কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কল কল
কবি জ্ঞানদাস
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ২৬শ পল্লব, নৌকা-বিলাস, ১৪১১-নং পদসংখ্যা, ৩৭৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভাটিয়ারি॥
মানস-গঙ্গার জল ঘন করে কল কল
দু কুল বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাঢ়িল বেগ
তরণি রাখিতে নাহি কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চঢ়িলুঁ কেনে নায়॥ ধ্রু॥
নায়্যার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চায় মোরে।
ভয়েত কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি থির হৈয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
মানস-গঙ্গার জল ঘন করে কল কল
দু কুল বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাঢ়িল বেগ
তরণি রাখিতে নাহি কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চঢ়িলুঁ কেনে নায়॥ ধ্রু॥
নায়্যার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চায় মোরে।
ভয়েত কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি থির হৈয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৩৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নৌকা বিলাস
॥ ভাটিয়ারী॥
মানস গঙ্গার জল, ঘন করে কল কল,
দুকূল বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ, পবনে বাঢ়িল বেগ,
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যাম রায়।
কখন না জানে কান, বাহিবার সন্ধান,
জানিয়া চড়িনু কেনে নায়॥ ধ্রু।
নায়্যার নাহিক ভয়, হাসিয়া কথাটি কয়,
কুটিল নয়নে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে, এ জ্বালা সহিবে কে,
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল, নৌকা নাহি পার হৈল,
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি, স্থির হৈয়া থাক দেখি,
এখনি না ভাবিহ বিষাদ॥
॥ ভাটিয়ারী॥
মানস গঙ্গার জল, ঘন করে কল কল,
দুকূল বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ, পবনে বাঢ়িল বেগ,
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যাম রায়।
কখন না জানে কান, বাহিবার সন্ধান,
জানিয়া চড়িনু কেনে নায়॥ ধ্রু।
নায়্যার নাহিক ভয়, হাসিয়া কথাটি কয়,
কুটিল নয়নে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে, এ জ্বালা সহিবে কে,
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল, নৌকা নাহি পার হৈল,
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি, স্থির হৈয়া থাক দেখি,
এখনি না ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২১৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নৌকা বিহার।
॥ ভাটিয়ারী॥
মানস গঙ্গার জল,
ঘন করে কল কল,
দুকূল বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ,
পবনে বাড়িল বেগ,
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যাম রায়।
কখন না জানে কান,
বাহিবার সন্ধান,
জানিয়া চড়িনু কেনে নায়॥
নায়্যার নাহিক ভয়,
হাসিয়া কথাটি কয়,
কুটিল নয়নে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে,
এ জ্বালা সহিবে কে,
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল,
নৌকা নাহি পার হৈল,
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি,
স্থির হৈয়া থাক দেখি,
এখনি না ভাবিহ বিষাদ॥
॥ ভাটিয়ারী॥
মানস গঙ্গার জল,
ঘন করে কল কল,
দুকূল বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ,
পবনে বাড়িল বেগ,
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যাম রায়।
কখন না জানে কান,
বাহিবার সন্ধান,
জানিয়া চড়িনু কেনে নায়॥
নায়্যার নাহিক ভয়,
হাসিয়া কথাটি কয়,
কুটিল নয়নে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে,
এ জ্বালা সহিবে কে,
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল,
নৌকা নাহি পার হৈল,
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি,
স্থির হৈয়া থাক দেখি,
এখনি না ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৫৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নৌকা-বিহার।
মানস গঙ্গার জল, ঘন করে কল কল,
দুকূল বাহিয়া যায় ঢেউ। গগনে উঠিল মেঘ,
পবনে বাড়িল বেগ, তরণী রাখিতে নারে
কেউ॥ দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যাম
রায়। কখন না জানে কান, বাহিবার সন্ধান,
জানিয়া চড়িনু কেনে নায়॥ নায়্যার নাহিক
ভয়, হাসিয়া কথাটী কয়, কুটিল নয়নে চাহে
মোরে। ভয়েতে কাঁপিছে দে, এ জ্বালা
সহিবে কে, কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল, নৌকা নাহি পার
হৈল, পরাণ হইল পরমাদ। জ্ঞানদাস কহে
সখি, স্থির হৈয়া থাক দেখি, এখনি না
ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২২৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নৌকা-বিহার।
মানস গঙ্গার জল, ঘন করে কল কল,
দুকূল বাহিয়া যায় ঢেউ। গগনে উঠিল মেঘ,
পবনে বাড়িল বেগ, তরণী রাখিতে নারে
কেউ॥ দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যাম
রায়। কখন না জানে কান, বাহিবার সন্ধান,
জানিয়া চড়িনু কেনে নায়॥ নায়্যার নাহিক
ভয়, হাসিয়া কথাটী কয়, কুটিল নয়নে চাহে
মোরে। ভয়েতে কাঁপিছে দে, এ জ্বালা
সহিবে কে, কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল, নৌকা নাহি পার
হৈল, পরাণ হইল পরমাদ। জ্ঞানদাস কহে
সখি, স্থির হৈয়া থাক দেখি, এখনি না
ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২২৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নৌকাবিহার।
॥ ভাটিয়ারী॥
মানস গঙ্গার জল, ঘন করে কল কল,
দুকূল বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ, পবনে বাড়িল বেগ,
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যাম রায়।
কখন না জানে কান, বাহিবার সন্ধান,
জানিয়া চড়িনু কেনে নায়॥ ধ্রু
নায়্যার নাহিক ভয়, হাসিয়া কথাটী কয়,
কুটিল নয়নে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে, এ জ্বালা সহিবে কে,
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল, নৌকা নাহি পার হৈল,
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি, স্থির হৈয়া থাক দেখি,
এখনি না ভাবিহ বিষাদ॥
॥ ভাটিয়ারী॥
মানস গঙ্গার জল, ঘন করে কল কল,
দুকূল বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ, পবনে বাড়িল বেগ,
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যাম রায়।
কখন না জানে কান, বাহিবার সন্ধান,
জানিয়া চড়িনু কেনে নায়॥ ধ্রু
নায়্যার নাহিক ভয়, হাসিয়া কথাটী কয়,
কুটিল নয়নে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে, এ জ্বালা সহিবে কে,
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল, নৌকা নাহি পার হৈল,
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি, স্থির হৈয়া থাক দেখি,
