কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . .
কহ সখি কি করি উপায়
কহ সখী কি করি উপায়

কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ২৬শ পল্লব, নৌকা-বিলাস, ১৪১৩-নং পদসংখ্যা, ৩৭৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

॥ মল্লার॥

কহ সখি কি করি উপায়।
নায়ের নাবিক হৈয়া এ যৌবন চায়॥
পরমাদ হৈল সই পরমাদ হৈল।
নায়্যার গলার মালা মোর গলে দিল॥
যে ছিল কপালে সই যে ছিল কপালে।
নাবিক হইয়া মোরে পরশিল বলে॥
কলঙ্ক হইল সই কলঙ্ক হইল।
বলে ছলে নায়্যা মোরে কোলে করি নিল॥
জ্ঞানদাস কহে ধনি না ভাব বিষাদ।
নন্দের নন্দন নায়্যা কিসের পরমাদ॥

ই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১৩৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নৌকা বিলাস।
॥ মল্লার॥

কহ সখি কি করি উপায়।
নায়ের নাবিক হৈয়া এ যৌবন চায়॥
পরমাদ হৈল সই পরমাদ হৈল।
নায়্যার গলার মালা মোর গলে দিল॥
যে ছিল কপালে সই যে ছিল কপালে।
নাবিক হইয়া মোরে পরশিল বলে॥
কলঙ্ক হইল সই কলঙ্ক হইল।
বলে ছলে নায়্যা মোরে কোলে করি নিল॥
জ্ঞানদাস কহে ধনি না ভাব বিষাদ।
নন্দের নন্দন লয়ে কিসের পরমাদ॥

ই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২১৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নৌকা বিহার।
॥ মল্লার॥

কহ সখি কি করি উপায়।
নায়ের নাবিক হৈয়া এ যৌবন চায়॥
পরমাদ হৈল সই পরমাদ হৈল।
নায়্যার গলার মালা মোর গলে দিল॥
যে ছিল কপালে সই যে ছিল কপালে।
নাবিক হইয়া মোরে পরশিল বলে॥
কলঙ্ক হইল সই কলঙ্ক হইল।
বলে ছলে নায়্যা মোরে কোলে করি নিল॥
জ্ঞানদাস কহে ধনি না ভাব বিষাদ।
নন্দের নন্দন লয়ে কিসের পরমাদ॥

ই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৫৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নৌকা-বিহার।
॥ মল্লার॥

কহ সখি কি করি উপায়। নায়ের
নাবিক হৈয়া এ যৌবন চায়॥ পরমাদ হৈল
সই পরমাদ হৈল। নায়্যার গলার মালা
মোর গলে দিল॥ যে ছিল কপালে সই
যে ছিল কপালে। নাবিক হইয়া মোরে
পরশিল বলে॥ কলঙ্ক হইল সই কলঙ্ক
হইল। বলে ছলে নায়্যা মোরে কোলে
করি নিল॥ জ্ঞানদাস কহে ধনি না ভাব
বিষাদ। নন্দের নন্দন ল'য়ে কিসের পরমাদ॥

ই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

নৌকাবিহার।
॥ মল্লার॥

কহ সখি কি করি উপায়।
নায়ের নাবিক হৈয়া এ যৌবন চায়॥
পরমাদ হৈল সই পরমাদ হৈল।
নায়্যার গলার মালা মোর গলে দিল॥
যে ছিল কপালে সই যে ছিল কপালে।
নাবিক হইয়া মোরে পরশিল বলে॥
কলঙ্ক হইল সই কলঙ্ক হইল।
বলে ছলে নায়্যা মোরে কোলে করি নিল॥
জ্ঞানদাস কহে ধনি না ভাব বিষাদ।
নন্দের নন্দন ল'য়ে কিসের পরমাদ॥

ই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, নৌকা বিলাস, ২০৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কহ সখি কি করি উপায়।
নায়ের নাবিক হৈয়া এ যৌবন চায়॥
পরমাদ হৈল সই পরমাদ হৈল।
ন্যায়ার গলার মলা মোর গলে দিল॥
যে ছিল কপালে সই যে ছিল কপালে।
নাবিক হইয়া মোরে পরশিল বলে॥
কলঙ্ক হইল সই কলঙ্ক হইল।
বলে ছলে নায়্যা মোরে কোলে করি নিল॥
জ্ঞানদাস কহে ধনি না ভাব বিষাদ।
নন্দের নন্দন নায়্যা কিসের পরমাদ॥

