কবি বাসুদেব ঘোষ এর বৈষ্ণব পদাবলী
গৌরীদাস করি সঙ্গে আনন্দিত তনু রঙ্গে
ভণিতা বাসু
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১৮৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভাটিয়ারি - দশকুশী॥

গৌরীদাস করি সঙ্গে                আনন্দিত তনু রঙ্গে
চলি যায় গোরা গুণমণি।
ভাবে অঙ্গ থরহরি                  দুনয়নে বহে বারি
চাহে গৌরীদাসের মুখখানি॥
'আচম্বিতে অচৈতন্য                প্রেমাবেশে শ্রীচৈতন্য
পড়ি গেলা সুরধুনীতীরে।
গৌরীদাস ধীরে ধীরে               ধরিয়া করিল কোরে
কোন দুখ কহত আমারে॥
কহিবার কথা নয়                   কেমনে কহিব তায়
মরি আমি বুক বিদরিয়া।
বাসু কহে আহা মরি                রাধাভাবে গৌরহরি
ধরিতে নারয়ে নিজ হিয়া॥

ই পদটি চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সমস্ত জীবন ধরে, ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত এবং তাঁর পুত্র
রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত “শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু”, ৯৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া
রয়েছে।

সুবর মিলন।

গৌরীদাস করি সঙ্গে, আনন্দিত তনু রঙ্গে, চলি যায় গোরা গুণমণি।
ভাবে অঙ্গ থর হরি, দুনয়নে বহে বারি, চাহে গৌরীদাস মুখ খানি॥ 'আচম্বিতে
অচৈতন্য, হইল গৌরাঙ্গ চন্দ্র, পড়িলেন সুরধুনী তীরে। গৌরীদাস ধীরে ধীরে,
কহে কিছু যোড় করে, কেন দুখে কহত আমারে॥ কহিবার কথা নয়,
কেমনে কহিব তায়, মরি আমি বুক বিদরিয়া। বাসু কহে আহা মরি, ভাবের
তরঙ্গ হেরি, কহে কিছু কাতর হইয়া॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন
“বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গ অনুরাগে
॥ ভাটিয়ারি - দশকুশী॥

গৌরীদাস করি সঙ্গে                আনন্দিত তনু রঙ্গে
চলি যায় গোরা গুণমণি।
ভাবে অঙ্গ থরহরি                  দুনয়নে বহে বারি
চাহে গৌরীদাসের মুখখানি॥
'আচম্বিতে অচৈতন্য                প্রেমাবেশে শ্রীচৈতন্য
পড়ি গেলা সুরধুনীতীরে।
গৌরীদাস ধীরে ধীরে                ধরিয়া করিল কোরে
কোন দুখ কহত আমারে॥
কহিবার কথা নয়                   কেমনে কহিব তায়
মরি আমি বুক বিদরিয়া।
বাসু কহে আহা মরি                রাধাভাবে গৌরহরি
ধরিতে নারয়ে নিজ হিয়া॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৫৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ভাটিয়ারি - দশকুশী॥

গৌরীদাস করি সঙ্গে                আনন্দিত তনু রঙ্গে
চলি যায় গোরা গুণমনি।
ভাবে অঙ্গ থরহরি                  দুনয়নে বহে বারি
চাহে গৌরীদাসের মুখখানি॥
'আচম্বিতে অচৈতন্য                প্রেমাবেশে শ্রীচৈতন্য
পড়ি গেলা সুরধুনীতিরে।
গৌরীদাস ধীরে ধীরে                ধরিয়া করিল কোরে
কোন দুখ কহত আমারে॥
কহিবার কথা নয়                   কেমনে কহিব তায়
মরি আমি বুক বিদরিয়া।
বাসু কহে আহা মরি                রাধাভাবে গৌরহরি
ধরিতে নারয়ে নিজ হিয়া॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
দণ্ডে দণ্ডে তিলে তিলে গোরাচাঁদ না দেখিলে
ভণিতা বাসু
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১৯০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

