কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
বান্ধিয়া চিকণ চূড়া বনফুল তাহে বেড়া
বান্ধিয়া চিকণ চূড়া নবফুল তাহে বেড়া
বাঁধিয়া চিকণ বনফুল তাহে বেড়া

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ২৫শ পল্লব, দান-লীলা, ১৩৮৯-নং পদসংখ্যা, ৩৬৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

বান্ধিয়া চিকণ চূড়া     বনফুল তাহে বেড়া
গুঞ্জা-মালা তাহে বন-সোণা।
গোঠে থাক ধেনু রাখ     আপনা নাহিক দেখ
বড় হেন বাসহ আপনা॥
অহে কানাই বিষয় পাইয়া হৈলা ভোরা।
আঁখি মটকিয়া হাস     আপনা কেমন বাস
আন হেন নহিয়ে আমরা॥ ধ্রু॥
গায়ের গরবে তুমি     চলিতে না পার জানি
রাজ-পথে কর পরিহাস।
রাজ-ভয় নাহি মান     কংস-দরবার জান
দেখি কেনে নহ এক পাশ॥
চতুরে চাতুরী কত     আর কহ অবিরত
কাচা কাঞ্চনের সমান।
জ্ঞানদাস কহে     হিয়ায় কষিয়া লহ
কাচা নহে কষটি পাষাণ॥

ই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৪৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দানলীলা।
॥ বরাড়ী॥

বান্ধিয়া চিকণ চূড়া,     বনফুল তাহে বেড়া,
গুঞ্জামালা তাহে বন সোণা।
গোঠে থাক ধেনু রাখ,     আপনা নাহিক দেখ,
বড় হেন বাসহ আপনা॥
অহে কানাই বিষয় পাইয়া হৈলে ভোরা।
আঁখি মটকিয়া হাস,     আপনা কেমন বাস,
আন হেন নাহি যে আমরা॥
গায়ের গরবে তুমি,     চলিতে না পার জানি,
রাজ-পথে কর পরিহাস।
রাজভয় নাহি মান,     কংস দরবার জান,
দেখি কেনে নহ এক পাশ॥
চতুরে চাতুরী কত,     আর কহ অবিরত,
কাঁচা কাঞ্চনের সমান।
জ্ঞানদাস কহে,     হিয়ায় কষিয়া লহ,
কাঁচা নহে কোষ্টি পাষাণ॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২১৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দান।
॥ বরাড়ী॥

বান্ধিয়া চিকণ চূড়া,
বনফুল তাহে বেড়া,
গুঞ্জামালা তাহে বন সোণা।
গোঠে থাক ধেনু রাখ,
আপনা নাহিক দেখ,
বড় হেন বাসহ আপনা॥
অহে কানাই বিষয় পাইয়া হৈলে ভোরা।
আঁখি মটকিয়া হাস,
আপনা কেমন বাস,
আন হেন নাহি যে আমরা॥
গায়ের গরবে তুমি,
চলিতে না পার জানি,
রাজপথে কর পরিহাস।
রাজভয় নাহি মান,
কংস দরবার জান,
দেখি কেনে নহ এক পাশ॥
চতুর চাতুরী কত,
আর কহ অবিরত,
কাঁচা কাঞ্চনের সমান।
জ্ঞানদাস কহে,
হিয়ায় কষিয়া লহ,
কাঁচা নহে কোষ্টি পাষাণ॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৫৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দান
॥ বরাড়ী॥

বান্ধিয়া চিকণ চূড়া, নবফুল তাহে
বেড়া, গুঞ্জামালা তাহে বন সোণা। গোঠে
থাক ধেনু রাখ, আপনা নাহিক দেখ,
বড় হেন বাসহ আপনা॥ অহে কানাই
বিষয় পাইয়া হৈলে ভোলা। আঁখি মটকিয়া
হাস, আপনা কেমন বাস, আন হেন নাহি
যে আমরা॥ গায়ের গরবে তুমি, চলিতে
না পার জানি, রাজপথে কর পরিহাস।
রাজভয় নাহি মান, কংস দরবার জান,
দেখি কেনে নহ এক পাশ॥ চতুর চাতুরী
কত, আর কহ অবিরত, কাঁচা কাঞ্চনের
সমান। জ্ঞানদাস কহে, হিয়ায় কষিয়া
লহ, কাঁচা নহে কোষ্টি পাষাণ॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দানলীলা
॥ বরাড়ী॥

