কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
সখিগণ বচনে বনায়ল বেশ
সখীগণ বচনে বনায়ল বেশ
সখীগণ বচনে বনাওল বেশ
সখাগণ-বচনে বনাওল বেশ
সখিগণ বচনে বাওল বেশ
কবি জ্ঞানদাস
সখীগণ বচনে বনায়ল বেশ
সখীগণ বচনে বনাওল বেশ
সখাগণ-বচনে বনাওল বেশ
সখিগণ বচনে বাওল বেশ
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ১৩শ পল্লব, অভিসারোত্কন্ঠা, ১০১৯- নং পদসংখ্যা, ২০৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভূপালী॥
সখিগণ-বচনে বনায়ল বেশ।
বিরচিল কবরি আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেয়ল সিন্দুর-বিন্দু।
চন্দন-রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত অভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরছয়ে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল-বসনে তনু ঝাঁপলি গোরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যাম-রসে ভোরি॥
মদনমোহন মনমোহিনি নারি।
জ্ঞানদাস কহ যাঙ বলিহারি॥
এই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ১৮৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভূপালী॥
সখীগণ বচনে বনায়ল বেশ। বিরচিত করবী আঁচরে নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দুরবিন্দু। চন্দনরেখ শোভে আধ ইন্দু॥
কত কত অভরণ সাজায়ল অঙ্গে। হেরইতে মুরছএ কতহু অনঙ্গে॥
নীল বসনে তনু ঝাপলি গোরি। চললি নিকুঞ্জে শ্যামরস ভোরি॥
মদনমোহন মোহিনী নারী। জ্ঞানদাসে কহে জাও বলিহারি॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার
॥ ভূপালী॥
সখীগণ বচনে বনাওল বেশ।
বিরচিল কবরী আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দূর বিন্দু।
চন্দন রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত আভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মূরছে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল বসনে তনু ঝাঁপিল গোরী।
চললি নিকুঞ্জে শ্যাম রসে ভোরি॥
মদন মোহন মনমোহিনী নারী।
জ্ঞানদাস কহ যাও বলিহারী॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৩৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার।
॥ ভূপালী॥
সখীগণ বচনে বনাওল বেশ।
বিরচিল কবরী আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দূর বিন্দু।
চন্দন রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত আভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মূরছে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল বসনে তনু ঝাঁপিল গোরী।
চললি নিকুঞ্জে শ্যাম রসে ভোরি॥
মদনমোহন মনোমোহিনী নারী।
জ্ঞানদাস কহ যাও বলিহারী॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৬৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার
॥ ভূপালী॥
সখীগণ বচনে বনাওল বেশ। বির-
চিল কবরী আঁচরি নিজ কেশ॥ ভালহি
দেওল সিন্দূর বিন্দু। চন্দন রেখ শোভয়ে
আধ ইন্দু॥ কত কত আভরণ সাজায়ল
অঙ্গে। হেরইতে মূরছে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল বসনে তনু ঝাঁপিল গোরী। চললি
নিকুঞ্জে শ্যাম রসে ভোরি॥ মদনমোহন
মনোমোহিনী নারী। জ্ঞানদাস কহ যাও
বলিহারী॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার
॥ ভূপালী॥
সখাগণ-বচনে বনাওল বেশ।
বিরচিল কবরী আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দূর-বিন্দু।
চন্দনরেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত আভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মূরছে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল বসনে তনু ঝাঁপিল গোরী।
চললি নিকুঞ্জে শ্যাম-রসে ভোরি॥
মদনমোহন-মনমোহিনী নারী।
জ্ঞানদাস কহ যাও বলিহারী॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অভিসার, ১৪০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখিগণ বচনে বনায়ল বেশ।
বিরচিল কবরি আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেয়ল সিন্দূর-বিন্দু।
চন্দন-রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত অভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরছয়ে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল-বসনে তনু ঝাঁপলি গোরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যাম-রসে ভোরি॥
মদনমোহন-মনমোহিনি নারি।
জ্ঞানদাস কহ যাঙ বলিহারি॥
টীকা----
চন্দন রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু ---- কপালে একটু চন্দনের রেখা আঁকিয়া দেওয়া হইয়াছে, তাহা অর্দ্ধচন্দ্রাকারে শোভা পাইতেছে।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২১৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার
॥ ভূপালী॥
সখীগণ-বচনে বনাওল বেশ।
