কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী
সুন্দরী শুনিয়া না শুন মোর বাণী
কবি জ্ঞানদাস
সুন্দরী শুনিয়া না শুন মোর বাণী
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ২৫শ পল্লব, দান-লীলা, ১৩৭৪-নং পদসংখ্যা, ৩৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই পথে দানী॥
সিঁথায় সিন্দুর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচুলি গলে গজ-মোতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গণ আলতা পায়ে রতন-নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানি-রাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী সমাজে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় ঢীঠপনা।
তূমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
এই পদটি ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত, গৌরমোহন দাস সংকলিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদকল্পলতিকা”, গ্রন্থের ২৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থটির আমাদের সংগ্রহের পি.ডি.এফ. কপিটির প্রায় সব পৃষ্ঠাই অপাঠ্য অথবা দুষ্পাঠ্য।
॥ সুহ॥ সুন্দরী শুনিয়া না শুন মোর বাণী। না জান
যে কানাই আছে এপথের দানী॥ করের কঙ্কণ আর কটিতে
কিঙ্কিণী। দুই লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥ হৃদয়ে
কাঁচলি গলে গজমতি হার। চারিলক্ষ দান চাহি করিয়া
বিচার॥ কপালে সিন্দুর আর নয়ানে কাজর। ছয়লক্ষ দান
মাগে তাহে গিরিধর॥ রঙ্গণ আলতা আর রতন নূপুর। আট-
লক্ষ দান মাগে দানির ঠাকুর॥ এই সকল দান বুঝি দেহ দানী
রাজে। আমি দান লব তোমার রমণী সমাজে॥ জ্ঞান দাস
কহে কানাই ছাড় ঢিটপনা। তূমি যদি মহা দানী তোমার
ঠাকুর কোনজনা॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৪২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
দানলীলা
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই এ পথের দানী॥
সিঁথায় সিন্দূর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচলি গলে গজমতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিনী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গিণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানীরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী মাঝে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় টিটপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২১৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
দান।
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই এ পথের দানী॥
সিঁথায় সিন্দূর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচলি গলে গজমতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গিণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানীরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী মাঝে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় টিটপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
দান
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই এ পথের দানী॥ সিঁথায়
সিন্দূর তোমার নয়ানে কাজর। দুই লক্ষ
দান তার মাগে গিরিধর॥ হৃদয়ে কাঁচলি
গলে গজমতি হার। চারি লক্ষ দান মাগে
করিয়া বিচার॥ করের কঙ্কণ আর কটিতে
কিঙ্কিণী। ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহা-
দানী॥ রঙ্গিণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥ এই
সব দান বুঝি দেহ দানীরাজে। আমি নিব
দান তোমার সঙ্গিনী মাঝে॥ জ্ঞানদাস
কহে তুমি ছাড় টিটপনা। তুমি মহাদানী
তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
দানলীলা
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই এ পথের দানী॥
সিঁথায় সিন্দূর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচলি গলে গজমতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিনী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গিণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানিরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী মাঝে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় টিটপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২২০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
দানলীলা
॥ ধানশী॥
সুন্দরী শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই এ পথের দানী॥
সীথার সিন্দূর তোমার নয়ানে কাজর।
দুইলক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচলি গলে গজমতিহার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গিন আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানিরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী মাঝে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় ঢীঢপনা।
তুমি মহা দানী তোমার ঠাকুর কোন্ জনা॥
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩য় খণ্ড এর ৩৭১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
দানলীলা।
॥ মালসী - তেওট॥
সুন্দরী শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই পথের আছে মহা দানী॥
সিঁথায় সিন্দূর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচলি গলে গজমোতিহার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণি।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানীরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী মাঝে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় টীটপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
এই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ৩০০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
দানলীলা
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই পথে দানী॥
সিথায় সিন্দূর তোমার নয়নে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচলি গলে গজমতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করেতে কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গন আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানি রাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী সমাজে॥
জ্ঞান দাস কহে তুমি ছাড় টীট পনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, দানলীলা, ১৯৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সুন্দরী শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই পাথে দানী॥
সিঁথায় সিন্দুর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচুলি গলে গজ-মোতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গন আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানি-রাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী সমাজে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় ঢীঠপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
টীকা ---
সবচেয়ে বেশী দান ( Octroi duty বা চুঙ্গি ) চাওয়া হইয়াছে পায়ের আলতা ও নূপুরের জন্য।
ঢীঠপনা --- ধৃষ্টতা বা শঠতা।
তোমার ঠাকুর কোন জনা --- তোমার প্রভু কে? কাহার হইয়া তুমি দান আদায় করিতেছ?
