কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
শুনহ নিকরুণ কান
শুনহে বিকরুণ কান
কবি জ্ঞানদাস
শুনহে বিকরুণ কান
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের ( ১৯২৩ সাল ) ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ৮ম পল্লব, শরৎকালোচিত বিরহ, ১৭৪৫ নং পদসংখ্যা, ৮১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই॥
শুনহ নিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ-শেজ।
তব চমকে জনু জিউ তেজ॥
তাহে শরদ-যামিনি-কান্ত।
হেরি জিবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরি মেলি।
তব রচিয়া পুরুবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহন-তরঙ্গ॥
যব সঘনে কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘ নিশাস।
তব দুরে রহু জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২৪৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই। সুহিনী॥
শুনহে বিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ শেষ।
তব চমকে জনু জীউ তেজ॥
তাহে শরদ যামিনী কান্ত।
হেরি জীবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরী মেলি।
তব রচিয়া পূরবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহন তরঙ্গ॥
যব সঘন কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘল নিশ্বাস।
তব দূরে রহু জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৫০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর।
॥ সুহই। সুহিনী॥
শুনহে বিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ শেষ।
তব চমকে জনু জীউ তেজ॥
তাহে শরদ যামিনী কান্ত।
হেরি জীবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরী মেলি।
তব রচিয়া পূরবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহন তরঙ্গ॥
যব সঘন কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘল নিশ্বাস।
তব দূরে রহু জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৮০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর।
॥ সুহই। সুহিনী॥
শুনহে বিকরুণ কান। তুয়া রাই
ভেল নিদান॥ যব পরশে সরসিজ শেষ।
তব চমকে জনু জীউ তেজ॥ তাহে শরদ
যামিনী কান্ত। হেরি জীবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরী মেলি। তব রচিয়া
পূরবক কেলি॥ যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥ যব তাপ উপজয়ে
অঙ্গ। তব যৈছে দহন তরঙ্গ॥ যব সঘন
কাঁপয়ে দেহ। তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘল নিশ্বাস। তব দূরে রহু
জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই॥
শুনহে বিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ-শেজ।
তব চমকে জনু জীউ তেজ॥
তাহে শরদ যামিনী কান্ত।
হেরি জীবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরী মেলি।
তব রচিয়া পূরবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজিয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহন-তরঙ্গ॥
যব সঘনে কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘল নিশ্বাস।
তব দূরে রহু জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, প্রবাস, ২৫৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শুনহ নিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ-শেজ।
তব চমকে জনু জিউ তেজ॥
তাহে শরদ-যামিনি-কান্ত।
হেরি জিবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরি মেলি।
তব রচিয়া পুরুবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহন-তরঙ্গ॥
যব সঘনে কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘ নিশাস।
তব দুরে রহুঁ জ্ঞানদাস॥
টীকা ---
ভেল নিদান ---শেষ অবস্থায় পৌঁছিল।
তব চমকে জনু জিউ তেজ---যেন প্রাণত্যাগ করিবে এমনভাবে চমকিয়া উঠে।
তব যৈছে দহন তরঙ্গ---যেন দেহে আগুনের হিল্লোল বহিয়া যাইতেছে।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৫৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর।
॥ সুহই॥
শুনহে বিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ শেজ।
তব চমকে জনু জীউ তেজ॥
তাহে শরদ-যামিনীকান্ত।
হেরি জীবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরী মেলি।
তব রচিয়া পুরবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহু-স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজিয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহন তরঙ্গ॥
যব সঘন কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘল নিশ্বাস।
তব দূরে রহু জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৪৫১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
দূতী সংবাদ
॥ সুহই॥
শুনহ নিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজশেজ।
তব চমকে জনু জিউ তেজ॥
তাহে শরদযামিনিকান্ত।
হেরি জীবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরি মেলি।
তব রচিয়ে পূরুবক কেলি॥
যব হেঁট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহনতরঙ্গ॥
যব সঘনে কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘ নিশাস।
তব দুরে রহু জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৪র্থ খণ্ড এর ৩১২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থটি আমাদের দিয়েছিলেন রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্রর দৌহিত্রী শ্রীমতী মঞ্জু মিত্র, ৫.১.২০১৮ তারিখে।
॥ সুহই - যপতাল॥
শুনহ নিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ-শেজ।
তব চমকে জনু জিউ তেজ॥
তাহে শরদ যামিনি-কান্ত।
হেরি জীবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরি মেলি।
তব রচিয়ে পুরুবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব তৈছে দহন তরঙ্গ॥
যব সঘনে কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘ নিশাস।
তব দুরে রহুঁ জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর
॥ সুহই॥
শুনহ নিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ-শেজ।
তব চমকে জনু জিউ তেজ॥
তাহে শরদ-যামিনি-কান্ত।
হেরি জিবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরি মেলি।
তব রচিয়ে পুরুবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহন-তরঙ্গ॥
যব সঘনে কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘ নিশাস।
তব দুরে রহু জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৫৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শুনহ নিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজশেজ।
তব চমকে জনু জিউ তেজ॥
তাহে শরদযামিনিকান্ত।
হেরি জিবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরি মেলি।
তব রচিয়ে পুরুবক কেলি॥
যব হেঁট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহনতরঙ্গ॥