বিরচিল কবরী আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দূর বিন্দু।
চন্দনরেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত আভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মূরছে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল বসনে তনু ঝাঁপিল গোরী।
চলিল নিকুঞ্জে শ্যাম-রসে ভরি॥
মদনমোহন মনোমোহিনী নারী।
জ্ঞানদাস কহ যাও বলিহারী॥
এই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায় সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী” বৈষ্ণব পদ সংকলনের ৯১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার খণ্ড
॥ বেহাগ - তেওট॥
সখিগণ-বচনে বনায়ল বেশ।
বিরচিল কবরি আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেয়ল সিন্দূর-বিন্দু।
চন্দন রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত অভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরছয়ে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল-বসনে তনু ঝাঁপলি গোরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যামরসে ভোরি॥
মদনমোহন মনমোহিনি নারী।
জ্ঞানদাস কহে যাওঁ বলিহারী॥
এই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ১৩৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
সখিশিক্ষা
॥ ভূপালী॥
সখিগণ বচনে বাওল বেশ।
বিরচিল কবরী আচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দূর বিন্দু।
চন্দন রেখ শোভে আধ ইন্দু॥
কত কত অভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরছে কতহু অনঙ্গে॥
নীল বসনে মুখ ঝাপিল গৌরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যামরসে ভোরি॥
মদন-মোহন মনোমোহিনী নারী।
জ্ঞান দাস কহু যাঙ বলিহারী॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, অভিসারিকা, ২৭২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
[ তথাহি প্রকারান্তরং ]
॥ ভূপালী॥
সখীগণ বচনে বনাওল বেশ।
বিরচিল কবরী আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দূর বিন্দু।
চন্দন রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত আভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরুছে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল বসনে মুখ ঝাঁপলি গোরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যাম-রসে ভোরি॥
মদনমোহন-মন-মোহিনী নারী।
জ্ঞানদাস কহু যাঙ বলিহারি॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, নিকুঞ্জ-মিলন, ৪৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
[ অথ প্রকারান্তরং যথা ]
॥ ভূপালী॥
সখীগণ বচনে বনাওল বেশ।
বিরচিল কবরী আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দূর-বিন্দু।
চন্দন-রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত আভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মূরছে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল বসনে তনু ঝাঁপল গোরী।
চললি নিকুঞ্জে শ্যামরসে ভোরি॥
মদনমোহন-মন-মোহিনী নারী।
জ্ঞানদাস কহু যাঙ বলিহারি॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৩৯২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার
দিনাভরে
॥ ভূপালী॥
সখিগণ বচনে বনায়ল বেশ।
বিরচিল কবরি আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেয়ল সিন্দূর বিন্দু।
চন্দন রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত অভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরছয়ে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীলবসনে তনু ঝাঁপলি গোরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যামরসে ভোরি॥
মদনমোহন মনমোহিনি নারি।
জ্ঞানদাস কহে যাঙ বলিহারী॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৯৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার
॥ ভূপালী॥
সখিগণ বচনে বনায়ল বেশ।
বিরচিল কবরি আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেয়ল সিন্দূর-বিন্দু।
চন্দন-রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত অভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরছয়ে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল-বসনে তনু ঝাঁপলি গোরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যাম-রসে ভোরি॥
মদনমোহন-মনমোহিনি নারি।
জ্ঞানদাস কহ যাঙ বলিহারী॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৬১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখিগণ বচনে বনায়ল বেশ।
বিরচিল কবরি আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেয়ল সিন্দূর বিন্দু।
