কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর
নিধুবনে বিহরই যুগল কিশোর
কবি জ্ঞানদাস
নিধুবনে বিহরই যুগল কিশোর
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল), ২য় খণ্ড, ৩য় শাখা, ২৭শ পল্লব, হোরি-লীলা, ১৪৩৫-নং পদসংখ্যা, ৩৮৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর।
ফাগু-রঙ্গে আজি সভে হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যাম-নাগর-অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে কানু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর-অঙ্গে।
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে॥
বীণ রবাব মুরজ কপিলাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ২৭৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ বসন্ত রাগ তাল পরিমিত॥
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর। ফাগুরঙ্গে আজ হইআছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন পিচকারি ভরি। শ্যামনাগর অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি। রাইক নিয়ড়ে ফাগু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর অঙ্গে। নাগর খেলত রাইক সঙ্গে॥
বীণা রবাব মুরুজ কপিনাস। বিবিধ জন্ত লেই করএ বিলাস॥
কোই কোই গায়ত নব নব তান। জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বসন্ত লীলা
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধু বনে যুগল কিশোর।
ফাগু রঙ্গে আজি সভে হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যাম নাগর অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে ফাগু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর অঙ্গে।
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে॥
বীণ রবাব মুরজ পিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২০৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বসন্ত-লীলা।
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধু বনে যুগল কিশোর।
ফাগু রঙ্গে আজি সভে হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যাম নাগর অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে ফাগু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর অঙ্গে।
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে॥
বীণ রবাব মুরজ পিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৪৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বসন্ত-লীলা
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধু বনে যুগল কিশোর। ফাগু
রঙ্গে আজি সভে হৈয়াছে বিভোর॥ চুয়া
চন্দন ভরি পিচকারি। শ্যাম নাগর অঙ্গে
দেওত ডারি॥ ললিতা বিশাখা আদি সখী-
গণ মেলি। রাইক নিয়ড়ে ফাগু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর অঙ্গে। নাগর খেলই
রাইক সঙ্গে॥ বীণ রবাব মুরজ পিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥ কোই
কোই গাওত নব নব তান। জ্ঞানদাস হেরি
জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৯০৪ সালে জন্মভূমি পত্রিকার ১২শ বর্ষ, ৯ম সংখ্যায় প্রকাশিত, "প্রাচীন বৈষ্ণব-পদাবলী" প্রবন্ধের ৩১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নিধুবনে বিহরই যুগল কিশোর,
ফাগু অঙ্গে আজু হইয়া বিভোর ;
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি,
শ্যাম নাগর অঙ্গে দেয়ত ডারি ;
ললিত বিশাখা সখিগণ মেলি,
রহে নিয়তে সবে ফাগুলেহ গেলি ;
সব সখি ডারত নাগর অঙ্গে,
নাগর খেল্ ত রসিক সঙ্গে ;
বীণ বারহার জকাপি না বিবিধ,
যন্ত্র লেহ করয়ে বিলাস,
কোই কোই ডারত নব নব তাল ;
জ্ঞানদাস কর্ণ পবিত্র ভেয়াল।
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বসন্ত বিহার।
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর।
ফাগুরঙ্গে আজি সভে হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যাম নাগর-অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে কানু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর-অঙ্গে।
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে॥
বীণ রবাব মুরজ পিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বসন্ত বিহার ও হোলি, ২২৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর।
ফাগু-রঙ্গে আজি সভে হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যাম-নাগর-অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে কানু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর অঙ্গে।
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে॥
বীণ রবাব মুরজ কপিগাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
টীকা ---
দেওত ডারি --- ঢালিয়া দিতেছে।
কপিগাস --- কপিনাস নামক বাজনা।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২০৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
বসন্ত-বিহার।
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর।
ফাগুরঙ্গে আজি সভে হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যাম নাগর-অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে কানু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর-অঙ্গে।
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে॥
বীণ রবাব মূরজ পিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৪৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
হোরিলীলা
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর।
ফাগুরঙ্গে সব হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যামনাগর অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে কানু লেই গেলি॥
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে॥
সব সখী ডারত নাগরঅঙ্গে
বীণ রবাব মুরজ কপিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বসন্ত লীলা
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর।
ফাগুরঙ্গে সব হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যাম-নাগর অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে কানু লেই গেলি॥
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে।
সব সখী ডারত নাগর-অঙ্গে॥
বীণ রবাব মুরজ কপিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৪১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর।
ফাগুরঙ্গে সব হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যামনাগর অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে কানু লেই গেলি॥
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে।
সব সখী ডারত নাগরঅঙ্গে॥
