| কবি বলরাম দাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী |
| অঙ্গে অঙ্গে মণি মুকুতা খিচনী ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম) দ্বারা আনুমানিক ১৭২৫ সাল নাগাদ বিরচিত এবং ৪২৬ গৌরাব্দে (১৯১৩ খৃষ্টাব্দ), হরিদাস দাস দ্বারা প্রকাশিত “শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয়” গ্রন্থ, ১০৫-পৃষ্ঠা। শ্রীরাধিকার পূর্ব্বরাগ। ॥ পুনঃ সিন্ধুড়া॥ অঙ্গে অঙ্গে মণি মুকুতা খিচনী বিজুরি চমকে তায়। ছিছি কি অবলা সহজে চপলা মদন মুরুছা পায়॥ মরি সই! ওরূপ নিছনি লৈয়া। কে জানে কি খেণে কো বিধি গড়ল কিরূপ মাধুরি দিয়া॥ ধ্রু॥ ঢুলু ঢুলু দুটি নয়ন কোণেতে চাহনি মোহন বাণে। তেরছ বন্ধানে বিষম সন্ধানে মরমে মরমে হানে॥ চন্দন তিলক আধ ঝাঁপিয়া বিনোদ চূড়াটি বাঁধে। হিয়ার ভিতরে লোটায়া লোটায়া কাতর পরাণ কাঁদে॥ আধ চরণে আধ চলন আধ মধুর হাস। এই সে লাগিয়া ভাল সে ঝুরিয়া মরে বলরাম দাস॥ এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে বৈষ্ণবদাস ( গোকুলানন্দ সেন ) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের, সটীক সংস্করণ ১৩২৫ বঙ্গাব্দ (১৯১৮), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ১০ম পল্লব, রূপানুরাগ, ৭৯১ পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। এই পদটি নিমানন্দ দাসের পদরসসার পুথির ১২৮১ সংখ্যক পদ। ॥ ভাটিয়ারি॥ অঙ্গে অঙ্গে মণি মুকুতা খেচনি বিজুরী চমকে তায়। ছি ছি কি অবলা সহজে চপলা মদন মুরছা পায়॥ মরোঁ মরোঁ সই ও রূপ নিছিয়া লৈয়া। কি জানি কি খেণে কো বিহি গঢ়ল কি রূপ মাধুরী দিয়া॥ ধ্রু॥ ঢুলু ঢুলু দুটি নয়ান নাচনি চাহনি মদন-বাণে। তেরছ বন্ধানে বিষম সন্ধানে মরমে মরমে হানে॥ চন্দন-তিলক আধ ঝাঁপিয়া বিনোদ চূড়াটী বান্ধে। হিয়ার ভিতরে লোটায়্যা লোটায়্যা কাতরে পরাণ কান্দে॥ আধ চরণে আধ চলনি আধ মধুর হাস। এই সে লাগিয়া ভাল সে ঝুরিয়া মরে বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৮৮৫ সালে প্রকাশিত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শ্রীশচন্দ্র মজুমদার দ্বারা সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন “পদরত্নাবলী”, ৮৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ভাটিয়ারি॥ অঙ্গে অঙ্গে মণি মুকুতা খেচনি বিজুরি চমকে তায়। ছি ছি কি অবলা, সহজে চপলা মদন মুরুছা পায়॥ মরো মরো সোই ও রূপ নিছিয়া লৈয়া। কি জানি কি ক্ষণে, কো বিহি গঢ়ল কি রূপ মাধুরী দিয়া॥ ধ্রু ঢুলু ঢুলু দুটি, নয়ান নাচনি চাহনি মদন বাণে। তেরছ বন্ধনে বিষম সন্ধানে মরমে মরমে হানে॥ চন্দন তিলক, আধ ঝাঁপিয়া বিনোদ চৃড়াটি বান্ধে। হিয়ার ভিতরে লোটাঞা লোটাঞা কাতরে পরাণ কাঁদে॥ আধ চরণে আধ চলনি আধ মধুর হাস। এই সে লাগিয়া ভাল সে বুঝিয়া মরে বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, অনুরাগ – সখী সম্বোধনে, ১৫১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ভাটিয়ারী॥ অঙ্গে অঙ্গে, মণিমুকুতা খেচনী, বিজুরী চমকে তায়। ছিছি কি অবলা, সহজে চপলা, মদন মূরছা পায়॥ মরোঁ মরোঁ সই ও রূপ নিছনি লৈয়া। কি জানি কি ক্ষণে কো বিহি গড়ল, কি রূপ মাধুরী দিয়া॥ ধ্রু। ঢুলু ঢুলু দুটি, নয়ান নাচনী, চাহনি মদন বাণে। তেরছ বন্ধানে, বিষম সন্ধানে, মরমে মরমে হানে॥ চন্দন তিলক, আধ ঝাঁপিয়া, বিনোদ চূড়াটি বান্ধে। হিয়ার ভিতরে, লোটাঞা লোটাঞা কাতর পরাণ কান্দে॥ আধ চরণে, আধ চলনি, আধ মধুর হাস। এই সে লাগিয়া, ভাল সে ঝুরিয়া, মরে বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩২৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ভাটিয়ারি॥ অঙ্গে অঙ্গে মণি, মুকুতা খেচনি, বিজুরি দমকে তায়। ছি ছি কি অবলা, সহজে চপলা, মদন মূরছা পায়॥ মরি মরি সই ও রূপ নিছিয়া লৈয়া। কি জানি কি ক্ষণে, কো বিহি গঢ়ল, কি রূপ মাধুরী দিয়া॥ ঢুলু ঢুলু দুটি, নয়ন নাচনি, চাহনি মদন-বাণে। তেরছ বন্ধানে, বিষম সন্ধানে, মরমে মরমে হানে॥ চন্দন তিলক, আধ টানিয়া, বিনোদ চূড়াটী বান্ধে। হিয়ার ভিতরে, লোটাঞা লোটাঞা, কাতরে পরাণ কান্দে॥ আধ চরণে, আধ চলনি, আধ মধুর হাস। এই সে লাগিয়া, ভাল সে বুঝিয়া, মরে বলরামদাস॥ এই পদটি ১৯০৫ সালে দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব-পদলহরী”, ৪০৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ভাটিয়ারী॥ অঙ্গে অঙ্গে মণি, মুকুতা খেচনী, বিজুরী দমকে তায়। ছি ছি কি অবলা, সহজে চপলা, মদন মূরছা পায়॥ মরি মরি সই, ও রূপ নিছিয়া লৈয়া। কি জানি কি ক্ষণে, কো বিহি গঢ়ল কি রূপ মাধুরী দিয়া॥ ঢুলু ঢুলু দুটি, নয়ান নাচনি, চাহনী মদন-বাণে। তেরছ বন্ধানে, বিষম সন্ধানে, মরমে মরমে হানে॥ চন্দন তিলক, আধ টানিয়া, বিনোদ চূড়াটি বান্ধে। হিয়ার ভিতরে, লোটাঞা লোটাঞা, কাতরে পরাণ কান্দে॥ আধ চরণে, আধ চলনি, আধ মধুর হাস। এই সে লাগিয়া, ভাল সে বুঝিয়া, মরে বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯২২ সলে প্রকাশিত, কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী”, ৩১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ভাটিয়ারী॥ অঙ্গে অঙ্গে মণি, মুকুতা খেচনি, বিজুরী দমকে তায়। ছি ছি কি অবলা, সহজে চপলা, মদন মূরছা পায়॥ মরি মরি সই ও রূপ নিছিয়া লৈয়া। কি জানি কি ক্ষণে, কো বিহি গঢ়ল, কি রূপ মাধুরী দিয়া॥ ঢুলু ঢুলু দুটি, নয়ন নাচনি, চাহনী মদন-বাণে। তেরছ বন্ধানে, বিষম সন্ধানে, মরমে মরমে হানে॥ চন্দন তিলক, আধ আধ নয়া, বিনোদ চূড়াটি বান্ধে। হিয়ার ভিতরে, লোটাঞা লোটাঞা, কাতরে পরাণ কান্দে॥ আধ চরণে, আধ চলনি, আধ মধুর হাস। এই সে লাগিয়া, ভাল সে ঝুরিয়া, মরে বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত, বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “কাব্য-রত্নমালা”, ১১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ভাটিয়ারী॥ অঙ্গে অঙ্গে মণি মুকুতা খেচনি বিজুরী দমকে তায়। ছি ছি কি অবলা সহজে চপলা মদন মুরছা পায়॥ মরি মরি সই ও রূপ নিছিয়া লৈয়া। কি জানি কি খেণে কো বিহি গঢ়ল কি রূপ মাধুরী দিয়া॥ ঢুলু ঢুলু দুটী নয়ান নাচনি চাহনি মদন বাণে। তেরছ বন্ধানে বিষম সন্ধানে মরমে মরমে হানে॥ চন্দন তিলক আধ টানিয়া বিনোদ চূড়াটী বান্ধে। হিয়ার ভিতরে লোটাঞা লোটাঞা কাতরে পরাণ কান্দে॥ আধ চরণে আধ চলনি আধ মধুর হাস। এই সে লাগিয়া ভাল সে বুঝিয়া মরে বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৪৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। রুপানুরাগ ॥ ভাটিয়ারী॥ অঙ্গে অঙ্গে মণি মুকুতা খেচনি বিজুরী চমকে তায়। ছি ছি কি অবলা সহজে চপলা মদন মুরছা পায়॥ মরোঁ মরোঁ সই ও রূপ নিছিয়া লৈয়া। কি জানি কি খেণে কো বিহি গঢ়ল কি রূপ মাধুরী দিয়া॥ ঢুলু ঢুলু দুটি নয়ন-নাচনী চাহনি মদনবাণে। তেরছ বন্ধানে বিষম সন্ধানে মরমে মরমে হানে॥ চন্দন-তিলক আধ ঝাঁপিয়া বিনোদ চূড়াটি বান্ধে। হিয়ার ভিতরে লোটায়্যা লোটায়্যা কাতর পরাণ কান্দে॥ আধ চরণে আধ চলনি আধ মধুর হাস। এই সে লাগিয়া ভাল সে ঝুরিয়া মরে বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ভাটিয়ারী॥ অঙ্গে অঙ্গে মণি মুকুতা খেচনি বিজুরী চমকে তায়। ছি ছি কি অবলা সহজে চপলা মদন মুরছা পায়॥ মরোঁ মরোঁ সই ও রূপ নিছনি লৈয়া। কি জানি কি খেণে কো বিহি গঢ়ল কি রূপ মাধুরী দিয়া॥ ঢুলু ঢুলু দুটি নয়ন-নাচনী চাহনি মদন-বাণে। তেরছ বন্ধানে বিষম সন্ধানে মরমে মরমে হানে॥ চন্দন-তিলক আধ ঝাঁপিয়া বিনোদ চূড়াটি বান্ধে। হিয়ার ভিতরে লোটায়্যা লোটায়্যা কাতর পরাণ কান্দে॥ আধ চরণে আধ চলনি আধ মধুর হাস। এই সে লাগিয়া ভাল সে ঝুরিয়া মরে বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “পাঁচশত বত্সরের পদাবলী”, ৮৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। অঙ্গে অঙ্গে মণি মুকুতা খেচনি বিজুরি চমকে তায়। ছি ছি কি অবলা সহজে চপলা মদন মুরুছা পায়॥ মরোঁ মরোঁ সই, ও রূপ নিছনি লৈয়া। কি জানি কি খেনে কো বিহি গঢ়ল কি রূপ মাধুরী দিয়া॥ ঢুলু ঢুলু দুটি নয়ান নাচনি চাহনি মদন বাণে। তেরছ বন্ধানে বিষম সন্ধানে মরমে মরমে হানে॥ চন্দন তিলক আধ ঝাঁপিয়া বিনোদ চূড়াটি বান্ধে। হিয়ার ভিতরে লোটায়্যা লোটায়্যা কাতর পরাণ কান্দে॥ আধ চরণে আধ চলনি আধ মধুর হাস। এই সে লাগিয়া ভালে সে ঝুরিয়া মরে বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত, বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য”, ৩৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। অঙ্গে অঙ্গে মণি মুকুতা খেচনি বিজুরি চমকে তায়। ছি ছি কি অবলা সহজে চপলা মদন মুরুছা পায়॥ মরোঁ মরোঁ সই, ও রূপ নিছনি লৈয়া। কি জানি কি খেনে কো বিহি গঢ়ল কিরূপ মাধুরী দিয়া॥ ঢুলু ঢুলু দুটি নয়ান নাচনি চাহনি মদন বাণে। তেরছ বন্ধানে বিষম সন্ধানে মরমে মরমে হানে॥ চন্দন তিলক আধ ঝাঁপিয়া বিনোদ চূড়াটি বান্ধে। হিয়ার ভিতরে লোটায়্যা লোটায়্যা কাতর পরাণ কান্দে॥ আধ চরণে আধ চলনি আধ মধুর হাস। এই সে লাগিয়া ভালে সে ঝুরিয়া মরে বলরাম দাস॥ এই পদটি ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত, দেবনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদসঙ্কলন”, ৯৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। অঙ্গে অঙ্গে মণি মুকুতা খেচনি বিজুরী চমকে তায়। ছি ছি কি অবলা সহজে চপলা মদন মুরছা পায়॥ মরোঁ মরোঁ সই ও রূপ-নিছনি লৈয়া। কি জানি কি খেনে কো বিহি গড়ল কি রূপ মাধুরী দিয়া॥ ঢুলু ঢুলু দুটি নয়ন-নাচনি চাহনি মদন বাণে। তেরছ বন্ধানে বিষম সন্ধানে মরমে মরমে হানে॥ চন্দন তিলক আধ ঝাঁপিয়া বিনোদ চূড়াটি বান্ধে। হিয়ার ভিতরে লোটায়্যা লোটায়্যা কাতরে পরাণ কান্দে॥ আধ চরণে আধ চলনি আধ মধুর হাস। এই সে লাগিয়া ভাল সে ঝুরিয়া মরে বলরাম দাস॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| অতি অগেয়ানী কুলের কামিনী ভনিতা বলরাম কবি বলরাম দাস ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ৫৪- পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। [ শ্রীরাধার আপ্ত-দূতী ] ॥ গান্ধার॥ অতি অগেয়ানী কুলের কামিনী সহজে আকুল-হিয়া। আঁখির ঠারে পাগল করিলে কি জানি কি মন্ত্র দিয়া॥ শ্যাম বুঝিলুঁ তোমার ভাব। কুল-বৌহাড়ীরে ঘর ছাড়াইলে কি হবে তোমার লাভ॥ ধ্রু॥ কিসের রঙ্গে এত না ভঙ্গে অঙ্গ দেখাইয়া হাঁট। কথার ছলে ভিতরে পশিয়া পাঁজরে পাঁজরে কাট॥ সদাই হাস লাজ না বাস না বুঝি তোমার কাজ। তব এই রীতে যত কুলবতীর কুলেতে পাড়িলে বাজ॥ জাতিকুল শীল সব মজাইলে মরুক কুলের নারী। বলরাম বোলে দারুণ চিত তভু পাসরিতে নারি॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৩২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীকৃষ্ণের প্রতি দূতী ॥ গান্ধার॥ অতি অগেয়ানী কুলের কামিনী সহজে আকুল হিয়া। আঁখির ঠারে পাগলি করিলে কি জানি কি-মন্ত্র দিয়া॥ শ্যাম বুঝিলুঁ তোমার ভাব। কুল বৌহাড়ীরে ঘর ছাড়াইলে কি হবে তোমার লাভ॥ কিসের রঙ্গে এত না ভঙ্গে অঙ্গ দোলাইয়া হাঁট। কথার ছলে ভিতরে পশিয়া পাঁজরে পাঁজরে কাট॥ সদাই হাস লাজ না বাস না বুঝি তোমার কাজ। তব এই রীতে যত কুলবতী কুলেতে পাড়িলে বাজ॥ জাতিকুল শীল সব মজাইলে মরুক কুলের নারী। বলরাম বোলে দারুণ চিত তভু পাসরিতে নারি॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ৬২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ গান্ধার॥ অতি অগেয়ানী কুলের কামিনী সহজে আকুল-হিয়া। আঁখির ঠারে পাগল করিলে কি জানি কু মন্ত্র দিয়া॥ শ্যাম বুঝিলুঁ তোমার ভাব। কুল-বৌহাড়ীরে ঘর ছাড়াইলে কি হবে তোমার লাভ॥ কিসের রঙ্গে এত না ভঙ্গে অঙ্গ দোলাইয়া হাঁট। কথার ছলে ভিতরে পশিয়া পাঁজরে পাঁজরে কাট॥ সদাই হাস লাজ না বাস না বুঝি তোমার কাজ। তব এই রীতে যত কুলবতীর কুলেতে পাড়িলে বাজ॥ জাতিকুল শীল সব মজাইলে মরুক কুলের নারী। বলরাম বোলে দারুণ চিত তভু পাসরিতে নারি॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| মাধব ঐছে বচন শুনি সো সখি কানুক ঐছে বচন শুনি সো সখি ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস এই পদটি চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ১৩২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ মাধব ঐছে বচন শুনি সো সখী, চললহি রাইক পাশ। মনমাহা বচন রচন করি যে ছলে নাহক পূরয়ে আশ॥ অপরূপ দোতিক রীত। সখিগণ সঙ্গে রাই যাহাঁ বৈঠয়ে তাহি যাই উপনীত॥ ধ্রু॥ শুন শুন রমণিশিরোমণি মুগধিনী তুয়া অনুগত ভেল শ্যাম। তুয়ারূপ হেরি সোই ভেল আকুল কহই দাস বলরাম॥ এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯) রমণীমোহন মল্লিক সম্পাদিত, জীবনী ও টীকা সমেত বলরাম দাসের পদাবলী সংকলন “বলরামদাস”, নায়কের পূর্ব্বরাগ, ৮০-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ মাধব, ঐছে বচন শুনি সো সখী চললহি রাইক পাশ মনমাহা বচন রচন করি যৈছনে নাহক পূরয়ে আশ॥ অপরূপ দোতীক রীত। সখীগণ সঙ্গে, রাই যাঁহা বৈঠই, তাঁহি যাই উপনীত॥ ধ্রু॥ শুন শুন রমণী শিরোমণি মুগধিনী, তুয়া অনুগত ভেল শ্যাম। তুয়া রূপ হেরি সোই ভেল আকূল, কহই দাস বলরাম॥ এই পদটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হরিমোহন মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ”, ১ম খণ্ড, ৩১৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ মাধব ঐছে, বচন শুন সো সখী, চললহুঁ রাইক পাশ। মন মাহা বচন, রচন করি যৈছনে, নাহক পূরয়ে আশ॥ অপরূপ দোতীক রীত। সখীগণ সঙ্গে রাই যাহা বৈঠয়ে, তাহি যাই উপনীত॥ শুন শুন রমণী শিরোমণি মুগধিনি তুয়া অনুগত ভেল শ্যাম। তুয়া রূপ হেরি, সোই ভেল আকুল কহই দাস বলরাম॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৩১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীকৃষ্ণের আপ্তদূতী ॥ ধানশী॥ কানুক ঐছে বচন শুনি সো সখি চললিহুঁ রাইক পাশ। মন মাহা বচন রচন করি যৈছনে নাহক পূরয়ে আশ॥ অপরূপ দোতিক রীত। সখিগণ সঙ্গে রাই যাহাঁ বৈঠয়ে তাহিঁ যাই উপনীত॥ শুন শুন রমণি- শিরোমণি মুগধিনি তুয়া অনুগত ভেল শ্যাম। তুয়া রূপ হেরি সোই ভেল আকুল কহই দাস বলরাম॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ মাধব ঐছে বচন শুনি সো সখি চললিহুঁ রাইক পাশ। মন মাহা বচন রচন করি যৈছনে নাহক পূরয়ে আশ॥ অপরূপ দোতিক রীত। সখিগণ সঙ্গে রাই যাহাঁ বৈঠয়ে তাহিঁ যাই উপনীত॥ শুন শুন রমণি- শিরোমণি মুগধিনি তুয়া অনুগত ভেল শ্যাম। তুয়া রূপ হেরি সোই ভেল আকুল কহই দাস বলরাম॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কমল-কুবলয় কুমুদ-কিসলয় ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। [ শ্রীকৃষ্ণের আপ্ত-দূতী ] শ্রীরাধার প্রতি দূতীর উক্তি :--- ॥ ধানশী॥ কমল-কুবলয় কুমুদ-কিসলয় কতহুঁ শেজ রি লাগি। কতহু বিধি করি করু কুসুম-তর কুসুমে জারল আগি॥ কি কহু কামিনি কঠিন বেদন কোন কহইতে পার। কুলিশ তুয় নেহ কতহি তনু দহ কানু কি জীবই আর॥ কত হি যুবতী কান্দ উনমতি কোরে হরি করি নেল। কেশ ন বান্ধই কাতর বিলপই লোরে করদম কেল॥ কোই করে ধরি কোই মুখ হেরি কোই করু অশোয়াসে। কাঁপ থরহরি নয়ন মুদি হরি কি কহু বলরাম দাসে॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ৬৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ কমল-কুবলয় কুমুদ-কিসলয় কতহুঁ শেজ রি লাগি। কতহু বিধি করি করু কুসুম-তর কুসুমে জারল আগি॥ কি কহু কামিনি কঠিন বেদন কোন কহইতে পার। কুলিশ তুয় নেহ কতহি তনু দহ কানু কি জীবই আর॥ কত হি যুবতী কান্দ উনমতি কোরে হরি করি নেল। কেশ ন বান্ধই কাতর বিলপই লোরে করদম কেল॥ কোই করে ধরি কোই মুখ হেরি কোই করু অশোয়াসে। কাঁপ থরহরি নয়ন মুদি হরি কি কহু বলরাম দাসে॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| কিনা রূপ কিবা বেশ ভাবিতে পাঁজর শেষ যত রূপ তত বেশ ভাবিতে পাঁজর শেষ ভনিতা বলরাম দাস কবি বলরাম দাস ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। [ অনুরাগ ] ॥ করুণা॥ কিনা রূপ কিবা বেশ ভাবিতে পাঁজর শেষ পাপ-চিতে পাসরিতে নারি। কিবা যশ অপযশ কিবা মোর গৃহ বাস এক-তিল না দেখিলে মরি॥ সই কতদিনে পূরিবেক সাধ। সাধিমূ সকল সিধি পরসন্ন হবে বিধি তার সনে হবে পরিবাদ॥ ধ্রু॥ কুল ছাড়ে কুলবতী সতী ছাড়ে নিজ পতি সে যদি নয়ান-কোণে চায়। জাতি কুল জীবন এ রূপ যৌবন নিছিয়া পেলিলুঁ তার পায়॥ নিশি-দিশি অনুখণ অনিমিখ-নয়ন থাকিলুঁ ও চাঁদ-মুখ চাঞা। এই দড়াইলুঁ মনে প্রবেশ করিব বনে কানু-ধন গলায় গাঁথিয়া॥ এ কুল ও কুল খাঞা মুঞি গেলুঁ আপন নিঞা মোরে কেনে করহ যতন। বলরাম দাসে বলে ছাড়িব কাহার ডরে সেই মোর পরাণের ধন॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৪৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। আক্ষেপানুরাগ ॥ করুণা॥ যত রূপ তত বেশ ভাবিতে পাঁজর শেষ পাপচিতে পাসরিতে নারি। কিয়ে যশ অপযশ না রহিল গৃহ বাস তিল আধ না দেখিলে মরি॥ সই কতদিনে পুরিবেক সাধ। সাধিমু সকল সিধি পরসন্ন হবে বিধি কবে হবে কালা পরিবাদ॥ কুল ছাড়ে কুলবতী সতী ছাড়ে নিজ পতি সে যদি নয়ান কোণে চায়। জাতি কুল জীবন এ রূপ যৌবন ধন নিছিয়া ফেলিলুঁ শ্যাম পায়॥ নিশিদিশি অনুখণ অনিমিখ নয়ন থাকিলুঁ ও চাঁদমুখ চাঞা। এই দড়াইলুঁ মনে প্রবেশ করিব বনে কানুধন গলায় গাঁথিয়া॥ এ কুল ও কুল খাঞা মুঞি গেলুঁ আপন নিঞা মোরে কেনে করহ যতন। বলরাম দাসে বলে ছাড়িব কাহার ডরে সেই মোর পরাণের ধন॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ করুণা॥ কিনা রূপ কিবা বেশ ভাবিতে পাঁজর শেষ পাপ-চিতে পাসরিতে নারি। কিবা যশ অপযশ কিবা মোর গৃহ বাস এক-তিল না দেখিলে মরি॥ সই কতদিনে পুরিবেক সাধ। সাধিমু সকল সিধি পরসন্ন হবে বিধি তার সনে হবে পরিবাদ॥ কুল ছাড়ে কুলবতী সতী ছাড়ে নিজ পতি সে যদি নয়ান-কোণে চায়। জাতি কুল জীবন এ রূপ যৌবন নিছিয়া পেলিলুঁ তার পায়॥ নিশি-দিশি অনুখণ অনিমিখ-নয়ন থাকিলুঁ ও চাঁদ-মুখ চাঞা। এই দড়াইলুঁ মনে প্রবেশ করিব বনে কানু-ধন গলায় গাঁথিয়া॥ এ কুল ও কুল খাঞা মুঞি গেলুঁ আপন নিঞা মোরে কেনে করহ যতন। বলরাম দাসে বলে ছাড়িব কাহার ডরে সেই মোর পরাণের ধন॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| বিরহ-বেয়াধি-বেয়াকুল সো পহুঁ ভনিতা বলরাম কবি বলরাম দাস ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। [ শ্রীকৃষ্ণের আপ্ত-দূতী ] শ্রীরাধার প্রতি দূতীর উক্তি :--- ॥ ধানশী॥ বিরহ-বেয়াধি- বেয়াকুল সো পহুঁ বরজল ধৈরজ লাজ। বাসর যামিনি বিলিপি গোঙায়ই বসি বসি বিপিনক মাঝ॥ বিধুমুখি বেদন কি কহব আজ। বিষম-বিশিখ-শর বরিখণে জরজর বিকল বরজ-যুবরাজ॥ ধ্রু॥ বহু বৈদগধি বিবিধ-গুণ-চাতুরি বিছুরল সবহুঁ মুরারি। বরিখক ঠামে বোল তোহে পাবই বাউর ভেল বন-মালি॥ বেশ-বিলাস বিশেষহি বিরচল বিরমল ভোজন পান। বোলইতে বদনে বচন নাহি নিকসই বলরাম কি কহব জান॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ বিরহ-বেয়াধি- বেয়াকুল সো পহুঁ বরজল ধৈরজ লাজ। বাসর যামিনি বিলিপি গোঙায়ই বসি বসি বিপিনক মাঝ॥ বিধুমুখী বেদন কি কহব আজ। বিষম-বিশিখ-শর বরিখণে জরজর বিকল বরজ-যুবরাজ॥ বহু বৈদগধি বিবিধ-গুণ-চাতুরি বিছুরল সবহুঁ মুরারি। বরিখক ঠামে বোল তোহে পাবই বাউর ভেল বন-মালি॥ বেশ-বিলাস বিশেষহি বিরচল বিরমল ভোজন পান। বোলইতে বদনে বচন নাহি নিকসই বলরাম কি কহব জানে॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |
| চন্দন পরশি চমকি ঘন উঠই ভনিতা বলরাম কবি বলরাম দাস ১৯২৬ সালে প্রকাশিত, সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “অপ্রকাশিত পদরত্নাবলী”, ৫৫- পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। [ শ্রীকৃষ্ণের আপ্ত-দূতী ] শ্রীরাধার প্রতি দূতীর উক্তি :--- ॥ ধানশী॥ চন্দন পরশি চমকি ঘন উঠই চান্দক কিরণে উজোর। চারি পহর নিশি বিলপি গোঙায়ই বিরহক নাহিক ওর॥ ঃ। চারু চিকণ ঘন তনু-রুচি জারল চণ্ড বিরহে জনু আগি॥ ধ্রু॥ চামর-রুচির চিকুর গড়ি যাওত চির-খণে না বহে বাণি। চতুর-শিরোমণি চেতন তেজল চীত-পুতলি সম মানি॥ চেতইতে তবহুঁ নয়ন উনমীলই চম্পক দামক নামে। চাহি চাপি হিয় পুনহি মুরছি রহু চরণে কি কহু বলরামে॥ ঃ - ধুয়ার লুপ্ত চরণটি বোধ হয় এইরূপ ছিল যথা --- “সুন্দরি মাধব তোহে অনুরাগি।” ---সতীশচন্দ্র রায়, অপ্রকাশিত পদ-রত্নাবলী॥ এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ৭৩১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। শ্রীকৃষ্ণের আপ্তদূতী ॥ ধানশী॥ চন্দন পরশি চমকি ঘন উঠই চান্দক কিরণে উজোর। চারি পহর নিশি বিলপি গোঙায়ই বিরহক নাহিক ওর॥ চারু চিকণ ঘন তনুরুচি জারল চণ্ড বিরহে জ্বলু আগি। চামররুচির চিকুর গড়ি যাওত চিরখণে না বহে বাণি। চতুর শিরোমণি চেতন তেজল চীতপুতলি সম মানি॥ চেতইতে তবহুঁ নয়ন উনমীলই চম্পক দামক নামে। চাহি চাপি হিয় পুনহি মুরছি রহু চরণে কি কহু বলরামে॥ এই পদটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত, ব্রহ্মচারী অমরচৈতন্য সম্পাদিত বলরামদাসের পদাবলী, ৮২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। ॥ ধানশী॥ চন্দন পরশি চমকি ঘন উঠই চান্দক কিরণে উজোর। চারি পহর নিশি বিলপি গোঙায়ই বিরহক নাহিক ওর॥ চারু চিকণ ঘন তনু-রুচি জারল চণ্ড বিরহে জনু আগি। চামর-রুচির চিকুর গাড়ি যাওত চির-খণে না বহে বাণি। চতুর-শিরোমণি চেতন তেজল চীত-পুতলি সম মানি॥ চেতইতে তবহুঁ নয়ন উনমীলই চম্পক-দামক নামে। চাহি চাপি হিয় পুনহি মুরছি রহু চরণে কি কহু বলরামে॥ . ******************************** . সূচীতে . . . মিলনসাগর |