বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের সাক্ষাত - এ বিষয়ে সতীশচন্দ্র রায় তাঁর সম্পাদিত “অপ্রকাশিত পদ-
রত্নাবলী” ১৯২৬ গ্রন্থের “পদকর্ত্তা ও তাঁহাদের পদাবলী” প্রবন্ধে লিখেছেন যে “পদকল্পতরুর সংকলনের ৪র্থ
শাখার ২৬শ পল্লবে বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের পরস্পর সাক্ষাত্কার ও রস-তত্ত্বের আলোচনা সংক্রান্ত যে
কয়েকটি পদ আছে, তাহাতে দেখা যায়, উক্ত কবিদ্বয় প্রথমে পরস্পরের রচিত পদ পাঠ করিয়াই পরস্পরের
দর্শন-লাভের জন্য উত্কণ্ঠিত হন এবং অবশেষে বোধ হয় গঙ্গা-তীরে তীর্থ-যাত্রা প্রসঙ্গে উভয়ের সম্মিলন
ঘটে ; তৎ সময়ে মিথিলার রাজা রূপ-নারায়ণও বিদ্যাপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।"
সেই পদসংখ্যাগুলি হল গোবিন্দদাসের “কবি-পতি বিদ্যাপতি” পদসংখা ২৩৮৬, রঘুনাথ দাসের “জয় জয়
শ্রীজয়দেব” পদসংখ্যা ২৩৮৭, অজ্ঞাত পদকর্তার “চণ্ডীদাস বিদ্যাপতি” পদসংখ্যা ২৩৮৮, অজ্ঞাত পদকর্তার
“চণ্ডীদাস শুনি বিদ্যাপতি-গুণ” পদসংখ্যা ২৩৮৯, অক্ষাত পদকর্তার “সময় বসন্ত যাম” পদসংখ্যা ২৩৯০,
অজ্ঞাত পদকর্তার “রসের কারণ রসিকা রসিক” পদসংখ্যা ২৩৯১, চণ্ডীদাসের “শৃঙ্গার রস বুঝিবে কে”
পদসংখ্যা ২৩৯২, চণ্ডীদাসের “রসিক নাগরী রসের মরা” পদসংখ্যা ২৩৯৩, আদি চণ্ডীদাসের “চৌদ্দ ভুবন
ভুবন তিন” পদসংখ্যা ২৩৯৪। মিলনসাগরে এই পদগুলি পড়তে এখানে ক্লিক করুন . . .।
বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাস বিশাল জ্ঞানের সাগর। আমরা এ বিষয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে কিছু তথ্য তুলে দিয়েছি
মাত্র। কোনো বিশ্লেষণ বা মন্তব্য ইত্যাদি করার ক্ষমতা বা ধৃষ্টতা আমাদের নেই। যদি ভুল-ত্রুটি চোখে পড়ে,
জানাবেন। আমরা শুধরে নেবো। আমরা মিলনসাগরে কবি বিদ্যাপতির বৈষ্ণব পদাবলী আগামী প্রজন্মের
কাছে, এই আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে (ইনটারনেট), পৌঁছে দিতে পারলে এই প্রচেষ্টাকে সফল মনে করবো।
চেষ্টা করছি বিদ্যাপতির যতগুলো সম্ভব পদ যোগাড় করে এখানে তুলতে।
আমরা মিলনসাগরে কবি বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের মিলনের পদাবলী তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে
দিতে পারলে এই প্রচেষ্টাকে সফল মনে করবো।
বিদ্যাপতি চণ্ডীদাসের মিলনের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
আমাদের ই-মেল - srimilansengupta@yahoo.co.in
এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ১৪.২.২০১৭
...