কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
শ্যাম রূপ হিয়ার মাঝে জাগে
শ্যাম-রূপ হিয়ার মাঝে জাগে
কবি জ্ঞানদাস
শ্যাম-রূপ হিয়ার মাঝে জাগে
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি আনুমানিক ১৭৫০ সালে, বৈষ্ণবদাস (গোকুলানন্দ সেন) সংকলিত এবং সতীশচন্দ্র রায় সম্পাদিত শ্রীশ্রীপদকল্পতরু গ্রন্থের ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের ( ১৯২৭ সাল ) ৪র্থ খণ্ড, ৪র্থ শাখা, ২৯শ পল্লব, শ্রীরাধার রূপ, ২৪৫৭ নং পদসংখ্যা, ২৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তথা রাগ॥
শ্যাম-রূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণি ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ওই রূপে আছে কি মাধুরি।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতি মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনি।
ঘরাণে পরাণ সহ করে উমতিনি॥
তাহে হাসি কয় কথা খানি।
অমিয়া বমিয়া বিধুর পড়ল অবনি॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিক-মণি॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ ইমন॥
শ্যাম রূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণী ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ঐ রূপে আছে কি মাধুরী।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতী মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনী।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনী॥
তাহে হাসি কয় কথা খানি।
অমিয়া রমিয়া বিধুর পড়িল অবনী॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিক মণি॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৭৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ ইমন॥
শ্যাম রূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণী ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ঐ রূপে আছে কি মাধুরী।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতী মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনী।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনী॥
তাহে হাসি কয় কথা খানি।
অমিয়া রমিয়া বিধুর পড়িল অবনী॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিকমণি॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ ইমন॥
শ্যাম রূপ হিয়ার মাঝে জাগে। কত
অনুরাগিণী ঝুরে অনুরাগে॥ কিয়ে রূপ
মনোহর রায়। যাচিয়া যৌবন দিতে কুল-
বতী ধায়॥ ঐ রূপে আছে কি মাধুরী।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥ তাহে
আর ধরে নানা বেশ। কি করিবে যুবতী
মজিল সব দেশ॥ রূপে আছে ঔষধ
মোহিনী। পরাণে পরাণসহ করে উমতিনী॥
তাহে হাসি কয় কথা খানি। অমিয়া রমিয়া
বিধূর পড়িল অবনী॥ জ্ঞানদাস কহে শুন
ধনি। কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিকমণি॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ইমন॥
শ্যামরূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণী ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ঐ রূপে আছে কি মাধুরী।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতী মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনী।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনী॥
তাহে হাসি কয় কথাখানি।
অমিয়া রমিয়া বিধুর পড়িল অবনী॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিক মণি॥
এই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ৫০১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপানুরাগ
॥ শ্রীরাগ - তেওট॥
শ্যামরূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণী ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর তায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ঐ রূপে আছে কি মাধুরী।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতী মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনী।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনী॥
তাহে হাসি কয় কথা খানি।
অমিয়া রমিয়া বিধুর পড়িল অমনি॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিকমণি॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রূপানুরাগ, ১৩৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্যামরূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিনী ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ওই রূপে আছে কি মাধুরি।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতি মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনী।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনি॥
তাহে হাসি কয় কথা খানি।
অমিয়া বমিয়া বিধু পড়ল অবনি॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিক-মণি॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৮৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ ইমন॥
শ্যামরূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণী ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ঐ রূপে আছে কি মাধুরী।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতী মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনী।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনী॥
তাহে হাসি কয় কথাখানি।
অমিয়া রমিয়া বিধুর পড়িল অবনী॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিকমণি॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রাধার পূর্ব্ব-রাগ, ৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ইমন॥
শ্যাম-রূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণী ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ঐ রূপে আছে কি মাধুরী।
মদন-মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে কুল-বতী মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনী।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনী॥
তাহে হাসি কয় কথা খানি।
অমিয়া রমিয়া বিধুর পড়িল অবনী॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিক-মণি॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৩৮৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তথারাগ॥
শ্যামরূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণি ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ওই রূপে আছে কি মাধুরি।
মদনমুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতি মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনি।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনি॥
তাহে হাসি কয় কথাখানি।
অমিয়া বমিয়া বিধু পড়ল অবনি॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিকমণি॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ॥
শ্যাম-রূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণি ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ওই রূপে আছে কি মাধুরি।
মদন-মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতি মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনি।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনি॥
তাহে হাসি কয় কথাখানি।
অমিয়া বমিয়া বিধু পড়ল অবনি॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিক-মণি॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৬০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্যামরূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণি ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ওই রূপে আছে কি মাধুরী।
মদনমুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতি মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনি।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনি॥
তাহে হাসি কয় কথাখানি।
অমিয়া বমিয়া বিধু পড়ল অবনি॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিকমণি॥
