কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
জোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপই
কবি জ্ঞানদাস
জোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপই
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের ( ১৯২৩ সাল ) ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ৫ম পল্লব, অর্দ্ধ-বাহ্য দশায় প্রলাপ, ১৬৫৬-নং পদসংখ্যা, ৩২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ গান্ধার॥
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জ-সমাজ।
সুমধুর গুঞ্জনে সব মনরঞ্জনে
মীলল মধুকর-রাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণি রাই।
সখি অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে না পরশ চরণ হামারি।
কানু-অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন সবহুঁ তোহারি॥ ধ্রু॥
পুর-রঙ্গিণি-কুচ- কুঙ্কুম-রঞ্জিত
কানু-কণ্ঠে বন-মাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস হিয়ে কাল॥
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জ-সমাজ।
সুমধুর গুঞ্জনে সব মনরঞ্জনে
মীলল মধুকর-রাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণি রাই।
সখি অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে না পরশ চরণ হামারি।
কানু-অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন সবহুঁ তোহারি॥ ধ্রু॥
পুর-রঙ্গিণি-কুচ- কুঙ্কুম-রঞ্জিত
কানু-কণ্ঠে বন-মাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস হিয়ে কাল॥
এই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ৩৬৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ রাগ তাল যথা॥
জোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপই সোই নিকুঞ্জসমাজ।
সুমধুর গুঞ্জনে সব মন রঞ্জনে মিলল মধুকররাজ॥
রাইক চরণ নিওড়ে উড়ি জাওত হেরইতে বিরহিণী রাই।
সখী অবলম্বনে সচকিত লোচনে বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে না পরস চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ বরণ গুণ জৈছন সবহুঁ নেহারি তোহারি॥ ধ্রু॥
পুররমণীকুচ কুঙ্কুমে রঞ্জিত কানু কণ্ঠে বনমাল।
তাকর সে সব দলে তুয়া লাগল জ্ঞানদাস হিয়া কাল॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২৪১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ রাগ তাল যথা॥
জোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপই সোই নিকুঞ্জসমাজ।
সুমধুর গুঞ্জনে সব মন রঞ্জনে মিলল মধুকররাজ॥
রাইক চরণ নিওড়ে উড়ি জাওত হেরইতে বিরহিণী রাই।
সখী অবলম্বনে সচকিত লোচনে বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে না পরস চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ বরণ গুণ জৈছন সবহুঁ নেহারি তোহারি॥ ধ্রু॥
পুররমণীকুচ কুঙ্কুমে রঞ্জিত কানু কণ্ঠে বনমাল।
তাকর সে সব দলে তুয়া লাগল জ্ঞানদাস হিয়া কাল॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২৪১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রবাস
॥ গান্ধার ॥
যোই নিকুঞ্জে, রাই পরলাপয়ে,
সোই নিকুঞ্জ সমাজ।
সুমধুর গঞ্জনে, সব মন রঞ্জনে,
মিলল মধুকর রাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত,
হেরইতে বিরহিনী রাই।
সখী অবলম্বনে, সচকিত লোচনে,
বৈঠল চেতন পাই॥
অলিহে না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ, বরণ গুণ যৈছন,
ঐছন সবহুঁ তোহারি॥
পুর রঙ্গিণী কুচ কুঙ্কুম রঞ্জিত,
কানু কণ্ঠে বনমাল।
তা কর শেষ বদনে তুয়া লাগল,
জ্ঞানদাস হিয়ে কাল॥
॥ গান্ধার ॥
যোই নিকুঞ্জে, রাই পরলাপয়ে,
সোই নিকুঞ্জ সমাজ।
সুমধুর গঞ্জনে, সব মন রঞ্জনে,
মিলল মধুকর রাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত,
হেরইতে বিরহিনী রাই।
সখী অবলম্বনে, সচকিত লোচনে,
বৈঠল চেতন পাই॥
অলিহে না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ, বরণ গুণ যৈছন,
ঐছন সবহুঁ তোহারি॥
