কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
হাসি হাসি বয়ন লুকায়সি রাই
হাসি হাসি বয়ান লুকায়সি রাই

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক সপ্তদশ শতকের মধ্যভাগে, নরহরি (ঘনশ্যাম) চক্রবর্তী প্রণীত এবং ৪৬২ গৌরাব্দে (১৯৪৯), হরিদাস দাস দ্বারা সম্পাদিত ও প্রকাশিত শ্রীশ্রীগীতচন্দ্রোদয় (পূর্ব্বরাগ) গ্রন্থের, ২৭০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীরাধিকার পূর্ব্বরাগ।
॥ তোড়ী॥

হাসি হাসি বয়ন লুকায়সি রাই।    শ্যাম সুনাগর রস অবগাই॥
অন্তরে অন্তরে পিরীতি নিরবন্ধ।    লাজ কপাট কয়ল মুখবন্ধ॥
এ সখি এ সখি! মানহ মোয়।    পরতেক জানি পুছলু হাম তোয়॥
তিলে তিলে প্রতি অঙ্গে পরতেক হোই। দুখ বিনু দুহুঁ দিঠি লহু লহু রোই॥
নিতি নিতি সমুচিত সমুঝিয়ে অঙ্গ। আজু আন রীত দেখিয়ে আন রঙ্গ॥
কহইতে না কহসি মোড়সি অঙ্গ।  বহু পরসাদ হি কয়ল অনঙ্গ॥
মন-পরিতোষ দোষ নাহি দেহ।   জ্ঞানদাস কহ নব নব নেহ॥

ই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২২ বঙ্গাব্দের (১৯১৫ সাল), প্রথম খণ্ড প্রথম ও দ্বিতীয় শাখার ৯ম পল্লব, ২২৯-নং পদসংখ্যা, সংক্ষিপ্ত রসোদ্গার, ১৫৪-নং পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ী॥

হাসি হাসি বয়ন লুকায়সি রাই।
শ্যাম সুনাগর রস অবগাই॥
অন্তরে অন্তরে পিরিতি নিবন্ধ।
লাজ-কপাট কয়ল মুখ বন্ধ॥
তিলে তিলে প্রতিঅঙ্গে পরতেক হোই।
দুখ বিনু দুহুঁ দিঠি লহু লহু রোই॥
নিতি নিতি সমুচিত সমুঝিয়ে অঙ্গ।
আজু আন রীত দেখিয়ে আন রঙ্গ॥
কহইতে না কহসি মোড়সি অঙ্গ।
বহু পরসাদ তোহে কয়ল অনঙ্গ॥
মন পরিতোষ দোষ নাহি দেহ।
জ্ঞানদাস কহ নব নব নেহ॥

ই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১০২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রসোদ্গার
॥ বরাড়ী॥

হাসি হাসি বয়ান লুকায়সি রাই।
শ্যাম সুনাগর রস অবগাই॥
অন্তরে অন্তরে পিরীতি নিরবন্ধ।
লাজ কপাট কয়ল মুখ বন্ধ॥
এ সখি এ সখি মানহ মোয়।
পরতেক জানি পুছলু হাম তোয়॥
তিলে তিলে প্রতি অঙ্গে পরতেক হোই।
দুখ বিনু দুহুঁ দিঠি লহু লহু রোই॥
নিতি নিতি সমুচিত সমুঝিয়ে অঙ্গ।
আজু আন রীতি দেখিয়ে আন রঙ্গ॥
কহইতে না কহসি মোড়সি অঙ্গ।
বহু পরসাদে তোঁহে কয়ল অনঙ্গ॥
মন পরিতোষ দোষ নাহি দেহ।
জ্ঞানদাস কহ নব নব লেহ॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২০২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রসোদ্গার।
॥ বরাড়ী॥

হাসি হাসি বয়ান লুকায়সি রাই।
শ্যাম সুনাগর রস অবগাই॥
অন্তরে অন্তরে পিরীতি নিরবন্ধ।
লাজ কপাট কয়ল মুখ বন্ধ॥
এ সখি এ সখি মানহ মোয়।
পরতেক জানি পুছলু হাম তোয়॥
তিলে তিলে প্রতি অঙ্গে পরতেক হোই।
দুখ বিনু দুহুঁ দিঠি লহু লহু রোই॥
নিতি নিতি সমুচিত সমুঝিয়ে অঙ্গ।
আজু আন রীতি দেখিয়ে আর রঙ্গ॥
কহইতে না কহসি মোড়সি অঙ্গ।
বহু পরসাদে তোঁহে কয়ল অনঙ্গ॥
মন পরিতোষ দোষ নাহি দেহ।
জ্ঞানদাস কহ নব নব লেহ॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৪৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রসোদ্গার
॥ বরাড়ী॥

