কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
শুন শুন হে পরাণ পিয়া
শোন শোন হে পরাণপিয়া
শুন শুন অহে পরাণ পিয়া
শুন শুন ওহে পরাণ পিয়া
শুন হে পরাণ পিয়া
কবি জ্ঞানদাস
শোন শোন হে পরাণপিয়া
শুন শুন অহে পরাণ পিয়া
শুন শুন ওহে পরাণ পিয়া
শুন হে পরাণ পিয়া
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩০ বঙ্গাব্দের ( ১৯২৩ সাল ) ৩য় খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ১৪শ পল্লব, প্রকারান্তর সমৃদ্ধিমান সম্ভোগ, ২০০৬ নং পদসংখ্যা, ১৮৬-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণং প্রতি শ্রীরাধায়া উক্তিঃ
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন হে পরাণ-পিয়া।
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান-লোরে॥
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন হে পরাণ-পিয়া।
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান-লোরে॥
এই পদটি দ্বিজ মাধব দ্বারা সংকলিত, উনিশ শতকের প্রথমার্ধে অনুলিখিত, বিশ্বভারতী বাংলা-পুথিশালার "রতন লাইব্রেরী সংগ্রহ"-র অন্তর্ভুক্ত ও সংরক্ষিত, ১৩৮১টি পদবিশিষ্ট “শ্রীপদমেরুগ্রন্থ” পুথির ১৯৮২ সালে ভূদেব চৌধুরী, সুখময় মুখোপাধ্যায়, পঞ্চানন মণ্ডল ও সুমঙ্গল রাণা দ্বারা সম্পাদিত এবং তপনকুমার মুখোপাধ্যায়, অণিমা মুখোপাধ্যায় ও পরমেশ্বর মাহাতা দ্বারা সহ-সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন গ্রন্থের ৪৪৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ রাগিণী শ্রীরাগ॥ তালোচিত॥
শোন শোন হে পরাণপিয়া।
চিরদিন পরে পেয়েছি লাগি আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু॥
তোমাতে আমাতে একুই পরাণ ভালে সে জানিএ আমি।
হিয়ায় থুইতে বাহির হইয়া কেমনে আইলা তোমি॥
জে ছিল আমার করমের দুখ সকলি করিল ভোগ।
আর না করিব ঞেখের আড় রহিব একুই যোগ॥
খাইতে সুইতে তিলেকে পলকে আর না জাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হয়াছি আর কি কাহুকে ডর॥
এতহু কহিতে বিভোর হইয়া পড়িলা শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর ভাসিলা নয়ানলোরে॥
এই পদটি বৈশাখ ১২৯২ বঙ্গাব্দে (১৮৮৫ সালে) প্রকাশিত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শ্রীশচন্দ্র মজুমদার দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদরত্নাবলী, অর্থাৎ মহাজন পদাবলীর মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট কবিতাগুলির একত্র সংগ্রহ”, এর ৭০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ রাগিণী শ্রীরাগ॥ তালোচিত॥
শোন শোন হে পরাণপিয়া।
চিরদিন পরে পেয়েছি লাগি আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু॥
তোমাতে আমাতে একুই পরাণ ভালে সে জানিএ আমি।
হিয়ায় থুইতে বাহির হইয়া কেমনে আইলা তোমি॥
জে ছিল আমার করমের দুখ সকলি করিল ভোগ।
আর না করিব ঞেখের আড় রহিব একুই যোগ॥
খাইতে সুইতে তিলেকে পলকে আর না জাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হয়াছি আর কি কাহুকে ডর॥
এতহু কহিতে বিভোর হইয়া পড়িলা শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর ভাসিলা নয়ানলোরে॥
এই পদটি বৈশাখ ১২৯২ বঙ্গাব্দে (১৮৮৫ সালে) প্রকাশিত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও শ্রীশচন্দ্র মজুমদার দ্বারা সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদরত্নাবলী, অর্থাৎ মহাজন পদাবলীর মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট কবিতাগুলির একত্র সংগ্রহ”, এর ৭০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন অহে পরাণ পিয়া।
চির দিন পরে, পাইয়াছি শ্যাম,
আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার মনের দুখ
সকল করিনু ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িলা শ্যামের কোরে।
জ্ঞান দাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ন লোরে॥
শুন শুন অহে পরাণ পিয়া।
চির দিন পরে, পাইয়াছি শ্যাম,
আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার মনের দুখ
সকল করিনু ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িলা শ্যামের কোরে।
জ্ঞান দাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ন লোরে॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২৫২-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব সম্মিলন
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন হে পরাণ পিয়া।
চির দিন পরে, পাইয়াছি লাগ,
আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু।
তোমায় আমায়, একই পরাণ,
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হৈতে, বাহির হইয়া,
কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার, মরমের দুখ
সকল করিনু ভোগ।
আর না করিব, আঁখির আড়,
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে, তিলেক পলকে,
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি, খেয়াতি হৈয়াছে,
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে, বিভোর হইয়া,
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে, রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান লোরে॥