বান্ধিয়া চিকণ চূড়া,     বনফুল তাহে বেড়া,
গুঞ্জামালা তাহে বন সোণা।
গোঠে থাক ধেনু রাখ,     আপনা নাহিক দেখ,
বড় হেন বাসহ আপনা॥
অহে কানাই বিষয় পাইয়া হৈলা ভোলা।
আঁখি মটকিয়া হাস,     আপনা কেমন বাস,
আন হেন নাহি যে আমরা॥
গায়ের গরবে তুমি,     চলিতে না পার জানি,
রাজপথে কর পরিহাস।
রাজভয় নাহি মান,     কংস-দরবার জান,
দেখি কেনে নহ এক পাশ॥
চতুর চাতুরী কত,     আর কহ অবিরত,
কাঁচা কাঞ্চনের সমান।
জ্ঞানদাস কহে,     হিয়ায় কষিয়া লহ,
কাঁচা নহে কোষ্ঠিপাষাণ॥

ই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, দানলীলা, ১৯৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বান্ধিয়া চিকণ চূড়া     বনফুল তাহে বেড়া
গুঞ্জা-মালা তাহে বল সোনা।
গোঠে থাক ধেনু রাখ     আপনা নাহিক দেখ
বড় হেন বাসহ আপনা॥
অহে কানাই বিষয় পাইয়া হৈলা ভোরা।
আঁখি মটকিয়া হাস     আপনা কেমন বাস
আন হেন নহিয়ে আমরা॥
গায়ের গরবে তুমি     চলিতে না পার জানি
রাজপথে কর পরিহাস।
রাজভয় নাহি মান     কংস-দরবার জান
দেখি কেনে নহ এক পাশ॥
চতুরে চাতুরী কত     আর কহ অবিরত
কাঁচ কাঞ্চনের সমান।
জ্ঞানদাস কহ     হিয়ায় কষিয়া লহ
কাঁচ নহে কষটি পাষাণ॥

টীকা ---
বিষয় পাইয়া হৈলা ভোরা --- তোমার টাকা পয়সা হইয়াছে বা বড় পদ পাইয়াছ বলিয়া অহঙ্কার জন্মিয়াছে ( ভোরা---মত্ত )।
জ্ঞানদাস কহ --- এইবার জ্ঞানদাস কৃষ্ণের পক্ষে হইয়া বলিতেছেন, কৃষ্ণ আমাদের কাঁচ নহে, একেবারে কষ্টিপাথর, তোমার বুকে কষিয়া দেখ।

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২২২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

দানলীলা
॥ বরাড়ী॥

বান্ধিয়া চিকণ চূড়া বনফুল তাহে বেড়া
গুঞ্জমালা তাহে বন সোণা।
গোঠে থাক ধেনু রাখ আপনা নাহিক দেখ
বড় হেন বাসহ আপনা॥
ওহে কানাই বিষয় পাইয়া হৈলে ভোলা।
আঁখি মটকিয়া হাস আপনা কেমন বাস
আন হেন নাহি যে আমরা॥
গায়ের গরবে তুমি চলিতে না পার জানি
রাজপথে কর পরিহাস।
রাজভয় নাহি মান কংস-দরবার জান
দেখি কেনে নহ এক পাশ॥
চতুর চাতুরী কত আর কহ অবিরত
কাঁচা কাঞ্চনের সমান।
জ্ঞানদাস কহে হিয়ায় কষিয়া লহ
কাঁচা নহে কোষ্ঠিপাষাণ॥

ই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ৩১০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

দানলীলা (প্রকারান্তর)
॥ বরাড়ী॥

বাঁন্ধিয়া চিকণ চূড়া     বনফুল তাহে বেড়া
গুঞ্জ মালা তাহে বনি সোণা।
গোঠে থাক ধেনু রাখ     আপনা নাহিক দেখ
বড় হেন বাসহ আপনা॥
ওহে কানাই বিষয় পাইয়া হৈলে ভোলা।
আঁখি মটকিয়া হাস     আপনা কেমন বাস
আন হেন নহি যে আমরা॥
গায়ের গরবে তুমি     চলিতে না পার জানি
রাজপথে কর পরিহাস।
রাজ ভয় নাহি মান     কংস-দরবার জান
দেখি কেনে নহ এক পাশ॥
চতুরে চাতুরী কত     আর কহ অবিরত
কাঁচ কাঞ্চনের সমান।
জ্ঞানদাস কহে     হিয়ায় করিয়া লহ
কাঁচ নহে কষটি পাষাণ॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১১৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দানখণ্ড ও নৌকাখণ্ড
॥ বরাড়ী॥