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
দানখণ্ড ও নৌকাখণ্ড
দানলীলা
শ্রীকৃষ্ণের উক্তি
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
জান না যে আমি এ পথের মহাদানী॥
সিঁথায় সিন্দুর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচুলি গলে গজমোতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানীরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী-সমাজে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় ঢীঠপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোনজনা॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
দানখণ্ড ও নৌকাখণ্ড
শ্রীরাধার প্রতি শ্রীকৃষ্ণের উক্তি
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
জান না যে আমি এ পথের মহাদানী॥
সিঁথায় সিন্দুর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচুলি গলে গজমোতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানীরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী-সমাজে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় ঢীঠপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোনজনা॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৬৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
জান না যে আমি এ পথের মহাদানী॥
সিঁথায় সিন্দুর @ তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচুলি গলে গজমোতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানীরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী সমাজে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় ঢীঠপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
@ সিন্দুর – এই গ্রন্থে এখানে “নিন্দূর” রয়েছে। মুদ্রণপ্রমাদ।
*********************
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই পথে দানী॥
সিঁথায় সিন্দুর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচুলি গলে গজ-মোতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গণ আলতা পায়ে রতন-নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানি-রাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী সমাজে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় ঢীঠপনা।
তূমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
এই পদটি ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত, গৌরমোহন দাস সংকলিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদকল্পলতিকা”, গ্রন্থের ২৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। এই গ্রন্থটির আমাদের সংগ্রহের পি.ডি.এফ. কপিটির প্রায় সব পৃষ্ঠাই অপাঠ্য অথবা দুষ্পাঠ্য।
॥ সুহ॥ সুন্দরী শুনিয়া না শুন মোর বাণী। না জান
যে কানাই আছে এপথের দানী॥ করের কঙ্কণ আর কটিতে
কিঙ্কিণী। দুই লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥ হৃদয়ে
কাঁচলি গলে গজমতি হার। চারিলক্ষ দান চাহি করিয়া
বিচার॥ কপালে সিন্দুর আর নয়ানে কাজর। ছয়লক্ষ দান
মাগে তাহে গিরিধর॥ রঙ্গণ আলতা আর রতন নূপুর। আট-
লক্ষ দান মাগে দানির ঠাকুর॥ এই সকল দান বুঝি দেহ দানী
রাজে। আমি দান লব তোমার রমণী সমাজে॥ জ্ঞান দাস
কহে কানাই ছাড় ঢিটপনা। তূমি যদি মহা দানী তোমার
ঠাকুর কোনজনা॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৪২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
দানলীলা
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই এ পথের দানী॥
সিঁথায় সিন্দূর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচলি গলে গজমতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিনী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গিণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানীরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী মাঝে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় টিটপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২১৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
দান।
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই এ পথের দানী॥
সিঁথায় সিন্দূর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচলি গলে গজমতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গিণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানীরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী মাঝে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় টিটপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
দান
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই এ পথের দানী॥ সিঁথায়
সিন্দূর তোমার নয়ানে কাজর। দুই লক্ষ
দান তার মাগে গিরিধর॥ হৃদয়ে কাঁচলি
গলে গজমতি হার। চারি লক্ষ দান মাগে
করিয়া বিচার॥ করের কঙ্কণ আর কটিতে
কিঙ্কিণী। ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহা-
দানী॥ রঙ্গিণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥ এই
সব দান বুঝি দেহ দানীরাজে। আমি নিব
দান তোমার সঙ্গিনী মাঝে॥ জ্ঞানদাস
কহে তুমি ছাড় টিটপনা। তুমি মহাদানী
তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
দানলীলা
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই এ পথের দানী॥
