কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
আজু পরভাতে দেখিলুঁ কার মুখ
আজু পরভাতে দেখিনু কার মুখ
আজি পরভাতে দেখিল কার মুখ
কবি জ্ঞানদাস
আজু পরভাতে দেখিনু কার মুখ
আজি পরভাতে দেখিল কার মুখ
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ২য় পল্লব, ভাবী বিরহ, ১৬০৫ নং পদসংখ্যা, ১১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই॥
আজু পরভাতে দেখিলুঁ কার মুখ।
কোন নিদারুণ বিধি দিলে এত দুখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজর-হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কার পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিলুঁ বাম পায়।
পদাঘাত কৈলুঁ কোন ভুজঙ্গ-মাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কে মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখী করায় সম্বিত॥
এই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ৩১৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তথা রাগ তাল পরিমিত॥
আজি পরভাতে দেখিল কার মুখ। কোন নিদারুণ বিহি দিল এত দুখ॥
কোন দুরাচারে হেন ঘোষণা ঘুসিল। কেমন বজর হিআ পিআ লইতে আইল॥
কার পূর্ণঘট হাম ভাঙ্গিল বাম পাঅ। পদাঘাতো কৈল কোন ভুজঙ্গ মাথাঅ॥
না জানিএ আমি কোন্ দেবেরে নিন্দিল। কে মোর হিআর ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরূছিত। জ্ঞানদাস কহে সখী করাহ সম্বিত॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রবাস
॥ সুহই ॥
আজু পরভাতে দেখিনু কার মুখ।
কোন্ নিদারুণ বিধি দিলে এত দুঃখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজর হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কাম পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিনু বাম পায়।
পদাঘাত কৈনু কোন ভুজঙ্গ মাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কো মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মূরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখি করয়ে সম্বিত॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৪৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রবাস।
॥ সুহই ॥
আজু পরভাতে দেখিনু কার মুখ।
কোন নিদারুণ বিধি দিলে এত দুঃখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজর হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কাম পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিনু বাম পায়।
পদাঘাত কৈনু কোন ভুজঙ্গ মাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কো মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মূরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখি করয়ে সম্বিত॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৭৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রবাস।
॥ সুহই ॥
আজু পরভাতে দেখিনু কার মুখ।
কোন নিদারুণ বিধি দিলে এত দুঃখ॥ কোন
দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল। কেমন বজর
হিয়া পিয়া লইতে আইল॥ কাম পূর্ণ
ঘট মুঞি ভাঙ্গিনু বাম পায়। পদাঘাত
কৈনু কোন্ ভুজঙ্গ মাথায়॥ না জানিয়া
মুঞি কোন্ দেবেরে নিন্দিল। কো মোর
হিয়ার ধন লইতে আইল॥ এত কহি
সুবদনী ভেল মূরছিত। জ্ঞানদাস কহে
সখি করয়ে সম্বিত॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কলহান্তরিতা।
॥ সুহই ॥
আজু পরভাতে দেখিনু কার মুখ।
কোন্ নিদারুণ বিধি দিলে এত দুঃখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজর হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কার পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিনু বাম পায়।
পদাঘাত কৈনু কোন ভুজঙ্গ-মাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কোমোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মূরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখি করয়ে সম্বিত॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, প্রবাস, ২৪৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
আজু পরভাতে দেখিলুঁ কার মুখ।
কোন নিদারুণ বিধি দিলে এক দুখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজর-হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কার পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিলু বাম পায়।
পদাঘাত কৈলুঁ কোন ভুজঙ্গ মাথায়॥
না জানিঞা মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কে মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখী করায় সম্বিত॥
টীকা ---
কার পূর্ণঘট ইত্যাদি --- জলে পূর্ণ মঙ্গলঘট বামপা দিয়া ভাঙ্গিলে এবং সাপের মাথায় লাথি মারিলে অমঙ্গল হয়।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৪৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
কলহান্তরিতা।
॥ সুহই ॥
আজু পরভাতে দেখিনু কার মুখ।
কোন্ নিদারুণ বিধি দিলে এত দুঃখ॥
কোন্ দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজর হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কাম পূর্ণ ঘট মুই ভাঙ্গিনু বাম পায়।