দণ্ডে দণ্ডে তিলে তিলে             গোরাচাঁদ না দেখিলে
মরমে মরিয়া যেন থাকি।
সাধ হয় নিরন্তর                      হেমকান্তি কলেবর
হিয়ার মাঝারে সদা রাখি॥
পলকে না হেরি তায়                  পাজর ধসিয়া যায়
ধৈরজ ধরিতে নাহি পারি।
অনুরাগের তুলি দিয়ে                অন্তর বাহির হিয়ে
না জানি তার কত ধার ধারি॥
সুরধুনীর নীরে যেয়ে                  কুল দিব ভাসাইয়ে
অনল জ্বালিয়া দিব লাজে।
গৌরাঙ্গ সমুখে করি                     দেখিব নয়ান ভরি
বাসু নাহি চায় আন কাজে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ১৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীগৌরাঙ্গ অনুরাগে
॥ সুহই॥

দণ্ডে দণ্ডে তিলে তিলে                গোরাচাঁদ না দেখিলে
মরমে মরিয়া যেন থাকি।
সাধ হয় নিরন্তর                        হেমকান্তি কলেবর
হিয়ার মাঝারে সদা রাখি॥
পলকে না হেরি তায়                   পাঁজর ধসিয়া যায়
ধৈরজ ধরিতে নাহি পারি।
অনুরাগের ডুরি দিয়ে                  ধর হৈতে নিকসয়ে
না জানি তার কত ধার ধারি॥
সুরধুনীর নীরে যেয়ে                    কুল দিব ভাসাইয়ে
অনল জ্বালিয়া দিব লাজে।
গৌরাঙ্গ সমুখে করি                     দেখিব নয়ান ভরি
বাসু নাহি চায় আন কাজে॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের
পদাবলী সংকলন, ৭১৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

দণ্ডে দণ্ডে তিলে তিলে                গোরাচাঁদ না দেখিলে
মরমে মরিয়া সদা থাকি।
সাধ হয় নিরন্তর                         হেমকান্তি কলেবর
হিয়ার মাঝারে পুরে রাখি॥
তিলেক না হেরি তায়                   পাঁজর ধসিয়া যায়
ধৈরজ ধরিতে নাহি পারি।
অনুরাগের ডুরি দিয়া                অন্তরে কি করে লিয়া
না জেন তার কত ধার ধারি॥
সুরধুনীর তিরে গিয়া                   কুল দিব ভাসাইয়া
অনলে তেজিয়া দিব লাজে।
গৌরাঙ্গ সমুখে করি                     দেখিব নয়ন ভরি
দিন জায় মিছামিছি কাজে॥
একে হাম কুলবালা                      গৌরাঙ্গ কলঙ্কমালা
গলায় পরিতে সাধ লাগে।
বাসুদেব ঘোষে বলে                ভালো দাগে দাগা দিলে
গোপত গৌরাঙ্গ অনুরাগে॥

মন্তব্য -
গৌরনাগরী ভাবের একখানি অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদ আলোচ্য পদটি। অথচ পদটি খুব বেশী সংকলন গ্রন্থে ধৃত
হয়নি। স্পর্শ দুরের কথা, গৌরাঙ্গকে শুধু দর্শনেই নাগরীর সমস্ত মনস্কামনা পূর্ণ হয়েছে। তাই নাগরী ঐ
অপরূপ রূপমাধুরীর চরণে নিজেকে অর্পণ করেছেন। গৌরাঙ্গের লাবণ্য যে দর্শন করে তার কাছে জাতি
কুল তুচ্ছ হয়ে যায়।---চিত্রা রায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
আপন জানি বনায়লুঁ বেশ
আপন না জাঞা বনাইনু বেশ
ভণিতা বাসুদেব ঘোষে
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৯০২), ১৯৬-পৃষ্ঠায়
এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

আপন জানি বনায়লুঁ বেশ।
বাঁধল যতনে উদাস করি কেশ॥
চন্দন-তিলক দেয়ল মঝু ভাল।
কণ্ঠে চঢ়ায়ল মোতিমমাল॥
মৃগমদ চিত্র কয়ল কুচ মাঝ।
অঙ্গহি অঙ্গ বনায়লু সাজ॥
গৌরক লেহ কহনে না যায়।
বাসুদেব ঘোষে রস ওর নাহি পায়॥

ই পদটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত, হরিলাল চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্ন-মালা”, ১৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী॥