সিঁথায় সিন্দূর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচলি গলে গজমতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিনী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গিণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানিরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী মাঝে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় টিটপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২২০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
দানলীলা
॥ ধানশী॥
সুন্দরী শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই এ পথের দানী॥
সীথার সিন্দূর তোমার নয়ানে কাজর।
দুইলক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচলি গলে গজমতিহার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গিন আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানিরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী মাঝে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় ঢীঢপনা।
তুমি মহা দানী তোমার ঠাকুর কোন্ জনা॥
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩য় খণ্ড এর ৩৭১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
দানলীলা।
॥ মালসী - তেওট॥
সুন্দরী শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই পথের আছে মহা দানী॥
সিঁথায় সিন্দূর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচলি গলে গজমোতিহার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণি।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানীরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী মাঝে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় টীটপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
এই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ৩০০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
দানলীলা
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই পথে দানী॥
সিথায় সিন্দূর তোমার নয়নে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচলি গলে গজমতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করেতে কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গন আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানি রাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী সমাজে॥
জ্ঞান দাস কহে তুমি ছাড় টীট পনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, দানলীলা, ১৯৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সুন্দরী শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
না জান কানাই পাথে দানী॥
সিঁথায় সিন্দুর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচুলি গলে গজ-মোতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গন আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানি-রাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী সমাজে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় ঢীঠপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
টীকা ---
সবচেয়ে বেশী দান ( Octroi duty বা চুঙ্গি ) চাওয়া হইয়াছে পায়ের আলতা ও নূপুরের জন্য।
ঢীঠপনা --- ধৃষ্টতা বা শঠতা।
তোমার ঠাকুর কোন জনা --- তোমার প্রভু কে? কাহার হইয়া তুমি দান আদায় করিতেছ?
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
দানখণ্ড ও নৌকাখণ্ড
দানলীলা
শ্রীকৃষ্ণের উক্তি
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
জান না যে আমি এ পথের মহাদানী॥
সিঁথায় সিন্দুর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচুলি গলে গজমোতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানীরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী-সমাজে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় ঢীঠপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোনজনা॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১০৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
দানখণ্ড ও নৌকাখণ্ড
শ্রীরাধার প্রতি শ্রীকৃষ্ণের উক্তি
॥ ধানশী॥
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
জান না যে আমি এ পথের মহাদানী॥
সিঁথায় সিন্দুর তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচুলি গলে গজমোতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানীরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী-সমাজে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় ঢীঠপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোনজনা॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৬৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সুন্দরি শুনিয়া না শুন মোর বাণী।
জান না যে আমি এ পথের মহাদানী॥
সিঁথায় সিন্দুর @ তোমার নয়ানে কাজর।
দুই লক্ষ দান তার মাগে গিরিধর॥
হৃদয়ে কাঁচুলি গলে গজমোতি হার।
চারি লক্ষ দান মাগে করিয়া বিচার॥
করের কঙ্কণ আর কটিতে কিঙ্কিণী।
ছয় লক্ষ দান তার মাগে মহাদানী॥
রঙ্গণ আলতা পায়ে রতন নূপুর।
আট লক্ষ দান মাগে দানীর ঠাকুর॥
এই সব দান বুঝি দেহ দানীরাজে।
আমি নিব দান তোমার সঙ্গিনী সমাজে॥
জ্ঞানদাস কহে তুমি ছাড় ঢীঠপনা।
তুমি মহাদানী তোমার ঠাকুর কোন জনা॥
@ সিন্দুর – এই গ্রন্থে এখানে “নিন্দূর” রয়েছে। মুদ্রণপ্রমাদ।
*********************