পদাঘাত কৈনু কোন্ ভুজঙ্গ-মাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কে মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখী করয়ে সম্বিত॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৪৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর
ভাবী বিরহ
॥ সুহই॥
আজু পরভাতে দেখিলুঁ কার মুখ।
কোন্ নিদারুণ বিধি দিলে এত দুখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজরহিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কার পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিলুঁ বাম পায়।
পদাঘাত কৈলুঁ কোন্ ভুজঙ্গমাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন্ দেবেরে নিন্দিল।
কে মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখী করায় সম্বিত॥
এই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৪র্থ খণ্ড এর ১৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থটি আমাদের দিয়েছিলেন রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্রর দৌহিত্রী শ্রীমতী মঞ্জু মিত্র, ৫.১.২০১৮ তারিখে।
॥ তিরোথা ধানশী - আড়া একতালা॥
আজু পরভাতে দেখিলুঁ কার মুখ।
কোন নিদারুণ বিধি দিলে এত দুখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘোষিল।
কেমন বজর হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কার পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিলু বাম পায়।
পদাঘাত কৈলুঁ কোন ভুজঙ্গ মাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কে মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখী করয়ে সম্বিত॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৭৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর
ভাবী বিরহ
॥ সুহই॥
আজু পরভাতে দেখিলুঁ কার মুখ।
কোন্ নিদারুণ বিধি দিলে এত দুখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজর-হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কার পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিলুঁ বাম পায়।
পদাঘাত কৈলুঁ কোন ভুজঙ্গ-মাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কে মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখী করায় সম্বিত॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৫৯৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
আজু পরভাতে দেখিলুঁ কার মুখ।
কোন্ নিদারুণ বিধি দিলে এত দুখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজরহিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কার পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিলুঁ বাম পায়।
পদাঘাত কৈলুঁ কোন ভুজঙ্গমাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন্ দেবেরে নিন্দিল।
কে মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখী করায় সম্বিত॥
*********************
আজু পরভাতে দেখিলুঁ কার মুখ।
কোন নিদারুণ বিধি দিলে এত দুখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজর-হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কার পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিলুঁ বাম পায়।
পদাঘাত কৈলুঁ কোন ভুজঙ্গ-মাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কে মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখী করায় সম্বিত॥
এই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ৩১৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তথা রাগ তাল পরিমিত॥
আজি পরভাতে দেখিল কার মুখ। কোন নিদারুণ বিহি দিল এত দুখ॥
কোন দুরাচারে হেন ঘোষণা ঘুসিল। কেমন বজর হিআ পিআ লইতে আইল॥
কার পূর্ণঘট হাম ভাঙ্গিল বাম পাঅ। পদাঘাতো কৈল কোন ভুজঙ্গ মাথাঅ॥
না জানিএ আমি কোন্ দেবেরে নিন্দিল। কে মোর হিআর ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরূছিত। জ্ঞানদাস কহে সখী করাহ সম্বিত॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২২৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রবাস
॥ সুহই ॥
আজু পরভাতে দেখিনু কার মুখ।
কোন্ নিদারুণ বিধি দিলে এত দুঃখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজর হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কাম পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিনু বাম পায়।
পদাঘাত কৈনু কোন ভুজঙ্গ মাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কো মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মূরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখি করয়ে সম্বিত॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৪৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রবাস।
॥ সুহই ॥
আজু পরভাতে দেখিনু কার মুখ।
কোন নিদারুণ বিধি দিলে এত দুঃখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজর হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কাম পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিনু বাম পায়।
পদাঘাত কৈনু কোন ভুজঙ্গ মাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কো মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মূরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখি করয়ে সম্বিত॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৭৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রবাস।
