কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
স্বপনে দেখিলুঁ সোই মোর প্রাণনাথ
স্বপনে দেখিনু মোর প্রাণনাথ
কবি জ্ঞানদাস
স্বপনে দেখিনু মোর প্রাণনাথ
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের ( ১৯২৩ সাল ) ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ৬ষ্ঠ পল্লব, স্বপ্ন-মিলন রসোদ্গার, ১৭১০ নং পদসংখ্যা, ৬৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
অথ প্রলাপঃ
॥ তথা রাগ॥
স্বপনে দেখিলুঁ সোই মোর প্রাণ-নাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে যোড় করি হাথ॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ-নাথ পুন হারাইলুঁ।
আপন করম-দোষে আপনি মরিলুঁ॥
যে দেশে পরাণ-বন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ৮৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন
॥ সিন্ধুড়া॥
স্বপনে দেখিনু সোই মোর প্রাণনাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে জোড় করি হাত॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ নাথ পুন হারাইনু।
আপন করম দোষে আপনি মরিণু॥
যে দেশে পরাণ বন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৯৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন।
॥ সিন্ধুড়া॥
স্বপনে দেখিনু মোর প্রাণনাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে জোড় করি হাত॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ নাথ পুন হারাইনু।
আপন করম দোষে আপনি মরিণু॥
যে দেশে পরাণবন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৪১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন
॥ সিন্ধুড়া॥
স্বপনে দেখিনু মোর প্রাণনাথ। সমুখে
দাড়াঞা আছে যোড় করি হাত॥ পুন
না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি। কি
করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥ পাইয়া
পরাণ নাথ পুন হারাইনু। আপন করম
দোষে আপনি মরিণু॥ যে দেশে পরাণ
বন্ধু সেই দেশে যাব। পরিয়া অরুণ বাস
যোগিনী হইব॥ জ্ঞানদাস কহে রাই থির
কর হিয়া। আসিবে তোমার বন্ধু সময়
বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২১৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী সম্বোধনে
॥ সিন্ধুড়া॥
স্বপনে দেখিনু মোর প্রাণনাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে জোড় করি হাত॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ নাথ পুন হারাইনু।
আপন করম-দোষে আপনি মরিনু॥
যে দেশে পরাণবন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, প্রবাস, ২৫৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
স্বপনে দেখিলুঁ সোই মোর প্রাণ-নাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে যোড় করি হাথ॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ-নাথ পুন হারাইলুঁ।
আপন করম-দোষে আপনি মরিলুঁ॥
যে দেশে পরাণ-বন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিয়া তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
টীকা ---
শ্রীরাধা স্বপ্নে দেখিতেছেন যে মাধব যেন ফিরিয়া আসিয়াছেন, এবং তিনি যেন হাত যোড় করিয়া তাঁহার কাছে ক্ষমা চাহিতেছেন।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২০২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধনে।
॥ সিন্ধুড়া॥
স্বপনে দেখিনু মোর প্রাণনাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে জোড় করি হাত॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি কহিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণনাথ পুন হারাইনু।
আপন করম দোষে আপনি মরিনু॥
যে দেশে পরাণবন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৪৫২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
স্বপ্ন সম্মেলন
॥ তথা রাগ॥
স্বপনে দেখিলুঁ সোই মোর প্রাণনাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে যোড় করি হাথ॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ নাথ পুন হারাইলুঁ।
আপন করমদোষে আপনি মরিলুঁ॥
যে দেশে পরাণবন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৯০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর
॥ তথা রাগ॥
স্বপনে দেখিলুঁ সোই মোর প্রাণ-নাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে যোড় করি হাথ॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ নাথ পুন হারাইলুঁ।
আপন করম-দোষে আপনি মরিলুঁ॥
যে দেশে পরাণ-বন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৬৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
স্বপনে দেখিলুঁ সোই মোর প্রাণনাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে যোড় করি হাথ॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ নাথ পুন হারাইলুঁ।
