কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে রঙ্গিয়া রাখাল সাথে
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা ২২শ পল্লব, প্রকারান্তর সখ্য-বাত্সল্য, ১২২৭- নং পদসংখ্যা, ২৯৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ মঙ্গল॥
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে রঙ্গিয়া রাখাল সাথে
বাহির হৈলা রোহিণী-নন্দন।
শিঙ্গা দিয়া চাঁদ-মুখে উভ করি দিলা ফুকে
শিঙ্গা-রবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটী গলে শোভে হেম কাঁঠি
কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠান আঁখিযুগ ঘূর্ণমান
শোভে কত রতন-ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ দেখিতে লাগয়ে সাধ
আর কাণে মকর-কুণ্ডল।
জিনি ময়-মত্ত হাতী গমন মন্থর-গতি
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির হৈলা বলরাম না দেখিয়া ঘন-শ্যাম
প্রেমে ছলছল দুনয়ন।
জ্ঞানদাসেতে কয় মিলিলা রাখালময়
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে রঙ্গিয়া রাখাল সাথে
বাহির হৈলা রোহিণী-নন্দন।
শিঙ্গা দিয়া চাঁদ-মুখে উভ করি দিলা ফুকে
শিঙ্গা-রবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটী গলে শোভে হেম কাঁঠি
কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠান আঁখিযুগ ঘূর্ণমান
শোভে কত রতন-ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ দেখিতে লাগয়ে সাধ
আর কাণে মকর-কুণ্ডল।
জিনি ময়-মত্ত হাতী গমন মন্থর-গতি
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির হৈলা বলরাম না দেখিয়া ঘন-শ্যাম
প্রেমে ছলছল দুনয়ন।
জ্ঞানদাসেতে কয় মিলিলা রাখালময়
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ৩৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠবিহার
॥ মঙ্গল॥
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে, রঙ্গিয়া রাখাল সাথে,
বাহির হৈলা রোহিণী নন্দন।
শিঙ্গা দিয়া চাঁদমুখে, উভ করি দিলা ফুকে,
শিঙ্গা রবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটী, গলে শোভে হেম কাঁঠি,
কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠাম, আঁখি যুগ ঘূর্ণমান,
শোভে কত রতন ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ, দেখিতে লাগয়ে সাধ,
আর কাণে মকর কুণ্ডল।
জিনি মদ মত্ত হাতী, গমন মন্থর গতি,
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির হৈলা বলরাম, না দেখিয়া ঘনশ্যাম,
প্রেমে ছল ছল দুনয়ান।
জ্ঞানদাসেতে কয়, মিলিয়া রাখাল ময়,
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
॥ মঙ্গল॥
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে, রঙ্গিয়া রাখাল সাথে,
বাহির হৈলা রোহিণী নন্দন।
শিঙ্গা দিয়া চাঁদমুখে, উভ করি দিলা ফুকে,
শিঙ্গা রবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটী, গলে শোভে হেম কাঁঠি,
কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠাম, আঁখি যুগ ঘূর্ণমান,
শোভে কত রতন ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ, দেখিতে লাগয়ে সাধ,
আর কাণে মকর কুণ্ডল।
জিনি মদ মত্ত হাতী, গমন মন্থর গতি,
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির হৈলা বলরাম, না দেখিয়া ঘনশ্যাম,
প্রেমে ছল ছল দুনয়ান।
জ্ঞানদাসেতে কয়, মিলিয়া রাখাল ময়,
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৮০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ।
॥ মঙ্গল॥
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে,
রঙ্গিয়া রাখাল সাথে,
বাহির হৈলা রোহিণী-নন্দন।
শিঙ্গা দিয়া চাঁদমুখে,
উভ করি দিলা ফুকে,
শিঙ্গা রবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটি,