বীণ রবাব মুরজ কপিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
*********************
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর।
ফাগু-রঙ্গে আজি সভে হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যাম-নাগর-অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে কানু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর-অঙ্গে।
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে॥
বীণ রবাব মুরজ কপিলাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ২৭৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ বসন্ত রাগ তাল পরিমিত॥
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর। ফাগুরঙ্গে আজ হইআছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন পিচকারি ভরি। শ্যামনাগর অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি। রাইক নিয়ড়ে ফাগু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর অঙ্গে। নাগর খেলত রাইক সঙ্গে॥
বীণা রবাব মুরুজ কপিনাস। বিবিধ জন্ত লেই করএ বিলাস॥
কোই কোই গায়ত নব নব তান। জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ১১৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বসন্ত লীলা
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধু বনে যুগল কিশোর।
ফাগু রঙ্গে আজি সভে হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যাম নাগর অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে ফাগু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর অঙ্গে।
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে॥
বীণ রবাব মুরজ পিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২০৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বসন্ত-লীলা।
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধু বনে যুগল কিশোর।
ফাগু রঙ্গে আজি সভে হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যাম নাগর অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে ফাগু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর অঙ্গে।
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে॥
বীণ রবাব মুরজ পিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৪৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বসন্ত-লীলা
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধু বনে যুগল কিশোর। ফাগু
রঙ্গে আজি সভে হৈয়াছে বিভোর॥ চুয়া
চন্দন ভরি পিচকারি। শ্যাম নাগর অঙ্গে
দেওত ডারি॥ ললিতা বিশাখা আদি সখী-
গণ মেলি। রাইক নিয়ড়ে ফাগু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর অঙ্গে। নাগর খেলই
রাইক সঙ্গে॥ বীণ রবাব মুরজ পিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥ কোই
কোই গাওত নব নব তান। জ্ঞানদাস হেরি
জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৯০৪ সালে জন্মভূমি পত্রিকার ১২শ বর্ষ, ৯ম সংখ্যায় প্রকাশিত, "প্রাচীন বৈষ্ণব-পদাবলী" প্রবন্ধের ৩১৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নিধুবনে বিহরই যুগল কিশোর,
ফাগু অঙ্গে আজু হইয়া বিভোর ;
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি,
শ্যাম নাগর অঙ্গে দেয়ত ডারি ;
ললিত বিশাখা সখিগণ মেলি,
রহে নিয়তে সবে ফাগুলেহ গেলি ;
সব সখি ডারত নাগর অঙ্গে,
নাগর খেল্ ত রসিক সঙ্গে ;
বীণ বারহার জকাপি না বিবিধ,
যন্ত্র লেহ করয়ে বিলাস,
কোই কোই ডারত নব নব তাল ;
জ্ঞানদাস কর্ণ পবিত্র ভেয়াল।
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বসন্ত বিহার।
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর।
ফাগুরঙ্গে আজি সভে হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যাম নাগর-অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে কানু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর-অঙ্গে।
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে॥
বীণ রবাব মুরজ পিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, বসন্ত বিহার ও হোলি, ২২৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর।
ফাগু-রঙ্গে আজি সভে হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যাম-নাগর-অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে কানু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর অঙ্গে।
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে॥
বীণ রবাব মুরজ কপিগাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
টীকা ---
দেওত ডারি --- ঢালিয়া দিতেছে।
কপিগাস --- কপিনাস নামক বাজনা।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২০৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
বসন্ত-বিহার।
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর।
ফাগুরঙ্গে আজি সভে হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যাম নাগর-অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে কানু লেই গেলি॥
সব সখী ডারত নাগর-অঙ্গে।
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে॥
বীণ রবাব মূরজ পিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৪৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
হোরিলীলা
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর।
ফাগুরঙ্গে সব হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যামনাগর অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে কানু লেই গেলি॥
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে॥
সব সখী ডারত নাগরঅঙ্গে
বীণ রবাব মুরজ কপিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ১৩১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বসন্ত লীলা
॥ বসন্ত॥
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর।
ফাগুরঙ্গে সব হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যাম-নাগর অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে কানু লেই গেলি॥
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে।
সব সখী ডারত নাগর-অঙ্গে॥
বীণ রবাব মুরজ কপিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৪১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
বিহরই নিধুবনে যুগল কিশোর।
ফাগুরঙ্গে সব হৈয়াছে বিভোর॥
চুয়া চন্দন ভরি পিচকারি।
শ্যামনাগর অঙ্গে দেওত ডারি॥
ললিতা বিশাখা আদি সখীগণ মেলি।
রাইক নিয়ড়ে কানু লেই গেলি॥
নাগর খেলই রাইক সঙ্গে।
সব সখী ডারত নাগরঅঙ্গে॥
বীণ রবাব মুরজ কপিনাস।
বিবিধ যন্ত্র লেই করয়ে বিলাস॥
কোই কোই গাওত নব নব তান।
জ্ঞানদাস হেরি জুড়ায় নয়ান॥
*********************