চন্দন রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত আভরণ সজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরছয়ে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীলবসনে তনু ঝাঁপলি গোরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যামরসে ভোরি॥
মদনমোহন-মনমোহিনি নারি।
জ্ঞানদাস কহে যাঙ বলিহারি॥
*********************
সখিগণ-বচনে বনায়ল বেশ।
বিরচিল কবরি আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেয়ল সিন্দুর-বিন্দু।
চন্দন-রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত অভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরছয়ে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল-বসনে তনু ঝাঁপলি গোরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যাম-রসে ভোরি॥
মদনমোহন মনমোহিনি নারি।
জ্ঞানদাস কহ যাঙ বলিহারি॥
এই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ১৮৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভূপালী॥
সখীগণ বচনে বনায়ল বেশ। বিরচিত করবী আঁচরে নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দুরবিন্দু। চন্দনরেখ শোভে আধ ইন্দু॥
কত কত অভরণ সাজায়ল অঙ্গে। হেরইতে মুরছএ কতহু অনঙ্গে॥
নীল বসনে তনু ঝাপলি গোরি। চললি নিকুঞ্জে শ্যামরস ভোরি॥
মদনমোহন মোহিনী নারী। জ্ঞানদাসে কহে জাও বলিহারি॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৯২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার
॥ ভূপালী॥
সখীগণ বচনে বনাওল বেশ।
বিরচিল কবরী আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দূর বিন্দু।
চন্দন রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত আভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মূরছে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল বসনে তনু ঝাঁপিল গোরী।
চললি নিকুঞ্জে শ্যাম রসে ভোরি॥
মদন মোহন মনমোহিনী নারী।
জ্ঞানদাস কহ যাও বলিহারী॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৩৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার।
॥ ভূপালী॥
সখীগণ বচনে বনাওল বেশ।
বিরচিল কবরী আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দূর বিন্দু।
চন্দন রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত আভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মূরছে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল বসনে তনু ঝাঁপিল গোরী।
চললি নিকুঞ্জে শ্যাম রসে ভোরি॥
মদনমোহন মনোমোহিনী নারী।
জ্ঞানদাস কহ যাও বলিহারী॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৬৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার
॥ ভূপালী॥
সখীগণ বচনে বনাওল বেশ। বির-
চিল কবরী আঁচরি নিজ কেশ॥ ভালহি
দেওল সিন্দূর বিন্দু। চন্দন রেখ শোভয়ে
আধ ইন্দু॥ কত কত আভরণ সাজায়ল
অঙ্গে। হেরইতে মূরছে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল বসনে তনু ঝাঁপিল গোরী। চললি
নিকুঞ্জে শ্যাম রসে ভোরি॥ মদনমোহন
মনোমোহিনী নারী। জ্ঞানদাস কহ যাও
বলিহারী॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার
॥ ভূপালী॥
সখাগণ-বচনে বনাওল বেশ।
বিরচিল কবরী আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দূর-বিন্দু।
চন্দনরেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত আভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মূরছে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল বসনে তনু ঝাঁপিল গোরী।
চললি নিকুঞ্জে শ্যাম-রসে ভোরি॥
মদনমোহন-মনমোহিনী নারী।
জ্ঞানদাস কহ যাও বলিহারী॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, অভিসার, ১৪০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখিগণ বচনে বনায়ল বেশ।
বিরচিল কবরি আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেয়ল সিন্দূর-বিন্দু।
চন্দন-রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত অভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরছয়ে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল-বসনে তনু ঝাঁপলি গোরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যাম-রসে ভোরি॥
মদনমোহন-মনমোহিনি নারি।
জ্ঞানদাস কহ যাঙ বলিহারি॥
টীকা----
চন্দন রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু ---- কপালে একটু চন্দনের রেখা আঁকিয়া দেওয়া হইয়াছে, তাহা অর্দ্ধচন্দ্রাকারে শোভা পাইতেছে।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২১৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার
॥ ভূপালী॥
সখীগণ-বচনে বনাওল বেশ।
বিরচিল কবরী আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দূর বিন্দু।