গলে শোভে হেম কাঁঠি,
কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠাম,
আঁখি যুগ ঘূর্ণমান,
শোভে কত রতন ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ,
দেখিতে লাগয়ে সাধ,
আর কাণে মকর কুণ্ডল।
জিনি মদ মত্ত হাতী,
গমন মন্থর গতি,
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির হৈলা বলরাম,
না দেখিয়া ঘনশ্যাম,
প্রেমে ছল ছল দুনয়ান।
জ্ঞানদাসেতে কয়,
মিলিয়া রাখাল ময়,
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
॥ মঙ্গল॥
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে,
রঙ্গিয়া রাখাল সাথে,
বাহির হৈলা রোহিণী-নন্দন।
শিঙ্গা দিয়া চাঁদমুখে,
উভ করি দিলা ফুকে,
শিঙ্গা রবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটি,
গলে শোভে হেম কাঁঠি,
কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠাম,
আঁখি যুগ ঘূর্ণমান,
শোভে কত রতন ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ,
দেখিতে লাগয়ে সাধ,
আর কাণে মকর কুণ্ডল।
জিনি মদ মত্ত হাতী,
গমন মন্থর গতি,
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির হৈলা বলরাম,
না দেখিয়া ঘনশ্যাম,
প্রেমে ছল ছল দুনয়ান।
জ্ঞানদাসেতে কয়,
মিলিয়া রাখাল ময়,
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ
॥ মঙ্গল॥
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে, রঙ্গিয়া রাখাল
সাথে, বাহির হৈলা রোহিণীনন্দন। শিঙ্গা
দিয়া চাঁদমুখে, উভ করি দিল ফুকে, শিঙ্গা
রবে ভেদিল গগন॥ পরিধান নীল ধটি,
গলে শোভে হেম কাঁঠি, কোটি চন্দ্র জিনিয়া
বদন। আকর্ণ শোভিত ঠাম, আঁখি যুগ
ঘূর্ণ্যমান, শোভে কত রতন ভূষণ॥ এককাণে
কোকনদ, দেখিতে লাগয়ে সাধ, আর কাণে
মকর কুণ্ডল। জিনি মদ মত্ত হাতী, গমন
মন্থর গতি, ধরণী করয়ে টলমল॥ বাহির
হৈলা বলরাম, না দেখিয়া ঘনশ্যাম, প্রেমে
ছল ছল দুনয়ান। জ্ঞানদাসেতে কয়,
মিলিয়া রাখাল ময়, মাঝে করি নন্দের
নন্দন॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ১৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ
॥ মঙ্গল॥
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে, রঙ্গিয়া রাখাল
সাথে, বাহির হৈলা রোহিণীনন্দন। শিঙ্গা
দিয়া চাঁদমুখে, উভ করি দিল ফুকে, শিঙ্গা
রবে ভেদিল গগন॥ পরিধান নীল ধটি,
গলে শোভে হেম কাঁঠি, কোটি চন্দ্র জিনিয়া
বদন। আকর্ণ শোভিত ঠাম, আঁখি যুগ
ঘূর্ণ্যমান, শোভে কত রতন ভূষণ॥ এককাণে
কোকনদ, দেখিতে লাগয়ে সাধ, আর কাণে
মকর কুণ্ডল। জিনি মদ মত্ত হাতী, গমন
মন্থর গতি, ধরণী করয়ে টলমল॥ বাহির
হৈলা বলরাম, না দেখিয়া ঘনশ্যাম, প্রেমে
ছল ছল দুনয়ান। জ্ঞানদাসেতে কয়,
মিলিয়া রাখাল ময়, মাঝে করি নন্দের
নন্দন॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ১৯৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠ-লীলা।
॥ মঙ্গল॥
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে, রঙ্গিয়া রাখাল সাথে,
বাহির হৈলা রোহিণীনন্দন।
শিঙ্গা-দিয়া চাঁদমুখে, উভ করি দিল ফুকে,
শিঙ্গা রবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটী, গলে শোভে হেমকাঁঠি,
কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠাম, আঁখিযুগ ঘূর্ণমান,
শোভে কত রতন ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ, দেখিতে লাগয়ে সাধ,
আর কাণে মকর-কুণ্ডল।
জিনি মদমত্ত হাতী, গমন মন্থরগতি,
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির হৈলা বলরাম, না দেখিয়া ঘনশ্যাম,
প্রেমে ছল ছল দুনয়ান।
জ্ঞানদাসেতে কয়, মিলিয়া রাখালময়,
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
॥ মঙ্গল॥
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে, রঙ্গিয়া রাখাল সাথে,
বাহির হৈলা রোহিণীনন্দন।