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন হে পরাণ পিয়া।
চির দিন পরে, পাইয়াছি লাগ,
আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু।
তোমায় আমায়, একই পরাণ,
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হৈতে, বাহির হইয়া,
কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার, মরমের দুখ
সকল করিনু ভোগ।
আর না করিব, আঁখির আড়,
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে, তিলেক পলকে,
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি, খেয়াতি হৈয়াছে,
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে, বিভোর হইয়া,
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে, রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান লোরে॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ২৫৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব সম্মিলন।
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন হে পরাণ পিয়া।
চির দিন পরে, পাইয়াছি লাগ,
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায়, একই পরাণ,
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হৈতে, বাহির হইয়া,
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার, মরমের দুখ
সকল করিনু ভোগ।
আর না করিব, আঁখির আড়,
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে, তিলেক পলকে,
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি, খেয়াতি হৈয়াছে,
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে, বিভোর হইয়া,
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে, রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান লোরে॥
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন হে পরাণ পিয়া।
চির দিন পরে, পাইয়াছি লাগ,
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায়, একই পরাণ,
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হৈতে, বাহির হইয়া,
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার, মরমের দুখ
সকল করিনু ভোগ।
আর না করিব, আঁখির আড়,
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে, তিলেক পলকে,
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি, খেয়াতি হৈয়াছে,
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে, বিভোর হইয়া,
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে, রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান লোরে॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৮৩ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব সম্মিলন।
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন হে পরাণ পিয়া। চির দিন
পরে, পাইয়াছি লাগ, আর না দিব
ছাড়িয়া॥ তোমায় আমায়, একই পরাণ,
ভালে সে জানিয়ে আমি। হিয়ায় হৈতে,
বাহির হইয়া, কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার, মরমের দুখ, সকল করিনু
ভোগ। আর না করিব, আঁখির আড়, রহিব
একই যোগ॥ খাইতে শুইতে, তিলেক
পলকে, আর না যাইব ঘর। কলঙ্কিনী করি,
খেয়াতি হৈয়াছে, আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে, বিভোর হইয়া, পড়িল
শ্যামের কোরে। জ্ঞানদাস কহে, রসিক
নাগর, ভাসিল নয়ান লোরে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব সম্মিলন।
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন হে পরাণ পিয়া। চির দিন
পরে, পাইয়াছি লাগ, আর না দিব
ছাড়িয়া॥ তোমায় আমায়, একই পরাণ,
ভালে সে জানিয়ে আমি। হিয়ায় হৈতে,
বাহির হইয়া, কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার, মরমের দুখ, সকল করিনু
ভোগ। আর না করিব, আঁখির আড়, রহিব
একই যোগ॥ খাইতে শুইতে, তিলেক
পলকে, আর না যাইব ঘর। কলঙ্কিনী করি,
খেয়াতি হৈয়াছে, আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে, বিভোর হইয়া, পড়িল
শ্যামের কোরে। জ্ঞানদাস কহে, রসিক
নাগর, ভাসিল নয়ান লোরে॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব-সম্মিলন
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন ওহে পরাণ পিয়া।
চির দিন পরে, পাইয়াছি লাগ,
আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু
তোমায় আমায়, একই পরাণ,
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হৈতে, বাহির হইয়া,
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার, মরমের দুখ,
সকল করিনু ভোগ।
আর না করিব, আঁখির আড়,
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে, তিলেক পলকে,
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি, খেয়াতি হৈয়াছে,
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে, বিভোর হইয়া,
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে, রসিক নাগর,
ভাসিল নয়ান লোরে॥
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন ওহে পরাণ পিয়া।
চির দিন পরে, পাইয়াছি লাগ,
আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু
তোমায় আমায়, একই পরাণ,
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হৈতে, বাহির হইয়া,