পুর রঙ্গিণী কুচ কুঙ্কুম রঞ্জিত,
কানু কণ্ঠে বনমাল।
তা কর শেষ বদনে তুয়া লাগল,
জ্ঞানদাস হিয়ে কাল॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ গান্ধার॥
যোই নিকুঞ্জে, রাই পরলাপয়ে,
সোই নিকুঞ্জ সমাজ।
সুমধুর গঞ্জনে, সব মন রঞ্জনে,
মিলল মধুকররাজ॥
রাইক চরণ, নিয়ড়ে উড়ি যাওত,
হেরইতে বিরহিনী রাই।
সখী অবলম্বনে, সচকিত লোচনে,
বৈঠল চেতন পাই॥
অলিহে, না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ, বরণ গুণ যৈছন,
ঐছন তবহুঁ তোহারি॥
পুর রঙ্গিণী কুচ, কুঙ্কুম-রঞ্জিত,
কানু-কণ্ঠে বনমাল।
তা কর শেষ, বদনে তুয়া লাগল,
জ্ঞানদাস হিয়ে কাল॥
যোই নিকুঞ্জে, রাই পরলাপয়ে,
সোই নিকুঞ্জ সমাজ।
সুমধুর গঞ্জনে, সব মন রঞ্জনে,
মিলল মধুকররাজ॥
রাইক চরণ, নিয়ড়ে উড়ি যাওত,
হেরইতে বিরহিনী রাই।
সখী অবলম্বনে, সচকিত লোচনে,
বৈঠল চেতন পাই॥
অলিহে, না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ, বরণ গুণ যৈছন,
ঐছন তবহুঁ তোহারি॥
পুর রঙ্গিণী কুচ, কুঙ্কুম-রঞ্জিত,
কানু-কণ্ঠে বনমাল।
তা কর শেষ, বদনে তুয়া লাগল,
জ্ঞানদাস হিয়ে কাল॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, প্রবাস, ২৫৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জ-সমাজ।
সুমধুর গুঞ্জনে সব মনরঞ্জনে
মীলল মধুকর-রাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণি রাই।
সখি অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে না পরশ চরণ হামারি।
কানু-অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন সবহুঁ তোহারি॥ ধ্রু॥
পুর-রঙ্গিণি-কুচ কুঙ্কুম-রঞ্জিত
কানু-কণ্ঠে বন-মাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস হিয়ে কাল॥
সোই নিকুঞ্জ-সমাজ।
সুমধুর গুঞ্জনে সব মনরঞ্জনে
মীলল মধুকর-রাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণি রাই।
সখি অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে না পরশ চরণ হামারি।
কানু-অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন সবহুঁ তোহারি॥ ধ্রু॥
পুর-রঙ্গিণি-কুচ কুঙ্কুম-রঞ্জিত
কানু-কণ্ঠে বন-মাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস হিয়ে কাল॥
টীকা ---
শ্রীমদ্ভাগবতের ভ্রমরগীতার ভাব লইয়া লিখিত। শ্লোকটি এই ---
মধুপ কিতর্ববন্ধো মা পশাঙ্গিবং স্পৃশাঙ্ঘ্রিংসপত্ন্যাঃ
কুচবিলুলিত মালা কুঙ্কুমশ্মশ্রুভির্ণঃ।
বহতু মধুপতিস্তন্মানিণীনাং প্রাসাদং
যদুসদসি বিড়ম্ব্যং যস্য দূতস্তমীদৃক্॥
হে মধুপ ( মধুকর, মাতাল ) তুমি ধূর্ত্তের (কপটের) বন্ধু, তুমি আমাদের পা ছুঁইও না, নমস্কার করিয়া প্রার্থনা করিও না। তোমার মুখের লোম রাঙ্গা কেন? ও কিসের রং? আমাদের সপত্নীর বুকে শ্রীকৃষ্ণের মালা মর্দিত হইয়াছে ; সেই মালার কুম্কুমের রং তোমার মুখে লাগিয়াছে। তুমি আর আমাদের চরণ ছুঁইও না। মধুরার রাজা কৃষ্ণ, সেই সব মানিনীদের প্রসন্নতা বিধান করুন। তুমি তাঁহার দূত। তোমার জন্য (তুমি আমাদের কাছে আসিয়া মিনতি করিয়াছ বলিয়া) তিনি যাদবদের সভায় বিড়ম্বিত হইবেন।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৫২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীমদ্ভাগবতের ভ্রমরগীতার ভাব লইয়া লিখিত। শ্লোকটি এই ---
মধুপ কিতর্ববন্ধো মা পশাঙ্গিবং স্পৃশাঙ্ঘ্রিংসপত্ন্যাঃ
কুচবিলুলিত মালা কুঙ্কুমশ্মশ্রুভির্ণঃ।
বহতু মধুপতিস্তন্মানিণীনাং প্রাসাদং
যদুসদসি বিড়ম্ব্যং যস্য দূতস্তমীদৃক্॥
হে মধুপ ( মধুকর, মাতাল ) তুমি ধূর্ত্তের (কপটের) বন্ধু, তুমি আমাদের পা ছুঁইও না, নমস্কার করিয়া প্রার্থনা করিও না। তোমার মুখের লোম রাঙ্গা কেন? ও কিসের রং? আমাদের সপত্নীর বুকে শ্রীকৃষ্ণের মালা মর্দিত হইয়াছে ; সেই মালার কুম্কুমের রং তোমার মুখে লাগিয়াছে। তুমি আর আমাদের চরণ ছুঁইও না। মধুরার রাজা কৃষ্ণ, সেই সব মানিনীদের প্রসন্নতা বিধান করুন। তুমি তাঁহার দূত। তোমার জন্য (তুমি আমাদের কাছে আসিয়া মিনতি করিয়াছ বলিয়া) তিনি যাদবদের সভায় বিড়ম্বিত হইবেন।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৫২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
