কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
হেদে হে কিশোরি গোরি তোহে পরিহার করি
হেদে হে কিশোরী গোরি তাহে পরিহার করি
হে দে হে কিশোরী গোরী তাহে পরিহার করি
কবি জ্ঞানদাস
হেদে হে কিশোরী গোরি তাহে পরিহার করি
হে দে হে কিশোরী গোরী তাহে পরিহার করি
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ২৫শ পল্লব, দান-লীলা, ১৩৬৪-নং পদসংখ্যা, ৩৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ কামোদ॥
হেদে হে কিশোরি গোরি, তোহে পরিহার করি
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চান্দ-মুখের হাসি হৃদয়ে রহল পশি
বৈদগধি দগধে পরাণ॥
রাই তোমার বৈদগতা কি কহিব তার কথা
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে পরাণ কেমন করে
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয় তাহারে তেজিতে নয়
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী তাহাই কহিয়ে আমি
নিশ্চয় জানিহ সর্ব্বথা॥
যে পণ কব়্যাছ তুমি সেই পণ দিব আমি
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাসেতে কয় দুহুঁ তনু একই হয়
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
হেদে হে কিশোরি গোরি, তোহে পরিহার করি
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চান্দ-মুখের হাসি হৃদয়ে রহল পশি
বৈদগধি দগধে পরাণ॥
রাই তোমার বৈদগতা কি কহিব তার কথা
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে পরাণ কেমন করে
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয় তাহারে তেজিতে নয়
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী তাহাই কহিয়ে আমি
নিশ্চয় জানিহ সর্ব্বথা॥
যে পণ কব়্যাছ তুমি সেই পণ দিব আমি
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাসেতে কয় দুহুঁ তনু একই হয়
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২৫১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব সম্মিলন
॥ কামোদ॥
হেদে হে কিশোরী গোরি, তোহে পরিহার করি,
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চাঁদ মুখের হাসি, হৃদয়ে রহল পশি,
বৈদগধি বধহ পরাণ॥
রাই তোমার বৈদগতা, কি কহিব তার কথা,
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে, পরাণ কেমন করে,
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয়, তাহারে তেজিতে নয়,
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী, তাহাই কহিয়ে আমি,
নিশ্চয় জানিয়া সর্ব্বথা॥
যে পণ করহ তুমি, সেই পণ দিব আমি,
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাস কয়, দুহুঁ তনু এক হয়,
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
॥ কামোদ॥
হেদে হে কিশোরী গোরি, তোহে পরিহার করি,
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চাঁদ মুখের হাসি, হৃদয়ে রহল পশি,
বৈদগধি বধহ পরাণ॥
রাই তোমার বৈদগতা, কি কহিব তার কথা,
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে, পরাণ কেমন করে,
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয়, তাহারে তেজিতে নয়,
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী, তাহাই কহিয়ে আমি,
নিশ্চয় জানিয়া সর্ব্বথা॥
যে পণ করহ তুমি, সেই পণ দিব আমি,
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাস কয়, দুহুঁ তনু এক হয়,
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৫৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব সম্মিলন।
॥ কামোদ॥
হেদে হে কিশোরী গোরি,
তোহে পরিহার করি,
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চাঁদ মুখের হাসি,
হৃদয়ে রহল পশি,
বৈদগধি বধহ পরাণ॥
রাই তোমার বৈদগতা,
কি কহব তার কথা,
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে,
পরাণ কেমন করে,
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয়,
তাহারে তেজিতে নয়,
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী,
তাহাই কহিয়ে আমি,
নিশ্চয় জানিয়া সর্ব্বথা॥
যে পণ করহ তুমি,
সেই পণ দিব আমি,
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাস কয়,
দুহুঁ তনু এক হয়,
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
॥ কামোদ॥
হেদে হে কিশোরী গোরি,
তোহে পরিহার করি,
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চাঁদ মুখের হাসি,
হৃদয়ে রহল পশি,
বৈদগধি বধহ পরাণ॥
রাই তোমার বৈদগতা,
কি কহব তার কথা,
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে,
পরাণ কেমন করে,
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয়,
তাহারে তেজিতে নয়,
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী,
তাহাই কহিয়ে আমি,
নিশ্চয় জানিয়া সর্ব্বথা॥
যে পণ করহ তুমি,
সেই পণ দিব আমি,
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাস কয়,
দুহুঁ তনু এক হয়,
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৮২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব সম্মিলন।
॥ কামোদ॥
হেদে হে কিশোরী গোরি, তোহে পরি-
হার করি, শুনি কিছু কর অবধান। ও চাঁদ
মুখের হাসি, হৃদয়ে রহল পশি, বৈদগধি