আপন জানি বনায়লু বেশ।
বাঁধল যতনে উদাস করি কেশ॥
চন্দন তিলক দেওল মঝু ভাল।
কণ্ঠে চড়ায়ল মোতিম মাল॥
মৃগমদ চিত্র কয়ল কুচ মাঝ।
অঙ্গহি অঙ্গ বনায়লু সাজ॥
গৌরব লেহ কহনে না যায়।
বাসুদেব ঘোষে রস ওর নাহি পায়॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসারানুরাগ
॥ ধানশী॥

আপন জানি বনায়লু বেশ।
বাঁধলুঁ যতনে উদাস করি কেশ॥
চন্দন তিলক দেয়লুঁ মঝু ভাল।
কণ্ঠে চঢ়ায়লুঁ মোতিমমাল॥
মৃগমদ চিত্র কয়লুঁ কুচ মাঝ।
অঙ্গহি অঙ্গ বনায়লুঁ সাজ॥
গৌরক লেহ কহনে না যায়।
বাসুদেব ঘোষে রস ওর নাহি পায়॥

ই পদটি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত, সতী ঘোষ সম্পাদিত “প্রত্যক্ষদর্শীর কাব্যে মহাপ্রভু
শ্রীচৈতন্য”, ১০৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

আপন না জাঞা বনাইনু বেশ।
বান্ধল যতনে উদাস করি কেশ॥
চন্দন তিলক দেওল মঝু ভাল।
.        কণ্ঠে পরাওল মোতিম মাল॥
মৃগমদ চিত্র কমল অঙ্গ মাঝ।
.        অঙ্গহি অঙ্গ বনাওল সাজ॥
গৌর নেহ কহনে না যায়।
বাসুদেব ঘোষে ওর নাহি পায়॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ ( সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭২৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ললিতরাগ॥

আপন জানি বনায়লুঁ বেশ।
বাঁধিনু জতনে উদাস করি কেশ॥
চন্দন তিলক দেয়ল মঝু ভাল।
কণ্ঠে চড়াওল মোতিম মাল॥
মৃগমদ চিত্র করল কুচ মাঝ।
অঙ্গহি অঙ্গ বনায়লু সাজ॥
গৌরক নেহ কহনে নাহি জায়।
বাসুদেব ঘোষে রস ওর নাহি পায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
সুরধুনীতীরে নব ভাণ্ডীর তলে
ভণিতা বাসু ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১৯৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী বা ভূপালী - দুশকুশি॥

সুরধুনীতীরে নব ভাণ্ডীর তলে।
বসিয়াছে গোরাচাঁদ নিজগণ মেলে॥
রজনী কৌমুদী আর হিম-ঋতু তায়।
হিম সহ পবন বহয়ে মন্দ বায়॥
তাঁহি বৈঠহি পহুঁ ললিত শয়নে।
হেরই দশ দিশ চকিত-নয়নে॥
আপন অঙ্গের ছায়া দেখিয়া উঠয়ে।
বাসকসজ্জার ভাব বাসু ঘোষ কহে॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

অভিসারানুরাগ
॥ ভূপালী - দশকুশী॥

সুরধুনীতীরে নব ভাণ্ডীর তলে।
বসিয়াছে গোরাচাঁদ নিজগণ মেলে॥
রজনী কৌমুদী আর হিম ঋতু তায়।
হিমসহ পবন বহয়ে মন্দ বায়॥
তাঁহি বৈঠয়ে পহুঁ ললিত শয়নে।
হেরই দশ দিশ চকিত নয়নে॥
আপন অঙ্গের ছায়া দেখিয়া উঠয়ে।
বাসকসজ্জার ভাব বাসু ঘোষ কহে।

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৬০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ ধানশী বা ভূপালী - দশকুশী॥

সুরধুনী তীরে নব ভাণ্ডীর তলে।
বসিয়াছে গোরাচাঁদ নিজ গণ মেলে॥
রজনী কৌমুদী আর হিম ঋতু তায়।
হিম সহ পবন বহয়ে মন্দ বায়॥
তাঁহি বৈঠহি পহুঁ ললিত শয়নে।
হেরই ঘন ঘন চকিত নয়নে॥
আপন অঙ্গের ছায়া দেখিয়া উঠয়ে।
বাসকসজ্জার ভাব বাসু ঘোষ কহে।

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
স্বরূপের কাছে গৌরহরি
ভণিতা বাসু ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