কলহান্তরিতা।
॥ গান্ধার॥
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জ সমাজ।
সুমধুর গঞ্জনে সব মনরঞ্জনে
মিলল মধুকররাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণী রাই।
সখী অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলিহে, না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন তবহু তোহারি॥
পুর রঙ্গিণী কুচ কুঙ্কুম রঞ্জিত
কানু-কণ্ঠে বনমাল।
তা কর শেষ বদন তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস হিয়ে কাল॥
॥ গান্ধার॥
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জ সমাজ।
সুমধুর গঞ্জনে সব মনরঞ্জনে
মিলল মধুকররাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণী রাই।
সখী অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলিহে, না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন তবহু তোহারি॥
পুর রঙ্গিণী কুচ কুঙ্কুম রঞ্জিত
কানু-কণ্ঠে বনমাল।
তা কর শেষ বদন তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস হিয়ে কাল॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৪৪৯-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
ভ্রমরদূত
॥ গান্ধার॥
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জসমাজ।
সুমধুর গুঞ্জনে সব মনরঞ্জনে
মীলল মধুকররাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণি রাই।
সখি অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন সবহুঁ তোহারি॥ ধ্রু॥
পুররঙ্গিণিকুচ- কুঙ্কুমরঞ্জিত
কানুকণ্ঠে বনমাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস হিয়ে শাল॥
॥ গান্ধার॥
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জসমাজ।
সুমধুর গুঞ্জনে সব মনরঞ্জনে
মীলল মধুকররাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণি রাই।
সখি অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন সবহুঁ তোহারি॥ ধ্রু॥
পুররঙ্গিণিকুচ- কুঙ্কুমরঞ্জিত
কানুকণ্ঠে বনমাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস হিয়ে শাল॥
এই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৪র্থ খণ্ড এর ২৬১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থটি আমাদের দিয়েছিলেন রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্রর দৌহিত্রী শ্রীমতী মঞ্জু মিত্র, ৫.১.২০১৮ তারিখে।
॥ গান্ধার - ডাঁশপাহিড়া॥
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জ সমাজ।
সুমধুর গঞ্জনে সব মনোরঞ্জনে
মীলল মধুকর-রাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যায়ত
হেরইতে বিরহিনী রাই।
সখী অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠত চেতন পাই॥
অলি হে, না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন সবহুঁ তোহারি॥
পুররঙ্গিণী কুচ- কুঙ্কুম-রঞ্জিত
কানু কণ্ঠে বনমাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞান দাস হিয়ে কাল॥
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জ সমাজ।
সুমধুর গঞ্জনে সব মনোরঞ্জনে
মীলল মধুকর-রাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যায়ত
হেরইতে বিরহিনী রাই।
সখী অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠত চেতন পাই॥
অলি হে, না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন সবহুঁ তোহারি॥
পুররঙ্গিণী কুচ- কুঙ্কুম-রঞ্জিত
কানু কণ্ঠে বনমাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞান দাস হিয়ে কাল॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর
॥ গান্ধার ॥
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জ-সমাজ।
সুমধুর গুঞ্জনে সব মনরঞ্জনে
মীলল মধুকর-রাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণি রাই।
সখি-অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে না পরশ চরণ হামারি।