॥ সুহই ॥
আজু পরভাতে দেখিনু কার মুখ।
কোন নিদারুণ বিধি দিলে এত দুঃখ॥ কোন
দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল। কেমন বজর
হিয়া পিয়া লইতে আইল॥ কাম পূর্ণ
ঘট মুঞি ভাঙ্গিনু বাম পায়। পদাঘাত
কৈনু কোন্ ভুজঙ্গ মাথায়॥ না জানিয়া
মুঞি কোন্ দেবেরে নিন্দিল। কো মোর
হিয়ার ধন লইতে আইল॥ এত কহি
সুবদনী ভেল মূরছিত। জ্ঞানদাস কহে
সখি করয়ে সম্বিত॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কলহান্তরিতা।
॥ সুহই ॥
আজু পরভাতে দেখিনু কার মুখ।
কোন্ নিদারুণ বিধি দিলে এত দুঃখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজর হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কার পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিনু বাম পায়।
পদাঘাত কৈনু কোন ভুজঙ্গ-মাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কোমোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মূরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখি করয়ে সম্বিত॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, প্রবাস, ২৪৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
আজু পরভাতে দেখিলুঁ কার মুখ।
কোন নিদারুণ বিধি দিলে এক দুখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজর-হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কার পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিলু বাম পায়।
পদাঘাত কৈলুঁ কোন ভুজঙ্গ মাথায়॥
না জানিঞা মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কে মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখী করায় সম্বিত॥
টীকা ---
কার পূর্ণঘট ইত্যাদি --- জলে পূর্ণ মঙ্গলঘট বামপা দিয়া ভাঙ্গিলে এবং সাপের মাথায় লাথি মারিলে অমঙ্গল হয়।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৪৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
কলহান্তরিতা।
॥ সুহই ॥
আজু পরভাতে দেখিনু কার মুখ।
কোন্ নিদারুণ বিধি দিলে এত দুঃখ॥
কোন্ দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজর হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কাম পূর্ণ ঘট মুই ভাঙ্গিনু বাম পায়।
পদাঘাত কৈনু কোন্ ভুজঙ্গ-মাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কে মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখী করয়ে সম্বিত॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৪৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর
ভাবী বিরহ
॥ সুহই॥
আজু পরভাতে দেখিলুঁ কার মুখ।
কোন্ নিদারুণ বিধি দিলে এত দুখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজরহিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কার পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিলুঁ বাম পায়।
পদাঘাত কৈলুঁ কোন্ ভুজঙ্গমাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন্ দেবেরে নিন্দিল।
কে মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখী করায় সম্বিত॥
এই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৪র্থ খণ্ড এর ১৪ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থটি আমাদের দিয়েছিলেন রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্রর দৌহিত্রী শ্রীমতী মঞ্জু মিত্র, ৫.১.২০১৮ তারিখে।
॥ তিরোথা ধানশী - আড়া একতালা॥
আজু পরভাতে দেখিলুঁ কার মুখ।
কোন নিদারুণ বিধি দিলে এত দুখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘোষিল।
কেমন বজর হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কার পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিলু বাম পায়।
পদাঘাত কৈলুঁ কোন ভুজঙ্গ মাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কে মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখী করয়ে সম্বিত॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৭৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর
ভাবী বিরহ
॥ সুহই॥
আজু পরভাতে দেখিলুঁ কার মুখ।
কোন্ নিদারুণ বিধি দিলে এত দুখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজর-হিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কার পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিলুঁ বাম পায়।
পদাঘাত কৈলুঁ কোন ভুজঙ্গ-মাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন দেবেরে নিন্দিল।
কে মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখী করায় সম্বিত॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৫৯৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
আজু পরভাতে দেখিলুঁ কার মুখ।
কোন্ নিদারুণ বিধি দিলে এত দুখ॥
কোন দুরাচার হেন ঘোষণা ঘুষিল।
কেমন বজরহিয়া পিয়া লইতে আইল॥
কার পূর্ণ ঘট মুঞি ভাঙ্গিলুঁ বাম পায়।
পদাঘাত কৈলুঁ কোন ভুজঙ্গমাথায়॥
না জানিয়া মুঞি কোন্ দেবেরে নিন্দিল।
কে মোর হিয়ার ধন লইতে আইল॥
এত কহি সুবদনী ভেল মুরছিত।
জ্ঞানদাস কহে সখী করায় সম্বিত॥
*********************