যব সঘনে কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘ নিশাস।
তব দুরে রহু জ্ঞানদাস॥
*********************
শুনহ নিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ-শেজ।
তব চমকে জনু জিউ তেজ॥
তাহে শরদ-যামিনি-কান্ত।
হেরি জিবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরি মেলি।
তব রচিয়া পুরুবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহন-তরঙ্গ॥
যব সঘনে কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘ নিশাস।
তব দুরে রহু জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২৪৪-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই। সুহিনী॥
শুনহে বিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ শেষ।
তব চমকে জনু জীউ তেজ॥
তাহে শরদ যামিনী কান্ত।
হেরি জীবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরী মেলি।
তব রচিয়া পূরবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহন তরঙ্গ॥
যব সঘন কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘল নিশ্বাস।
তব দূরে রহু জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৫০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর।
॥ সুহই। সুহিনী॥
শুনহে বিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ শেষ।
তব চমকে জনু জীউ তেজ॥
তাহে শরদ যামিনী কান্ত।
হেরি জীবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরী মেলি।
তব রচিয়া পূরবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহন তরঙ্গ॥
যব সঘন কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘল নিশ্বাস।
তব দূরে রহু জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৮০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর।
॥ সুহই। সুহিনী॥
শুনহে বিকরুণ কান। তুয়া রাই
ভেল নিদান॥ যব পরশে সরসিজ শেষ।
তব চমকে জনু জীউ তেজ॥ তাহে শরদ
যামিনী কান্ত। হেরি জীবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরী মেলি। তব রচিয়া
পূরবক কেলি॥ যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥ যব তাপ উপজয়ে
অঙ্গ। তব যৈছে দহন তরঙ্গ॥ যব সঘন
কাঁপয়ে দেহ। তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘল নিশ্বাস। তব দূরে রহু
জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ সুহই॥
শুনহে বিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ-শেজ।
তব চমকে জনু জীউ তেজ॥
তাহে শরদ যামিনী কান্ত।
হেরি জীবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরী মেলি।
তব রচিয়া পূরবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজিয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহন-তরঙ্গ॥
যব সঘনে কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘল নিশ্বাস।
তব দূরে রহু জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, প্রবাস, ২৫৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শুনহ নিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ-শেজ।
তব চমকে জনু জিউ তেজ॥
তাহে শরদ-যামিনি-কান্ত।
হেরি জিবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরি মেলি।
তব রচিয়া পুরুবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহন-তরঙ্গ॥
যব সঘনে কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘ নিশাস।
তব দুরে রহুঁ জ্ঞানদাস॥
টীকা ---
ভেল নিদান ---শেষ অবস্থায় পৌঁছিল।
তব চমকে জনু জিউ তেজ---যেন প্রাণত্যাগ করিবে এমনভাবে চমকিয়া উঠে।
তব যৈছে দহন তরঙ্গ---যেন দেহে আগুনের হিল্লোল বহিয়া যাইতেছে।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন,“কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৫৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর।
॥ সুহই॥
শুনহে বিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ শেজ।
তব চমকে জনু জীউ তেজ॥
তাহে শরদ-যামিনীকান্ত।
হেরি জীবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরী মেলি।
তব রচিয়া পুরবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহু-স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজিয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহন তরঙ্গ॥
যব সঘন কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘল নিশ্বাস।
তব দূরে রহু জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৪৫১-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
দূতী সংবাদ
॥ সুহই॥
শুনহ নিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজশেজ।
তব চমকে জনু জিউ তেজ॥
তাহে শরদযামিনিকান্ত।
হেরি জীবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরি মেলি।
তব রচিয়ে পূরুবক কেলি॥
যব হেঁট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহনতরঙ্গ॥
যব সঘনে কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘ নিশাস।
তব দুরে রহু জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৪র্থ খণ্ড এর ৩১২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থটি আমাদের দিয়েছিলেন রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্রর দৌহিত্রী শ্রীমতী মঞ্জু মিত্র, ৫.১.২০১৮ তারিখে।
॥ সুহই - যপতাল॥
শুনহ নিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ-শেজ।
তব চমকে জনু জিউ তেজ॥
তাহে শরদ যামিনি-কান্ত।
হেরি জীবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরি মেলি।
তব রচিয়ে পুরুবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব তৈছে দহন তরঙ্গ॥
যব সঘনে কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘ নিশাস।
তব দুরে রহুঁ জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
মাথুর
॥ সুহই॥
শুনহ নিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজ-শেজ।
তব চমকে জনু জিউ তেজ॥
তাহে শরদ-যামিনি-কান্ত।
হেরি জিবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরি মেলি।
তব রচিয়ে পুরুবক কেলি॥
যব হেট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহন-তরঙ্গ॥
যব সঘনে কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘ নিশাস।
তব দুরে রহু জ্ঞানদাস॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৫৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শুনহ নিকরুণ কান।
তুয়া রাই ভেল নিদান॥
যব পরশে সরসিজশেজ।
তব চমকে জনু জিউ তেজ॥
তাহে শরদযামিনিকান্ত।
হেরি জিবন তেজব নিতান্ত॥
যব রোয়ত সহচরি মেলি।
তব রচিয়ে পুরুবক কেলি॥
যব হেঁট করি রহু শির।
তব সবহুঁ স্তবধ শরীর॥
যব তাপ উপজয়ে অঙ্গ।
তব যৈছে দহনতরঙ্গ॥
যব সঘনে কাঁপয়ে দেহ।
তব ধরিতে নারয়ে কেহ॥
যব তেজই দীঘ নিশাস।
তব দুরে রহু জ্ঞানদাস॥
*********************