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার, মরমের দুখ,
সকল করিনু ভোগ।
আর না করিব, আঁখির আড়,
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে, তিলেক পলকে,
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি, খেয়াতি হৈয়াছে,
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে, বিভোর হইয়া,
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে, রসিক নাগর,
ভাসিল নয়ান লোরে॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, ভাবোল্লাস, ২৫৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শুন শুন হে পরাণ-পিয়া।
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া ॥ ধ্রু॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান-লোরে॥
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া ॥ ধ্রু॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান-লোরে॥
টীকা---
পাইয়াছি লাগি --- তোমার সঙ্গ পাইয়াছি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া কিরূপে আছিলা তুমি --- আমার হৃদয়েতেই তোমার স্থান, সেখান হইতে বাহির হইয়া তুমি কেমন বা ছিলা।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৫৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
পাইয়াছি লাগি --- তোমার সঙ্গ পাইয়াছি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া কিরূপে আছিলা তুমি --- আমার হৃদয়েতেই তোমার স্থান, সেখান হইতে বাহির হইয়া তুমি কেমন বা ছিলা।
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ২৫৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাব-সম্মিলন।
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন ওহে পরাণ পিয়া।
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগ
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ার হৈতে বাহির হইয়া
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার মরণের দুখ
সকল করিনু ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান লোরে॥
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন ওহে পরাণ পিয়া।
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগ
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ার হৈতে বাহির হইয়া
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার মরণের দুখ
সকল করিনু ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান লোরে॥
এই পদটি ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত বিভূতিভূষণ মিত্র সম্পাদিত “কাব্য-রত্নমালা” গ্রন্থের, মিলন, ২৩৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন ওহে পরাণ-পিয়া।
চিরদিন পরে, পাইয়াছি লাগ,
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায়, একই পরাণ,
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হৈতে, বাহির হইয়া,
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার, মরমের দুখ,
সকল করিনু ভোগ।
আর না করিব, আঁখির আড়,
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে, তিলেক পলকে,
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি, খেয়াতি হৈয়াছে,
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে, বিভোর হইয়া,
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে, রসিক নাগর,
ভাসিল নয়ান লোরে॥
শুন শুন ওহে পরাণ-পিয়া।
চিরদিন পরে, পাইয়াছি লাগ,
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায়, একই পরাণ,
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হৈতে, বাহির হইয়া,
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার, মরমের দুখ,
সকল করিনু ভোগ।
আর না করিব, আঁখির আড়,
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে, তিলেক পলকে,
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি, খেয়াতি হৈয়াছে,
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে, বিভোর হইয়া,
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে, রসিক নাগর,
ভাসিল নয়ান লোরে॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, নিকুঞ্জ-মিলন, ৪৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন ওহে পরাণ পিয়া।
চির দিন পরে পাঞাছি লাগ
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হৈতে বাহির হইয়া
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার মরমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়ল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান লোরে॥
শুন শুন ওহে পরাণ পিয়া।
চির দিন পরে পাঞাছি লাগ
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হৈতে বাহির হইয়া
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার মরমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়ল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান লোরে॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৪৫৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
আত্ম-নিবেদন