চন্দনরেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত আভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মূরছে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল বসনে তনু ঝাঁপিল গোরী।
চলিল নিকুঞ্জে শ্যাম-রসে ভরি॥
মদনমোহন মনোমোহিনী নারী।
জ্ঞানদাস কহ যাও বলিহারী॥
এই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায় সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী” বৈষ্ণব পদ সংকলনের ৯১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার খণ্ড
॥ বেহাগ - তেওট॥
সখিগণ-বচনে বনায়ল বেশ।
বিরচিল কবরি আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেয়ল সিন্দূর-বিন্দু।
চন্দন রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত অভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরছয়ে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল-বসনে তনু ঝাঁপলি গোরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যামরসে ভোরি॥
মদনমোহন মনমোহিনি নারী।
জ্ঞানদাস কহে যাওঁ বলিহারী॥
এই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ১৩৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
সখিশিক্ষা
॥ ভূপালী॥
সখিগণ বচনে বাওল বেশ।
বিরচিল কবরী আচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দূর বিন্দু।
চন্দন রেখ শোভে আধ ইন্দু॥
কত কত অভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরছে কতহু অনঙ্গে॥
নীল বসনে মুখ ঝাপিল গৌরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যামরসে ভোরি॥
মদন-মোহন মনোমোহিনী নারী।
জ্ঞান দাস কহু যাঙ বলিহারী॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, অভিসারিকা, ২৭২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
[ তথাহি প্রকারান্তরং ]
॥ ভূপালী॥
সখীগণ বচনে বনাওল বেশ।
বিরচিল কবরী আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দূর বিন্দু।
চন্দন রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত আভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরুছে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল বসনে মুখ ঝাঁপলি গোরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যাম-রসে ভোরি॥
মদনমোহন-মন-মোহিনী নারী।
জ্ঞানদাস কহু যাঙ বলিহারি॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, নিকুঞ্জ-মিলন, ৪৪৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
[ অথ প্রকারান্তরং যথা ]
॥ ভূপালী॥
সখীগণ বচনে বনাওল বেশ।
বিরচিল কবরী আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেওল সিন্দূর-বিন্দু।
চন্দন-রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত আভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মূরছে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল বসনে তনু ঝাঁপল গোরী।
চললি নিকুঞ্জে শ্যামরসে ভোরি॥
মদনমোহন-মন-মোহিনী নারী।
জ্ঞানদাস কহু যাঙ বলিহারি॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৩৯২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার
দিনাভরে
॥ ভূপালী॥
সখিগণ বচনে বনায়ল বেশ।
বিরচিল কবরি আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেয়ল সিন্দূর বিন্দু।
চন্দন রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত অভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরছয়ে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীলবসনে তনু ঝাঁপলি গোরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যামরসে ভোরি॥
মদনমোহন মনমোহিনি নারি।
জ্ঞানদাস কহে যাঙ বলিহারী॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৯৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
অভিসার
॥ ভূপালী॥
সখিগণ বচনে বনায়ল বেশ।
বিরচিল কবরি আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেয়ল সিন্দূর-বিন্দু।
চন্দন-রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত অভরণ সাজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরছয়ে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীল-বসনে তনু ঝাঁপলি গোরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যাম-রসে ভোরি॥
মদনমোহন-মনমোহিনি নারি।
জ্ঞানদাস কহ যাঙ বলিহারী॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৬১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখিগণ বচনে বনায়ল বেশ।
বিরচিল কবরি আঁচরি নিজ কেশ॥
ভালহি দেয়ল সিন্দূর বিন্দু।
চন্দন রেখ শোভয়ে আধ ইন্দু॥
কত কত আভরণ সজায়ল অঙ্গে।
হেরইতে মুরছয়ে কতহুঁ অনঙ্গে॥
নীলবসনে তনু ঝাঁপলি গোরি।
চললি নিকুঞ্জে শ্যামরসে ভোরি॥
মদনমোহন-মনমোহিনি নারি।
জ্ঞানদাস কহে যাঙ বলিহারি॥
*********************