*********************
শ্যাম-রূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণি ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ওই রূপে আছে কি মাধুরি।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতি মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনি।
ঘরাণে পরাণ সহ করে উমতিনি॥
তাহে হাসি কয় কথা খানি।
অমিয়া বমিয়া বিধুর পড়ল অবনি॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিক-মণি॥
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ২১-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ ইমন॥
শ্যাম রূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণী ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ঐ রূপে আছে কি মাধুরী।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতী মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনী।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনী॥
তাহে হাসি কয় কথা খানি।
অমিয়া রমিয়া বিধুর পড়িল অবনী॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিক মণি॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৭৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ ইমন॥
শ্যাম রূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণী ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ঐ রূপে আছে কি মাধুরী।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতী মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনী।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনী॥
তাহে হাসি কয় কথা খানি।
অমিয়া রমিয়া বিধুর পড়িল অবনী॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিকমণি॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১২৬ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
নায়িকার পূর্ব্বরাগ
॥ ইমন॥
শ্যাম রূপ হিয়ার মাঝে জাগে। কত
অনুরাগিণী ঝুরে অনুরাগে॥ কিয়ে রূপ
মনোহর রায়। যাচিয়া যৌবন দিতে কুল-
বতী ধায়॥ ঐ রূপে আছে কি মাধুরী।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥ তাহে
আর ধরে নানা বেশ। কি করিবে যুবতী
মজিল সব দেশ॥ রূপে আছে ঔষধ
মোহিনী। পরাণে পরাণসহ করে উমতিনী॥
তাহে হাসি কয় কথা খানি। অমিয়া রমিয়া
বিধূর পড়িল অবনী॥ জ্ঞানদাস কহে শুন
ধনি। কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিকমণি॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ২০৫-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ইমন॥
শ্যামরূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণী ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ঐ রূপে আছে কি মাধুরী।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতী মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনী।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনী॥
তাহে হাসি কয় কথাখানি।
অমিয়া রমিয়া বিধুর পড়িল অবনী॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিক মণি॥
এই পদটি ১৩১৭ বঙ্গাব্দে (১৯১০ সালে) প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ১ম খণ্ড এর ৫০১ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
রূপানুরাগ
॥ শ্রীরাগ - তেওট॥
শ্যামরূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণী ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর তায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ঐ রূপে আছে কি মাধুরী।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতী মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনী।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনী॥
তাহে হাসি কয় কথা খানি।
অমিয়া রমিয়া বিধুর পড়িল অমনি॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিকমণি॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, রূপানুরাগ, ১৩৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্যামরূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিনী ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ওই রূপে আছে কি মাধুরি।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতি মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনী।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনি॥
তাহে হাসি কয় কথা খানি।
অমিয়া বমিয়া বিধু পড়ল অবনি॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিক-মণি॥
এই পদটি ১৩২৯ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সাল) প্রকাশিত কালীমোহন বিদ্যারত্ন সম্পাদিত পদাবলী সংকলন, “কীর্ত্তন-পদাবলী” এর ১৮৯ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীকৃষ্ণের পূর্ব্বরাগ।
॥ ইমন॥
শ্যামরূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণী ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ঐ রূপে আছে কি মাধুরী।
মদন মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতী মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনী।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনী॥
তাহে হাসি কয় কথাখানি।
অমিয়া রমিয়া বিধুর পড়িল অবনী॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিকমণি॥
এই পদটি ১৩৩১ বঙ্গাব্দে (১৯২৪ সালে) প্রকাশিত দক্ষিণারঞ্জন ঘোষ সম্পাদিত “বৈষ্ণব-গীতাঞ্জলি” গ্রন্থের, রাধার পূর্ব্ব-রাগ, ৬৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ইমন॥
শ্যাম-রূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণী ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ঐ রূপে আছে কি মাধুরী।
মদন-মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে কুল-বতী মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনী।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনী॥
তাহে হাসি কয় কথা খানি।
অমিয়া রমিয়া বিধুর পড়িল অবনী॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিক-মণি॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, ৩৮৩-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ তথারাগ॥
শ্যামরূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণি ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ওই রূপে আছে কি মাধুরি।
মদনমুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতি মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনি।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনি॥
তাহে হাসি কয় কথাখানি।
অমিয়া বমিয়া বিধু পড়ল অবনি॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিকমণি॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৬৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
॥ ॥
শ্যাম-রূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণি ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ওই রূপে আছে কি মাধুরি।
মদন-মুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতি মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনি।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনি॥
তাহে হাসি কয় কথাখানি।
অমিয়া বমিয়া বিধু পড়ল অবনি॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিক-মণি॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৬০ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্যামরূপ হিয়ার মাঝে জাগে।
কত অনুরাগিণি ঝুরে অনুরাগে॥
কিয়ে রূপ মনোহর রায়।
যাচিয়া যৌবন দিতে কুলবতী ধায়॥
ওই রূপে আছে কি মাধুরী।
মদনমুগধি কত মরে ঝুরি ঝুরি॥
তাহে আর ধরে নানা বেশ।
কি করিবে যুবতি মজিল সব দেশ॥
রূপে আছে ঔষধ মোহিনি।
পরাণে পরাণ সহ করে উমতিনি॥
তাহে হাসি কয় কথাখানি।
অমিয়া বমিয়া বিধু পড়ল অবনি॥
জ্ঞানদাস কহে শুন ধনি।
কুলের ঘুচাইল মূল ভজ রসিকমণি॥
*********************