এখনি না ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, নৌকা বিলাস, ২০৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কল কল
দুকুল বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাঢ়িল বেগ
তরণি রাখিতে নাহি কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চঢ়িলুঁ কেনে নায়॥
নায়্যার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চায় মোরে।
ভয়েত কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি থির হৈয়া থাক দেথি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
দুকুল বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাঢ়িল বেগ
তরণি রাখিতে নাহি কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চঢ়িলুঁ কেনে নায়॥
নায়্যার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চায় মোরে।
ভয়েত কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি থির হৈয়া থাক দেথি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২১৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
নৌকা-বিহার
॥ ভাটিয়ারী॥
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কল কল
দুকুল বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চঢ়িনু কেনে নায়॥ ধ্রু॥
নায়্যার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি, থির হৈয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
॥ ভাটিয়ারী॥
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কল কল
দুকুল বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চঢ়িনু কেনে নায়॥ ধ্রু॥
নায়্যার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি, থির হৈয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩য় খণ্ড এর ৩৮৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
নৌকাবিলাস
॥ ভাটিয়ারী - ধামালি তাল॥
মানস গঙ্গার জল, ঘন করে কল কল,
দুকূলে বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ, পবনে বাড়িল বেগ,
তরণী রাখিতে নাহি কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান, বাহিবার সন্ধান,
জানিয়া চড়িলুঁ কেনে নায়॥ ধ্রু॥
নায়্যার নাহিক ভয়, হাসিয়া কথাটি কয়,
কুটিল নয়নে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে, এ জালা সহিবে কে,
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল, নৌকা নাহি পার হৈল,
পরাণ হৈল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি, থির হয়্যা থাক দেখি,
এখনি না ভাবিহ বিষাদ॥
॥ ভাটিয়ারী - ধামালি তাল॥
মানস গঙ্গার জল, ঘন করে কল কল,
দুকূলে বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ, পবনে বাড়িল বেগ,
তরণী রাখিতে নাহি কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান, বাহিবার সন্ধান,
জানিয়া চড়িলুঁ কেনে নায়॥ ধ্রু॥
নায়্যার নাহিক ভয়, হাসিয়া কথাটি কয়,
কুটিল নয়নে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে, এ জালা সহিবে কে,
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল, নৌকা নাহি পার হৈল,
পরাণ হৈল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি, থির হয়্যা থাক দেখি,
এখনি না ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ৩২৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীশ্রীমানস গঙ্গায় নৌকা-বিলাস
॥ ভাটিয়ারী॥
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কল কল
দুকূল বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বগ @
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানি চড়িনু কেনে নোয়॥ ধ্রু॥
নায়ার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটীল নয়ানে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এজ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞান দাস কহে সখি থির হৈয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
॥ ভাটিয়ারী॥
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কল কল
দুকূল বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বগ @
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানি চড়িনু কেনে নোয়॥ ধ্রু॥
নায়ার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটীল নয়ানে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এজ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞান দাস কহে সখি থির হৈয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
@ - বগ - সম্ভবত "বেগ" হবে। মুদ্রণপ্রমাদ।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪০৭-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
নৌকালীলা
মানস গঙ্গায় নোকাবিহার
॥ ভাটিয়ারি॥
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কল কল
দুকুল বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারি শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চড়িনু কেনে নায়॥ ধ্রু॥
ন্যায়ার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি স্থির হৈয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
মানস গঙ্গায় নোকাবিহার
॥ ভাটিয়ারি॥
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কল কল
দুকুল বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারি শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চড়িনু কেনে নায়॥ ধ্রু॥
ন্যায়ার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি স্থির হৈয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১১৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ভাটিয়ারি॥
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কল কল দুকুল বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারি শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান জানিয়া চড়িনু কেনে নায়॥ ধ্রু॥
ন্যায়ার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয় কুটিল নয়নে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে কাণ্ডারি ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি স্থির হৈয়া থাক দেখি এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কল কল দুকুল বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারি শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান জানিয়া চড়িনু কেনে নায়॥ ধ্রু॥
ন্যায়ার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয় কুটিল নয়নে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে কাণ্ডারি ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি স্থির হৈয়া থাক দেখি এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত সঙ্গীতাচার্য্য দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "কীর্ত্তন-পদাবলী" এর ১৫২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মানস গঙ্গার জল, ঘন করে কল কল,
