেজয়ে আপন পরাণ। তিল আধ তুহারি দরশ বিনু তৈছন ব্রজপুর গতি তুহুঁ জান॥ সকল সমাধি কোন বিধি সাধবি পাওবি কোনহি সুখ। কিয়ে আন জন তুয়া মরমহি জানব ইথে লাগি বিদরয়ে বুক॥ বৃন্দাবন কুঞ্জ নিকুঞ্জহি নিবসয়ি তুহুঁ বর নাগর কান। অহনিশি তুহারি দরশ বিনু ঝুরব তেজব সবহুঁ পরাণ॥ অগ্রজ সঙ্গে রঙ্গে যমুনা তটে সখা সঞে করবি বিলাস। পরিহরি মুঝে কিয়ে প্রেম প্রকাশবি না বুঝয়ে বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত, ব্রজমোহন দাস সংকলিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব সেবা আরতি ও কীর্ত্তন পদাবলী ও নিত্যক্রিয়া পদ্ধতি”, ৫০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। বঁধুহে শুনইতে কাঁপই দেহা। তুহুঁ ব্রজ জীবন, তুয়া বিনু কৈছন, ব্রজপুর বান্ধব থেহা॥ জল বিনু মীন, ফণি যৈছে মণি বিনু, তেজয়ে আপন পরাণ। তিল আধ তুঁহারি, দরশ বিনু তৈছন, ব্রজপুর গতি তুঁহু জান॥ সকল সমাধি, কোন সিধি সাধবি, পায়বি কোনহি সুখ। কিয়ে আন জন তুয়া, মরাহি জানব, ইথে লাগি বিদরয়ে বুক॥ বৃন্দাবন কুঞ্জ, নিকুঞ্জহি নিবসহ, তুহুঁ বর নাগর কাণ। অহনিশি তোঁহারি, দরশ বিনু ঝুরব, তেজব সবহুঁ পরাণ॥ অগ্রজ সঙ্গে, রঙ্গে যমুনা তটে, সখা সঙে করবি বিলাস। পরিহরি মুঝে কিয়ে, প্রেম পরকাশবি, না বুঝয়ে বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯৩৩সালে (১৩৪০ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত শ্রীনবদ্বীপচন্দ্র ঘোষ সঙ্কলিত ও সম্পাদিত শ্রীশ্রীগৌরপদরত্নমালা, ৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ সুহই-ছোট দশকুশী॥ বঁধু হে শুনইতে কাঁপই দেহা। তুহুঁ ব্রজজীবন, তুয়া বিনু কৈছন, ব্রজ পুর বাঁধব থেহা॥ জল বিনু মীন, ফণি মণি বিনু, তেজয়ে আপন পরাণ। তিল আধ তুহারি, দরশ বিনু তৈছন, ব্রজপুরগতি তুহুঁ জান॥ সকল সমাধি, কোন বিধি সাধবি, পাওবি কোন হি সুখ। কিয়ে আনজন তুয়া মরমহি জানব, ইথে লাগি বিদরয়ে বুক॥ বৃন্দাবনকুঞ্জ, নিকুঞ্জহি নিবসয়ি, তুহুঁ বর নাগর কান। অহর্নিশি তুহারি, দরশ বিনু ঝুরব, তেজব সবহুঁ পরাণ॥ অগ্রজ সঙ্গে রঙ্গে যমুনা তটে সখা সঞে করবি বিলাস। পরিহরি মুঝে কিয়ে, প্রেম প্রকাশবি, না বুঝয়ে বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৬০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীরাধার উক্তি ॥ শ্রীরাগ॥ বঁধূহে শুনইতে কাঁপই দেহা। তুহুঁ ব্রজ জীবন তুয়া বিনু কৈছন ব্রজপুর বান্ধব থেহা॥ জল বিনু মীন ফণি মণি বিনু তেজয়ে আপন পরাণ। তিল আধ তুহারি দরশ বিনু তৈছন ব্রজপুর গতি তুহুঁ জান॥ সকল সমাধি কোন বিধি সাধবি পাওবি কোনহি সুখ। কিয়ে আন জন তুয়া মরমহি জানব ইথে লাগি বিদরয়ে বুক॥ বৃন্দাবন কুঞ্জ নিকুঞ্জহি নিবসবি তুহুঁ বর নাগর কান। অহ নিশি তুহারি দরশ বিনু ঝুরব তেজব সবহুঁ পরাণ॥ অগ্রজ সঙ্গে রঙ্গে যমুনা তটে সখা সঙে করবি বিলাস। পরিহরি মুঝে কিয়ে প্রেম পরকাশবি না বুঝয়ে বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ১৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ শ্রীরাগ॥ বঁধূহে শুনইতে কাঁপই দেহা। তুহুঁ ব্রজ জীবন তুয়া বিনু কৈছন ব্রজ পুর বান্ধব থেহা॥ জল বিনু মীন ফণি মণি বিনু তেজয়ে আপন পরাণ। তিল আধ তুহারি দরশ বিনু তৈছন ব্রজপুর গতি তুহুঁ জান॥ সকল সমাধি কোন বিধি সাধবি পাওবি কোনহি সুখ। কিয়ে আন জন তুয়া মরমহি জানব ইথে লাগি বিদরয়ে বুক॥ বৃন্দাবন কুঞ্জ নিকুঞ্জহি নিবসবি তুহুঁ বর নাগর কান। অহ নিশি তুহারি দরশ বিনু ঝুবব তেজব সবহুঁ পরাণ॥ অগ্রজ সঙ্গে রঙ্গে যমুনা তটে সখা সঙে করবি বিলাস। পরিহরি মুঝে কিয়ে প্রেম পরকাশবি না বুঝয়ে বলরাম দাস॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| বিপরীত অম্বর পালটি পিন্ধায়ব ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, ৩০৭৫ পদসংখ্যা। এই পদটি নিমানন্দ দাসের পদরসসার পুথির ২৫৭৮ ও কমলাকান্ত দাসের ৩৯|৩৯ সংখ্যক পদ। ॥ কেদার॥ বিপরিত অম্বর পালটি পিব্ধায়ব বান্ধব কুন্তল-ভার। গাঁথি দুহুঁক হিয়ে পুন পহিরায়ব টূটল মোতিম-হার॥ হরি হরি কব নব-পল্লব-শয়নে। রতি-রণ-ছরমে ঘরমে দুহুঁ বৈঠব বীজব কিশলয় বিজনে॥ ধ্রু॥ লোচন-খঞ্জন কাজরে রঞ্জব নব-কুবলয় দুই কাণে। সিন্দুর চন্দনে তিলক বনায়ব অলক করব নিরমাণে॥ দুহুঁ-মুখ-জ্যোতি মুকুর দরশায়ব দেয়ব সুকপুর পাণে। বলরাম দাসক চির-দুখ মীটব কব দুহুঁ হেরব নয়ানে॥ এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, ২০৮-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কেদার॥ বিপরীত অম্বর, পালটি পিব্ধায়ব, বান্ধব কুন্তল ভার। গাঁথি দুহুঁক হিয়ে, পুন পহিরায়ব, টুটল মোতিম হার॥ হরি হরি কব নব পল্লব শয়নে। রতি রণ ছরমে, ঘরমে দুহুঁ বৈঠব, বীজব কিশলয় বিজনে॥ লোচন খঞ্জন, কাজরে রঞ্জব, নব কুবলয় দুই কাণে। সিন্দুর চন্দনে, তিলক বনায়ব, অলকা করব নিরমাণে॥ দুহুঁ মুখ জ্যোতি, মুকুর দরশায়ব, দেয়ব সুকর্পূর পানে। বলরাম দাসক, চির দুখ মিটব, দুহুঁ হেরব নয়ানে॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩৪৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কেদার॥ বিপরীত অম্বর, পালটি পিব্ধায়ব, বান্ধব কুন্তল-ভার। গাঁথি দুহুঁক হিয়ে, পুন পহিরায়ব, টুটল মোতিম-হার॥ হরি হরি কব নব-পল্লব-শয়নে। রতি-রণ-ছরমে, ঘরমে দুহুঁ বৈঠব, বীজব কিশলয়-বিজনে॥ লোচন-খঞ্জন, কাজরে রঞ্জব, নব-কুবলয় দুই কাণে। সিন্দূর চন্দনে, তিলক বনায়ব, অলক করব নিরমাণে॥ দুহু মুখজ্যোতি, মুকুর দরশায়ব, দেয়ব সুকপূর পানে। বলরামদাসক, চির-দুখ মিটব, দুহুঁ হেরব নয়ানে॥ এই পদটি জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ১৯৩৪ (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), পরিশিষিট, প্রথম, ৩৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কেদার॥ বিপরীত অম্বর পালটী পিধাঁয়ব বাঁধব কুন্তল ভার। গাঁথি দুহুঁক হিয়ে পুনঃ পহিরায়ব টুটল মোতিহার॥ হরি হরি কব নবপল্লবশয়নে। রতিরস-ছরমে ঘরমে দুহুঁ বৈঠব কিশলয় বিজনে॥ ধ্রু॥ লোচন খঞ্জন কাঁজরে রঞ্জব নবকুবলয় দুই কানে। সিন্দূর চন্দনে তিলক বনায়ব অলকা করব নিরমাণে॥ দুহুঁ মুখজ্যোতি মুকুরে দরশায়ব দেয়ব সুকর্পূর পানে। বলরামদাসক চিরদুঃখ মিটায়ব দুহুঁ হেরব নয়ানে॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪০২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কেদার॥ বিপরীত অম্বর, পালটী পিন্ধায়ব, বান্ধব কুন্তল-ভার। গাঁথি দুহুঁক হিয়ে, পুন পহিরায়ব, টুটল মোতিম-হার॥ হরি হরি কব নব-পল্লব-শয়নে। রতি-রণ-ছরমে ঘরমে দুহুঁ বৈঠব, বীজন কিশলয়-বীজনে॥ লোচন-খঞ্জন, কাজরে রঞ্জন, নব-কুবলয় দুই কাণে। সিন্দূর চন্দনে, তিলক বনায়ব, অলক করব নিরমাণে॥ দুহুঁ-মুখ-জ্যোতি, মুকুর দরশায়ব, দেয়ব সুকর্পূর পানে। বলরাম দাসক, চির-দুখ মিটব, দুহুঁ হেরব নয়ানে॥ এই পদটি ১৯২২ সলে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩১২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কেদার॥ বিপরীত অম্বর, পালটি পিন্ধায়ব, বান্ধব কুন্তল-ভার। গাঁথি দুহুঁক হিয়ে, পুন পহিরায়ব, টুটল মোতি-হার॥ হরি হরি কব নব পল্লব-শয়নে। রতি-রণ-ছরমে ঘরমে দুহুঁ বৈঠব, বীজ কিশলয়-বিজনে॥ লোচন-খঞ্জন, কাজরে রঞ্জন, নব-কুবলয় দুই কাণে। সিন্দূর চন্দনে, তিলক বনায়ব, অলক করব নিরমাণে॥ দুহুঁ-মুখ-জ্যোতি, মুকুর দরশায়ব, দেয়ব সুকর্পূর পানে। বলরাম দাসক, চির-দুখ মিটায়ব, দুহুঁ হেরব নয়ানে॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৬১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা ॥ কেদার॥ বিপরিত অম্বর পালটি পিন্ধায়ব বান্ধব কুন্তলভার। গাঁথি দুহুঁক হিয়ে পুন পহিরায়ব টূটল মোতিমহার॥ হরি হরি কব নবপল্লব শয়নে। রতিরণ ছরমে ঘরমে দুহুঁ বৈঠব বীজব কিশলয় বিজনে॥ লোচন খঞ্জন কাজরে রঞ্জব নবকুবলয় দুই কানে। সিন্দূর চন্দনে তিলক বনায়ব অলক করব নিরমাণে॥ দুহুঁ মুখ জোতি মুকুর দরশায়ব দেয়ব সকপুর পাণে। বলরাম দাসক চির দুখ মীটব কব দুহু হেরব নয়ানে॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ১৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ কেদার॥ বিপরিত অম্বর পালটি পিব্ধায়ব বান্ধব কুন্তল-ভার। গাঁথি দুহুঁক হিয়ে পুন পহিরায়ব টুটল মোতিম-হার॥ হরি হরি কব নব-পল্লব-শয়নে। রতি-রণ-ছরমে ঘরমে দুহুঁ বৈঠব বীজব কিশলয় বিজনে॥ লোচন-খঞ্জন কাজরে রঞ্জব নব-কুবলয় দুই কাণে। সিন্দুর চন্দনে তিলক বনায়ব অলক করব নিরমাণে॥ দুহুঁ-মুখ-জ্যোতি মুকুর দরশায়ব দেয়ব সুকপুর পাণে। বলরাম দাসক চির-দুখ মীটব কব দুহু হেরব নয়ানে॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| লীলা শুনইতে শীলা দরবই যো লীলা শুনইতে শীলা দারু দরবই ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ (১৯২৭), ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা-২য় ভাগ, ৩৬শ পল্লব, প্রার্থনা, ২৯৯৭ পদসংখ্যা। এই পদটি নিমানন্দ দাসের পদরসসার পুথির ২৫০৬ ও কমলাকান্ত দাসের পদরত্নাকর পুথির ৩৯|৪০ সংখ্যক পদ। ॥ গুর্জ্জরী॥ লীলা শুনইতে শীলা দরপই গুণ শুনি মুনি-মন ভোর। ও সুখ-সায়রে জগ-জন নিমগন শ্রবণে পরশ নহে মোর॥ হরি হরি কি শেল রহল মোর চিত। না শুনিলুঁ শ্রুতি ভরি নাগর নাগরি দুহুঁজন-মধুর-চরিত॥ ধ্রু॥ সোই গোবর্দ্ধন সোই বৃন্দাবন সো নব-রসময় কুঞ্জে। সো যমুনা-জল কেলি কুতূহল হত-চিত তাহে নাহি রঞ্জে॥ প্রিয়-সহচরীগণ সঙ্গে আলাপন খেলন বিবিধ বিলাস। হৃদয়ে না স্ফুরই বিকলে সে জীবই ধিক্ ধিক্ বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, ২০৯-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ গুর্জ্জরী॥ লীলা শুনইতে, শীলা দরবই, গুণ শুনি মুনি মন ভোর। ও সুখ সাগরে, জগজন নিমগন, শ্রবণে পরশ নহে মোর॥ হরি হরি কি শেল রহল মোর চিত। না শুনিনু শ্রুতি ভরি, নাগর নাগরী, দুহুঁ জন মধুর চরিত॥ ধ্রু। সোই গোবর্দ্ধন, সোই বৃন্দাবন, সো নব রসময় কুঞ্জে। সো যমুনা জল, কেলি কুতূহল, হত চিত তাহে নাহি রঞ্জে॥ প্রিয় সহচরীগণ, সঙ্গে আলাপন, খেলন বিবিধ বিলাস। হৃদয়ে না স্ফুরই, বিকলে সে জীবই, ধিক ধিক বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩৪৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ গুর্জ্জরী॥ লীলা শুনইতে, শীলা দরবই, গুণ শুনি মুনি মন ভোর। ও সুখ সাগরে, জগ-জন নিমগন, শ্রবণে পরশ নহে মোর॥ হরি হরি কি শেল রহল মোর চিত। না শুনিনু শ্রুতি ভরি, নাগর নাগরী, দুহুঁ জন মধুর চরিত॥ সোই গোবর্দ্ধন, সোই বৃন্দাবন, সো নব-রস-ময় কুঞ্জে। সো যমুনা-জল, কেলি-কুতূহল, হত চিত তাহে নাহি রঞ্জে॥ প্রিয়-সহচরীগণ সঙ্গে আলাপন, খেলন বিবিধ বিলাস। হৃদয়ে না স্ফুরই, বিফলে সে জীবই, ধিক্ ধিক্ বলরাম দাস॥ এই পদটি জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী”, ১৯৩৪ (প্রথম সংস্করণ ১৯০২), পরিশিষিট, প্রথম, ৩৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। লীলা শুনইতে শীলা দরবই গুণ শুনি মুনিমন ভোর। ও সুখসাগরে জগজন নিমগন শ্রবণে পরশ নহ মোর॥ হরি হরি কি শেল রহল চিতে। না শুনিনু শ্রুতি ভরি নাগর-নাগরী দুহুঁজন মধুর চরিতে॥ ধ্রু॥ সেই গোবর্দ্ধন সেই বৃন্দাবন সো নব রসময় কুঞ্জে। সো যমুনাজল কেলি কুতূহল হতচিত তাহে নাহি রঞ্জে॥ প্রিয়সহচরীগণ সঙ্গে আলাপন খেলন বিবিধ বিলাস। হৃদয়ে না স্ফুরই বিকলে সে জীবই ধিক্ ধিক্ বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৬১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। প্রার্থনা ॥ গুর্জ্জরী॥ যো লীলা শুনইতে শীলা দারু দরবই গুণ শুনি মুনিমন ভোর। ও সুখসায়রে মাঝে জগজন নিমগন শ্রবণে পরশ নহ মোর॥ হরি হরি কি শেল রহল মোর চিতে। না শুনিলুঁ শ্রুতি ভরি নাগর নাগরি মিলি দুহুঁজন মধুরচরিতে॥ সোই গিরি গোবর্দ্ধন সোই ধাম বৃন্দাবন সো নবরসময় কুঞ্জে। সোই যমুনাজল কেলি কলা কুতূহল হতচিত তাহে নাহি রঞ্জে॥ প্রিয়সহচরীগণ সঙ্গে সুখ আলাপন খেলন বিবিধ সুবিলাস। হৃদয়ে না স্ফুরই বিফলে সে জীবই ধিক্ ধিক্ বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ১৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ গুর্জ্জরী॥ লীলা শুনইতে শীলা দরপই গুণ শুনি মুনি-মন ভোর। ও সুখ-সাগরে জগ-জন নিমগন শ্রবণে পরশ নহে মোর॥ হরি হরি কি শেল রহল মোর চিত। না শুনিলুঁ শ্রুতি ভরি নাগর নাগরি দুহুঁজন-মধুর-চরিত॥ সোই গোবর্দ্ধন সোই বৃন্দাবন সো নব-রসময় কুঞ্জে। সো যমুনা-জল কেলি কুতূহল হত-চিত তাহে নাহি রঞ্জে॥ প্রিয়-সহচরীগণ, সঙ্গে আলাপন খেলন বিবিধ বিলাস। হৃদয়ে না স্ফুরই বিফলে সে জীবই ধিক্ ধিক্ বলরাম দাস॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| গোরা মোর পাতকী উদ্ধারে করুণায়ে ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭১৯-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাস॥ গোরা মোর পাতকী উদ্ধারে করুণায়ে। বেদমুখে শুনি আমি পাতকী উদ্ধার তুমি উদ্ধারিয়া রাখ নিজ পায়ে॥ রোগ শোকময় গেহ বিষয় সংসার এহ পড়িয়া রহিনু মায়াজালে। না দেখো করুণ জন যারে কর নিবেদন উদ্ধার পাইব কত কালে॥ শরীরের মাঝে যত তারা হইল বৈরী মত কেহ কারো নিষেধ না মানে। দেখিয়া যমের ঘর বড়ই লাগয়ে ডর হরি কথা না শুনিনু কানে॥ সাধু সঙ্গ না করিনু আপনি আপনা খাইনু সদাই কুমতি সঙ্গদোষে। দশনে ধরিয়া তৃণ করো এই নিবেদন না বঞ্চিও বলরাম দাসে॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ বিভাস॥ গোরা মোর পাতকী উদ্ধারে করুণায়ে। বেদমুখে শুনি আমি পাতকী উদ্ধার তুমি উদ্ধারিয়া রাখ নিজ পায়ে॥ কোক শোকময় বিষয় বিষম বড় পড়িয়া রহিনু মায়া জালে। না দেখো করুণ জন তারে কর নিবেদন উদ্ধার পাইব কত কালে॥ শরীরের মাঝে যত তারা হইল বৈরীমত কেহ কারো নিষেধ না মানে। দেখিয়া যম রঘুবর বড়ই নাগয়ে ডর হরি কথা না শুনিনু কানে॥ সাধু সঙ্গ না করিনু আপনি আপনা খাইনু সদাই কুমতি সঙ্গ দোষে। দশনে ধরিয়া তৃণ করো এই নিবেদন বঞ্চিত না কৈর বলরাম দাসে॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |