কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
কহ লহু লহু জটিলার বহূ
কহ লহু লহু জটিলার বহু

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ২৫শ পল্লব, দান-লীলা, ১৩৭৮-নং পদসংখ্যা, ৩৬২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সৌরাষ্ট্রী॥

কহ লহু লহু     জটিলার বহূ
তোমারে সভাই জানে।
কহিতে কহিতে     অনেক কহিছ
এত না গরব কেনে॥
পসরা লইয়া     যাইছ চলিয়া
দানীরে না কর ভয়।
রাজ-কাজ করি     দান সাধি ফিরি
এথা কিবা পরিচয়॥
এ রূপ যৌবনে     নানা অভরণে
যাইছ মথুরার বিকে।
বুঝি দান নিব     তবে যাইতে দিব
আমি ডরাইব কাকে॥
অমূল্য রতন     করিয়া গোপন
রাখ্যাছ হিয়ার মাঝে।
নিজ-ভাল চাহ     খসাই দেখাহ
ইথে কি আমার লাজে॥
এত কহি হরি     দু বাহু পসারি
রহে পথ আগুলিয়া।
জ্ঞানদাসে কয়     কিবা কর ভয়
যাহ হাত ঠেলা দিয়া॥

ই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৪৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সৌরাষ্ট্রী॥

কহ লহু লহু     জটিলার বহু,
তোমারে সভাই জানে।
কহিতে কহিতে,     অনেক কহিছ,
এতনা গরব কেনে॥
পসরা লইয়া,     যাইছ চলিয়া,
দানীরে না কর ভয়।
রাজ কাজ করি,     দান সাধি ফিরি,
এথা কিবা পরিচয়॥
এ নব যৌবনে,     নানা আভরণে,
যাইছ মথুরা বিকে।
বুঝি দান নিব,     তবে যাইতে দিব,
আমি ডরাইব কাকে॥
অমূল্য রতন,     করিয়া গোপন,
রেখেছ হিয়ার মাঝে।
নিজ ভাল চাহ,     খসাই দেখাহ,
ইথে কি আবার লাজে॥
এত কহি হরি,     দুবাহু পসারি
রহে পথ আগুলিয়া।
জ্ঞানদাসে কয়     কিবা কর ভয়
যাহ হাত ঠেলা দিয়া॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২১৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দান।
॥ সৌরাষ্ট্রী॥

কহ লহু লহু     জটিলার বহু,
তোমারে সভাই জানে।
কহিতে কহিতে,     অনেক কহিছ,
এতনা গরব কেনে॥
পসরা লইয়া,     যাইছ চলিয়া,
দানীরে না কর ভয়।
রাজ কাজ করি,     দান সাধি ফিরি,
এথা কিবা পরিচয়॥
এ নব যৌবনে,     নানা আভরণে,
যাইছ মথুরা বিকে।
বুঝি দান নিব,     তবে যাইতে দিব,
আমি ডরাইব কাকে॥
অমূল্য রতন,     করিয়া গোপন,
রেখেছ হিয়ার মাঝে।
নিজ ভাল চাহ,     খসাই দেখাহ,
ইথে কি আবার লাজে॥
এত কহি হরি,     দুবাহু পসারি
রহে পথ আগুলিয়া।
জ্ঞানদাসে কয়     কিবা কর ভয়
যাহ হাত ঠেলা দিয়া॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৫৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দান
॥ সৌরাষ্ট্রী॥

কহ লহু লহু, জটিলার বহু, তোমারে
সভাই জানে। কহিতে কহিতে, অনেক
কহিছ, এতনা গরব কেনে॥ পসরা লইয়া,
যাইছ চলিয়া, দানীরে না কর ভয়। রাজ
কাজ করি, দান সাধি ফিরি, এথা কিবা
পরিচয়॥ এ নব যৌবনে, নানা আভরণে,
যাইছ মথুরা বিকে। বুঝি দান নিব, তবে
যাইতে দিব, আমি ডরাইব কাকে॥ অমূল্য
রতন, করিয়া গোপন, রেখেছ হিয়ার মাঝে।
নিজ ভাল চাহ, খসাই দেখাহ, ইথে কি
আবার লাজে॥ এত কহি হরি, দুবাহু
পসারি রহে পথ আগুলিয়া। জ্ঞানদাস
কয় কিবা কর ভয়, যাহ হাত ঠেলা দিয়া॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দানলীলা
॥ সৌরাষ্ট্রি॥

কহ লহু লহু,     জটিলার বহু,
তোমারে সভাই জানে।
কহিতে কহিতে,     অনেক কহিছ,
এতনা গরব কেনে॥
পসরা লইয়া,     যাইছ চলিয়া,
দানীরে না কর ভয়।
রাজ-কাজ করি,     দান সাধি ফিরি,
এথা কিবা পরিচয়॥
এ নব যৌবনে,     নানা আভরণে,
যাইছ মথুরা বিকে।
বুঝি দান নিব,     তবে যাইতে দিব,
আমি ডরাইব কাকে॥
অমুল্য রতন,     করিয়া গোপন,
রেখেছ হিয়ার মাঝে।
নিজ ভাল চাহ,     খসাই দেখাহ,
ইথে কি আবার লাজে॥
এত কহি হরি,     দুবাহু পসারি
রহে পথ আগুলিয়া।
জ্ঞানদাসে কয়     কিবা কর ভয়
যাহ হাত ঠেলা দিয়া॥

ই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, দানলীলা, ২০০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কহ লহু লহু     জটিলার বহু
তোমারে সভাই জানে।
কহিতে কহিতে     অনেক কহিছ
এত না গরব কেনে॥
পসরা লইয়া     যাইছ চলিয়া
দানীরে না কর ভয়।
রাজ কাজ করি     দান সাধি ফিরি
এথা কিবা পরিচয়॥
এরূপ যৌবনে     নানা অভরণে
যাইছ মথুরার দিকে।
বুঝি দান নিব     তবে যাইতে দিব
আমি ডরাইব কাকে॥
অমূল্য রতন     করিয়া গোপন
রাখ্যাছ হিয়ার মাঝে।
নিজ ভাল চাহ     খসাই দেখাহ
ইথে কি আমার লাজে॥
এত কহি হরি     দুবাহু পসারি
রহে পথ আগুলিয়া।
জ্ঞানদাসে কয়     কিবা কর ভয়
যাহ হাত ঠেলা দিয়া॥

টীকা ---
এথা কিবা পরিচয় --- কৃষ্ণ রাধাকে বলিতেছেন তুমি জটিলার পুত্রবধূ তাহা তো বুঝিলাম ; কিন্তু কর দিবার বেলায় পরিচয় শুনিয়া কি করিব? আমি রাজার হইয়া কর সংগ্রহ করি, সকলের কাছেই কর লইতে হইবে।
খসাই দেখাহ --- খুলিয়া দেখাও, বুকের মধ্যে কোন অমূল্যরত্ন লুকাইয়া লইয়া যাইতেছে কিনা।

ই পদটি চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা তাঁর সারা জীবন ধরে, আনুমানিক ১৮৮০ সাল পর্যন্ত সংগৃহীত ও সংকলিত এবং তাঁর মৃত্যুর প্রায় ৫০ বছর পরে তাঁর পুত্র রাজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা ১৯২২ সালে প্রকাশিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "শ্রীশ্রীপদামৃতসিন্ধু" এর ৭৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সৌরাষ্টি॥

কহ লহু লহু, জটিলার বহু, তোমারে সবাই জানে। কহিতে কহিতে,
অনেক কহিছ, এত না গরব কেনে॥ পসরা লইয়া, যাইছ চলিয়া, দানিরে না
কর ভয়। রাজ কাজ করি, দান সাধি ফিরি, এথা কিবা পরিচয়॥ এরূপ
যৌবনে, নানা আভরণে, যাইছ মথুরা বিকে। বুঝি দান নিব, তবে যাইতে দিব,
আমি ডরাইব কাকে॥ অমুল্য রতন, করিয়া গোপন, রেখেছ হিয়ার মাঝে।
নিজ ভাল চাহ, খসাই দেখাহ, ইথে কি আমার লাজে॥ এত কহি হরি, দুবাহু
পসারি, রহে পথ আগুলিয়া। জ্ঞানদাসে কয়, কিবা কর ভয়, যাহ হাত ঠেলা
দিয়া॥

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২২১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

দানলীলা
॥ সৌরাষ্ট্রী॥

কহ লহু লহু     জটিলার বহু
তোমারে সভাই জানে।
কহিতে কহিতে     অনেক কহিছ
এত না গরব কেনে॥
পসরা লইয়া     যাইছ চলিয়া
দানীরে না কর ভয়।
রাজ-কাজ করি     দান সাধি ফিরি
এথা কিবা পরিচয়॥
এ নব যৌবনে     নানা আভরণে
যাইছ মথুরার বিকে।
বুথি @ দান নিব     তবে যাইতে দিব
আমি ডরাইব কাকে॥
অমূল্য রতন     করিয়া গোপন
রেখেছে হিয়ার মাঝে।
নিজ ভাল চাহ     খসাই দেখাহ
ইথে কি আমার লাজে॥
এত কহি হরি     দুবাহু পসারি
রহে পথ আগুলিয়া।
জ্ঞানদাসে কয়     কিবা কর ভয়
যাহ হাত ঠেলা দিয়া॥

@ - বুথি – অন্য গ্রন্থে “বুঝি” রয়েছে।

ই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩য় খণ্ড এর ৩৭৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

দানলীলা
॥ শ্রীরাগ - জপতাল॥

কহ লহু লহু,     জটিলার বহূ,
তোমারে সভাই জানে।
কহিতে কহিতে,     অনেক কহিছ,
এত না গরব কেনে॥
পসরা লইয়া,     যাইছ চলিয়া,
দানিরে না কর ভয়।
রাজ কাজ করি,     দান সাধি ফিরি,
এথা কিবা পরিচয়॥
এ নব যৌবনে,     নানা অভরণে,
যাইছ মথুরা বিকে।
বুঝি দান নিব,     তবে যাইতে দিব,
আমি ডরাইব কাকে॥
অমুল্য রতন,     করিয়া গোপন,
রেখেছ হিয়ার মাঝে।
নিজ ভাল চাহ,     খসাইয়া দেখাহ,
ইথে কি আমার লাজে॥
এত কহি হরি,     দুবাহু পসারি,
রহে পথ আগুলিয়া।
জ্ঞানদাসে কয়,     কিবা কর ভয়,
যাহ হাত ঠেলা দিয়া॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

দানখণ্ড ও নৌকাখণ্ড
দানলীলা
শ্রীকৃষ্ণের উক্তি
॥ সৌরাষ্ট্রী॥

কহ লহু লহু     জটিলার বহু
তোমারে সভাই জানে।
কহিতে কহিতে     অনেক কহিছ
এত না গরব কেনে॥
পসরা লইয়া     যাইছ চলিয়া
দানীরে না কর ভয়।
রাজকাজ করি     দান সাধি ফিরি
এথা কিবা পরিচয়॥
এ রূপ যৌবনে     নানা আভরণে
যাইছ মথুরার বিকে।
বুঝি দান নিব     তবে যাইতে দিব
আমি ডরাইব কাকে॥
অমূল্য রতন     করিয়া গোপন
রাখ্যাছ হিয়ার মাঝে।
নিজ ভাল চাহ     খসাই দেখাহ
ইথে কি আমার লাজে॥
এত কহি হরি     দু বাহু পসারি
রহে পথ আগুলিয়া।
জ্ঞানদাসে কয়     কিবা কর ভয়
যাহ হাত ঠেলা দিয়া॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ সৌরাষ্ট্রী॥