স্বরূপের কাছে গৌরহরি । কাঁদি কহে ফুকরি ফুকরি॥
বৃথাই পাতিলুঁ প্রেমফাঁদ। কুঞ্জে না আয়ল কালাচাঁদ॥
টুপটাপ পড়িছে শিশির। রজনী ভেল ত সুগভীর॥
আশাপথ বৃথাই চাহিনু। বৃথা ইহ যামিনী যাপিনু॥
ইহা কহি ধরণী লোটায়। বাসু ঘোষ করে হায় হায়॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৬৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

স্বরূপের কাছে গৌরহরি।
কাঁদি কহে ফুকরি ফুকরি॥
বৃথাই পাতিলুঁ প্রেমফাঁদ।
কুঞ্জে না আয়ল কালাচাঁদ॥
টুপটাপ পড়িছে শিশির।
রজনী ভেল ত সুগভীর॥
আশাপথ বৃথাই চাহিনু।
বৃথা ইহ যামিনী যাপিনু॥
ইহা কহি ধরণী লোটায়।
বাসু ঘোষ করে হায় হায়॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
স্বরূপের করে ধরি বলে কাঁদি গৌরহরি
স্বরূপের করে ধরি বলে কান্দি গৌরহরি
ভণিতা বাসু
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত, পদাবলী সংকলন
“শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ কামোদ॥

স্বরূপের করে ধরি                বলে কাঁদি গৌরহরি।
বিহনে আমার শ্যাম রায়।
বিফলে বঞ্চিলু নিশি                অতমিত ভেল শশী
এ পরাণ ফাটি মঝু যায়॥
কোথায় আমার শ্যাম বঁধু।
ফুল-শেজ বাসি ভেল                   ফুলহার শুখাওল
না মিলল শ্যাম-প্রেমমধু॥ ধ্রু॥
চল রে স্বরূপ চল                       যাই সুরধুনীজল
এ সকল দেই ভাসাইয়া।
গেল যাক্ কুলমান                  আর না রাখিব প্রাণ
তেজিব সলিলে ঝাঁপ দিয়া॥
আমার সে কালশশী              কার কুঞ্জে বঞ্চে নিশি
কাঁহে মূঝে ভেলত বৈমুখ।
বাসুদেব ঘোষ কহে                  এ দুখে পরাণ দহে
কাঁহা মিটায়ব হিয়াদুখ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব
পদাবলী”, ১৭৩-পৃষ্ঠায় ভণিতায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গম্ভীরায় শ্রীগৌরাঙ্গ
॥ কামোদ॥

স্বরূপের করে ধরি                বলে কাঁদি গৌরহরি
বিহনে আমার শ্যামরায়।
বিফলে বঞ্চিলু নিশি              অতমিত ভেল শশী
এ পরাণ ফাটি মঝু যায়॥
কোথায় আমার শ্যাম বঁধু।
ফুলশেজ বাসি ভেল                  ফুলহার শুখাওল
না মিলল শ্যাম প্রেমমধু॥ ধ্রু॥
চল রে স্বরূপ চল                    যাইয়া যমুনা জল
এ সকল দেই ভাসাইয়া।
গেল যাক্ কুলমান                আর না রাখিব প্রাণ
তেজিব সলিলে ঝাঁপ দিয়া॥
আমার সে কালশশী            কার কুঞ্জে বঞ্চে নিশি
কাঁহে মূঝে হৈল বৈমুখ।
বাসুদেব ঘোষ কহে                এ দুখে পরাণ দহে
কাঁহা মিটায়ব হিয়াদুখ॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি. কলা (বাংলা)
উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https://shodhganga.inflibnet.ac.in )
“বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী  
সংকলন, ৭৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। চিত্রা রায় পদটিকে “সন্দিগ্ধ পদ” হিসেবে রেখেছেন।