কানু-অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন সবহুঁ তোহারি॥ ধ্রু॥
পুর-রঙ্গিণি-কুচ- কুঙ্কুম-রঞ্জিত
কানু-কণ্ঠে বন-মাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস-হিয়ে সাল॥
॥ গান্ধার ॥
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জ-সমাজ।
সুমধুর গুঞ্জনে সব মনরঞ্জনে
মীলল মধুকর-রাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণি রাই।
সখি-অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে না পরশ চরণ হামারি।
কানু-অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন সবহুঁ তোহারি॥ ধ্রু॥
পুর-রঙ্গিণি-কুচ- কুঙ্কুম-রঞ্জিত
কানু-কণ্ঠে বন-মাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস-হিয়ে সাল॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "পাঁচশত বত্সরের পদাবলী ১৪১০-১৯১০" এর ১৮৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জ সমাজ।
সুমধুর গঞ্জনে সব মন রঞ্জনে
মিলল মধুকররাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণী রাই।
সখী অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে, না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন তবহুঁ তোহারি॥
পুররঙ্গিণি কুচ- কুঙ্কুম-রঞ্জিত
কানু-কণ্ঠে বনমাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস হিয়ে কাল॥
সোই নিকুঞ্জ সমাজ।
সুমধুর গঞ্জনে সব মন রঞ্জনে
মিলল মধুকররাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণী রাই।
সখী অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে, না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন তবহুঁ তোহারি॥
পুররঙ্গিণি কুচ- কুঙ্কুম-রঞ্জিত
কানু-কণ্ঠে বনমাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস হিয়ে কাল॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৫১৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
দিব্যোন্মাদ।
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জ সমাজ।
সুমধুর গঞ্জনে সব মন রঞ্জনে
মিলল মধুকররাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণী রাই।
সখী অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে, না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন তবহুঁ তোহারি॥
পুররঙ্গিণী কুচ- কুঙ্কুম-রঞ্জিত
কানু-কণ্ঠে বনমাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস হিয়ে কাল॥
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জ সমাজ।
সুমধুর গঞ্জনে সব মন রঞ্জনে
মিলল মধুকররাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণী রাই।
সখী অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে, না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ বরণ গুণ যৈছন
ঐছন তবহুঁ তোহারি॥
পুররঙ্গিণী কুচ- কুঙ্কুম-রঞ্জিত
কানু-কণ্ঠে বনমাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস হিয়ে কাল॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৫০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জসমাজ।
সুমধুর গুঞ্জনে সব মনরঞ্জনে
মীলল মধুকররাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণি রাই।
সখি অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ ধরণ গুণ যৈছন
ঐছন সবহুঁ তোহারি॥
পুররঙ্গিণীকুচ কুঙ্কুমরঞ্জিত
কানুকণ্ঠে বনমাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস হিয়ে শাল॥
*********************
যোই নিকুঞ্জে রাই পরলাপয়ে
সোই নিকুঞ্জসমাজ।
সুমধুর গুঞ্জনে সব মনরঞ্জনে
মীলল মধুকররাজ॥
রাইক চরণ নিয়ড়ে উড়ি যাওত
হেরইতে বিরহিণি রাই।
সখি অবলম্বনে সচকিত লোচনে
বৈঠল চেতন পাই॥
অলি হে না পরশ চরণ হামারি।
কানু অনুরূপ ধরণ গুণ যৈছন
ঐছন সবহুঁ তোহারি॥
পুররঙ্গিণীকুচ কুঙ্কুমরঞ্জিত
কানুকণ্ঠে বনমাল।
তাকর শেষ বদনে তুয়া লাগল
জ্ঞানদাস হিয়ে শাল॥
*********************