হাসি হাসি বয়ান লুকায়সি রাই।
শ্যাম সুনাগর রস অবগাই॥ অন্তরে অন্তরে
পিরীতি নিরবন্ধ। লাজ কপাট কয়ল মুখ
বন্ধ॥ এ সখি এ সখি মানহ মোয়।
পরতেক জানি পুছলু হাম তোয়॥ তিলে
তিলে প্রতি অঙ্গে পরতেক হোই। দুখ
বিনু দুহুঁ দিঠি লহু লহু রোই॥ নিতি নিতি
সমুচিত সমুঝিয়ে অঙ্গ। আজু আন রীতি
দেখিয়ে আন রঙ্গ॥ কহইতে না কহসি
মোড়সি অঙ্গ। বহু পরসাদে তোঁহে কয়ল
অনঙ্গ॥ মন পরিতোষ দোষ নাহি দেহ।
জ্ঞানদাস কহ নব নব লেহ॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২১৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রসোচ্ছ্বাস।
॥ বরাড়ী॥

হাসি হাসি বয়ান লুকায়সি রাই।
শ্যাম সুনাগর রস অবগাই॥
অন্তরে অন্তরে পিরীতি-নিরবন্ধ।
লাজ কপাট কয়ল মুখ বন্ধ॥
এ সখি এ সখি মানহ মোয়।
পরতেক জানি পুছলু হাম তোয়॥
তিলে তিলে প্রতি অঙ্গে পরতেক হোই।
দুখ বিনু দুহুঁ দিঠি লহু লহু রোই॥
নিতি নিতি সমুচিত সমুঝিয়ে অঙ্গ।
আজু আন রীতি দেখিয়ে আন রঙ্গ॥
কহইতে না কহসি মোড়সি অঙ্গ।
বহু পরসাদে তোঁহে কয়ল অনঙ্গ॥
মন পরিতোষ দোষ নাহি দেহ।
জ্ঞানদাস কহ নব নব লেহ॥

ই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ৩৭৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ বরাড়ী - মধ্যাম একতালা॥

হাসি হাসি বয়ন লুকায়সি রাই।
শ্যাম সুনাগর রস অবগাই॥
অন্তরে অন্তরে পিরীতি নিরবন্ধ।
লাজ কপাট কয়ল মুখবন্ধ॥
তিলে তিলে প্রতি অঙ্গে পরতেক হোই।
দুখ বিনু দুহুঁ দিঠি লহু লহু রোই॥
নিতি নিতি সমুচিত সমুঝিয়ে অঙ্গ।
আজু আন রীতি দেখিয়ে আন রঙ্গ॥
কহইতে না কহসি মোড়সি অঙ্গ।
বহু পরসাদ তোহে কয়ল অনঙ্গ॥
মন পরিতোষ দোষ নাহি দেহ।
জ্ঞানদাস কহ নব নব লেহ॥

ই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রসোদ্গার, ১৬০ পৃষ্টায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হাসি হাসি বয়ন লুকায়সি রাই।
শ্যাম সুনাগর রস অবগাই॥
অন্তরে অন্তরে পিরীতি নিরবন্ধ।
লাজ কপট কয়ল মুখবন্ধ॥
( এ সখি এ সখি ! মানহ মোয়।
পরতেক জানি পুছলু হাম তোয় )॥
তিলে তিলে প্রতি অঙ্গ পরতেক হোই।
দুখ বিনু দুহুঁ দিঠি লহু লহু রোই॥
নিতি নিতি সমুচিত সমুঝিয়ে অঙ্গ।
আজু আন রীত দেখিয়ে আর রঙ্গ॥
কহইতে না কহসি মোড়সি অঙ্গ।
বহু পরসাদ হি কয়ল অনঙ্গ॥
মন-পরিতোষ দোষ নাহি দেহ।
জ্ঞানদাস কহ নব নব লেহ॥

টীকা ---
রাধা ! আজ তুমি হাসিয়া হাসিয়া মুখ লুকাইতেছ ; শ্যাম সুনাগরের রসে অবগাহন করিয়াছ বুঝি?তোমার মনে মনে প্রেমের প্রতি আগ্রহ ( নিরবন্ধ ) আর কপট লজ্জায় মুখটি বুজিয়া আছ। সখি, ওগো সখি, তুমি স্বীকার কর না কেন ? আমি তো প্রত্যক্ষ (পরতেক) দেখিয়াও তোমাকে ঝিজ্ঞাসা করলাম। প্রতি ক্ষণে তোমার প্রত্যেক অঙ্গেই যে দেখা যাইতেছে (পরতেক হোএ) (যে তুমি প্রেমে পড়িয়াছ)। কোন তো দুঃখ পাও নাই, তবু তোমার চোখ দুটি অল্প অল্প অশ্রু বর্ষণ করিতেছে কেন (চোখ দুটি ছলছল করিতেছে কেন) ? আজ তোমার অন্য ঢং, অন্য রকম রঙ্গ দেখিতেছি। বলিতে যাইয়া বলনা, শুধু গা মোড়া দাও। বুঝিতেছি অনঙ্গ তোমাকে অনেক কৃপা ( পরসাদ ) করিয়াছেন। তোমার মন খুসী হইয়াছে, আমরা তোমার মনের ভাব বুঝি না বলিয়া আমাদের যেন দোষ নিওনা। জ্ঞানদাস বলিতেছেন-প্রেম নিত্য নূতন ভাব জন্মায়। সেইজন্য রাধার এই ভাবগোপন করিবার চেষ্টা বা “অবহিখা” বিস্ময়কর নহে।