শিঙ্গা-দিয়া চাঁদমুখে, উভ করি দিল ফুকে,
শিঙ্গা রবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটী, গলে শোভে হেমকাঁঠি,
কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠাম, আঁখিযুগ ঘূর্ণমান,
শোভে কত রতন ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ, দেখিতে লাগয়ে সাধ,
আর কাণে মকর-কুণ্ডল।
জিনি মদমত্ত হাতী, গমন মন্থরগতি,
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির হৈলা বলরাম, না দেখিয়া ঘনশ্যাম,
প্রেমে ছল ছল দুনয়ান।
জ্ঞানদাসেতে কয়, মিলিয়া রাখালময়,
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ১০১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে। গোষ্ঠলীলা, সখ্য ও বাত্সল্য রসের পদ।
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে রঙ্গিয়া রাখাল সাথে
বাহির হৈলা রোহিনী নন্দন।
শিঙ্গা দিয়া চাঁদ মুখে উভ করি দিলা ফুকে
শিঙ্গা রবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটী গলে শোভে হেম কাঁঠি
কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠান আঁখিযুগ ঘূর্ণমান
শোভে কত রতন-ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ দেখিতে লাগয়ে সাধ
আর কাণে মকর কুণ্ডল।
জিনি ময়-মত্ত হাতী গমন-মন্থর গতি
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির কৈলা বলরাম না দেখিয়া ঘনশ্যাম
প্রেমে ছলছল দুনয়ন।
জ্ঞানদাসেতে কয় মিলিলা রাখালচয়
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
বাহির হৈলা রোহিনী নন্দন।
শিঙ্গা দিয়া চাঁদ মুখে উভ করি দিলা ফুকে
শিঙ্গা রবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটী গলে শোভে হেম কাঁঠি
কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠান আঁখিযুগ ঘূর্ণমান
শোভে কত রতন-ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ দেখিতে লাগয়ে সাধ
আর কাণে মকর কুণ্ডল।
জিনি ময়-মত্ত হাতী গমন-মন্থর গতি
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির কৈলা বলরাম না দেখিয়া ঘনশ্যাম
প্রেমে ছলছল দুনয়ন।
জ্ঞানদাসেতে কয় মিলিলা রাখালচয়
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
টীকা--
উভ করি--- উচ্চ করিয়া।
ময়মত্ত-- মদ মত্ত।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
উভ করি--- উচ্চ করিয়া।
ময়মত্ত-- মদ মত্ত।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠলীলা
॥ মঙ্গল॥
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে রঙ্গিয়া রাখাল সাথে
বাহির হৈলা রোহিণীনন্দন।
শিঙ্গা দিয়া চাঁদমুখে উভ করি দিলা ফুকে
শিঙ্গারবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটী গলে শোভে হেম কাঁঠি
কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠান আঁখিযুগ ঘূর্ণমান
শোভে কত রতন-ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ দেখিতে লাগয়ে সাধ
আর কাণে মকরকুণ্ডল।
জিনি ময়মত্ত হাতী গমন মন্থরগতি
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির হৈলা বলরাম না দেখিয়া ঘনশ্যাম,
প্রেমে ছলছল দুনয়ন।
জ্ঞানদাসেতে কয় মিলিলা রাখালচয়
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
॥ মঙ্গল॥
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে রঙ্গিয়া রাখাল সাথে
বাহির হৈলা রোহিণীনন্দন।
শিঙ্গা দিয়া চাঁদমুখে উভ করি দিলা ফুকে
শিঙ্গারবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটী গলে শোভে হেম কাঁঠি
কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠান আঁখিযুগ ঘূর্ণমান
শোভে কত রতন-ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ দেখিতে লাগয়ে সাধ
আর কাণে মকরকুণ্ডল।
জিনি ময়মত্ত হাতী গমন মন্থরগতি