ই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২১৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

নৌকা-বিহার
॥ মল্লার॥

কহ সখি কি করি উপায়।
নায়ের নাবিক হৈয়া এ যৌবন চায়॥
পরমাদ হৈল সই পরমাদ হৈল।
নায়্যার গলার মালা মোর গলে দিল॥
যে ছিল কপালে সই যে ছিল কপালে।
নাবিক হইয়া মোরে পরশিল বলে॥
কলঙ্ক হইল সই কলঙ্ক হইল।
বলে ছলে নায়্যা মোরে কোলে করি নিল॥
জ্ঞানদাস কহে ধনি না ভাব বিষাদ।
নন্দের নন্দন ল’য়ে কিসের পরমাদ॥

ই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ৩২৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

শ্রীশ্রীমানস গঙ্গায় নৌকা-বিলাস
॥ মল্লার॥

কহ সখি কি করি উপায়।
নায়ের নাবিক হৈয়া এ যৌবন চায়॥
পরমাদ হৈল সই পরমাদ হৈল।
নায়্যার গলার মালা মোর গলে দিল॥
যে ছিল কপালে সই যে ছিল কপালে।
নাবিক হইয়া মোরে পরশিল বলে॥
কলঙ্ক হইল সই কলঙ্ক হইল।
বলে ছলে নায়্যা মোরে কোলে করি নিল॥
জ্ঞান দাস কহে ধনি না ভাব বিষাদ।
নন্দের নন্দন নায়্যা কিসে পরমাদ॥

ই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

দানখণ্ড ও নৌকাখণ্ড
মানস গঙ্গায় নৌকাবিলাস
॥ মল্লার॥

কহ সখি কি করি উপায়।
নায়ের নাবিক হৈয়া এ যৌবন চায়॥
পরমাদ হৈল সই পরমাদ হৈল।
নায়্যার গলার মালা মোর গলে দিল॥
যে ছিল কপালে সই যে ছিল কপালে।
নাবিক হইয়া মোরে পরশিল বলে॥
কলঙ্ক হইল সই কলঙ্ক হইল।
বলে ছলে নায়্যা মোরে কোলে করি নিল॥
জ্ঞানদাস বলে ধনি না ভাব বিষাদ।
নন্দের নন্দন নায়্যা কিসের পরমাদ॥

ই পদটি ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত সঙ্গীতাচার্য্য দুর্গাচরণ বিশ্বাস সংগৃহীত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "কীর্ত্তন-পদাবলী" এর ১৫৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।

কহ সখী কি করি উপায়।
নায়ের নাবিক হৈয়া এ যৌবন চায়॥
পরমাদ হৈল সই পরমাদ হৈল।
নায়্যার গলার মালা মোর গলে দিল॥
যে ছিল কপালে সই যে ছিল কপালে।
নাবিক হইয়া মোরে পরশিল বলে॥
কলঙ্ক হইল সই কলঙ্ক হইল।
বলে ছলে নায়্যা মোরে কোলে করি নিল॥
জ্ঞানদাস বলে ধনি না ভাব বিষাদ।
নন্দের নন্দন নায়্যা কিসের পরমাদ॥

ই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬০৯ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।

কহ সখি কি করি উপায়।
নায়ের নাবিক হৈয়া এ যৌবন চায়॥
পরমাদ হৈল সই পরমাদ হৈল।
নায়্যার গলার মালা মোর গলে দিল॥
যে ছিল কপালে সই যে ছিল কপালে।
নাবিক হইয়া মোরে পরশিল বলে॥
কলঙ্ক হইল সই কলঙ্ক হইল।
বলে ছলে নায়্যা মোরে কোলে করি নিল॥
জ্ঞানদাস বলে ধনি না ভাব বিষাদ।
নন্দের নন্দর নায়্যা কিসের পরমাদ॥

*********************
^^এই পাতার উপরে ফেরত^^