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন হে পরাণপিয়া।
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ানলোরে॥
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন হে পরাণপিয়া।
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ানলোরে॥
এই পদটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৪র্থ খণ্ড এর ৩৯৬ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে। গ্রন্থটি আমাদের দিয়েছিলেন রায়বাহাদুর খগেন্দ্রনাথ মিত্রর দৌহিত্রী শ্রীমতী মঞ্জু মিত্র, ৫.১.২০১৮ তারিখে।
॥ শ্রীরাগ - দুঠুকী॥
শুনহে পরাণ পিয়া।
চিরদিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকলি করিনু ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িলা শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ন লোরে॥
শুনহে পরাণ পিয়া।
চিরদিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকলি করিনু ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িলা শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ন লোরে॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ২৯৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ শ্রীরাগ॥
শুন শুন হে পরাণ-পিয়া।
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান-লোরে॥
শুন শুন হে পরাণ-পিয়া।
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥ ধ্রু॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান-লোরে॥
এই পদটি ১৩৬৮ বঙ্গাব্দে (১৯৬১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত, এবং পূর্ণেন্দুশেখর পত্রী দ্বারা সজ্জিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদরত্নাবলী” ১ম সংস্করণের ২৩২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শুন শুন হে পরান-পিয়া।
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায় একই পরান
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান-লোরে॥
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায় একই পরান
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান-লোরে॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমানবিহারী মজুমদার সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন "পাঁচশত বত্সরের পদাবলী ১৪১০-১৯১০" এর ১৯২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শুন হে পরাণ পিয়া।
চিরদিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায় একই পরান
ভাল সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিনু ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতেশুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ন লোরে॥
চিরদিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায় একই পরান
ভাল সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিনু ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতেশুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ন লোরে॥
এই পদটি ১৯৬১ সালে প্রকাশিত বিমান বিহারী মজুমদার সম্পাদিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “ষোড়শ শতাব্দীর পদাবলী-সাহিত্য” এর ৫২৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাবোল্লাস ও প্রেমবৈচিত্ত্য।
শুন হে পরাণ পিয়া।
চিরদিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায় একই পরান
ভাল সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকলি করিনু ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ন লোরে॥
শুন হে পরাণ পিয়া।
চিরদিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায় একই পরান
ভাল সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কিরূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকলি করিনু ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ন লোরে॥
এই পদটি ১৯৭৭ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পরিষদ দ্বারা প্রকাশিত, ডঃ দেবনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদসঙ্কলন" গ্রন্থের এর ২২৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
ভাবোল্লাস ও নিবেদন
শুন শুন হে পরাণ পিয়া।
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান লোরে॥
শুন শুন হে পরাণ পিয়া।
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ান লোরে॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৫৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শুন শুন হে পরাণপিয়া।
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ানলোরে॥
*********************
শুন শুন হে পরাণপিয়া।
চির দিন পরে পাইয়াছি লাগি
আর না দিব ছাড়িয়া॥
তোমায় আমায় একই পরাণ
ভালে সে জানিয়ে আমি।
হিয়ায় হইতে বাহির হইয়া
কি রূপে আছিলা তুমি॥
যে ছিল আমার করমের দুখ
সকল করিলুঁ ভোগ।
আর না করিব আঁখির আড়
রহিব একই যোগ॥
খাইতে শুইতে তিলেক পলকে
আর না যাইব ঘর।
কলঙ্কিনী করি খেয়াতি হৈয়াছে
আর কি কাহাকে ডর॥
এতহুঁ কহিতে বিভোর হইয়া
পড়িল শ্যামের কোরে।
জ্ঞানদাস কহে রসিক নাগর
ভাসিল নয়ানলোরে॥
*********************