॥ কামোদ॥

স্বরূপের করে ধরি                বলে কান্দি গৌরহরি
বিহনে আমার শ্যামরায়।
বিফলে বঞ্চিলু নিশি                অতমিত ভেল শশী
এ পরাণ ফাটি মঝু যায়॥
কোথায় আমার শ্যাম বঁধু।
ফুল-শেজ বাসি ভেল                   ফুলহার শুখাওল
না মিলল শ্যাম প্রেমমধু॥ ধ্রু॥
চলরে স্বরূপ চল                      যাই সুরধুনী জল
এ সকল দেই ভাসাইয়া।
গেল যাক কুলমান                 আর না রাখিব প্রাণ
তেজিব সলিলে ঝাঁপ দিয়া॥
আমার সে কালশশী             কার কুঞ্জে বঞ্চে নিশি
কাঁহে মূঝে ভেলত বৈমুখ।
বাসুদেব ঘোষ কহে                এ দুখে পরাণ দহে
কাঁহা মিটায়ব হিয়া দুখ॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
স্বরূপের করে ধরি গোরারায়
ভণিতা বাসু
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ১৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

স্বরূপের করে ধরি গোরারায়।
গালি কত পাড়ে শ্যাম বন্ধুয়ায়॥
সে শঠ লম্পট রতিচোর।
কত না দুর্গতি করে মোর॥
কুলমান সকলি নাশিল।
পতিগেহে আনল ভেজাইল॥
শেষে কালা মোহে পরিহরি।
কেলি করে লৈয়া অন্য নারী॥
মুই কি হইনু তার পর।
ইহা কহি গৌরহরি কাঁদিয়া ফাঁফর॥
বাসু কহে কি বুঝিব আমি।
যার লাগি কাঁদ পহুঁ সেই ধন তুমি॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৭৩-পৃষ্ঠায় ভণিতায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

গম্ভীরায় শ্রীগৌরাঙ্গ
॥ সুহই॥

স্বরূপেরে ধরি গোরা রায়।
গালি পাড়ে শ্যাম বন্ধুয়ায়॥
সে শঠ লম্পট রতিচোর।
কত না দুর্গতি করে মোর॥
কুলমান সকলি নাশিল।
পতি গেহে আনল ভেজাইল॥
শেষে কালা মোহে পরিহরি।
কেলি করে লৈয়া অন্য নারী॥
মুই কি হইনু তার পর।
ইহা কহি কাঁদিয়া ফাঁফর॥
বাসু কহে কি বুঝিব আমি।
যার লাগি কাঁদ সেই তুমি॥

ই পদটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ২য় খণ্ড, ৪৫৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বংশী ধ্বনি-শ্রবণে মান
শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ সুহই - মধ্যম দশকুশী॥

স্বরূপের করে ধরি গোরারায়।
গালি কত পাড়ে শ্যাম বন্ধুয়ায়॥
সো শঠ লম্পট রতি-চোর।
কত না দুর্গতি করে মোর॥
কুলমান সকলি নাশিল।
পতি-গেহে আনল ভেজাইল॥
শেষে কালা মোহে পরিহরি।
কেলি করে লৈয়া অন্য নারী॥
মুই কি হইলুঁ তার পর।
ইহা কহি গৌরহরি কাঁদিয়া ফাঁফর॥
বাসু কহে কি বুঝিব আমি।
যার লাগি কাঁদ পহুঁ সেই ধন তুমি॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৭০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

স্বরূপেরে করে ধরি গোরারায়।
গালি কত পাড়ে শ্যাম বন্ধুয়ায়॥
সে শঠ লম্পট রতিচোর।
কত না দুর্গতি করে মোর॥
কুলমান সকলি নাশিল।
পতিগেহে আনল ভেজাইল॥
শেষে কালা মোহে পরিহরি।
কেলি করে লৈয়া অন্য নারী॥
মুই কি হইনু তার পর।
ইহা কহি গৌরহরি কাঁদিয়া ফাঁফর॥
বাসু কহে কি বুঝিব আমি।
যার লাগি কাঁদ পহুঁ সেই ধন তুমি॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
কেন মান করিনু লো সই
কেনে মান করিনু লো সই
ভণিতা বাসু
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২০০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

কেন মান করিনু লো সই।
গোরা গুণনিধি গেল কই॥
তেজিলাম যদি বঁধুয়ায়।
কেন প্রাণ নাহি বাহিরায়॥
আমি ত তেজিনু গৌরহরি।
তোরা কেনে না রাখিলি ধরি॥
এবে গেহ দেহ শূন ভেল।
গৌর বৈমুখ ভৈগেল॥
এবে কেন মিছা হা হুতাশ।
বাসু কহে পূরিবেক আশ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কলহান্তরিতা
॥ সুহই॥