বধহ পরাণ॥ রাই তোমার বৈদগতা, কি
কহব তার কথা, কহিতে উথলে হিয়া
মোর। না দেখিয়া তোমারে, পরাণ কেমন
করে, তোমার গুণের নাহি ওর॥ যে জন
প্রণত হয়, তাহারে তেজিতে নয়, মনে
বিচারহ এই কথা। তুমি যে কহাও বাণী,
তাহাই কহিয়ে আমি, নিশ্চয় জানিয়া
সর্ব্বথা॥ যে পণ করহ তুমি, সেই পণ দিব
আমি, তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাস কয়, দুহুঁ তনু এক হয়, পরাণে
পরাণে বান্ধা থুইহ॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব সম্মিলন।
॥ কামোদ॥
হেদে হে কিশোরী গোরি, তোহে পরি-
হার করি, শুনি কিছু কর অবধান। ও চাঁদ
মুখের হাসি, হৃদয়ে রহল পশি, বৈদগধি
বধহ পরাণ॥ রাই তোমার বৈদগতা, কি
কহব তার কথা, কহিতে উথলে হিয়া
মোর। না দেখিয়া তোমারে, পরাণ কেমন
করে, তোমার গুণের নাহি ওর॥ যে জন
প্রণত হয়, তাহারে তেজিতে নয়, মনে
বিচারহ এই কথা। তুমি যে কহাও বাণী,
তাহাই কহিয়ে আমি, নিশ্চয় জানিয়া
সর্ব্বথা॥ যে পণ করহ তুমি, সেই পণ দিব
আমি, তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাস কয়, দুহুঁ তনু এক হয়, পরাণে
পরাণে বান্ধা থুইহ॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব-সম্মিলন
॥ কামোদ॥
হেদে হে কিশোরী গোরি, তাহে পরিহার করি,
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চাঁদ মুখের হাসি, হৃদয়ে রহল পশি,
বৈদগধি বধহ পরাণ॥
রাই তোমার বৈদগতা, কি কহিব তার কথা,
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে, পরাণ কেমন করে,
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয়, তাহারে তেজিতে নয়,
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী, তাহাই কহিয়ে আমি,
নিশ্চয় জানিয়া সর্ব্বথা॥
যে পণ করহ তুমি, সেই পণ দিব আমি,
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাস কয়, দুহুঁ তনু এক হয়,
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
॥ কামোদ॥
হেদে হে কিশোরী গোরি, তাহে পরিহার করি,
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চাঁদ মুখের হাসি, হৃদয়ে রহল পশি,
বৈদগধি বধহ পরাণ॥
রাই তোমার বৈদগতা, কি কহিব তার কথা,
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে, পরাণ কেমন করে,
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয়, তাহারে তেজিতে নয়,
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী, তাহাই কহিয়ে আমি,
নিশ্চয় জানিয়া সর্ব্বথা॥
যে পণ করহ তুমি, সেই পণ দিব আমি,
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাস কয়, দুহুঁ তনু এক হয়,
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, মান, ২৪৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
হেদে হে কিশোরি গোরি তোহে পরিহার করি
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চান্দ মুখের হাসি হৃদয়ে রহল পশি
বৈদগধি দগধে পরাণ॥
রাই তোমার বৈদগ্ধতা কি কহিব তার কথা
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে পরাণ কেমন করে
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয় তাহারে তেজিতে নয়
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী তাহাই কহিয়ে আমি
নিশ্চয় জানিহ সর্ব্বথা॥
যে পণ কব়্যাছ তুমি সেই পণ দিব আমি
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাসেতে কয় দুহুঁ তনু একই হয়
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চান্দ মুখের হাসি হৃদয়ে রহল পশি
বৈদগধি দগধে পরাণ॥
রাই তোমার বৈদগ্ধতা কি কহিব তার কথা
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে পরাণ কেমন করে
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয় তাহারে তেজিতে নয়
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী তাহাই কহিয়ে আমি
নিশ্চয় জানিহ সর্ব্বথা॥
যে পণ কব়্যাছ তুমি সেই পণ দিব আমি
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাসেতে কয় দুহুঁ তনু একই হয়
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
টীকা ---
তোহে পরিহার করি --- মিনতি করি তোমাকে।
বৈদগধি --- তোমার রসজ্ঞতা।
নাহি ওর --- সীমা নাই।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৫৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
তোহে পরিহার করি --- মিনতি করি তোমাকে।
বৈদগধি --- তোমার রসজ্ঞতা।
নাহি ওর --- সীমা নাই।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৫৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব-সম্মিলন।
॥ কামোদ॥
হে দে হে কিশোরী গোরী তাহে পরিহার করি,
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চাঁদ মুখের হাসি হৃদয়ে রহল পশি
বৈদগধি বধহ পরাণ॥
রাই তোমার বিদগতা কি কহিব তার কথা
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে পরাণ কেমন করে
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয় তাহারে তেজিতে নয়
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী তাহাই কহিয়ে আমি
নিশ্চয় জানিয়া সর্ব্বথা॥
যে পণ করহ তুমি সেই পণ দিব আমি
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাস কয় দুহুঁ তনু এক হয়