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২০৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

রসোচ্ছাস
॥ বরাড়ী॥

হাসি হাসি বয়ান লুকায়সি রাই।
শ্যাম সুনাগর রস অবগাই॥
অন্তরে অন্তরে পিরীতি-নিরবন্ধ।
লাজ কপাট কয়ল মুখ বন্ধ॥
এ সখি, এ সখি মানহ মোয়।
পরতেক জানি পুছল হাম তোয়॥
তিলে তিলে প্রতি অঙ্গে পরতেক হোই।
দুখ বিনা দুহুঁ দিঠি লহুঁ লহু রোই॥
নিতি নিতি সমুচিত সমুঝিয়ে অঙ্গ।
আজু আন রীতি দেখিয়ে আর রঙ্গ॥
কহইতে না কহসি মোড়সি অঙ্গ।
বহু পরসাদে তোঁহে কয়ল অনঙ্গ॥
মন পরিতোষ দোষ নাহি দেহ।
জ্ঞানদাস কহ নব নব লেহ॥

ই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রসোদ্গার, সংক্ষিপ্ত-সম্ভোগ, ১৩৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ বরাড়ি॥

হাসি হাসি বয়ান লুকায়সি রাই।
শ্যাম সুনাগর রস অবগাই॥

অন্তরে অন্তরে পিরীতি নিরবন্ধ।
লাজ কপাট কয়ল মুখ বন্ধ॥

এ সখি এ সখি মানহ মোয়।
পরতেক জানি পুছুঁল হাম তোয়॥

তিলে তিলে প্রতি অঙ্গে পরতেক হোই।
দুখ বিনা দুহুঁ দিঠি লহু লহু রোই॥

নিতি নিতি সমুচিত সমুঝিয়ে অঙ্গ।
আজু আন রীতি দেখিয়ে আর রঙ্গ॥

কহইতে না কহসি মোড়সি অঙ্গ।
বহু পরসাদে তোঁহে কয়ল অনঙ্গ॥

মন পরিতোষ দোষ নাহি দেহ।
জ্ঞানদাস কহ নব নব লেহ॥

ই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৩৯৫-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

রসোদ্গার
সখীর উক্তি
॥ বরাড়ী॥

হাসি হাসি বয়ন লুকায়সি রাই।
শ্যাম সুনাগর রস অবগাই॥
অন্তরে অন্তরে পিরীতিনিবন্ধ।
লাজকপাট কয়ল মুখ বন্ধ॥
তিলে তিলে প্রতি অঙ্গে পরতেক হোই।
দুখ বিনু দুহুঁ দিঠি লহু রোই॥
নিতি নিতি সমুচিত সমুঝি অঙ্গ।
আজু আন রীত দেখি আন রঙ্গ॥
কহইতে না কহসি মোড়সি অঙ্গ।
বহু পরসাদ তোহে কয়ল অনঙ্গ॥
মন পরিতোষ, দোষ নাহি দেহ।
জ্ঞানদাস কহ নব নব লেহ॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

রসোদ্গার
॥ বরাড়ী॥

হাসি হাসি বয়ন লুকায়সি রাই।
শ্যাম-সুনাগর-রস অবগাই॥
অন্তরে অন্তরে পিরিতি-নিবন্ধ।
লাজ-কপাট কয়ল মুখ বন্ধ॥
তিলে তিলে প্রতি অঙ্গে পরতেক হোই।
দুখ বিনু দুহুঁ দিঠি লহু লহু রোই॥
নিতি নিতি সমুচিত সমুঝিয়ে অঙ্গ।
আজু আন রীত দেখিয়ে আন রঙ্গ॥
কহইতে না কহসি মোড়সি অঙ্গ।
বহু পরসাদ তোহে কয়ল অনঙ্গ॥
মন পরিতোষ, দোষ নাহি দেহ।
জ্ঞানদাস কহ নব নব নেহ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৭০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

হাসি হাসি বয়ন লুকায়সি রাই।
শ্যাম সুনাগর রস অবগাই॥
অন্তরে অন্তরে পিরীতিনিবন্ধ।
লাজকপাট কয়ল মুখ বন্ধ॥
তিলে তিলে অঙ্গে পরতেখ হোই।
দুখ বিনু দুহুঁ দিঠি লহু রোই॥
নিতি নিতি সমুচিত সমুঝি অঙ্গ।
আজু আন রীত দেখি আন রঙ্গ॥
কহইতে না কহসি মোড়সি অঙ্গ।
বহু পরসাদ তোহে কয়ল অনঙ্গ॥
মন পরিতোষ, দোষ নাহি দেহ।
জ্ঞানদাস কহ নব নব নেহ॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^