কহে লহু লহু     জটিলার বহূ
"তোমারে সভাই জানে।
কহিতে কহিতে     অনেক কহিছ
এত না গরব কেনে॥"
"পসরা লইয়া     যাইছ চলিয়া
দানীরে না কর ভয়।
রাজ-কাজ করি     দান সাধি ফিরি
এথা কিবা পরিচয়॥
এ রূপ যৌবনে     নানা আভরণে
যাইছ মথুরার বিকে।
বুঝি দান নিব     তবে যাইতে দিব
আমি ডরাইব কাকে॥
অমূল্য রতন     করিয়া গোপন
রাখ্যাছ হিয়ার মাঝে।
নিজ ভাল চাহ     খসাই দেখাহ
ইথে কি আমার লাজে॥
এত কহি হরি     দু বাহু পসারি
রহে পথ আগুলিয়া।
জ্ঞানদাসে কয়     কিবা কর ভয়
যাহ হাত ঠেলা দিয়া॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "পাঁচশত বত্সরের পদাবলী ১৪১০-১৯১০" এর ১৫৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

কহ লহু লহু     জটিলার বহু
তোমারে সভাই জানে।
কহিতে কহিতে     অনেক কহিছ
এত না গরব কেনে॥
পসরা লইয়া     যাইছ চলিয়া
দানীরে না কর ভয়।
রাজকাজ করি     দান সাধি ফিরি
এথা কিবা পরিচয়॥
এ রূপ যৌবনে     নানা আভরণে
যাইছ মথুরা বিকে।
বুঝি দান নিব     তবে যাইতে দিব
আমি ডরাইব কাকে॥
অমূল্য রতন     করিয়া গোপন
রেখেছ হিয়ার মাঝে।
নিজ ভাল চাহ     খসাই দেখাহ
ইথে কি আমার লাজে॥
এত কহি হরি     দু বাহু পসারি
রহে পথ আগুলিয়া।
জ্ঞানদাসে কয়     কিবা কর ভয়
যাহ হাত ঠেলা দিয়া॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৪৫৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

দান।

কহ লহু লহু     জটিলার বহু
তোমারে সভাই জানে।
কহিতে কহিতে     অনেক কহিছ
এত না গরব কেনে॥
পসরা লইয়া     যাইছ চলিয়া
দানীরে না কর ভয়।
রাজকাজ করি     দান সাধি ফিরি
এথা কিবা পরিচয়॥
এ রূপ যৌবনে     নানা অভরণে
যাইছ মথুরা বিকে।
বুঝি দান নিব     তবে যাইতে দিব
আমি ডরাইব কাকে॥
অমূল্য রতন     করিয়া গোপন
রেখেছ হিয়ার মাঝে।
নিজ ভাল চাহ     খসাই দেখাহ
ইথে কি আমার লাজে॥
এত কহি হরি     দু বাহু পসারি
রহে পথ আগুলিয়া।
জ্ঞানদাসে কয়     কিবা কর ভয়
যাহ হাত ঠেলা দিয়া॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬০৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কহ লহু লহু জটিলার বহু
      তোমারে সভাই জানে।
কহিতে কহিতে অনেক কহিছ
      এত না গরব কেনে॥
পসরা লইয়া যাইছ চলিয়া
      দানীরে না কর ভয়।
রাজকাজ করি দান সাধি ফিরি
      এথা কিবা পরিচয়॥
এ রূপ যৌবনে নানা অভরণে
      যাইছ মথুরার দিকে।
বুঝি দান নিব তবে যাইতে দিব
      আমি ডরাইব কিকে॥
অমূল্য রতন করিয়া গোপন
      রাখ্যাছ হিয়ার মাঝে।
নিজ ভাল চাহ খসাই দেখাহ
      ইথে কি আমার লাজে॥
এত কহি হরি দু বাহু পসারি
      রহে পথ আগুলিয়া।
জ্ঞানদাসে কয় কিবা কর ভয়
      যাহ হাত ঠেলা দিয়া॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^