কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ১৬শ পল্লব, বিপরীত-সম্ভোগ-রসোদগার, ১০৯৮-নং পদসংখ্যা, ২৪৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
পুনর্ব্যক্তরূপেণ সখীং প্রতি কথয়তি।
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর হইয়া দেয় মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার বেশ বনায় আমারে।
রমণী হইয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ-ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জিতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোদ্গার
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর হইয়া দেয় মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার বেশ বনায়ে আমারে।
রমণী হৈয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জীতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২০৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোদ্গার।
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর হইয়া দেয় মোর চরণে আলতা॥
আপনি চূড়ার বেশ বনায়ে আমারে।
রমণী হৈয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জীতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৪৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোদ্গার
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥ পুরুষ
পরশ হৈয়া নন্দের কুমার। কি ধন লাগিয়া
ধরে চরণে আমার॥ কাহারে কহিব সখি
মরমের কথা। নাগর হইয়া দেয় মোর
চরণে আলতা॥ আপনি চূড়ার বেশ বনায়ে
আমারে। রমণী হৈয়া যেন রহে মোর
কোরে॥ কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জীতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোচ্ছ্বাস।
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর হইয়া দেয় মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার বেশ বনায়ে আমারে।
রমণী হৈয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জীতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রসোদ্গার, ১৫৫ পৃষ্টায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর হইয়া দেয় মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ায় বেশ বনায় আমারে।
রমণী হইয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ-ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জিতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
টীকা ---
পুরুষ পরশ হৈয়া --- পরশ পাথরের মতন পুরুষ হৈয়া।
জিতে কি পাসরা যায় --- বাঁচিয়া থাকিতে কি ভুলা যায়।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২০৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোচ্ছ্বাস
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর হইয়া দেয় মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার, বেশ বনায়ে আমারে।
রমণী হৈয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ-ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জীতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, প্রেমবৈচিত্র্য, ৮৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর হইয়া দেয় মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার বেশ বনায়ে আমারে।
রমণী হৈয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জীতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৩৯৮-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধার রসোদ্গার
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর পরায়ে মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার বেশ বনায় আমারে।
রমণী হইয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জিতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোদ্গার
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর পরায়ে মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার বেশ বনায় আমারে।
রমণী হইয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ-ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জিতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
টীকা---
এই কথা বল সই --- এই কথা বল, অবলা কবে এত তপস্যা কবিয়াছে? পুরুষ-পরশমণি নন্দ-নন্দন---
কি ধনের লাগিয়া আমার চরণে ধরে। সখি, মরমের কথা কাহাকে কহিব, নাগর আমার পায়ে আলতা পরাইয়া দেয়। আপনার চূড়া দিয়া আমার বেশ রচনা করে, যেন রমণী হইয়া আমার কোলে থাকে। কথা কইতে লজ্জা সই, কথা কইতে লজ্জা। আমাকে পুরুষের ধর্ম আচরণ করায়। জ্ঞানদাস বলিতেছেন, বিনোদিনি শুন, বাঁচিয়া থাকিতে কি কানু-গুণমণিকে পাসরা যায়?
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৫৯৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর পরায়ে মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার বেশ বনায় আমারে।
রমণী হইয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জিতে কি পসরা যায় কানু গুণমণি॥
*********************
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর হইয়া দেয় মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার বেশ বনায় আমারে।
রমণী হইয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ-ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জিতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোদ্গার
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর হইয়া দেয় মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার বেশ বনায়ে আমারে।
রমণী হৈয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জীতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২০৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোদ্গার।
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর হইয়া দেয় মোর চরণে আলতা॥
আপনি চূড়ার বেশ বনায়ে আমারে।
রমণী হৈয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জীতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৪৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোদ্গার
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥ পুরুষ
পরশ হৈয়া নন্দের কুমার। কি ধন লাগিয়া
ধরে চরণে আমার॥ কাহারে কহিব সখি
মরমের কথা। নাগর হইয়া দেয় মোর
চরণে আলতা॥ আপনি চূড়ার বেশ বনায়ে
আমারে। রমণী হৈয়া যেন রহে মোর
কোরে॥ কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জীতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোচ্ছ্বাস।
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর হইয়া দেয় মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার বেশ বনায়ে আমারে।
রমণী হৈয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জীতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রসোদ্গার, ১৫৫ পৃষ্টায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর হইয়া দেয় মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ায় বেশ বনায় আমারে।
রমণী হইয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ-ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জিতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
টীকা ---
পুরুষ পরশ হৈয়া --- পরশ পাথরের মতন পুরুষ হৈয়া।
জিতে কি পাসরা যায় --- বাঁচিয়া থাকিতে কি ভুলা যায়।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২০৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোচ্ছ্বাস
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর হইয়া দেয় মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার, বেশ বনায়ে আমারে।
রমণী হৈয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ-ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জীতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, প্রেমবৈচিত্র্য, ৮৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর হইয়া দেয় মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার বেশ বনায়ে আমারে।
রমণী হৈয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জীতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৩৯৮-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধার রসোদ্গার
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর পরায়ে মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার বেশ বনায় আমারে।
রমণী হইয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জিতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৭৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
রসোদ্গার
॥ ধানশী॥
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর পরায়ে মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার বেশ বনায় আমারে।
রমণী হইয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ-ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জিতে কি পাসরা যায় কানু গুণমণি॥
টীকা---
এই কথা বল সই --- এই কথা বল, অবলা কবে এত তপস্যা কবিয়াছে? পুরুষ-পরশমণি নন্দ-নন্দন---
কি ধনের লাগিয়া আমার চরণে ধরে। সখি, মরমের কথা কাহাকে কহিব, নাগর আমার পায়ে আলতা পরাইয়া দেয়। আপনার চূড়া দিয়া আমার বেশ রচনা করে, যেন রমণী হইয়া আমার কোলে থাকে। কথা কইতে লজ্জা সই, কথা কইতে লজ্জা। আমাকে পুরুষের ধর্ম আচরণ করায়। জ্ঞানদাস বলিতেছেন, বিনোদিনি শুন, বাঁচিয়া থাকিতে কি কানু-গুণমণিকে পাসরা যায়?
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৫৯৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে।
অবলা এতেক তপ করিয়াছে কবে॥
পুরুষ পরশ হৈয়া নন্দের কুমার।
কি ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার॥
কাহারে কহিব সখি মরমের কথা।
নাগর পরায়ে মোর চরণে আলতা॥
আপন চূড়ার বেশ বনায় আমারে।
রমণী হইয়া যেন রহে মোর কোরে॥
কহিতে সরম সই কহিতে সরম।
আমারে আচরে সই পুরুষ ধরম॥
জ্ঞানদাস কহে শুন শুন বিনোদিনি।
জিতে কি পসরা যায় কানু গুণমণি॥
*********************