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
॥ কামোদ॥
হে দে হে কিশোরী গোরী তাহে পরিহার করি,
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চাঁদ মুখের হাসি হৃদয়ে রহল পশি
বৈদগধি বধহ পরাণ॥
রাই তোমার বিদগতা কি কহিব তার কথা
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে পরাণ কেমন করে
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয় তাহারে তেজিতে নয়
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী তাহাই কহিয়ে আমি
নিশ্চয় জানিয়া সর্ব্বথা॥
যে পণ করহ তুমি সেই পণ দিব আমি
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাস কয় দুহুঁ তনু এক হয়
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৩৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মান
দূতীর প্রতি শ্রীকৃষ্ণ
॥ কামোদ॥
হেদে হে কিশোরি গোরি তোহে পরিহার করি
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চান্দমুখের হাসি হৃদয়ে রহল পশি
বৈদগধি দগধে পরাণ॥
রাই তোমার বিদগ্ধতা কি কহিব তার কথা
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে পরাণ কেমন করে
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয় তাহারে তেজিতে নয়
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী তাহাই কহিয়ে আমি
নিশ্চয় জানিহ সর্বথা॥
যে পণ কব়্যাছ তুমি সেই পণ দিব আমি
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাসেতে কয় দুহুঁ তনু একই হয়
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
দূতীর প্রতি শ্রীকৃষ্ণ
॥ কামোদ॥
হেদে হে কিশোরি গোরি তোহে পরিহার করি
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চান্দমুখের হাসি হৃদয়ে রহল পশি
বৈদগধি দগধে পরাণ॥
রাই তোমার বিদগ্ধতা কি কহিব তার কথা
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে পরাণ কেমন করে
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয় তাহারে তেজিতে নয়
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী তাহাই কহিয়ে আমি
নিশ্চয় জানিহ সর্বথা॥
যে পণ কব়্যাছ তুমি সেই পণ দিব আমি
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাসেতে কয় দুহুঁ তনু একই হয়
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৬৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছ
মান
॥ কামোদ॥
হেদে হে কিশোরি গোরি, তোহে পরিহার করি
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চান্দ-মুখের হাসি হৃদয়ে রহল পশি
বৈদগধি দগধে পরাণ॥
রাই তোমার বিদগ্ধতা কি কহিব তার কথা
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে পরাণ কেমন করে
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয় তাহারে তেজিতে নয়
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী তাহাই কহিয়ে আমি
নিশ্চয় জানিহ সর্বথা॥
যে পণ কব়্যাছ তুমি সেই পণ দিব আমি
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাসেতে কয় দুহুঁ তনু একই হয়
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
॥ কামোদ॥
হেদে হে কিশোরি গোরি, তোহে পরিহার করি
শুনি কিছু কর অবধান।
ও চান্দ-মুখের হাসি হৃদয়ে রহল পশি
বৈদগধি দগধে পরাণ॥
রাই তোমার বিদগ্ধতা কি কহিব তার কথা
কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে পরাণ কেমন করে
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয় তাহারে তেজিতে নয়
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী তাহাই কহিয়ে আমি
নিশ্চয় জানিহ সর্বথা॥
যে পণ কব়্যাছ তুমি সেই পণ দিব আমি
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাসেতে কয় দুহুঁ তনু একই হয়
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৭০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
হেদে হে কিশোরি গোরি তোহে পরিহার
করি শুনি কিছু কর অবধান।
ও চান্দমুখের হাসি হৃদয়ে রহল পশি
বৈদগধি দগধে পরাণ॥
রাই তোমার বিদগ্ধতা কি কহিব তার
কথা কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে পরাণ কেমন করে
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয় তাহারে তেজিতে নয়
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী তাহাই কহিয়ে
আমি নিশ্চয় জানিহ সর্বথা॥
যে পণ কব়্যাছ তুমি সেই পণ দিব আমি
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাসেতে কয় দুহুঁ তনু একই হয়
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
*********************
হেদে হে কিশোরি গোরি তোহে পরিহার
করি শুনি কিছু কর অবধান।
ও চান্দমুখের হাসি হৃদয়ে রহল পশি
বৈদগধি দগধে পরাণ॥
রাই তোমার বিদগ্ধতা কি কহিব তার
কথা কহিতে উথলে হিয়া মোর।
না দেখিয়া তোমারে পরাণ কেমন করে
তোমার গুণের নাহি ওর॥
যে জন প্রণত হয় তাহারে তেজিতে নয়
মনে বিচারহ এই কথা।
তুমি যে কহাও বাণী তাহাই কহিয়ে
আমি নিশ্চয় জানিহ সর্বথা॥
যে পণ কব়্যাছ তুমি সেই পণ দিব আমি
তুমি মোরে দয়া না ছাড়িহ।
জ্ঞানদাসেতে কয় দুহুঁ তনু একই হয়
পরাণে পরাণে বান্ধা থুইহ॥
*********************