আপন করম-দোষে আপনি মরিলুঁ॥
যে দেশে পরাণবন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
*********************
॥ তথা রাগ॥
স্বপনে দেখিলুঁ সোই মোর প্রাণ-নাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে যোড় করি হাথ॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ-নাথ পুন হারাইলুঁ।
আপন করম-দোষে আপনি মরিলুঁ॥
যে দেশে পরাণ-বন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ৮৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন
॥ সিন্ধুড়া॥
স্বপনে দেখিনু সোই মোর প্রাণনাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে জোড় করি হাত॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ নাথ পুন হারাইনু।
আপন করম দোষে আপনি মরিণু॥
যে দেশে পরাণ বন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৯৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন।
॥ সিন্ধুড়া॥
স্বপনে দেখিনু মোর প্রাণনাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে জোড় করি হাত॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ নাথ পুন হারাইনু।
আপন করম দোষে আপনি মরিণু॥
যে দেশে পরাণবন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৪১ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সম্ভোগ মিলন
॥ সিন্ধুড়া॥
স্বপনে দেখিনু মোর প্রাণনাথ। সমুখে
দাড়াঞা আছে যোড় করি হাত॥ পুন
না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি। কি
করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥ পাইয়া
পরাণ নাথ পুন হারাইনু। আপন করম
দোষে আপনি মরিণু॥ যে দেশে পরাণ
বন্ধু সেই দেশে যাব। পরিয়া অরুণ বাস
যোগিনী হইব॥ জ্ঞানদাস কহে রাই থির
কর হিয়া। আসিবে তোমার বন্ধু সময়
বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২১৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী সম্বোধনে
॥ সিন্ধুড়া॥
স্বপনে দেখিনু মোর প্রাণনাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে জোড় করি হাত॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ নাথ পুন হারাইনু।
আপন করম-দোষে আপনি মরিনু॥
যে দেশে পরাণবন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, প্রবাস, ২৫৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
স্বপনে দেখিলুঁ সোই মোর প্রাণ-নাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে যোড় করি হাথ॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ-নাথ পুন হারাইলুঁ।
আপন করম-দোষে আপনি মরিলুঁ॥
যে দেশে পরাণ-বন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিয়া তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
টীকা ---
শ্রীরাধা স্বপ্নে দেখিতেছেন যে মাধব যেন ফিরিয়া আসিয়াছেন, এবং তিনি যেন হাত যোড় করিয়া তাঁহার কাছে ক্ষমা চাহিতেছেন।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২০২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
সখী-সম্বোধনে।
॥ সিন্ধুড়া॥
স্বপনে দেখিনু মোর প্রাণনাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে জোড় করি হাত॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি কহিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণনাথ পুন হারাইনু।
আপন করম দোষে আপনি মরিনু॥
যে দেশে পরাণবন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৪৫২-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
স্বপ্ন সম্মেলন
॥ তথা রাগ॥
স্বপনে দেখিলুঁ সোই মোর প্রাণনাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে যোড় করি হাথ॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ নাথ পুন হারাইলুঁ।
আপন করমদোষে আপনি মরিলুঁ॥
যে দেশে পরাণবন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৯০-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর
॥ তথা রাগ॥
স্বপনে দেখিলুঁ সোই মোর প্রাণ-নাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে যোড় করি হাথ॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ নাথ পুন হারাইলুঁ।
আপন করম-দোষে আপনি মরিলুঁ॥
যে দেশে পরাণ-বন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৬৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
স্বপনে দেখিলুঁ সোই মোর প্রাণনাথ।
সমুখে দাড়াঞা আছে যোড় করি হাথ॥
পুন না দেখিয়া প্রাণ ধরিতে না পারি।
কি করিব কোথা যাব কি উপায় করি॥
পাইয়া পরাণ নাথ পুন হারাইলুঁ।
আপন করম-দোষে আপনি মরিলুঁ॥
যে দেশে পরাণবন্ধু সেই দেশে যাব।
পরিয়া অরুণ বাস যোগিনী হইব॥
জ্ঞানদাস কহে রাই থির কর হিয়া।
আসিবে তোমার বন্ধু সময় বুঝিয়া॥
*********************