দুকূল বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ, পবনে বাড়িল বেগ,
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান, বাহিবার সন্ধান,
জানিয়া চঢ়িলুঁ কেনে নায়॥
নায়্যার নাহিক ভয়, হাসিয়া কথাটি কয়,
কুটিল নয়নে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে, এ জ্বালা সহিবে কে,
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল, নৌকা নাহি পার হৈল,
পরাণ হৈল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখী, থির হয়্যা থাক দেখি,
এখনি না ভাবিহ বিষাদ॥
দুকূল বাহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ, পবনে বাড়িল বেগ,
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান, বাহিবার সন্ধান,
জানিয়া চঢ়িলুঁ কেনে নায়॥
নায়্যার নাহিক ভয়, হাসিয়া কথাটি কয়,
কুটিল নয়নে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে, এ জ্বালা সহিবে কে,
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল, নৌকা নাহি পার হৈল,
পরাণ হৈল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখী, থির হয়্যা থাক দেখি,
এখনি না ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৩৬৮ বঙ্গাব্দে (১৯৬১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত, এবং পূর্ণেন্দুশেখর পত্রী দ্বারা সজ্জিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদরত্নাবলী” ১ম সংস্করণের ৭৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কল কল
দু-কুল বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ
তরণী রাখিতে নাহি কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চড়িলুঁ কেনে নায়॥
নেয়ের নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ-জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখী থির হইয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
দু-কুল বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ
তরণী রাখিতে নাহি কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চড়িলুঁ কেনে নায়॥
নেয়ের নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ-জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখী থির হইয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "পাঁচশত বত্সরের পদাবলী ১৪১০-১৯১০" এর ১৬৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কল কল
দু কুলে বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ
তরণী রাখিতে নাহি কেউ॥
দেখ সখি, নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চড়িলুঁ কেনে নায়?
নায়্যার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারি ধরিতে চায় কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হইল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি থির হইয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
দু কুলে বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ
তরণী রাখিতে নাহি কেউ॥
দেখ সখি, নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চড়িলুঁ কেনে নায়?
নায়্যার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারি ধরিতে চায় কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হইল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি থির হইয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৪৭৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
নৌকাবিলাস।
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কল কল
দু কুলে বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ
তরণী রাখিতে নাহি কেউ॥
দেখ সখি, নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চড়িলুঁ কেনে নায়?
নায়্যার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়নে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারি ধরিতে চায় কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হইল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি থির হইয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কল কল
দু কুলে বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ
তরণী রাখিতে নাহি কেউ॥
দেখ সখি, নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চড়িলুঁ কেনে নায়?
নায়্যার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়নে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারি ধরিতে চায় কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হইল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি থির হইয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৯৭৭ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পরিষদ দ্বারা প্রকাশিত, ডঃ দেবনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদসঙ্কলন" গ্রন্থের এর ১৬৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
দানলীলা ও নৌকালীলা
মানস-গঙ্গার জল ঘন করে কলকল
দুকুল বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ
তরণী রাখিতে নাহি কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারি শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চড়িলু কেনে নায়॥
ন্যায়ার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি স্থির হৈয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
মানস-গঙ্গার জল ঘন করে কলকল
দুকুল বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ
তরণী রাখিতে নাহি কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারি শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চড়িলু কেনে নায়॥
ন্যায়ার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার হৈল
পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি স্থির হৈয়া থাক দেখি
এখন না ভাবিহ বিষাদ॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৪৬ পৃষ্ঠায়, এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কলকল
দুকূল বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চড়িনু কেন নায়॥
ন্যায়ার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার
হৈল পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি স্থির হৈয়া থাক দেখি
এখন না ভাবহ বিষাদ॥
*********************
মানস গঙ্গার জল ঘন করে কলকল
দুকূল বহিয়া যায় ঢেউ।
গগনে উঠিল মেঘ পবনে বাড়িল বেগ
তরণী রাখিতে নারে কেউ॥
দেখ সখি নবীন কাণ্ডারী শ্যামরায়।
কখন না জানে কান বাহিবার সন্ধান
জানিয়া চড়িনু কেন নায়॥
ন্যায়ার নাহিক ভয় হাসিয়া কথাটি কয়
কুটিল নয়ানে চাহে মোরে।
ভয়েতে কাঁপিছে দে এ জ্বালা সহিবে কে
কাণ্ডারী ধরিয়া করে কোরে॥
অকাজে দিবস গেল নৌকা নাহি পার
হৈল পরাণ হইল পরমাদ।
জ্ঞানদাস কহে সখি স্থির হৈয়া থাক দেখি
এখন না ভাবহ বিষাদ॥
*********************