কেনে মান করিনু লো সই।
গোরা গুণনিধি গেল কই॥
তেজিলাম যদি বঁধুয়ায়।
কেন প্রাণ নাহি বাহিরায়॥
আমি ত তেজিনু গৌরহরি।
তোরা কেনে না রাখিলি ধরি॥
এবে গেহ দেহ শূন ভেল।
গৌর বৈমুখ ভৈ গেল॥
এবে কেন মিছা হা হুতাশ।
বাসু কহে পূরিবেক আশ॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট, https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in ) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব ঘোষ”,
৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৭৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই॥

কেন মান করিনু লো সই।
গোরা গুণনিধি গেল কই॥
তেজিলাম যদি বঁধুয়ায়।
কেন প্রাণ নাহি বাহিরায়॥
আমি ত’ তেজিনু গৌরহরি।
তোরা কেনে না রাখিলি ধরি॥
এবে গেহ দেহ শূন ভেল।
গৌর বৈমুখ ভৈ গেল॥
এবে কেন মিছা হা হুতাশ।
বাসু কহে পূরিবেক আশ॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
আজু কেন গোরাচাঁদের বিরস বয়ান
আজি কেনে গোরাচান্দের বিরস বয়ান
আজু কেনে গোরাচাঁদের বিরস বয়ান
ভণিতা বাসু
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং
সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড,
৪র্থ শাখা, ২য় পল্লব, ভাবী বিরহ, ১৫৯৮-পদসংখ্যায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সুহই। কন্দর্পতাল ॥

আজু কেনে গোরাচাঁদের বিরস বয়ান।
কে আইল কে আইল বলি ঝরয়ে নয়ান॥
চৌদিগে ভকতগণ কাঁদি অচেতন।
গৌরাঙ্গ এমন কেনে না বুঝি কারণ॥
সে মুখ চাহিতে হিয়া কেমন জানি করে।
কত সুরধুনী-ধারা আঁখিযুগে ঝরে॥
হরি হরি বলি গোরা ছাড়য়ে নিশ্বাস।
শিরে কর হানে বাসু গদগদ ভাষ॥

ই পদটি দ্বিজ মাধব সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতীর
গ্রন্থশালার ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ”, ৩১১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগিণী সুহই॥
॥ তাল কন্দর্প॥ তালো॥

আজি কেনে গোরাচান্দের বিরস বয়ান। কে আইল কে আইল ঝরএ নয়ান॥
চৌদিকে ভকতগণ কান্দি অচেতন। গৌরাঙ্গ এমন কেনে না বুঝিনু মন॥
সো মুখ চাহিতে হিয়া কেমন জানি করে। কত সুরধুনী ধারা আখিজুগে ঝরে॥
হরিহরি বলি গোরা ছাড়য়ে নিশ্বাস। শিরে কর হানে বাসু গদগদ ভাষ॥

ই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বিরহ
॥ সুহই - কন্দর্প॥

আজু কেন গোরাচাঁদের বিরস বয়ান।
কে আইল কে আইল করি ঝরয়ে নয়ান॥
চৌদিকে ভকতগণ কাঁদি অচেতন।
গৌরাঙ্গ এমন কেনে না বুঝি কারণ॥
সে মুখ চাইতে হিয়া কেমন জানি করে।
কত সুরধুনী-ধারা আঁখিযুগে ঝরে॥
হরি হরি বলি গোরা ছাড়য়ে নিশ্বাস।
শিরে কর হানে বাসু গদ গদ ভাষ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

ভাবি বিরহ
॥ সুহই - কন্দর্প॥

আজু কেন গোরাচাঁদের বিরস বয়ান।
কে আইল কে আইল করি ঝরয়ে নয়ান॥
চৌদিকে ভকতগণ কাঁদি অচেতন।
গৌরাঙ্গ এমন কেনে না বুঝি কারণ॥
সে মুখ চাইতে হিয়া কেমন জানি করে।
কত সুরধুনীধারা আঁখিযুগে ঝরে॥
হরি হরি বলি গোরা ছাড়য়ে নিশ্বাস।
শিরে কর হানে বাসু গদগদ ভাষ॥

ই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত
মহাজন পদাবলী “শ্রীপদামৃতমাধুরী” ৪র্থ খণ্ড, ২২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