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির হৈলা বলরাম না দেখিয়া ঘনশ্যাম,
প্রেমে ছলছল দুনয়ন।
জ্ঞানদাসেতে কয় মিলিলা রাখালচয়
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
গোষ্ঠযাত্রা @
॥ মঙ্গল॥
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে রঙ্গিয়া রাখাল সাথে
বাহির হৈলা রোহিণী-নন্দন।
শিঙ্গা দিয়া চাঁদ-মুখে উভ করি দিলা ফুকে
শিঙ্গা-রবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটী গলে শোভে হেম কাঁঠি
কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠান আঁখিযুগ ঘূর্ণ মান
শোভে কত রতন-ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ, দেখিতে লাগয়ে সাধ
আর কাণে মকর-কুণ্ডল।
জিনি ময়-মত্ত হাতী, গমন মন্থর-গতি
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির হৈলা বলরাম না দেখিয়া ঘন-শ্যাম,
প্রেমে ছলছল দুনয়ন।
জ্ঞানদাসেতে কয়, মিলিলা রাখালচয়
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
॥ মঙ্গল॥
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে রঙ্গিয়া রাখাল সাথে
বাহির হৈলা রোহিণী-নন্দন।
শিঙ্গা দিয়া চাঁদ-মুখে উভ করি দিলা ফুকে
শিঙ্গা-রবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটী গলে শোভে হেম কাঁঠি
কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠান আঁখিযুগ ঘূর্ণ মান
শোভে কত রতন-ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ, দেখিতে লাগয়ে সাধ
আর কাণে মকর-কুণ্ডল।
জিনি ময়-মত্ত হাতী, গমন মন্থর-গতি
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির হৈলা বলরাম না দেখিয়া ঘন-শ্যাম,
প্রেমে ছলছল দুনয়ন।
জ্ঞানদাসেতে কয়, মিলিলা রাখালচয়
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
টীকা---
@ - গোষ্ঠযাত্রাবিষয়ক পদে বলরামকে প্রাধান্য দেওয়া হইয়াছে। জ্ঞানদাস নিত্যানন্দগোষ্ঠীভুক্ত ছিলেন বলিয়া বলরামে প্রাধান্য আরোপ তাঁহার গুরুভক্তিপ্রকাশের অন্যতম উপায়।
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৪০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে রঙ্গিয়া রাখাল
সাথে বাহির হৈলা রোহিণীনন্দন।
শিঙ্গা দিয়া চাঁদ মুখে উভ করি দিলা
ফুকে শিঙ্গারবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটী গলে শোভে হেম
কাঁঠি কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠান আঁখিযুগ ঘূর্ণমান
শোভে কত রতন ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ দেখিতে লাগয়ে সাধ
আর কাণে মকরকুণ্ডল।
জিনি ময়মত্ত হাতী গমন মন্থরগতি
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির হৈলা বলরাম না দেখিয়া ঘনশ্যাম
প্রেমে ছলছল দুনয়ন।
জ্ঞানদাসেতে কয় মিলিলা রাখালচয়
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
*********************
@ - গোষ্ঠযাত্রাবিষয়ক পদে বলরামকে প্রাধান্য দেওয়া হইয়াছে। জ্ঞানদাস নিত্যানন্দগোষ্ঠীভুক্ত ছিলেন বলিয়া বলরামে প্রাধান্য আরোপ তাঁহার গুরুভক্তিপ্রকাশের অন্যতম উপায়।
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৪০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বাঁকুয়া পাঁচনী হাতে রঙ্গিয়া রাখাল
সাথে বাহির হৈলা রোহিণীনন্দন।
শিঙ্গা দিয়া চাঁদ মুখে উভ করি দিলা
ফুকে শিঙ্গারবে ভেদিল গগন॥
পরিধান নীল ধটী গলে শোভে হেম
কাঁঠি কোটি চন্দ্র জিনিয়া বদন।
আকর্ণ শোভিত ঠান আঁখিযুগ ঘূর্ণমান
শোভে কত রতন ভূষণ॥
এক কাণে কোকনদ দেখিতে লাগয়ে সাধ
আর কাণে মকরকুণ্ডল।
জিনি ময়মত্ত হাতী গমন মন্থরগতি
ধরণী করয়ে টলমল॥
বাহির হৈলা বলরাম না দেখিয়া ঘনশ্যাম
প্রেমে ছলছল দুনয়ন।
জ্ঞানদাসেতে কয় মিলিলা রাখালচয়
মাঝে করি নন্দের নন্দন॥
*********************