বান্ধিয়া চিকণ চূড়া     বনফুল তাহে বেড়া
গুঞ্জামালা তাহে বল সোনা।
গোঠে থাক ধেনু রাখ     আপনা নাহিক দেখ
বড় হেন বাসহ আপনা॥
অহে কানাই বিষয় পাইয়া হৈলা ভোরা।
আঁখি মটকিয়া হাস     আপনা কেমন বাস
আন হেন নহিয়ে আমরা॥ ধ্রু॥
গায়ের গরবে তুমি     চলিতে না পার জানি
রাজপথে কর পরিহাস।
রাজভয় নাহি মান     কংস-দরবার জান
দেখি কেনে নহ এক পাশ॥
চতুরে চাতুরী কত     আর কহ অবিরত
কাচে কর কাঞ্চন সমান।
শুনি জ্ঞানদাস কহ     হিয়ায় কষিয়া লহ
কাচ নহে কষটি পাষাণ॥

ই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত সঙ্গীতাচার্য্য দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "কীর্ত্তন-পদাবলী" এর ১৩৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

বাঁধিয়া চিকণ     বনফুল তাহে বেড়া
গুঞ্জা মালা তাহে বনি সোণা।
গোঠে থাক ধেনু রাখ     আপনা নাহিক দেখ
বড় হেন বাসহ আপনা॥
অহে কানাই বিষয় পাইয়া হৈলে ভোলা।
আঁখি মটকিয়া হাস     আপনা কেমন বাস
আন হেন নহি যে আমরা॥
গায়ের গরবে তুমি     চলিতে না পার জানি
রাজপথে কর পরিহাস।
রাজ ভয় নাহি মান     কংস-দরবার জান
দেখি কেনে নহ এক পাশ॥
চতুরে চাতুরী কত     আর কহ অবিরত
কাঁচ কাঞ্চনের সমান।
জ্ঞানদাস কহে     হিয়ায় কষিয়া লহ
কাঁচ নহে কষটি পাষাণ॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "পাঁচশত বত্সরের পদাবলী ১৪১০-১৯১০" এর ১৬১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

বান্ধিয়া চিকণ চূড়া     বনফুল তাহে বেড়া
গুঞ্জামালা তাহে বল সোনা।
গোঠে থাক ধেনু রাখ     আপনা নাহিক দেখ
বড় হেন বাসহ আপনা॥
অহে কানাই, বিষয় পাইয়া হৈলা ভোরা।
আঁখি মটকিয়া হাস     আপনা কেমন বাস
আন হেন নহিয়ে আমরা॥
গায়ের গরবে তুমি     চলিতে না পার জানি
রাজপথে কর পরিহাস।
রাজভয় নাহি মান     কংস দরবার জান
দেখি কেনে নহ একপাশ॥
চতুরে চাতুরী কত     আর কহ অবিরত
কাচে কর কাঞ্চন সমান।
শুনি জ্ঞানদাস কহ     হিয়ায় কষিয়া লহ
কাচ নহে কষটি পাষাণ॥

ই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৪৬৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

দান।

বান্ধিয়া চিকণ চূড়া     বনফল তাহে বেড়া
গুঞ্জামালা তাহে বল সোনা।
গোঠে থাক ধেনু রাখ     আপনা নাহিক দেখ
বড় হেন বাসহ আপনা॥
অহে কানাই, বিষয় পাইয়া হৈলা ভোরা।
আঁখি মটকিয়া হাস     আপনা কেমন বাস
আন হেন নহিয়ে আমরা॥
গায়ের গরবে তুমি     চলিতে না পার জানি
রাজপথে কর পরিহাস।
রাজভয় নাহি মান     কংস দরবার জান
দেখি কেনে নহ একপাশ॥
চতুরে চাতুরী কত     আর কহ অবিরত
কাচে কর কাঞ্চন সমান।
শুনি জ্ঞানদাস কহ     হিয়ায় কষিয়া লহ
কাচ নহে কষটি পাষাণ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৪০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

বান্ধিয়া চিকণ চূড়া বনফল তাহে বেড়া
      গুঞ্জামালা তাহে বল সোনা।
গোঠে থাক ধেনু রাখ আপনা নাহিক
      দেখ বড় হেন বাসহ আপনা॥
অহে কানাই, বিষয় পাইয়া হৈল ভোরা।
আঁখি মটকিয়া হাস আপনা কেমন বাস
      আন হেন নহিয়ে আমরা॥
গায়ের গরবে তুমি চলিতে না পার
      জানি রাজপথে কর পরিহাস।
রাজভয় নাহি মান কংস দরবার জান
      দেখি কেনে নহ এক পাশ॥
চতুরে চাতুরী কত আর কহ অবিরত
      কাচে কর কাঞ্চন সমান।
শুনি জ্ঞানদাস কহ হিয়ায় কষিয়া লহ
      কাচ নহে কষটি পাষাণ॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^