কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
পুন নাহি হেরব সো চান্দ বয়ান
পুন নাহি হেরব সো চাঁন্দবয়ান
পুন নাহি হেরব সে চাঁদ বয়ান
কবি জ্ঞানদাস
পুন নাহি হেরব সো চাঁন্দবয়ান
পুন নাহি হেরব সে চাঁদ বয়ান
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ সাল), ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ৪র্থ পল্লব, ভূত বিরহ, ১৬৪৭ নং পদসংখ্যা, ৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ অথ তানবং॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দ-বয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া-গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ-সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ-পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ৩৬২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ রাগ তাল যথা॥
পুন নাহি হেরব সো চাঁন্দবয়ান। দিনে দিনে খিণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত প্রিয়াগুণ কহিব কান্দিয়া। জীবন সংশয় হইল প্রিয়া না দেখিআ॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক সকতি। জাগিআ জাগিআ কত পোহাইব রাতি॥
সে সুখ সম্পদ মোর কোথাকারে গেল। পরাণ পুথুলি মোর কে হরিয়ে নিল॥
আর না জাইব মুই যমুনার জলে। আর না হেরিব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলজ পরাণ মোর রহে কি লাগিআ। জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি জায় হিআ॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রবাস
॥ গান্ধার॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দ বয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলাজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৪৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রবাস।
॥ গান্ধার॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দ বয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলাজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৭৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রবাস।
॥ গান্ধার॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দ বয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া গুণ কহিব কান্দিয়া। জীবন
সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥ উঠিতে
বসিতে আর নাহিক শকতি। জাগিয়া
জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥ সো সুখ
সম্পদ মোর কোথাকারে গেল। পরাণ
পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥ আর না
যাইব সেই যমুনার জলে। আর না হেরব
শ্যাম কদম্বের তলে॥ নিলাজ পরাণ মোর
রহে কি লাগিয়া। জ্ঞানদাস কহে মোর
ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কলহান্তরিতা
॥ গান্ধার॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দবয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া-গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণপুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলাজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, প্রবাস, ২৪৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
পুন নাহি হেরব সো চান্দ-বয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া-গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ-সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ-পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলজ পরাণ মোর রবে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
টীকা ---
পদটিতে কোন প্রকার অলঙ্কার নাই, শুধু বুক ফাটা কান্না আছে।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৪৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
কলহান্তরিতা।
॥ গান্ধার॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দবয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া-গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলাজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, বিরহ, ২০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ গান্ধার॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দবয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণপুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলাজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৪৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর
ভাবী বিরহ
॥ তথারাগ॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দবয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়াগুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখসম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৪র্থ খণ্ড এর ৯৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থটি আমাদের দিয়েছিলেন রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্রর দৌহিত্রী শ্রীমতী মঞ্জু মিত্র, ৫.১.২০১৮ তারিখে।
॥ বালা ধানশী - মধ্যম দশকুশী॥
পুন নাহি হেরব সে চাঁদ বয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া-গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় ভেল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ-সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৭৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ অথ তানবং॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দ-বয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া-গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ-সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ-পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "পাঁচশত বত্সরের পদাবলী ১৪১০-১৯১০" এর ১৮০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
পুন নাহি হেরব সো চান্দবয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়াগুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ-সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ-পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলাজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৪৯৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর বিরহ।
পুন নাহি হেরব সো চান্দবয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়াগুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ-সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ-পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলাজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৩৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
পুন নাহি হেরব সো চান্দবয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়াগুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখসম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমূনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
*********************
পুন নাহি হেরব সো চান্দ-বয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া-গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ-সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ-পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ৩৬২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ রাগ তাল যথা॥
পুন নাহি হেরব সো চাঁন্দবয়ান। দিনে দিনে খিণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত প্রিয়াগুণ কহিব কান্দিয়া। জীবন সংশয় হইল প্রিয়া না দেখিআ॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক সকতি। জাগিআ জাগিআ কত পোহাইব রাতি॥
সে সুখ সম্পদ মোর কোথাকারে গেল। পরাণ পুথুলি মোর কে হরিয়ে নিল॥
আর না জাইব মুই যমুনার জলে। আর না হেরিব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলজ পরাণ মোর রহে কি লাগিআ। জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি জায় হিআ॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২২৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রবাস
॥ গান্ধার॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দ বয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলাজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৪৫ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রবাস।
॥ গান্ধার॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দ বয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলাজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৭৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রবাস।
॥ গান্ধার॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দ বয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া গুণ কহিব কান্দিয়া। জীবন
সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥ উঠিতে
বসিতে আর নাহিক শকতি। জাগিয়া
জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥ সো সুখ
সম্পদ মোর কোথাকারে গেল। পরাণ
পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥ আর না
যাইব সেই যমুনার জলে। আর না হেরব
শ্যাম কদম্বের তলে॥ নিলাজ পরাণ মোর
রহে কি লাগিয়া। জ্ঞানদাস কহে মোর
ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
কলহান্তরিতা
॥ গান্ধার॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দবয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া-গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণপুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলাজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, প্রবাস, ২৪৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
পুন নাহি হেরব সো চান্দ-বয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া-গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ-সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ-পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলজ পরাণ মোর রবে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
টীকা ---
পদটিতে কোন প্রকার অলঙ্কার নাই, শুধু বুক ফাটা কান্না আছে।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৪৮ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
কলহান্তরিতা।
॥ গান্ধার॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দবয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া-গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলাজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, বিরহ, ২০৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ গান্ধার॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দবয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণপুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলাজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৪৪৬-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর
ভাবী বিরহ
॥ তথারাগ॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দবয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়াগুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখসম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৪র্থ খণ্ড এর ৯৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থটি আমাদের দিয়েছিলেন রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্রর দৌহিত্রী শ্রীমতী মঞ্জু মিত্র, ৫.১.২০১৮ তারিখে।
॥ বালা ধানশী - মধ্যম দশকুশী॥
পুন নাহি হেরব সে চাঁদ বয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া-গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় ভেল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ-সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৭৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ অথ তানবং॥
পুন নাহি হেরব সো চান্দ-বয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়া-গুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ-সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ-পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "পাঁচশত বত্সরের পদাবলী ১৪১০-১৯১০" এর ১৮০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
পুন নাহি হেরব সো চান্দবয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়াগুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ-সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ-পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলাজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৪৯৫ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর বিরহ।
পুন নাহি হেরব সো চান্দবয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়াগুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখ-সম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ-পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমুনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলাজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৩৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
পুন নাহি হেরব সো চান্দবয়ান।
দিনে দিনে ক্ষীণ তনু না রহে পরাণ॥
আর কত পিয়াগুণ কহিব কান্দিয়া।
জীবন সংশয় হৈল পিয়া না দেখিয়া॥
উঠিতে বসিতে আর নাহিক শকতি।
জাগিয়া জাগিয়া কত পোহাইব রাতি॥
সো সুখসম্পদ মোর কোথাকারে গেল।
পরাণ পুতলী মোর কে হরিয়া নিল॥
আর না যাইব সোই যমূনার জলে।
আর না হেরব শ্যাম কদম্বের তলে॥
নিলজ পরাণ মোর রহে কি লাগিয়া।
জ্ঞানদাস কহে মোর ফাটি যায় হিয়া॥
*********************