পুনশ্চ শ্রীগৌরচন্দ্র।
॥ সুহই - দশকুশী॥

আজু কেনে গোরাচাঁদের বিরস বয়ান।
কে আইল কে আইল বলি ঝরয়ে নয়ান॥
চৌদিগে ভকতগণ কাঁদি অচেতন।
গৌরাঙ্গ এমন কেনে না বুঝি কারণ॥
সে মুখ চাহিতে হিয়া কেমন জানি করে।
কত সুরধুনী-ধারা আঁখি যুগে ঝরে॥
হরি হরি বলি গোরা ছাড়য়ে নিশ্বাস।
শিরে কর হানে বাসু গদ গদ ভাষ॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৫৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ রাগ সুহই - কন্দর্পতাল॥

আজু কেনে গোরাচাঁদের বিরস বয়ান।
কে আইল কে আইল বলি ঝরয়ে নয়ান॥
চৌদিগে ভকতগণ কাঁদি অচেতন।
গৌরাঙ্গ এমন কেনে না বুঝি কারণ॥
সে মুখ চাইতে হিয়া কেমন জানি করে।
কত সুরধুনী-ধারা আঁখিযুগে ঝরে॥
হরি হরি বলি গোরা ছাড়য়ে নিশ্বাস।
শিরে কর হানে বাসু গদগদ ভাষ॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর
চেতন পাইয়া গোরারায়
ভণিতা বাসু ঘোষ
কবি বাসুদেব ঘোষ
এই পদটি ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত, জগবন্ধু ভদ্র সংকলিত, মৃণালকান্তি ঘোষ সম্পাদিত,
পদাবলী সংকলন “শ্রীগৌরপদ-তরঙ্গিণী” ২য় সংস্করণ, ২০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

চেতন পাইয়া গোরারায়। ভূমে পড়ি ইতি উতি চায়॥
সমূখে স্বরূপ রামরায়। দেখি পহুঁ করে হায় হায়॥
কাঁহা মোর মুরলি-বদন। এখনি পাইনু দরশন॥
ওহে নাথ পরম করুণ। কৃপা করি দেহ দরশন॥
এত বিলাপয়ে গোরাচাঁদে। দেখিয়া ভকতগণ কাঁদে॥
বাসু ঘোষ কহে মোর গোরা। কৃষ্ণপ্রেমে হইল বিভোরা॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী
সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী”, ১৭৩-পৃষ্ঠায় ভণিতায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

চেতন পাইয়া গোরা রায়।
ভূমে পড়ি ইতি উতি চায়॥
সমুখে স্বরূপ রামরায়।
দেখি পহুঁ করে হায় হায়॥
কাঁহা মোর মুরলি বদন।
এখনি পাইনু দরশন॥
ওহে নাথ পরম করুণ।
কৃপা করি দেহ দরশন॥
এত বিলাপয়ে গোরাচাঁদে।
দেখিয়া ভকতগণ কাঁদে॥
বাসু ঘোষ কহে মোর গোরা।
কৃষ্ণপ্রেমে হইল বিভোরা॥

ই পদটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত, ডঃ চিত্রা রায়ের, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পি-এইচ.ডি.
কলা (বাংলা) উপাধির জন্য প্রদত্ত গবেষণা নিবন্ধ (সৌজন্যে শোধগঙ্গা ওয়েবসাইট,
https:
//shodhganga.inflibnet.ac.in
) “বৈষ্ণব সংস্কৃতি ও সাহিত্যে গোবিন্দ, মাধব ও বাসুদেব
ঘোষ”, ৭ম অধ্যায়, বাসুঘোষের পদাবলী সংকলন, ৬০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ শ্রীরাগ॥

চেতন পাইয়া গোরা রায়।
ভূমে পড়ি ইতি উতি চায়॥
সম্মুখে স্বরূপ রাম রায়।
দেখি পহুঁ করে হায় হায়॥
কাঁহা মোর মুরলী বদন।
এখনি পাইলুঁ দরশন॥
ওহে নাথ পরম করুন।
কৃপা করি দেহ দরশন॥
এত বিলাপয়ে গোরাচাঁদে।
দেখিয়া ভকতগণ কাঁদে॥
বাসু ঘোষ কহে মোর গোরা।
কৃষ্ণপ্রেমে হইল বিভোরা॥

.          ************************          
.                                                                               
সূচীতে . . .   



মিলনসাগর